খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

এক টুথব্রাশ কতদিন ব্যবহার করা উচিত? জানুন সঠিক সময়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪৭ পূর্বাহ্ণ
এক টুথব্রাশ কতদিন ব্যবহার করা উচিত? জানুন সঠিক সময়

জুতা পুরোনো হয়ে গেলে আমরা বুঝি নতুন কিনতে হবে, পোশাকের রঙ ফিকে হলে সেটাও বদলাই। কিন্তু টুথব্রাশ? প্রতিদিন ব্যবহার করলেও অনেকেই জানেন না, কখন সময় হয় পুরোনো টুথব্রাশ বদলে নতুনটি ব্যবহার করার। বিষয়টি নির্ভর করে ব্যবহার, স্বাস্থ্য ও ব্যক্তিগত অভ্যাসের ওপর। তাই পরেরবার দাঁত মাজার আগে ভেবে দেখুন, আপনার টুথব্রাশ বদলানোর সময় কি এসে গেছে?

এক টুথব্রাশ কতদিন ব্যবহার করবেন?

দাঁতের বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, প্রতি ৩ থেকে ৪ মাস পর টুথব্রাশ পরিবর্তন করা উচিত। তবে কেউ সম্প্রতি অসুস্থ থাকলে বা একাধিক টুথব্রাশ একসঙ্গে রাখলে আরও আগে পরিবর্তন করাই ভালো। ব্রাশের ব্রিসল বা কাঁটা যদি ছেঁড়া বা বেঁকে যায়, সেটি আর ঠিকভাবে পরিষ্কার করতে পারে না, তখনই বুঝতে হবে, সময় হয়েছে নতুন টুথব্রাশ নেওয়ার। শিশুরা সাধারণত বেশি জোরে ব্রাশ করে, তাই তাদের টুথব্রাশ বড়দের তুলনায় বেশি ঘনঘন বদলানো প্রয়োজন।

টুথব্রাশের ধরন

মূলত দুই ধরনের টুথব্রাশ ব্যবহৃত হয়। একটি ম্যানুয়াল (হাতে চালানো) ও অন্যটি ইলেকট্রিক (বিদ্যুৎচালিত)। এর মধ্যে যেটি ব্যবহার করে আপনার আরাম লাগে এবং নিয়মিত দাঁত মাজতে উৎসাহ পান, সেটিই বেছে নেওয়া সবচেয়ে ভালো।

ম্যানুয়াল টুথব্রাশ সহজে বহনযোগ্য, শব্দহীন এবং ব্যবহারকারী নিজের ইচ্ছেমতো চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। অন্যদিকে, ইলেকট্রিক টুথব্রাশে ঘূর্ণায়মান ব্রিসল দাঁতের ফাঁক ও মাড়ির কাছের ময়লা সহজে দূর করে। অনেক ইলেকট্রিক ব্রাশে টাইমার ও প্রেসার সেন্সর থাকে, যা নির্দিষ্ট সময় ধরে সঠিকভাবে ব্রাশ করতে সাহায্য করে এবং অতিরিক্ত চাপ পড়া থেকে মাড়িকে রক্ষা করে।

টুথব্রাশের যত্ন

যে ধরনের টুথব্রাশই ব্যবহার করুন, পরিষ্কার রাখা সবচেয়ে জরুরি। আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশন (ADA)-এর পরামর্শ অনুযায়ী, প্রতিবার ব্যবহারের পর টুথব্রাশ ভালোভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে, যেন পেস্ট বা ময়লার কোনো অংশ আটকে না থাকে। ব্যবহারের পর টুথব্রাশ সোজা করে দাঁড়ানো অবস্থায় শুকাতে দিন। ভেজা অবস্থায় ঢাকনা দেওয়া বা বন্ধ কনটেইনারে রাখলে সেখানে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

ভ্রমণে গেলে ব্রাশ আর্দ্র থেকে ব্যাকটেরিয়া ছড়াতে পারে, তাই চাইলে ডিসপোজেবল টুথব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন।

নিয়মিত অভ্যাসে আনুন পরিবর্তন

বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিবারের সবার জন্য বছরে কয়েকবার নতুন টুথব্রাশ কেনার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ব্রাশ পরিবর্তনের সময় নির্ভর করে ব্যবহার, বয়স ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার ওপর; তবে সবচেয়ে ভালো হয় যদি বাথরুম ক্যাবিনেটে সব সময় বাড়তি একটি নতুন টুথব্রাশ মজুত থাকে, প্রয়োজনে যেন সঙ্গে সঙ্গে বদলানো যায়।

