খুঁজুন
, ,

আরাম না অস্বস্তি—কেন শিশুরা ঘুমে লেপ ফেলে দেয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:৪৪ পূর্বাহ্ণ
আরাম না অস্বস্তি—কেন শিশুরা ঘুমে লেপ ফেলে দেয়

শীতে লেপ-কম্বল মুড়ি দিয়ে আরামসে ঘুমাতে কে না ভালোবাসে। তবে অনেক সময়ই দেখা যায়, তীব্র শীতেও বাড়ির ছোট্ট সদস্যটি তার গায়ের লেপ বা কম্বল ফেলে দিচ্ছে। আপনি হয়তো বিষয়টা চোখে পড়ামাত্রই তা আবার টেনে দেন তার গায়ে। ভাবেন, তার বুঝি ঠান্ডা লাগছে। হয়তো সেই দুশ্চিন্তায় আপনি নিজেও বিশ্রাম নিয়ে শান্তি পান না। আদতে শিশুরা কেন এমন আচরণ করে? মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের শিশুবিশেষজ্ঞ এবং সহকারী অধ্যাপক ডা. তাসনুভা খান–এর সঙ্গে কথা বলে জানাচ্ছেন রাফিয়া আলম

তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ

বাড়ন্ত শিশুর বিপাক হার অনেক বেশি থাকে। তাই একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির চেয়ে একটি শিশুর দেহে অনেক বেশি তাপ উৎপন্ন হয়। তাই তার গরম লাগে তুলনামূলক বেশি।

অর্থাৎ যেকোনো তাপমাত্রায় একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির যতটা গরম লাগে, একটি শিশুর গরম লাগে তার চেয়ে বেশি। যে শিশু দিনরাত ছোটাছুটি করছে, তার অল্পতে গরম লাগাও স্বাভাবিক। শীতে লেপ-কম্বল গায়ে দেওয়ার অল্প সময় পর কোনো কোনো শিশু ঘেমেও যায়।

আরও একটি বিষয় এর সঙ্গে যুক্ত। প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির শরীর পরিবেশের তাপমাত্রার পরিবর্তনকে সহজে সামলাতে পারে। শিশুর শরীর আবার সেটা পারে না। তাই যখনই তার একটু বেশি গরম লাগে, তখন সে লেপ, কম্বল বা গরম কাপড় গা থেকে ফেলে দেয়।

ঘুমের ধরন

ঘুমন্ত অবস্থায় একটা লম্বা সময় শিশুদের চোখ জোড়াও নড়াচড়া করে বেশ। ঘুমের এই ধাপকে বলা হয় র‍্যাপিড আই মুভমেন্ট স্লিপ। এ সময় শরীরের পেশিরও নড়াচড়া হয় বেশ।

এ ছাড়া শিশুরা ঘুমের সময় একটু বেশি নড়াচড়া করে। স্বাভাবিকভাবেই ওদের শরীর এই নড়াচড়াটা স্বাধীনভাবে করতে চায়। ভারী লেপ বা কম্বল গায়ের ওপর থাকলে এই নড়াচড়া বাধাগ্রস্ত হয়। তাই ভারী জিনিসটা সরিয়ে দিতে পারে সে ঘুমের ঘোরেই।

কারণ যখন কম্বলেই

শিশুর তুলনায় তার লেপ বা কম্বল অতিরিক্ত ভারী হতে পারে। কিছু কম্বলের তন্তু শিশুর সংবেদনশীল ত্বকের জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে। এসব কারণেও শিশু তা সরিয়ে দিতে পারে।

সমাধান

শিশুকে ফুলহাতা জামা এবং ফুলপ্যান্ট বা পায়জামা পরিয়ে রাখুন রাতে। তাপমাত্রা বুঝে ফ্লানেল বা সুতি কাপড়ের পোশাক বেছে নিন। ঘুমের সময় এসব পোশাকে প্রয়োজনীয় উষ্ণতা পাবে শিশু।

খুব বেশি ঠান্ডা থাকলে ঘুমের সময়ও মাথা ঢেকে এবং মোজা পরিয়ে রাখতে পারেন। তবে শিশু এসবে অস্বস্তিবোধ করলে জোর করবেন না।

