খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন, ১৪৩২

মাত্র কয়েকদিনেই ফল! শসা খেলে কমবে ওজন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৩ এএম
মাত্র কয়েকদিনেই ফল! শসা খেলে কমবে ওজন

আপনি আপনার শরীরের ওজন কমাতে চান, তাহলে প্রতিদিন শসা খান। শসা ফল হলেও সবজি হিসেবে বেশি পরিচিত। এটি পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের বিভিন্ন জটিলতা প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে। বিশেষ করে রমজান মাসে যখন দীর্ঘ সময় পানাহারে বিরত থাকতে হয়, তখন শসা খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়ে যায়। এতে পানির পরিমাণ এবং এর খাস্তা ভাব ফলের চেয়ে বেশি কার্যকরী।

শসা শুধু ওজন কমাতে সাহায্য করে না। শসা একটি আদর্শ খাবার। এক কাপ শসায় মাত্র ১৬ ক্যালোরি থাকে। এর উচ্চ পানি এবং কম ক্যালোরি উপাদান ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া ইফতারে বেশির ভাগ ভাজাপোড়াজাতীয় খাবার থাকে। ফলে রমজানের পর ওজন বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। তাই এই সময় ভারসাম্য বজায় রাখতে শসা খাওয়া উচিত।

কারণ শসায় ক্যালোরি খুব কম থাকায় প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল অনেক বেশি পাওয়া যায়। প্রায় ৩০০ গ্রাম আকৃতির খোসাসহ শসায় থাকে ৪৫ ক্যালোরি, ১১ গ্রাম কার্বস এবং দেড় গ্রাম আঁশ। ভিটামিন সির দৈনিক চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ শসা থেকে পাওয়া যায়। এ ছাড়া শসায় ভিটামিন ‘কে’ প্রচুর থাকে। এতে থাকা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। কারণ শসা সবসময় খোসাসহ খাওয়া উচিত। শসায় ৯৬ শতাংশ পানি থাকে বলে ইফতারে শসা খেলে তা দিনের পানিশূন্যতা পূরণে জাদুর মতো কাজ করে। আর শসার খোসা ছিলে ফেললে এর আঁশ এবং অনেক পুষ্টি উপাদান কমে যায়।

শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য পানি অপরিহার্য। আমরা পানি পানের মাধ্যমে এই চাহিদা পূরণ করে থাকি। তবে আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় পানির প্রায় ৪০ শতাংশ খাবার থেকে আসতে পারে। শসায় ৯৬ শতাংশ পানি থাকে, যা দীর্ঘ সময় শরীর সজল রাখতে দারুণ কার্যকর।

আর পানিশূন্যতা কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রধান কারণ। রোজায় খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের কারণে অনেকের কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। শসায় পানি এবং পানিতে দ্রবণীয় আঁশ থাকে, যা অন্ত্রের পেশি সচল রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে হজম প্রক্রিয়া সহজ করে থাকে। রমজানে এমনিতেই পানি পান কম হয়। তাই ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত সুবিধামতো সময় অনুযায়ী শসা খাওয়া যেতে পারে।

তবে শসা অত্যন্ত পুষ্টিকর ও উপকারী খাবার হলেও এর কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক অবস্থায় এড়িয়ে চলা বা সতর্কতার সঙ্গে খাওয়া উচিত। যাাদের হজমে সমস্যা বা আইবিএসের মতো পেটের রোগ আছে, তাদের ক্ষেত্রে শসা গ্যাস বা বদহজমের কারণ হতে পারে। এমন সমস্যায় অল্প পরিমাণে খেয়ে দেখা উচিত, এটি আপনার শরীরে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে কিনা। আর যারা রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন করছেন, তাদের অতিরিক্ত শসা খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। শসায় থাকা প্রচুর ভিটামিন কে রক্ত পাতলা করার ওষুধের কার্যকারিতায় বাধা দিতে পারে। এ ধরনের রোগীদের প্রতিদিন ভিটামিন কে গ্রহণের পরিমাণ স্থিতিশীল রাখা জরুরি।

