খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৫ চৈত্র, ১৪৩২

আরাম দিচ্ছে এসি, নাকি বাড়াচ্ছে ঝুঁকি? জেনে নিন ৪টি সতর্কতা

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫৯ এএম
আরাম দিচ্ছে এসি, নাকি বাড়াচ্ছে ঝুঁকি? জেনে নিন ৪টি সতর্কতা

ফাগুনের শেষে রোদের তেজ জানান দিচ্ছে গরম আসন্ন। তীব্র গরমে একটু স্বস্তির খোঁজে ঘরে ঘরে এখন এসি চালানোর প্রস্তুতি তুঙ্গে। কিন্তু সাবধান! দীর্ঘ কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর যান্ত্রিক পরীক্ষা না করেই এসি চালু করলে হিতে বিপরীত হতে পারে।

সামান্য ভুল বা অবহেলা আপনার সাধের এসিটিকে নিমেষেই ‘টাইম বম্ব’-এ পরিণত করতে পারে। সাম্প্রতিক অতীতে এসি বিস্ফোরণের একের পর এক মর্মান্তিক ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ কতটা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসি নিরাপদ রাখতে ও দুর্ঘটনা এড়াতে নিচের বিষয়গুলো মেনে চলা জরুরি:

ভোল্টেজ স্টেবিলাইজার নিশ্চিত করা

এসি চালু করার আগে প্রথম ও প্রধান কাজ হলো একটি ভালো মানের ভোল্টেজ স্টেবিলাইজার নিশ্চিত করা। বিশেষ করে আপনার এলাকায় যদি ঘন ঘন লোডশেডিং বা ভোল্টেজের ওঠানামা হয়, তবে স্টেবিলাইজার ছাড়া এসি চালানো কার্যত আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। এটি কেবল যন্ত্রটির আয়ু বাড়ায় না, বরং উচ্চ বৈদ্যুতিক বিভবের ঝাপটা থেকে আপনার বহুমূল্য এসিটিকে সুরক্ষিত রাখে।

পেশাদার টেকনিশিয়ান দিয়ে সার্ভিসিং

দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকার ফলে এসির ভেতরে ধুলোবালি ও ময়লা জমে থাকে। এই অবস্থায় সার্ভিসিং ছাড়া এসি চালিয়ে দিলে কম্প্রেসরের ওপর মারাত্মক চাপ পড়ে। তাই এসি চালানোর আগে অবশ্যই পেশাদার টেকনিশিয়ান ডেকে পূর্ণাঙ্গ সার্ভিসিং করানো বাধ্যতামূলক। মনে রাখবেন, ময়লা ফিল্টার আর জ্যাম হয়ে থাকা কয়েল কেবল বিদ্যুৎ বিলই বাড়ায় না, এটি যান্ত্রিক গোলযোগের প্রধান উৎস হয়ে দাঁড়ায়। ধুলোবালি পরিষ্কার না করে যন্ত্র চালানো মানেই বড় বিপদের ঝুঁকি নেওয়া।

বৈদ্যুতিক তার ও ওয়্যারিং পরীক্ষা

বিস্ফোরণ এড়াতে বৈদ্যুতিক তার বা ওয়্যারিংয়ের দিকে কড়া নজর দেওয়া প্রয়োজন। অনেক সময় দীর্ঘ বিরতির সুযোগে ইঁদুর এসির ভেতরের তার কেটে ফেলে। আবার অনেক সময় সংযোগ আলগা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। এমন ক্ষতিগ্রস্ত তার থেকে শর্ট-সার্কিট হয়ে ভয়াবহ আগুন লাগা বা বিস্ফোরণ ঘটা বিচিত্র নয়। তাই প্লাগ পয়েন্ট থেকে শুরু করে ইনডোর ও আউটডোর ইউনিটের প্রতিটি সংযোগস্থল একবার ভালো করে পরীক্ষা করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

আউটডোর ইউনিটের অবস্থান

এসির আউটডোর ইউনিটটি এমন স্থানে রাখা উচিত যেখানে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের সুযোগ আছে। অনেক সময় বারান্দার সংকীর্ণ কোণে বা রোদের মধ্যে ইউনিটটি থাকলে তা অতিরিক্ত গরম হয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়।