শিশুর জন্য আরামদায়ক হালকা লেপ, কম্বল বা কম্ফোর্টারের ব্যবস্থা করুন। প্রয়োজনে এসবের পরিবর্তে একটি বা দুটি হালকা কাঁথাও তার গায়ে দিয়ে দিতে পারেন।

কৃত্রিম তন্তু শিশুর শরীরে সরাসরি স্পর্শ না করলেই ভালো। প্রয়োজনে কম্বলে সুতি কভার ব্যবহার করুন।

মশারির ওপর ভারী কাপড় বিছিয়ে দেওয়া যায়, যাতে লেপ-কম্বল ফেলে দিলেও প্রবল ঠান্ডা বাতাস সরাসরি শিশুর গায়ে কম লাগে। তবে খেয়াল রাখুন, শিশুর মাথা যেদিকে থাকে, সেদিকে ওই ভারী কাপড় রাখা যাবে না।

রাতে দু–একবার শিশুকে স্পর্শ করে দেখতে পারেন। তার দেহের উষ্ণতা অনুভব করুন, ঘেমে যাচ্ছে কি না, খেয়াল করুন। সে অনুযায়ী তার স্বস্তির ব্যবস্থা করুন।

সদরপুরে সড়কে হাতি নিয়ে চাঁদাবাজি, এড়াতে গিয়ে প্রাণ গেল ১০ মাসের শিশুর

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
সদরপুরে সড়কে হাতি নিয়ে চাঁদাবাজি, এড়াতে গিয়ে প্রাণ গেল ১০ মাসের শিশুর

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় সড়কে হাতি নিয়ে বিভিন্ন যানবাহনের কাছ থেকে চাঁদা তোলার সময় চাঁদা এড়াতে গিয়ে একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক উল্টে ১০ মাস বয়সী আরিশা জান্নাত নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় উত্তেজিত জনতা হাতির মাহুতকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার আটরশি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আরিশা জান্নাত পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের গুলবন্দি গ্রামের সজিব মোল্যার মেয়ে।

স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবার জানায়, আরিশা জান্নাতকে চিকিৎসকের কাছে দেখানোর জন্য তার মা ব্যাটারিচালিত একটি ইজিবাইকে করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাচ্ছিলেন। পথে আটরশি এলাকায় বকুল মিয়া (২৪) নামে এক মাহুত হাতি নিয়ে সড়কে বিভিন্ন যানবাহনের কাছ থেকে চাঁদা তুলছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইজিবাইকটি হাতির সামনে পৌঁছালে চালক চাঁদা এড়াতে সড়কের পাশ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় হাতিটি হঠাৎ ঘুরে রাস্তার দিকে চলে এলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং ইজিবাইকটি উল্টে যায়। এতে মায়ের কোলে থাকা শিশু আরিশা গাড়ির নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয়।

স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বিশ্ব জাকের মঞ্জিল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে শিশুটি মারা যায়।

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ জনতা মাহুত বকুল মিয়াকে গণপিটুনি দেয় এবং হাতিটিকে আটকে রাখে। খবর পেয়ে সদরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাহুতকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, আটক মাহুত বকুল মিয়া (২৪) জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মাদারের চর গ্রামের আনিসউদ্দিনের ছেলে।

সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন শাহ বলেন, ঘটনার পর মাহুতকে আটক করা হয়েছে। নিহত শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে এবং তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আটক হাতিটিকে বন বিভাগে হস্তান্তর করার প্রস্তুতি চলছে।

সালথায় হত্যা মামলার আতঙ্ক, পুরুষশূন্য গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীর ওপর হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ণ
সালথায় হত্যা মামলার আতঙ্ক, পুরুষশূন্য গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রীর ওপর হামলা

ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের কুমারকান্দা গ্রামে পাট কাটাকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূকে মারধর, স্বর্ণের চেইন ছিনতাই এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ আরও ২-৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে সালথা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মোসা. তানিয়া বেগম (২৬)।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দায়ের করা অভিযোগে তানিয়া বেগম উল্লেখ করেন, তার স্বামী ইতালিতে প্রবাসী এবং প্রায় এক বছর আগে শ্বশুর মারা যাওয়ার পর তিনি শাশুড়ি ও সন্তানকে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে বসবাস করছেন। তাদের বাড়ির পাশেই অভিযুক্তদের বসবাস।

