খুঁজুন
, ,

ঘুমের সময় উত্তরমুখী মাথা—কেন নিষেধাজ্ঞা আছে?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:১০ পূর্বাহ্ণ
ঘুমের সময় উত্তরমুখী মাথা—কেন নিষেধাজ্ঞা আছে?

আমাদের উপমহাদেশের অনেক পরিবারেই এখনো একটি বিষয় খুব গুরুত্ব দিয়ে মানা হয়। তা হলো ঘুমানোর সময় কখনোই উত্তর দিকে মাথা রাখা যাবে না। বাড়ির বয়োজ্যেষ্ঠরা এটি পরামর্শ হিসেবে নয়, প্রায় নিয়মের মতো করেই বলে থাকেন।

অনেকের কাছে এটি নিছক কুসংস্কার মনে হলেও এই ধারণার পেছনে রয়েছে বাস্তুশাস্ত্রভিত্তিক চিন্তা এবং মানুষের শরীর নিয়ে দীর্ঘদিনের পর্যবেক্ষণ।

এই বিশ্বাসের মূল কথা হলো সামঞ্জস্য। অর্থাৎ শরীর ও প্রকৃতির শক্তির মধ্যে ভারসাম্য রাখা।

পৃথিবীর চৌম্বক শক্তি ও মানবদেহ

পৃথিবী নিজেই একটি বিশাল চুম্বকের মতো কাজ করে। এর চৌম্বক শক্তির প্রবাহ উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে যায়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, মানবদেহের মাথাকে ধরা হয় ধনাত্মক প্রান্ত এবং পাকে ধরা হয় ঋণাত্মক প্রান্ত।

যখন কেউ উত্তর দিকে মাথা রেখে ঘুমায়, তখন শরীরের এই প্রাকৃতিক মেরু পৃথিবীর চৌম্বক প্রবাহের বিপরীতে অবস্থান করে। এতে শরীরের স্বাভাবিক শক্তি প্রবাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হয়। এর ফল হিসেবে ঘুমে অস্থিরতা, গভীর ঘুম না হওয়া এবং মানসিক ক্লান্তি দেখা দিতে পারে।

প্রাচীনকালে বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা না থাকলেও মানুষ লক্ষ করেছিল, পর্যাপ্ত ঘুমের পরও অনেকেই ক্লান্ত, বিরক্ত বা মনোযোগহীন বোধ করছেন।

কেন মস্তিষ্ক বেশি প্রভাবিত হয়

মানবদেহের সবচেয়ে সংবেদনশীল অঙ্গ হলো মস্তিষ্ক। এতে রক্ত চলাচল বেশি হওয়ায় লৌহ উপাদানের উপস্থিতিও তুলনামূলকভাবে বেশি। তাই মস্তিষ্ক চৌম্বক প্রভাবের প্রতি বেশি সংবেদনশীল বলে মনে করা হয়।

ধারণা করা হয়, উত্তর দিকে মাথা রেখে ঘুমালে রক্ত সঞ্চালন অস্বাভাবিকভাবে মস্তিষ্কের দিকে আকৃষ্ট হতে পারে। দীর্ঘদিন এমন হলে মাথাব্যথা, অস্বস্তিকর স্বপ্ন, দুশ্চিন্তা এবং মনোযোগের সমস্যা তৈরি হতে পারে।

এই কারণেই শিশু, বয়স্ক মানুষ এবং যাদের ঘুমের সমস্যা বা অতিরিক্ত মানসিক চাপ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই দিকনির্দেশনা আরও জোর দিয়ে বলা হয়।

বাস্তুশাস্ত্রে উত্তরের প্রতীকী অর্থ

শুধু শারীরিক দিক থেকেই নয়, বাস্তুশাস্ত্রে উত্তর দিকের একটি প্রতীকী ব্যাখ্যাও রয়েছে। অনেক বিশ্বাস অনুযায়ী, উত্তর দিককে স্থবিরতা ও বিশ্রামের দিক হিসেবে ধরা হয়। এটি সমাপ্তি এবং অতীতের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত।

বাসুশাস্ত্র অনুযায়ী, ঘুম হওয়া উচিত এমন একটি প্রক্রিয়া যা শরীর ও মনকে নতুন শক্তি দেয়। দক্ষিণ বা পূর্ব দিককে তাই বেশি উপযোগী বলা হয়, কারণ এই দিকগুলোকে পুনর্নবীকরণ ও স্থিতিশীলতার সঙ্গে যুক্ত করা হয়।

