খুঁজুন
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩

প্রতিদিন ইসবগুল খাচ্ছেন? আগে জেনে নিন ৫টি ভুল বিশ্বাস

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৫ পূর্বাহ্ণ
প্রতিদিন ইসবগুল খাচ্ছেন? আগে জেনে নিন ৫টি ভুল বিশ্বাস

উপমহাদেশের ঘরোয়া চিকিৎসায় বহু বছর ধরেই পরিচিত একটি নাম ইসবগুল। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে শুরু করে হজমের নানা সমস্যায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম এটি ব্যবহার করে আসছে। প্রাকৃতিক আঁশসমৃদ্ধ এই উপাদান সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং তুলনামূলকভাবে মৃদু কার্যকারিতার জন্য এখনো অনেকের রান্নাঘরের তাকেই জায়গা করে আছে।

তবে জনপ্রিয়তার সঙ্গে সঙ্গে ইসবগুলকে ঘিরে ছড়িয়েছে নানা ভুল ধারণাও। এসব বিভ্রান্তি দূর করতে সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিওতে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন ফিটনেস কোচ রালস্টন ডি’সুজা। তিনি ইসবগুল নিয়ে প্রচলিত পাঁচটি সাধারণ মিথ ভেঙে দিয়েছেন একে একে।

১. ইসবগুল প্রাকৃতিক নয়

অনেকেই মনে করেন, ইসবগুল কোনো প্রক্রিয়াজাত বা কৃত্রিম পণ্য। বাস্তবে এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক। ইসবগুল, যার ইংরেজি নাম সিলিয়াম হাস্ক, মূলত Plantago ovata উদ্ভিদের বীজের বাইরের খোসা। অর্থাৎ এটি একধরনের দ্রবণীয় আঁশ ছাড়া আর কিছুই নয়।

ফিটনেস কোচ রালস্টনের ভাষায়, এতে কোনো কৃত্রিম বা সিনথেটিক উপাদান নেই, এটি সরাসরি উদ্ভিদজাত উৎস থেকে পাওয়া যায়। আর এই সরলতাই একে হজমের জন্য নিরাপদ ও কার্যকর করে তুলেছে।

২. ইসবগুল খেলে অভ্যাস হয়ে যায়

আরেকটি বহুল প্রচলিত ধারণা হলো, একবার ইসবগুল শুরু করলে তা ছাড়া মলত্যাগ সম্ভব হয় না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধারণা সঠিক নয়।

ইসবগুল কোনো স্টিমুল্যান্ট ল্যাক্সেটিভ নয়, অর্থাৎ এটি অন্ত্রকে জোর করে সক্রিয় করে না। বরং পানি শোষণ করে জেলির মতো অবস্থা তৈরি করে, মলের পরিমাণ বাড়ায় এবং স্বাভাবিকভাবে মলত্যাগ সহজ করে।

রালস্টন ডি’সুজা বলেন, এটি অন্ত্রের সঙ্গে কাজ করে, অন্ত্রের বিরুদ্ধে নয়। তাই এটি অভ্যাস তৈরির মতো কোনো প্রভাব ফেলে না।

৩. ইসবগুল খেলেই গ্যাস হয়

হঠাৎ করে বেশি আঁশ খেলে গ্যাস বা পেট ফাঁপা হওয়া স্বাভাবিক। এটি শুধু ইসবগুল নয়, ওটস, চিয়া সিড, ফল বা শাকসবজি—সব ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আঁশের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়ানো এবং পর্যাপ্ত পানি পান করাই এখানে মূল বিষয়। রালস্টনের ভাষায়, গ্যাস হওয়া মানে আপনার অন্ত্র নতুন আঁশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চেষ্টা করছে। ধীরে ধীরে বাড়ালে শরীর স্বাভাবিকভাবেই মানিয়ে নেয়।

৪. প্রতিদিন ইসবগুল খাওয়া ক্ষতিকর

অনেকে মনে করেন, নিয়মিত ইসবগুল খাওয়া শরীরের জন্য ভালো নয়। বাস্তবে, খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত আঁশ না থাকলে প্রতিদিন ইসবগুল গ্রহণ করা নিরাপদ।

একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক প্রায় ৩০ গ্রাম আঁশ প্রয়োজন, কিন্তু বেশিভাগ মানুষই এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেন না। সে ক্ষেত্রে ইসবগুল সহজেই সেই ঘাটতি পূরণে সাহায্য করতে পারে। তবে শর্ত একটা, যথেষ্ট পানি সহ গ্রহণ করতে হবে।

৫. ইসবগুলের মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে

সঠিকভাবে গ্রহণ করলে ইসবগুল সাধারণত নিরাপদ। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি কখনোই শুকনো অবস্থায় খাওয়া যাবে না। শুকনো ইসবগুল গলায় আটকে যেতে পারে বা অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। সবসময় এক গ্লাস পূর্ণ পানির সঙ্গে এটি গ্রহণ করতে হবে, যাতে এটি নিরাপদভাবে ফুলে উঠে কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শুরুতে প্রতিদিন ১ চা চামচ দিয়ে শুরু করুন, পরে প্রয়োজন অনুযায়ী ধীরে ধীরে বাড়ান। সঠিক নিয়ম মেনে ব্যবহার করলে ইসবগুলের বড় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