 

মশার কয়েলেই সর্বনাশ! মধুখালীতে পুড়ল বসতঘর, মারা গেল গরু-ছাগল

মো. ইনামুল খন্দকার, মধুখালী:
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৯:৫১ পিএম
মশার কয়েলেই সর্বনাশ! মধুখালীতে পুড়ল বসতঘর, মারা গেল গরু-ছাগল

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের ডুমাইন পূর্বপাড়া গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি দরিদ্র পরিবারের বসতবাড়ি ও গোয়ালঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

রবিবার (০১ মার্চ) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে দিনমজুর মো. মিঠু শেখের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গোয়ালঘরে জ্বালানো মশার কয়েল থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে হঠাৎ আগুনের শিখা দেখা দিলে মুহূর্তের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে বসতঘর, রান্নাঘর ও গোয়ালঘরে। দাহ্য উপকরণ থাকার কারণে আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এতে ঘরের আসবাবপত্র, খাদ্যশস্যসহ গৃহস্থালির প্রায় সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এ ঘটনায় একটি গাভী গরু ও দুটি ছাগল আগুনে পুড়ে মারা যায়। এছাড়া ঘরে সংরক্ষিত পেঁয়াজ, রসুন, ধান ও চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীও সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ওই পরিবারের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

আগুন লাগার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং পানি ও বালু দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালান। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়, তবে ততক্ষণে সবকিছু পুড়ে যায়।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি এখন মানবেতর জীবনযাপন করছে। মাথা গোঁজার ঠাঁই ও খাদ্য সংকটে পড়েছে তারা। এলাকাবাসী জানায়, দিনমজুর মিঠু শেখের এই বাড়িটিই ছিল তার একমাত্র সম্বল।

সোমবার (০২ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং দ্রুত আর্থিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি যেন দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সে জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকারিভাবেও সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মধুখালী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আলীমুজ্জামান, জেলা জামায়াতের সূরা সদস্য মাওলানা শহিদুল ইসলাম, উপজেলা সেক্রেটারি নওসের আলী চৌধুরীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দ্রুত সরকারি সহায়তা প্রদান এবং পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি এমন দুর্ঘটনা এড়াতে ঘরে আগুন ব্যবহারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান সচেতন মহল।

রমজানে নিরাপদ ইফতার নিশ্চিত করতে ফরিদপুরে ব্যবসায়ীদের প্রশিক্ষণ

রেজাউল করিম বিপুল, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৯:২০ পিএম
রমজানে নিরাপদ ইফতার নিশ্চিত করতে ফরিদপুরে ব্যবসায়ীদের প্রশিক্ষণ

পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত ইফতার প্রস্তুত ও বিক্রি নিশ্চিত করতে ফরিদপুরে ইফতার বিক্রেতা ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। সচেতনতা বৃদ্ধির এই উদ্যোগে শহরের বিভিন্ন রেস্তোরাঁ মালিক ও খাদ্য প্রস্তুতকারীরা অংশগ্রহণ করেন।

সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে ফরিদপুর শহরের ইমাম উদ্দিন চত্বরে অবস্থিত অ্যাবলুম ক্যাফেটেরিয়া বারবিকিউ শাখায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও ফরিদপুর রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় শহরের প্রায় ৩০টি রেস্তোরাঁর মালিক, ব্যবস্থাপক ও খাদ্যকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ফরিদপুর কার্যালয়ের কর্মকর্তা আজমুল ফুয়াদ নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশনের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, রমজান মাসে ইফতারের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর খাবারের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। তাই ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল আচরণ এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।

কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিপণন কর্মকর্তা সাহাদাত হোসেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান, ফরিদপুর রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম এবং সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সোহেলসহ সংশ্লিষ্টরা।

প্রশিক্ষণে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে ছিল—খাদ্য প্রস্তুতের আগে ও পরে হাত ধোয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পোশাক ব্যবহার, গ্লাভস, মাস্ক, এপ্রোন ও হেড কভার পরিধান করা, রান্নাঘরের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জীবাণুমুক্ত বাসনপত্র ব্যবহার নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে কাঁচা ও রান্না করা খাবার আলাদা রাখা, ফলমূল ও শাকসবজি ভালোভাবে ধুয়ে ব্যবহার করা এবং নিরাপদ উৎসের পানি ফুটিয়ে ব্যবহার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

খাবার সঠিক তাপমাত্রায় রান্না করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংরক্ষণ করাও প্রশিক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। বিশেষ করে রান্না করা খাবার দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করতে হলে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া একবার ব্যবহৃত তেল পুনরায় ব্যবহার না করা, অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার পরিহার করা এবং ক্ষতিকর কৃত্রিম রং ব্যবহার থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

প্রশিক্ষণে খোলা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ইফতার তৈরি ও বিক্রি, বাসি বা পঁচা উপকরণ ব্যবহার, খবরের কাগজ বা কালিযুক্ত কাগজে খাবার পরিবেশন এবং শিল্পে ব্যবহৃত রং ব্যবহার না করার ব্যাপারেও সতর্ক করা হয়। বক্তারা বলেন, এসব অনিয়ম মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে।

আয়োজকরা জানান, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং নিয়মিত তদারকি জোরদার করা হবে। কর্মশালা শেষে ফরিদপুর জেলা রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির উদ্যোগে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

উনি নেই, তাই মনে হচ্ছে রোজাটা কেমন ফিকে ফিকে লাগছে: পরীমনি

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৯:০০ পিএম
উনি নেই, তাই মনে হচ্ছে রোজাটা কেমন ফিকে ফিকে লাগছে: পরীমনি

এবারের রমজান অনেকটা আলাদা। জীবনের প্রতিটা বাঁকে ছায়ার মতো পাশে থাকা প্রিয় নানুভাই আজ নেই বলে জানিয়েছেন ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনি।

সেই সঙ্গে সেহরি কিংবা ইফতারের সময়গুলো নানুভাইয়ের স্মৃতিতে বড্ড বেশি ভারাক্রান্ত হয়ে উঠছে বলেও জানান তিনি। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের ব্যক্তিজীবন, আসন্ন ঈদ এবং ক্যারিয়ারের নানা দিক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন পরীমনি।

অভিনেত্রী বলেন, বাসায় মুরব্বিরা নেই। তাই নানুভাইকে খুব মিস করছি। রোজার দিনে নানুভাইয়ের মেমোরিগুলোই আসলে বেশি মনে পড়ে। কারণ উনার জন্য সেহরি বানানো, ইফতারের আয়োজন করা— সব কিছুই উনাকে ঘিরেই ছিল আমার। উনি নেই, তাই মনে হচ্ছে রোজাটা কেমন একটা ফিকে ফিকে লাগছে বলে জানান তিনি।

পরীমনি বলেন, ইফতারিতে ভাজাপোড়া খাওয়া হয় না। আমি দুধ-কলা-ভাত বেশি পছন্দ করি। শরবত আর খেজুর দিয়েই সেরে ফেলি।’ তিনি বলেন, ঈদ কেন্দ্র করে আলাদা করে কেনাকাটা করার অভ্যাস নেই তার।

তবে নিজের চেয়েও ইন্ডাস্ট্রির ভালো থাকাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। আমাদের ইন্ডাস্ট্রি এবং আমাদের সিনেমা আমি চাই প্রত্যেকটা সিনেমাই ভালো করুক এবং ব্যবসায় সফল হোক। এখন ইন্ডাস্ট্রির জন্য এটা খুবই দরকার বলে জানান পরীমনি।

বর্তমান সিনেমার নতুন কাজ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, আপাতত যে কাজের জন্য আসছি, সেটিকেই ফোকাস করতে চাই। এখনই ঘটা করে সব কিছু বলে দেওয়ার তাড়া নেই। ইনশাআল্লাহ সামনে আপনাদের সব জানাব।