এই কারণে উত্তর দিকে মাথা রেখে ঘুমাতে নিষেধ করা হয়, ভয়ের কারণে নয়, বরং কার্যকারিতার জন্য।

মানসিক ও আবেগগত প্রভাব

এই বিষয়টির একটি মানসিক দিকও রয়েছে। অনেকেই জানান, উত্তর দিকে মাথা রেখে ঘুমালে তাদের ঘুম বারবার ভেঙে যায়, স্বপ্ন বেশি হয় বা অকারণে অস্বস্তি অনুভূত হয়। তারা হয়তো এর স্পষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করতে পারেন না, কিন্তু শরীর ও মন শান্ত বোধ করে না।

ঘুম শুধু শারীরিক বিশ্রাম নয়, এটি মানসিক প্রক্রিয়ারও সময়। শরীর পুরোপুরি আরাম না পেলে মনও সচল থাকে। দীর্ঘদিন এমন হলে বিরক্তি, অতিরিক্ত চিন্তা এবং মানসিক অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

প্রাচীন অভিজ্ঞতাভিত্তিক জ্ঞান এই বিষয়টি অনেক আগেই বুঝতে পেরেছিল।

কোন দিকগুলো ঘুমের জন্য ভালো

বাসুশাস্ত্র অনুযায়ী, দক্ষিণ দিকে মাথা রেখে ঘুমানো সবচেয়ে ভালো বলে ধরা হয়। এতে শরীর পৃথিবীর চৌম্বক শক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে পারে এবং গভীর ও প্রশান্ত ঘুম হয় বলে বিশ্বাস করা হয়।

পূর্ব দিকও ভালো বলে মনে করা হয়, বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও যাদের মানসিক স্বচ্ছতা দরকার তাদের জন্য। সূর্যোদয়ের দিক হওয়ায় এটি নতুন শুরুর প্রতীক।

পশ্চিম দিককে নিরপেক্ষ বলা হয়। খুব ভালো না হলেও গ্রহণযোগ্য। উত্তর দিককে তবে সবচেয়ে বেশি নিরুৎসাহিত করা হয়।

কুসংস্কার নয়, দীর্ঘদিনের পর্যবেক্ষণ

এই নিয়মগুলো কেবল বিশ্বাস থেকে তৈরি হয়নি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষ লক্ষ করেছে, কোন অভ্যাসে শরীর সতেজ থাকে আর কোনটিতে ক্লান্তি বাড়ে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এই নীতিগুলো গড়ে উঠেছে।

আজও অনেকেই উত্তর দিক বাদ দিয়ে ঘুমানোর দিক পরিবর্তন করার পর কয়েক দিনের মধ্যেই ঘুমের মানে পরিবর্তন অনুভব করেন। এটি বিশ্বাসের কারণে নয়, বরং শরীরের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ার ফল।

বর্তমান সময়ে ঘুমের সমস্যা দিন দিন বাড়ছে। এমন অবস্থায় এই প্রাচীন পরামর্শ নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। ঘুমানোর সময় মাথার দিক বদলাতে কোনো খরচ নেই, ঝুঁকি নেই, বাড়তি কিছু করারও দরকার নেই।

অনেক সময় সুস্থ থাকার জন্য বড় পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না। প্রয়োজন হয় শুধু সামঞ্জস্যের। কখনো কখনো ভালো ঘুম শুরু হয় ওষুধ বা প্রযুক্তি দিয়ে নয়, বরং খুব সাধারণ একটি পরিবর্তন দিয়ে। যেমন ঘুমানোর সময় সঠিক দিকে মাথা রাখা।

সূত্র : Times of India

ফরিদপুরে সাপের কামড়ে ছটফট করছিল শিশু আব্দুল্লাহ, ফকিরের আশ্বাসেই হারিয়ে গেল প্রাণ

