খুঁজুন
, ,

সবচেয়ে সুখী সম্পর্কের মানুষেরা প্রতি সপ্তাহে যে ৫ কাজ করেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ৭:৩৬ পূর্বাহ্ণ
সবচেয়ে সুখী সম্পর্কের মানুষেরা প্রতি সপ্তাহে যে ৫ কাজ করেন?

একটি সুখী সম্পর্কের চাবিকাঠি কি কেবল বড় বড় উপহার বা জমকালো আয়োজন? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মোটেও না। বরং ছোট ছোট কিছু অভ্যাস বা ‘রিচুয়াল’ একটি সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদী ও আনন্দময় করে তুলতে পারে। সম্পর্কের গবেষক এবং থেরাপিস্টদের মতে, সুখী দম্পতিরা প্রতি সপ্তাহে এমন কিছু কাজ করেন যা তাদের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।

আপনার সম্পর্কের সতেজতা ধরে রাখতে প্রতি সপ্তাহে যে পাঁচটি কাজ করতে পারেন:

১. সম্পর্কের খোঁজখবর নেওয়া (রিলেশনশিপ চেক-ইন)

সুখী দম্পতিরা ঝগড়া বা বড় কোনো সমস্যার জন্য অপেক্ষা করেন না। তারা প্রতি সপ্তাহে নির্দিষ্ট একটি সময়ে বসে একে অপরের অনুভূতির খোঁজ নেন। থেরাপিস্টদের মতে, এই সময়ে দম্পতিরা আলোচনা করেন গত এক সপ্তাহে তাদের সম্পর্কের কোন দিকগুলো ভালো ছিল এবং কোথায় আরও উন্নতির সুযোগ আছে। এটি কেবল সমস্যা সমাধানের জন্য নয়, বরং একে অপরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং সমর্থনের জায়গাটুকু নিশ্চিত করার জন্য একটি শক্তিশালী মাধ্যম।

২. একসাথে আনন্দ বা খেলায় মেতে ওঠা

খেলাধুলা বা নির্মল আনন্দ সম্পর্কের অন্তরঙ্গতা বাড়াতে জাদুর মতো কাজ করে। হতে পারে সেটি একসাথে কোনো মজার কাজ করা, রান্নার সময় নাচা কিংবা কাল্পনিক কোনো ছুটির পরিকল্পনা করা। গবেষণা বলছে, এই ধরনের চপলতা বা ‘প্লেফুলনেস’ মানসিক চাপ কমায় এবং একে অপরের সামনে নিজের আসল সত্তা প্রকাশের সুযোগ করে দেয়।

৩. পরস্পরকে কিছুটা ব্যক্তিগত সময় দেওয়া

একসাথে থাকা মানেই সারাক্ষণ একে অপরের সাথে সেঁটে থাকা নয়। সুখী দম্পতিরা জানেন কখন সঙ্গীকে কিছুটা ব্যক্তিগত সময় বা ‘স্পেস’ দিতে হয়। কখনও ভিন্ন ঘরে বসে আলাদা কাজ করা কিংবা বন্ধুদের সাথে আলাদাভাবে সময় কাটানো সম্পর্কের একঘেয়েমি দূর করতে সাহায্য করে। নিজের ব্যক্তিগত সত্তাকে গুরুত্ব দিলে সঙ্গীর কাছে আরও সতেজভাবে ফিরে আসা সম্ভব হয়।

৪. অর্থবহ ছোট ছোট অভ্যাস তৈরি করা

প্রতিদিনের রুটিনের বাইরেও সুখী দম্পতিরা কিছু ছোট কিন্তু অর্থবহ অভ্যাস গড়ে তোলেন। যেমন: রাতের খাবারের আগে একসাথে মোমবাতি জ্বালানো, বিশেষ কোনো স্মৃতিবিজড়িত খাবার রান্না করা কিংবা একসাথে কয়েক মিনিট নিরিবিলি বসে থাকা। এই অভ্যাসগুলো জটিল হওয়ার প্রয়োজন নেই; বরং এটি সঙ্গীর সাথে একাত্ম হওয়ার একটি সহজ উপায়।

৫. অন্তরঙ্গতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া

শারীরিক ও মানসিক উভয় ধরনের অন্তরঙ্গতা সম্পর্কের জন্য অপরিহার্য। শুধু যৌন সম্পর্কই নয়, বরং সারাদিনের পর সঙ্গীর খোঁজ নেওয়া, গাড়িতে হাত ধরে বসে থাকা কিংবা হঠাৎ কোনো ছোট উপহার দিয়ে চমকে দেওয়া সম্পর্ককে সজীব রাখে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, প্রতিদিন অন্তত কয়েক মিনিট লজিস্টিক বা সাংসারিক আলোচনার বাইরে আবেগীয়ভাবে একে অপরের সাথে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করুন।

পরিশেষে, সবচেয়ে সুখী দম্পতিরা অসাধারণ কিছু করেন না, বরং তারা ছোট ছোট সাধারণ কাজগুলোই নিয়মিত করেন। প্রতি সপ্তাহে করা এই ছোট ছোট প্রচেষ্টাই দীর্ঘ মেয়াদে একটি সুখী ও স্থিতিশীল সম্পর্কের ভিত্তি তৈরি করে।

তথ্যসূত্র: ভেরিওয়েল মাইন্ড

সদরপুরে সড়কে হাতি নিয়ে চাঁদাবাজি, এড়াতে গিয়ে প্রাণ গেল ১০ মাসের শিশুর

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
সদরপুরে সড়কে হাতি নিয়ে চাঁদাবাজি, এড়াতে গিয়ে প্রাণ গেল ১০ মাসের শিশুর

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় সড়কে হাতি নিয়ে বিভিন্ন যানবাহনের কাছ থেকে চাঁদা তোলার সময় চাঁদা এড়াতে গিয়ে একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক উল্টে ১০ মাস বয়সী আরিশা জান্নাত নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা হাতির মাহুতকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার আটরশি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আরিশা জান্নাত পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের গুলবন্দি গ্রামের সজিব মোল্যার মেয়ে।

স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবার জানায়, আরিশা জান্নাতকে চিকিৎসকের কাছে দেখানোর জন্য তার মা ব্যাটারিচালিত একটি ইজিবাইকে করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাচ্ছিলেন। পথে আটরশি এলাকায় বকুল মিয়া (২৪) নামে এক মাহুত হাতি নিয়ে সড়কে বিভিন্ন যানবাহনের কাছ থেকে চাঁদা তুলছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইজিবাইকটি হাতির সামনে পৌঁছালে চালক চাঁদা এড়াতে সড়কের পাশ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় হাতিটি হঠাৎ ঘুরে রাস্তার দিকে চলে এলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং ইজিবাইকটি উল্টে যায়। এতে মায়ের কোলে থাকা শিশু আরিশা গাড়ির নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয়।

স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বিশ্ব জাকের মঞ্জিল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে শিশুটি মারা যায়।

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ জনতা মাহুত বকুল মিয়াকে গণপিটুনি দেয় এবং হাতিটিকে আটকে রাখে। খবর পেয়ে সদরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাহুতকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, আটক মাহুত বকুল মিয়া (২৪) জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মাদারের চর গ্রামের আনিসউদ্দিনের ছেলে।

সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন শাহ বলেন, ঘটনার পর মাহুতকে আটক করা হয়েছে। নিহত শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আটক হাতিটিকে বন বিভাগে হস্তান্তর করার প্রস্তুতি চলছে।

সালথায় হত্যা মামলার আতঙ্ক, পুরুষশূন্য গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীর ওপর হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ণ
সালথায় হত্যা মামলার আতঙ্ক, পুরুষশূন্য গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীর ওপর হামলা

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের কুমারকান্দা গ্রামে পাট কাটাকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূকে মারধর, স্বর্ণের চেইন ছিনতাই এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ আরও ২-৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে সালথা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মোসা. তানিয়া বেগম (২৬)।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দায়ের করা অভিযোগে তানিয়া বেগম উল্লেখ করেন, তার স্বামী ইতালিতে প্রবাসী এবং প্রায় এক বছর আগে শ্বশুর মারা যাওয়ার পর তিনি শাশুড়ি ও সন্তানকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে বসবাস করছেন। তাদের বাড়ির পাশেই অভিযুক্তদের বসবাস।

অভিযোগে বলা হয়, সম্প্রতি এলাকায় একটি হত্যা মামলার পর গ্রেপ্তারের ভয়ে অনেক পুরুষ এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ায় নিজেদের জমির পাট কাটতে অন্য এলাকা থেকে শ্রমিক নিয়ে আসেন তারা। কিন্তু অভিযুক্তরা শ্রমিকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে পাট কাটতে বাধা দেয়। পরে একই দিন সকাল ১০টার দিকে অভিযুক্তরা তাদের বাড়িতে গিয়ে গালিগালাজ শুরু করে। এতে প্রতিবাদ করলে তানিয়া বেগমকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত রুপা বেগম তার গলায় থাকা প্রায় ১০ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় তার ডাক-চিৎকার শুনে শাশুড়ি রেনু বেগম, মা রেবেকা বেগম ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা রাতে এসে হত্যা করার হুমকি দিয়ে চলে যায় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।

লিখিত অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে— ওবায়দুর ফকির, ইয়াছিন ফকির, ইব্রাহিম সরদার, রুপা বেগম ও মিজানুর ফকিরকে।

এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, “ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ফরিদপুরে সবজি বিক্রেতাকে হত্যার দায়ে তিনজনের মৃত্যুদন্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সবজি বিক্রেতাকে হত্যার দায়ে তিনজনের মৃত্যুদন্ড

ফরিদপুরে ফয়সাল শেখ (২২) নামে এক সবজি বিক্রেতাকে হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। ঘটনার প্রায় ১৪ বছর পর মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোহাম্মাদ বদিউজ্জামান এ রায় দেন।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার বাসিন্দা আইয়ুব আলী সরদারের ছেলে চাঁন সরদার (৪২) ও তাবু সরদার (৩৫), এবং জিয়াউল হক আকন্দের ছেলে বাবুল আকন্দ (৩৬)।

রায় ঘোষণার সময় বাবুল আকন্দ উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণা শেষে তাকে পুলিশ পাহাড়ায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। পাশাপাশি পলাতক দুই ভাই চাঁন ও তারার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

আদালত সুত্রে জানা যায়, প্রায় ১৪ বছর আগে ২০১২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনে ফয়সাল শেখকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়। গুরুত্বর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত ফয়সাল ফরিদপুর শহরের মধ্য আলীপুর এলাকার বাসিন্দা মৃত আকু শেখের ছেলে। এ ঘটনার পরেরদিন ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় চাঁন সরদার, তারা সরদারসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের মা ফিরোজা বেগম ৷

মামলার এজহারে তিনি উল্লেখ করেন, ফয়সাল শহরের হাজী শরিয়াতুল্লাহ বাজারের আলীমুজ্জামান বেইলী সেতু সংলগ্ন এলাকার সবজি বিক্রেতা ছিলেন। এছাড়া আসামী চান সরদার আড়তে লেবারের কাজ করতেন। ঘটনার আগে তাঁর ছেলে ফয়সালের সাথে আসামী চান সরদারের মনোমালিন্যের জেরে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে ঘটনার দিন দুপুরে ফয়সাল শেখ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ এলাকায় পৌঁছালে তাকে কৌশলে নির্মাণাধীন ভবনের পাশে ডেকে নিয়ে যায় চান সরদার। সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা অন্য আসামীরা এলোপাতাড়িভাবে মারধর ও ছুরিকাঘাত করে। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালের নেওয়া হলে তাৎক্ষণিক ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যায়।

এ মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন ফরিদপুর সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহজাহান মিয়া। তিনি ২০১৩ সালের ৩১ জুলাই চাঁন সরদার, তারা সরদার, বাবুল আকান্দ ও শাহিন সরদারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
এ মামলার শুনানি চলাকালে শাহিন সরদার (২২) মারা যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) চৌধুরী জাহিদ হাসান বলেন, দীর্ঘ শুনানি ও স্বাক্ষ্য গ্রহণের মধ্যে আদালতে হত্যাকান্ডটি সন্দেহতীতভাব প্রমাণিত হয় এবং তিনজনকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়েছে৷ এ মামলার এজাহারভূক্ত একজন আসামী মারা যাওয়ায় তাকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়। বাকি দুজন পলাতক রয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।