অভিযোগে বলা হয়, সম্প্রতি এলাকায় একটি হত্যা মামলার পর গ্রেপ্তারের ভয়ে অনেক পুরুষ এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ায় নিজেদের জমির পাট কাটতে অন্য এলাকা থেকে শ্রমিক নিয়ে আসেন তারা। কিন্তু অভিযুক্তরা শ্রমিকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে পাট কাটতে বাধা দেয়। পরে একই দিন সকাল ১০টার দিকে অভিযুক্তরা তাদের বাড়িতে গিয়ে গালিগালাজ শুরু করে। এতে প্রতিবাদ করলে তানিয়া বেগমকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত রুপা বেগম তার গলায় থাকা প্রায় ১০ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় তার ডাক-চিৎকার শুনে শাশুড়ি রেনু বেগম, মা রেবেকা বেগম ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা রাতে এসে হত্যা করার হুমকি দিয়ে চলে যায় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।

লিখিত অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে— ওবায়দুর ফকির, ইয়াছিন ফকির, ইব্রাহিম সরদার, রুপা বেগম ও মিজানুর ফকিরকে।

এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, “ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ফরিদপুরে সবজি বিক্রেতাকে হত্যার দায়ে তিনজনের মৃত্যুদন্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সবজি বিক্রেতাকে হত্যার দায়ে তিনজনের মৃত্যুদন্ড

ফরিদপুরে ফয়সাল শেখ (২২) নামে এক সবজি বিক্রেতাকে হত্যা মামলায় তিনজনের মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। ঘটনার প্রায় ১৪ বছর পর মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফরিদপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোহাম্মাদ বদিউজ্জামান এ রায় দেন।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ফরিদপুর শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকার বাসিন্দা আইয়ুব আলী সরদারের ছেলে চাঁন সরদার (৪২) ও তাবু সরদার (৩৫), এবং জিয়াউল হক আকন্দের ছেলে বাবুল আকন্দ (৩৬)।

রায় ঘোষণার সময় বাবুল আকন্দ উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণা শেষে তাকে পুলিশ পাহাড়ায় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। পাশাপাশি পলাতক দুই ভাই চাঁন ও তারার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

আদালত সুত্রে জানা যায়, প্রায় ১৪ বছর আগে ২০১২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণাধীন ভবনে ফয়সাল শেখকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করা হয়। গুরুত্বর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত ফয়সাল ফরিদপুর শহরের মধ্য আলীপুর এলাকার বাসিন্দা মৃত আকু শেখের ছেলে। এ ঘটনার পরেরদিন ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় চাঁন সরদার, তারা সরদারসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের মা ফিরোজা বেগম ৷

মামলার এজহারে তিনি উল্লেখ করেন, ফয়সাল শহরের হাজী শরিয়াতুল্লাহ বাজারের আলীমুজ্জামান বেইলী সেতু সংলগ্ন এলাকার সবজি বিক্রেতা ছিলেন। এছাড়া আসামী চান সরদার আড়তে লেবারের কাজ করতেন। ঘটনার আগে তাঁর ছেলে ফয়সালের সাথে আসামী চান সরদারের মনোমালিন্যের জেরে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে ঘটনার দিন দুপুরে ফয়সাল শেখ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ এলাকায় পৌঁছালে তাকে কৌশলে নির্মাণাধীন ভবনের পাশে ডেকে নিয়ে যায় চান সরদার। সেখানে ওঁৎ পেতে থাকা অন্য আসামীরা এলোপাতাড়িভাবে মারধর ও ছুরিকাঘাত করে। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালের নেওয়া হলে তাৎক্ষণিক ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যায়।

এ মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন ফরিদপুর সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহজাহান মিয়া। তিনি ২০১৩ সালের ৩১ জুলাই চাঁন সরদার, তারা সরদার, বাবুল আকান্দ ও শাহিন সরদারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
এ মামলার শুনানি চলাকালে শাহিন সরদার (২২) মারা যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) চৌধুরী জাহিদ হাসান বলেন, দীর্ঘ শুনানি ও স্বাক্ষ্য গ্রহণের মধ্যে আদালতে হত্যাকান্ডটি সন্দেহতীতভাব প্রমাণিত হয় এবং তিনজনকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়েছে৷ এ মামলার এজাহারভূক্ত একজন আসামী মারা যাওয়ায় তাকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়। বাকি দুজন পলাতক রয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।