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সাপের কামড়ে ছটফট করছিল শিশু আব্দুল্লাহ, ফকিরের আশ্বাসেই হারিয়ে গেল প্রাণ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় বিষাক্ত সাপের কামড়ে সেক আব্দুল্লাহ (৫) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত আব্দুল্লাহ উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নের চর অমরাপুর গ্রামের সেক শাহেদের ছেলে। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল পরিবারের সবার ছোট এবং অত্যন্ত আদরের সন্তান।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ৯টার দিকে বাড়ির পেছনে খেলাধুলা করছিল আব্দুল্লাহ। এ সময় একটি কংক্রিটের স্ল্যাবের নিচে থাকা বিষাক্ত সাপ তার পায়ে কামড় দেয়। কামড় খাওয়ার পর শিশুটি বাড়িতে এসে মাকে জানায়, তাকে ‘ব্যাঙে কামড় দিয়েছে’। প্রথমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে না নেওয়ায় পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে নিয়ে যান, যিনি নিজেকে ঝাড়ফুঁক ও চিকিৎসাজ্ঞানসম্পন্ন বলে পরিচয় দেন।

শিশুটির চাচি আখি আক্তার জানান, স্থানীয় শহীদ ফকির নামে এক ব্যক্তির কাছে নেওয়ার পর তিনি কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলেন, এটি সাপের কামড় নয়। তার কথায় আশ্বস্ত হয়ে কিছু সময় সেখানে কাটানো হয়। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই আব্দুল্লাহর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে শুরু করে।

পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও দুপুরের দিকে শিশুটি মারা যায়।

গাজিরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “প্রথমে শিশুটিকে স্থানীয় এক ফকিরের কাছে নেওয়া হয়েছিল। পরে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।”

আব্দুল্লাহর অকাল মৃত্যুতে পরিবারজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো চর অমরাপুর গ্রাম। প্রতিবেশীরাও এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

নগরকান্দায় স্ত্রীর তালাকের এক সপ্তাহ পর শ্বশুরবাড়িতে ঝুলছিল জামাতার মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় স্ত্রীর তালাকের এক সপ্তাহ পর শ্বশুরবাড়িতে ঝুলছিল জামাতার মরদেহ

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে শ্বশুরবাড়িতে এসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আব্দুল কারিম মুন্সী (৪২) নামে এক ব্যক্তি।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার চরযশোরদী ইউনিয়নের আলগাদিয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল কারিম মুন্সী ভাঙ্গা উপজেলার কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের মৃত জালাল মুন্সীর ছেলে। তিনি নগরকান্দার আলগাদিয়া গ্রামের বাসিন্দা ওমর আলী শেখের জামাতা ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল কারিম ও তার স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং কোনো স্থায়ী পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। এসব কারণে তাদের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি লেগেই থাকত। একপর্যায়ে কোরবানির ঈদের প্রায় এক সপ্তাহ আগে তার স্ত্রী একতরফাভাবে তাকে তালাক দেন।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের ধারণা, তালাকের পর থেকেই আব্দুল কারিম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। ঘটনার আগের রাতে তিনি শ্বশুরবাড়িতে আসেন। পরে শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় শ্বশুর ওমর আলী শেখের টিনশেড বসতঘরের সিঁড়ির আড়ার সঙ্গে দড়ি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে খবর পেয়ে নগরকান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানি আজাদ জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফরিদপুরে রাতে স্বামীর সাথে ঝগড়া, ভোরে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে রাতে স্বামীর সাথে ঝগড়া, ভোরে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ

ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নে শ্বশুরের সেবাযত্নকে কেন্দ্র করে স্বামীর সঙ্গে বিরোধের জেরে রিমা আক্তার (৩৩) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (২০ জুন) ভোরে সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়াজউদ্দিন মুন্সির ডাঙ্গী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রিমা আক্তার ওই এলাকার শাহেদ আলীর স্ত্রী। তিনি দুই সন্তানের জননী ছিলেন। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রিমার শ্বশুর জহির উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছেন। তাকে দেখাশোনা ও সেবাযত্ন করার বিষয় নিয়ে প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হতো।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় শ্বশুরের দেখভাল করা নিয়ে রিমা আক্তার ও তার স্বামী শাহেদ আলীর মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে রিমা আক্তার স্বামীকে বিভিন্ন কথা বলেন। পরে রাতের খাবার খেয়ে স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন।

পরদিন শনিবার ভোরে শাহেদ আলী ঘুম থেকে উঠে ঘরের বাইরে গেলে ওই সুযোগে রিমা আক্তার ঘরের বাঁশের ধরনার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।কিছুক্ষণ পর তার মেয়ে সাবিহা (৯) মাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। পরে শাহেদ আলী ওড়না কেটে তাকে নিচে নামালেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খায়রুল বাশার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে এসআই খায়রুল বাশার বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”