সূত্র : মায়ো ক্লিনিক ও কোলগেট

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ৮ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ৮ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় ৮ বছর বয়সী এক বাকপ্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (২৫ মে) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব বিএস ডাঙ্গী অবস্থিত পরিত্যাক্ত জেলখানার একটি ভবনের বারান্দায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, শিশুটি প্রতি দিনের মতন বাড়ির পাশের পরিত্যাক্ত ওই জেলখানার উন্মুক্ত স্থানে খেলা করতে আসে। এ সময় শিশুটির সরলতার সুযোগ নিয়ে আলতাফ ওরফে আদু (৬৫) তাকে পাশেই পরিত্যাক্ত একটি ভবনের বারান্দায় ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। অভিযুক্ত আদু ওই ভবনের পাশেই একটি জরাজীর্ণ ছাপড়া ঘরে বসবাস করেন।

ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, আদুর বর্তমান স্ত্রী প্রতিবন্ধী। সে পেশায় একজন ভ্যান চালক। শিশুটি মাঝে মধ্যেই আদুর মেয়েদের সাথে খেলা করতে আদুর বাড়ির সামনে আসত।

ঘটনার প্রত্যক্ষ্যদর্শী এক নারী জানান, তিনি ও তার বোন সকালে জেলখানার সামনের ওই স্থান দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। হঠাৎ তিনি খারাপ কাজ করার দৃশ্য দেখতে পায়। প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন স্বামী স্ত্রী হতে পারে, পরে তিনি আবার তাকিয়ে শিশুটিকে দেখতে পেয়ে ওই স্থানে এগিয়ে যান।

তিনি বলেন, তাকে দেখে আদু শিশুকে প্যান্ট পরিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টো করে। তখন ওই নারী এগিয়ে গিয়ে আদুকে শাসালে আদু পালিয়ে যায়।পরে শিশুটির পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। এই ঘটনায় স্থানীয়রা নিজেদের সন্তান নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন।

এই ঘটনার বিষয়ে চরভদ্রাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। এই ঘটনায় শিশুটির নানী বাদি হয়ে থানায় একটি ধর্ষণ চেষ্টার মামলা করেছেন।

সদরপুরে অনুমতি ছাড়াই বসেছে পশুর হাট, লাখ টাকার খাজনা আদায়ের অভিযোগ

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
সদরপুরে অনুমতি ছাড়াই বসেছে পশুর হাট, লাখ টাকার খাজনা আদায়ের অভিযোগ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই পশুর হাট বসিয়ে লাখ টাকার খাজনা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে।

সোমবার (২৫ মে) দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের পিঁয়াজখালী বাজার এলাকায় এ পশুর হাট বসানো হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হান্নান চাকলাদার নামে এক ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা কোনো ধরনের সরকারি অনুমতি ছাড়াই কোরবানির পশুর হাট পরিচালনা করছেন। হাটে আগত ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের খাজনা আদায় করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই দীর্ঘ সময় ধরে একটি চক্র প্রভাব খাটিয়ে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে সরকার যেমন রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, তেমনি সাধারণ ব্যবসায়ীরাও অতিরিক্ত খাজনার চাপে পড়ছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত হান্নান চাকলাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন বলেন, ওই বাজারে পশুর হাট বসানোর কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। তবে উনারা জেলা প্রশাসকের আবেদন করেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

ফরিদপুরের সদরপুরে ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের সদরপুরে ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় বজ্রপাতে শেখ সামাদ (৭৬) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (২৫ মে) দুপুরে উপজেলার চর বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সলিমুদ্দিন ফকিরের ডাঙ্গী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শেখ সামাদ ওই গ্রামের মৃত শেখ ইয়াজউদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুর দেড়টার দিকে শেখ সামাদ গরুর জন্য নিজ জমিতে ঘাস কাটতে যান। এ সময় হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রপাত শুরু হলে তিনি বজ্রাঘাতে গুরুতর আহত হন। পরে তার স্ত্রী ছাহেরা বেগমের চিৎকারে স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সদরপুর থানা পুলিশকে জানালে উপ-পরিদর্শক (নি:) মো. মিনারুল কাজী সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।