শেষকথা

হজম ভালো রাখা মানেই সামগ্রিক সুস্থতার ভিত্তি মজবুত করা। ইসবগুল সেই প্রক্রিয়ায় একটি সহজ ও প্রাকৃতিক সহায়ক হতে পারে। তবে যেকোনো স্বাস্থ্য উপাদানের মতো এটিও সঠিক নিয়মে, পরিমিত মাত্রায় এবং প্রয়োজন বুঝে ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

সূত্র : এনডিটিভি

ফরিদপুরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ: ‘আপত্তিকর ফেসবুক পোস্টের’ প্রতিবাদে আসিফের গ্রেপ্তার দাবি

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ: ‘আপত্তিকর ফেসবুক পোস্টের’ প্রতিবাদে আসিফের গ্রেপ্তার দাবি

ফরিদপুরে জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে শহরের জনতা ব্যাংক মোড়ে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ.কে.এম কিবরিয়া স্বপনকে নিয়ে ফরিদপুর-৩ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোরশেদুল ইসলাম আসিফের ফেসবুক পোস্টের প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। একইসঙ্গে তার গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান নেতাকর্মীরা।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, মোরশেদুল ইসলাম আসিফ দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেলা বিএনপির সদস্য সচিবসহ দলটির বিভিন্ন নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর, মানহানিকর ও আপত্তিকর মন্তব্য করে আসছেন। এসব কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করছে বলেও দাবি করেন তারা।

বক্তারা আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার করে রাজনৈতিক নেতাদের সম্মানহানি করা গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি অনিক খান জিতুর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মাইদুল ইসলাম সরুনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুনুর রহমান।

সমাবেশ থেকে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। একইসঙ্গে তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে।

সমাবেশ শেষে একটি সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ মিছিল জনতা ব্যাংক মোড়ের আশপাশের সড়ক প্রদক্ষিণ করে শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হয়।

সালথায় যুব অধিকার পরিষদের সচেতনতামূলক সভা, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের আহ্বান

ফরিদপুর ও সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
সালথায় যুব অধিকার পরিষদের সচেতনতামূলক সভা, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের আহ্বান

“মাদককে না বলুন, জীবনকে হ্যাঁ বলুন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় মাদকবিরোধী গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে সালথা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে যুব অধিকার পরিষদের উদ্যোগে এ সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হয়। স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষার্থী ও তরুণদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

যুব অধিকার পরিষদের সালথা উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা ইমারত হোসেনের সভাপতিত্বে এবং ফরিদপুর জেলা শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল ভান্ডারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী (ট্রাক) ও উপজেলা সভাপতি ফারুক ফকির।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সালথা থানার এসআই অপূর্ব, যুব অধিকার পরিষদ ফরিদপুর জেলা সভাপতি সাইদুর রহমান খান, সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ হোসেন বিপুল এবং সালথা উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফারুক ফকির বলেন, “মাদক একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি, যা আমাদের যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একটি সুন্দর ও সুস্থ সমাজ গঠনে মাদকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।” তিনি আরও বলেন, পরিবার থেকেই সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে এবং সন্তানদের প্রতি নজরদারি বাড়াতে হবে।

তিনি প্রশাসনের পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়।”

বক্তারা বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা। সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মাদকাসক্তি প্রতিরোধ করা সম্ভব বলেও তারা মত দেন।

সভা শেষে মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়াতে নিয়মিত ক্যাম্পেইন, স্কুল-কলেজে প্রচার কার্যক্রম এবং তরুণদের অংশগ্রহণমূলক উদ্যোগ গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয়।

ফরিদপুরে ধর্ম অবমাননার ঘটনায় যুবক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ধর্ম অবমাননার ঘটনায় যুবক গ্রেপ্তার

ফরিদপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্ম অবমাননাকর মামলার আসামি প্রদীপ পালকে (৪০) নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) র‌্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র‌্যাব-১০-এর লালবাগ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল র‌্যাব-১১-এর সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল ফোন ও একটি মেমোরি কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত প্রদীপ পাল ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার জালালচর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার এক নারীর নাম ও ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া আইডি খুলে অশ্লীল, মানহানিকর ও ধর্মীয় অবমাননাকর পোস্ট করেন এবং চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় ২০২৫ সালের সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ২৫, ২৬ ও ২৭ ধারা এবং দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৩৮৫ ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে পিবিআই ফরিদপুর তদন্ত চলমান রয়েছে।

জানা গেছে, গত ১৪ এপ্রিল জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার জাটিগ্রাম এলাকার শংকর কুমার পাল (৩৩)-এর নাম ও ছবি ব্যবহার করে একটি ফেসবুক আইডি থেকে কোরআন অবমাননাকর পোস্ট দেওয়া হয়। এতে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচন পত্রের ভিত্তিতে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব জানিয়েছে, চাঁদাবাজি, হত্যা, ছিনতাই, অপহরণ, প্রতারণাসহ সব ধরনের সাইবার অপরাধ দমনে তাদের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে।