খুঁজুন
, ,

গোপন কথা চেপে রাখতে পারেন না?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
গোপন কথা চেপে রাখতে পারেন না?

এমন কোনও কথা আপনার কানে এল, যা কাউকে বলা যাবে না। আপনি প্রতিশ্রুতিও দিলেন, ‘কাকপক্ষীতেও টের পাবে না! কিন্তু কিছু সময় যেতেই অস্বস্তি শুরু হলো।

মনে হতে লাগল, কাউকে না বললে যেন শান্তি মিলছে না। শেষ পর্যন্ত আর চেপে রাখতে না পেরে অন্য কাউকে বলে ফেললেন সেই গোপন কথাই।

এই অভিজ্ঞতা অনেকের কাছেই পরিচিত। কিন্তু কেন এমন হয়? কেন কেউ কেউ গোপন কথা সহজে চেপে রাখতে পারেন না?

মনোবিজ্ঞান বলছে, এর পেছনে রয়েছে মানসিক চাপ, আবেগের দ্বন্দ্ব এবং নিজের ভেতরের অস্বস্তি।

এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন মনোবিদরা।
তাদের মতে, গোপন কথা চেপে রাখা মানে শুধু চুপ করে থাকা নয়, এটি এক ধরনের মানসিক ভারও তৈরি করে।

কারও গোপন কথা জানার অর্থ হলো একটি দায়িত্ব বহন করা। কেউ যদি সেই দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারেন, তাকে ভরসাযোগ্য মনে করা হয়। আর যিনি পারেন না, তার প্রতি আস্থাও কমে যেতে পারে।
মনোবিদের জানালেন, অনেক সময় মানুষ একইসঙ্গে দুটি বিপরীত অনুভূতির মধ্যে পড়ে যান। একদিকে তিনি কথাটি গোপন রাখতে চান, অন্যদিকে সেটি অন্য কারও সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার প্রবল ইচ্ছা তৈরি হয়। মনোবিজ্ঞানে এই অবস্থাকে বলা হয় ‘কগনিটিভ ডিসোন্যান্স’।

উদাহরণ হিসেবে, ধরুন দু’জন মানুষ সম্পর্কে রয়েছেন। একজন চান সম্পর্কটি গোপন থাকুক, অন্যজন আনন্দের খবরটি কাছের মানুষদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চান। কিন্তু সঙ্গীর ইচ্ছার প্রতি সম্মান দেখিয়ে চুপ থাকছেন। এই টানাপড়েনই মানসিক অস্বস্তি তৈরি করে।

বিশেষজ্ঞদের বলছেন, কোনও গোপন বিষয় নিয়ে দীর্ঘ সময় ভাবতে থাকলে তা দৈনন্দিন জীবনেও প্রভাব ফেলতে পারে। বাড়তে পারে উদ্বেগ, অপরাধবোধ এবং মানসিক চাপ। অনেকের কাছে এই চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে মনের ভার কমাতেই তারা কাউকে না কাউকে কথাটি বলে ফেলেন।

গোপন কথা বলে ফেলার পর অনেকেই এক ধরনের স্বস্তি অনুভব করেন। কারণ তখন আর নিজেকে আটকে রাখতে হয় না। নিজের ভেতরের দ্বন্দ্বও কিছুটা কমে যায়।

বিশেষজ্ঞরা সতর্কও করছেন। আবেগের বশে সব কথা সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া ঠিক নয়। হঠাৎ বলা কোনও গোপন কথা সম্পর্কের ক্ষতি করতে পারে বা নতুন সমস্যার জন্ম দিতে পারে। তাই কোথায়, কাকে এবং কতটা বলা উচিত, সেই সচেতনতা থাকাও জরুরি।

মনোবিদদের মতে, মনকে হালকা রাখতে বিশ্বস্ত কারও সঙ্গে কথা বলা যেমন প্রয়োজন, তেমনি নিজের ও অন্যের নিরাপত্তা ও বিশ্বাসের জায়গা রক্ষা করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

ফরিদপুরে ‘গাঙচিল সাহিত্য আসর’ অনুষ্ঠিত

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ‘গাঙচিল সাহিত্য আসর’ অনুষ্ঠিত

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফরিদপুরে কবি, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের অংশগ্রহণে ‘গাঙচিল সাহিত্য আসর’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের আলিপুর এলাকার সোহাগ ভিলায় এ সাহিত্য আসরের আয়োজন করা হয়।

​গাঙচিল সাহিত্য আসরের সভাপতি মোহাম্মদ ইয়ারাদ হোসেন রিয়াদ (বন্ধু রিয়াদ)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কবি আব্দুর রাজ্জাক রাজা। সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হোসেন মোল্লার আমন্ত্রণে আয়োজিত এই আসরে জেলার প্রায় ৪১ জন কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমী অংশ নেন।

​দিনটি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি, গান পরিবেশন এবং সাহিত্য বিষয়ক নানা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

​অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— মো. বাহারুল ইসলাম (বাহার), মো. ইকবাল হোসেন, অধ্যাপক রোকেয়া বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিনুর রহমান ফরিদ, শাহনাজ পারভিন, ডা. হাফিজুর রহমান হাফিজ, সালমা ইসলাম, পলাশ নন্দী, যুগল কুমার দাস মিলন, আফরোজ জাহান পপি, আবিদা সুলতানা, ডা. হাসিনা বেগম, বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুদ্দীন শেখ, সুস্মিতা দাস, ঋষিতা দাস, সুমা সাহা, সিথী সাহা, রেজা হক, মিরাজ-ই-কবির খোকন, ইফরাজ হোসেন সায়ান, ইকারাদ হোসেন, মো. আক্তার হোসেন রিয়াদ, মো. শাহজাহান সরদার, আবু জাফর, মো. আব্দুছ ছামাদ, অজয় দাস তালুকদার, পারভীন, বাবল সরকার, সজল সিকদার বিদ্যুৎ, ফরিদ আহমেদ, শালমান শরিফ, দেবাশীষ মৌলি ও রোকিয়া হকসহ স্থানীয় গুণীজনেরা।

​আয়োজকরা জানান, নিয়মিত সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে স্থানীয় কবি-সাহিত্যিকদের মেলবন্ধন সুদৃঢ় করা এবং সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করাই ‘গাঙচিল সাহিত্য আসর’-এর মূল লক্ষ্য।

ফরিদপুরে নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারের দায়ে ৬ পরিবহনকে জরিমানা

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারের দায়ে ৬ পরিবহনকে জরিমানা

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ফরিদপুরে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারের দায়ে ছয়টি পরিবহনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

​মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার ফরিদপুর-মাগুরা মহাসড়কের বদরপুর-সালথা রাস্তার মোড় এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

​‘শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্ব মূলক প্রকল্প’-এর আওতায় পরিচালিত এ অভিযানে ৬টি পরিবহনের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়ের পাশাপাশি যানবাহনগুলো থেকে ১১টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়।

​ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিচারিক দায়িত্ব পালন করেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজীন ইকো। অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. জিহাদ হোসেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ছিলেন ফরিদপুর জেলার আনসার সদস্যরা।

​পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিবেশ সুরক্ষায় ও ক্ষতিকর শব্দদূষণ নিরসনে এ ধরনের অভিযান জেলা জুড়ে অব্যাহত থাকবে।

মন খারাপ? কয়েক মিনিটেই মন হবে ফুরফুরে

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৬ পূর্বাহ্ণ
মন খারাপ? কয়েক মিনিটেই মন হবে ফুরফুরে

নানা কারণে আমাদের প্রায়ই মন খারাপ থাকে, এর প্রভাব পড়ে পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে আমাদের আচরণে। অনেক সময় কাজেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

তাহলে এই মন খারাপকে দ্রুত বিদায় জানাতে কী করা যেতে পারে? বিশেষজ্ঞরা বলেন, কয়েকটি কাজ করলেই মাত্র কয়েক মিনিটে মন ভালো করা সম্ভব:
* ক্যাফেইন আমাদের মুড অনেকটাই ভালো করতে পারে।

* বন্ধুদের সঙ্গে মন খুলে কথা বলুন।

এতে মন হালকা হবে।
* গান শোনা মন ভালো করার অন্যতম কার্যকর উপায়।

* একটানা অনেকক্ষণ কাজ করলে মেজাজ খারাপ হতে পারে। তাই কিছুটা সময় বিরতি নিয়ে হাঁটাহাঁটি করে আসুন।

* কাছের কারও সঙ্গে নিজের সমস্যা ও অনুভূতিগুলো শেয়ার করুন।

* হাসির কোনো অনুষ্ঠান বা ওয়েব সিরিজ দেখতে পারেন। হাসতে হাসতেই মন ভালো হয়ে যাবে।

* সকালে যোগাসন ও নিয়মিত ব্যায়াম মুড ভালো রাখতে এবং মনকে প্রাণবন্ত রাখতে সাহায্য করতে পারে।