খুঁজুন
রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৮ চৈত্র, ১৪৩২

সকালের নাশতায় ভাত—ভালো না খারাপ? যা জানালেন পুষ্টিবিদ

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৯ এএম
সকালের নাশতায় ভাত—ভালো না খারাপ? যা জানালেন পুষ্টিবিদ

মাছে বাঙালি প্রবাদটা শুধু বাঙালির জন্যই। বাঙালির খাদ্যাভ্যাসে নানান পদ থাকলেও ভাত তার মধ্যে অনন্য। কেউ দিনের শুরুতে ভাত খেয়ে প্রশান্তি পান, আবার কেউ দিন শেষে ক্ষুধা মেটাতে ভাত খান। অনেকের ধারণা, সকালে পেটভরে খেলে সারাদিন শক্তি পাওয়া যায়। তবে, স্বাস্থ্য সচেতন বাঙালির কাছে একটি প্রশ্ন কিন্তু রয়েই যায়। সকালে ভাত খাওয়া কী আদৌ স্বাস্থ্যকর, নাকি ক্ষতিকর?

এই প্রশ্ন ঘিরে ভিন্নমত আছে পুষ্টিবিদদের মধ্যেই। বিশেষ করে ভাতভিত্তিক খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত মানুষরা সকালে ভাত খাওয়াকে স্বাভাবিক বলেই ধরে নেন। তবে এটি শরীরের জন্য কতটা উপকারী, তা নির্ভর করে বয়স, কাজের ধরন ও স্বাস্থ্যের অবস্থার ওপর। এদিকে, ডায়েটিশিয়ান নেহা পাঠানিয়া জানান, সকালে ভাত খাওয়া একেবারেই নিষিদ্ধ নয়, তবে পরিমাণ ও সঙ্গে থাকা খাবার গুরুত্বপূর্ণ। বেশি ভাত রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বাড়াতে পারে। আবার সঠিক প্রোটিন ও সবজি যুক্ত হলে এটি শক্তির ভালো উৎসও হতে পারে। তাই অভ্যাস নয়, প্রয়োজন বুঝেই সবার খাদ্য তালিকা ঠিক করা উচিত। সম্প্রতি হেলথ শটের এক প্রতিবেদনে উঠে আসে এসব তথ্য।

অনেক মানুষের সকালের খাবারে ভাত একটি স্বাভাবিক অংশ। বাংলাদেশ ও ভারতের পাশাপাশি জাপানেও সকালের পাতে ভাত দেখা যায় নিয়মিত। পুষ্টিবিদদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ভাত হজমে সহজ এবং দীর্ঘ সময় তৃপ্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে, ফলে শরীর শক্তি পায় ধীরে ধীরে। প্রতিদিন ভাত খাওয়াকে অস্বাস্থ্যকর ভাবার কারণ নেই। ভাতে থাকা কার্বোহাইড্রেট শরীরের জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। সঙ্গে যদি বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি যোগ করা যায়, তাহলে ভাত আরও সুষম ও উপকারী খাবারে পরিণত হয়।

তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক কী পুষ্টিগুণ বিদ্যমান

চাল সাদা হোক কিংবা লাল— ভাতের পুষ্টিমান নিয়ে সন্দেহের সুযোগ কম। প্রতিটি ধরনের ভাতে থাকে শরীরের জন্য দরকারি নানা উপাদান। এতে পাওয়া যায় ফলেটসহ গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন, বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খনিজ এবং পর্যাপ্ত শক্তি উৎপাদনে সহায়ক উপাদান। এসব কারণে ভাতকে একটি পরিপূর্ণ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার হিসেবে ধরা হয়। তবে ভাত খাওয়ার উপকারিতা অনেকটাই নির্ভর করে কখন এবং কতটা পরিমাণে তা খাওয়া হচ্ছে তার ওপর। সঠিক সময় ও সুষম খাদ্যতালিকার সঙ্গে ভাত গ্রহণ করলে শরীর তার সর্বোচ্চ উপকার পেতে পারে।

পুষ্টিবিদদের মত অনুযায়ী, দিনের শুরুতে কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করলে শরীর সহজেই প্রয়োজনীয় জ্বালানি পায়। সকালবেলা শরীর তুলনামূলক বেশি সচল থাকে, ফলে তখন শক্তির চাহিদাও স্বাভাবিকভাবেই বেশি হয়। ওজন কমাতে আগ্রহী বা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরা চাইলে সকালে সীমিত পরিমাণ ভাত রাখতে পারেন, এতে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ ওঠানামার আশঙ্কা কম থাকে। বিপরীতে, রাতের বেলায় ভাত খাওয়া কমানোই শ্রেয়। কারণ ঘুমের আগে ভারী খাবার হজমে সমস্যা তৈরি করে এবং শরীরকে আরাম করতে বাধা দেয়।