সূত্র : ঢাকা পোস্ট

চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদি আরবে ঈদ শুক্রবার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদি আরবে ঈদ শুক্রবার

সৌদি আরবে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে দেশটিতে ১৪৪৭ হিজরি সনের রমজান মাস ৩০ দিনে শেষ হচ্ছে। আর আগামী শুক্রবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন সৌদিবাসী।

বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে সৌদির চাঁদ দেখার খবর প্রকাশ করেছে খালিজ টাইমস।

খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরব ঘোষণা করেছে যে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। অর্থাৎ দেশটিতে ২০ মার্চ শুক্রবার হবে ঈদুল ফিতর।

আরবি বর্ষপঞ্জিকা অনুযায়ী, রমজান নবম মাস ও শাওয়াল দশম মাস। শাওয়াল মাসের প্রথম দিন ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়।

সূত্র : খালিজ টাইমস

ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যে, বাংলাদেশে কবে?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৯ পিএম
ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যে, বাংলাদেশে কবে?

পবিত্র ঈদুল ফিতর দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে।  ইতোমধ্যে রাজধানী ছেড়ে গ্রামে ফিরছে মানুষ। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থেকেই শুরু হয়েছে সরকারি ছুটি। দেশজুড়ে উৎসবের আমেজ চললেও সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন– ঈদ কবে?

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পবিত্র ঈদুল ফিতর আগামী ২০ মার্চ (শুক্রবার) উদ্‌যাপিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমি সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন, এবার আরব দেশগুলোতে রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

আগামী বুধবার (১৮ মার্চ) আরব বিশ্বের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ফলে শুক্রবার সেখানে ঈদের দিন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্ট আগামী বুধবার সন্ধ্যায় দেশটির নাগরিকদের চাঁদ দেখার আহ্বান জানিয়েছে। যদি বুধবার চাঁদ দেখা যায় তবে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সেখানে ঈদ হবে, অন্যথায় শুক্রবার।

বাংলাদেশে ঈদ কবে?

ভৌগোলিক নিয়মানুযায়ী, বাংলাদেশে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর ঈদ উদ্‌যাপিত হয়। সেই হিসেবে বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি রয়েছে আগামী ২১ মার্চ (শনিবার)।

প্রবাসী থেকে ঘরমুখো মানুষ—সবার নিরাপত্তায় সরকার কাজ করছে: শামা ওবায়েদ

ফরিদপুর ও সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫২ পিএম
প্রবাসী থেকে ঘরমুখো মানুষ—সবার নিরাপত্তায় সরকার কাজ করছে: শামা ওবায়েদ

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে, সে লক্ষ্যে সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে ফরিদপুরের সালথা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে দুস্থ ও অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, “ঈদযাত্রাকে স্বস্তিদায়ক করতে সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক তদারকি জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা নিজ নিজ এলাকায় বাসস্ট্যান্ড, টার্মিনাল ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করছেন। আমাদের লক্ষ্য—সাধারণ মানুষ যেন কোনো ভোগান্তি ছাড়াই নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন এবং পরিবারের সঙ্গে আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারেন।”

দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি মহাসড়কে যানজট নিরসন, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে একটি জটিল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নিবিড়ভাবে কাজ করছে। যারা দেশে ফিরতে ইচ্ছুক কিন্তু এখনো ফিরতে পারেননি, তাদের দ্রুত দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার কার্যক্রমও চলছে। “নিহতদের মধ্যে ইতোমধ্যে একজনের মরদেহ দেশে আনা হয়েছে, বাকিদের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে,”—যোগ করেন তিনি।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে তিনি বলেন, “বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে অস্বাভাবিক কোনো বৃদ্ধি হয়নি এবং জ্বালানি তেলের দামও স্থিতিশীল রয়েছে। সরকার এ বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজেই বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বর, সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াহিদুজ্জামান, ভাইস চেয়ারম্যান আসাদ মাতুব্বরসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।