এখন চলুন ভাত দিয়ে তৈরি কয়েকটি নাস্তার নাম জেনে নেওয়া যাক

১ . রসুন-ডিম মেশানো ভাত

অল্প সময়েই রান্না করা যায়, আবার ক্ষুধাও মেটায় ভালোভাবে। রসুনে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা জোরদার করে। ডিম সরবরাহ করে মানসম্মত প্রোটিন ও হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ফ্যাট। ক্যালরি তুলনামূলক কম হলেও পুষ্টির ঘাটতি থাকে না।

২. জাফরান পোলাও

বাসমতী চালের সঙ্গে জাফরান, দুধ ও বাদাম মিশিয়ে তৈরি এই খাবারটি স্বাদের পাশাপাশি পুষ্টিতেও সমৃদ্ধ। এতে থাকা ফাইবার হজমে সহায়তা করে এবং দীর্ঘ সময় তৃপ্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।

৩. চালের পায়েস

যারা মিষ্টি খাবার পছন্দ করেন, তাদের জন্য সকালের নাস্তায় পায়েস হতে পারে ভিন্নধর্মী একটি নির্বাচন। চাল থেকে পাওয়া স্টার্চ অন্ত্রের কার্যকারিতা ভালো রাখতে ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি এটি প্রদাহ কমাতে সহায়ক এবং গরমের দিনে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।

দিনের শুরুতে ভাত খাওয়াকে অস্বাস্থ্যকর বলে উড়িয়ে দেওয়ার কারণ নেই। বরং পরিমিত মাত্রায় এবং সঠিক খাদ্যসংযোজনে ভাত সকালের খাবারকে করতে পারে আরও কার্যকর। শাকসবজি, ডিম কিংবা অন্য কোনো প্রোটিনের সঙ্গে ভাত রাখলে খাবারটি হয়ে ওঠে ভারসাম্যপূর্ণ। এতে শরীর সহজেই প্রয়োজনীয় শক্তি পায় এবং কর্মক্ষমতাও থাকে স্থিতিশীল।

ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া: কী বলে ইসলাম?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৭:১১ এএম
ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া: কী বলে ইসলাম?

পবিত্র ঈদুল ফিতর মানেই আনন্দ, ভালোবাসা আর পারস্পরিক সম্পর্কের বন্ধনকে নতুন করে দৃঢ় করার এক মহিমান্বিত উপলক্ষ। এদিন ছোটদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং আপনজনদের সঙ্গে হৃদ্যতার সম্পর্ক আরও গভীর করতে আমাদের সমাজে ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়ার একটি সুন্দর প্রচলন রয়েছে।

তবে এই প্রথার ধর্মীয় অবস্থান কী, এটি কি ইবাদত, নাকি কেবল সামাজিক রীতি? শরিয়তের দৃষ্টিতে বিষয়টি বোঝা জরুরি, যেন আমরা আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি ইসলামের সঠিক নির্দেশনাও মেনে চলতে পারি।

রাজধানীর জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তুস সালামের ফতোয়া বিভাগীয় প্রধান মুফতি আবদুর রহমান হোসাইনী বলেন, ইসলামের মূলনীতি হলো, যে কোনো কাজ ততক্ষণ বৈধ, যতক্ষণ না তা শরিয়তের কোনো স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পড়ে। এ দৃষ্টিকোণ থেকে ঈদের দিনে কাউকে খুশি করার উদ্দেশে অর্থ বা উপহার দেওয়া নিঃসন্দেহে বৈধ। বরং হাদিসে উপহার আদান-প্রদানের মাধ্যমে ভালোবাসা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। তাই ছোটদের আনন্দ দেওয়া, আত্মীয়তার সম্পর্ক দৃঢ় করা এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়ানোর নিয়তে ঈদ সালামি দেওয়া-নেওয়া একটি সুন্দর ও প্রশংসনীয় আমল হতে পারে।

তবে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে মনে রাখতে হবে, ঈদ সালামি কোনো ইবাদত নয় এবং এটি ইসলামের নির্ধারিত কোনো বিধানও নয়। এটি একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রথা মাত্র। সুতরাং একে বাধ্যতামূলক মনে করা বা না দিলে দোষারোপ করা ঠিক নয়।

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ তার ইউটিউব চ্যানেলে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘ইসলামে সালামের পরিভাষা রয়েছে। কোরআনে আছে, ‘তোমাদেরকে কেউ যদি কোনো অভিবাদন জানায় বা সালাম পেশ করে, তাহলে সে যে ভাষায় তোমাকে সালাম দিয়েছে, সে ভাষায় তুমি জবাব দাও। অথবা এর চেয়ে উত্তম শব্দ ব্যবহার করে সালাম দাও।’ হজরত মুহাম্মদ (সা.) আমাদেরকে সালাম দিতে নির্দেশ করেছেন। মুখ দিয়ে উচ্চারণ করে পরস্পরের শান্তি কামনা করা হলো সালাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঈদের সালামি পেতে বাচ্চারা বড়দের সালাম দিলে তারা সালামের উত্তর দেবেন। সালামের জবাব দিয়ে তাদের কিছু হাদিয়া দেবেন, এটা আমাদের দেশের সংস্কৃতি। এতে কোনো অসুবিধা নেই। কোরআন-হাদিসের সঙ্গে এর কোনো সংঘর্ষ নেই। পা ছুঁয়ে সালাম করলে সালামি দিতে হবে, এটা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। সে সালাম দিলে জবাব দিয়ে তাকে সালামি দিয়ে দেওয়া উচিত। পা ছুঁয়ে সালাম করতে তাকে বাধ্য করা উচিত নয়।’

সূত্র : কালবেলা

চৈত্রে শীতের আমেজ: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬, ৬:২১ এএম
চৈত্রে শীতের আমেজ: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর, বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা

চৈত্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ করেই শীতের আবহ ফিরে এসেছে ফরিদপুরে। রবিবার (২২ মার্চ) ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় পুরো জেলা। চারপাশে যেন শীতের সকালের সেই পরিচিত দৃশ্য—মাঠ-ঘাট, গাছপালা, রাস্তা সবই কুয়াশার আস্তরণে আচ্ছন্ন। মৃদু শীতল বাতাস আর হালকা ঠান্ডা আবহে প্রকৃতি যেন ভুলে গেছে ঋতুর নিয়ম।

ভোরের আলো ফুটলেও সূর্যের দেখা মেলেনি অনেকক্ষণ। কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি ছিল যে দূরের বস্তু স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছিল না। গ্রামীণ জনপদে দেখা গেছে চিরচেনা দৃশ্য—কৃষকরা গরু নিয়ে মাঠে যাচ্ছেন, আর গৃহস্থ বাড়িতে কৃষাণীরা ধান সিদ্ধ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সব মিলিয়ে চৈত্রের সকালে এমন দৃশ্য অনেকটাই অপ্রত্যাশিত হলেও প্রকৃতির এক ভিন্ন সৌন্দর্য উপভোগ করছেন স্থানীয়রা।

সালথা উপজেলার কৃষক শাহাজুদ্দিন মাতুব্বর বলেন, “চৈত্র মাসে এমন কুয়াশা আমরা খুব একটা দেখি না। সকালে মাঠে কাজ করতে গিয়ে ঠান্ডা অনুভব করছি। তবে এই কুয়াশা ফসলের জন্য ভালো না-ও হতে পারে।”

বিশেষ করে পেঁয়াজ চাষিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে শঙ্কা। এই সময়ে অতিরিক্ত কুয়াশা ও আর্দ্রতা পেঁয়াজের গাছের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। এতে করে গাছের পাতা পচে যাওয়া বা রোগবালাইয়ের ঝুঁকি বাড়তে পারে, যা উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

জেলা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, মৌসুম পরিবর্তনের এই সময়ে তাপমাত্রার তারতম্যের কারণে এমন কুয়াশা দেখা দিতে পারে। রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যাওয়ায় এবং বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় ভোরের দিকে কুয়াশা ঘনীভূত হচ্ছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা স্বাভাবিক হয়ে আসবে এবং কুয়াশা কেটে যাবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

আবহাওয়াবিদরা আরও জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিন এমন পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। তাই কৃষকদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে পেঁয়াজসহ সংবেদনশীল ফসলের যত্নে বাড়তি নজর দিতে বলা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, চৈত্রের প্রখর রোদ আর গরমের বদলে হঠাৎ করে ফিরে আসা শীতের এই আমেজ একদিকে যেমন প্রকৃতিকে দিয়েছে ভিন্ন রূপ, অন্যদিকে কৃষকদের মনে তৈরি করেছে নতুন দুশ্চিন্তার ছায়া।

ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৫ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ১৬ 

ফরিদপুরের সদরপুরে ঈদের নামাজের পর একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। 

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১১ টার দিকে উপজেলা সদরে এ ঘটনা ঘটে। পরে দুইটার দিকে স্থানীয়রা কুকুরটিকে মেরে ফেলে বলে জানা গেছে।

হাসপাতাল ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঈদের নামাজের পর উপজেলা সদরে একটি পাগলা কুকুর যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই আকষ্মিকভাবে কামড়ে আহত করে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

ভুক্তভোগী এক রোগীর স্বজন মো. সোহাগ মুন্সি বলেন, একটি পাগলা কুকুর হঠাৎ করে যাকে সামনে পেয়েছে তাকেই কামড়িয়ে আহত করে। আমার ভাতিজা আরাফাতকে(১৪) কামড়ে আহত করে। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। মোট ১৬ জন বিভিন্ন বয়সী মানুষকে কুকুরটি কামড়ে আহত করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো: মমিনুর রহমান সরকার বলেন, আহতদের মধ্যে এগারো জনকে আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বাকি পাঁচ জন পার্শ্ববর্তী হাসপাতাল ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।