খুঁজুন
রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

নগরকান্দায় ট্রলির নিচে পিষ্টে প্রাণ গেল মাদ্রাসাছাত্রীর, চালক পলাতক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪৩ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় ট্রলির নিচে পিষ্টে প্রাণ গেল মাদ্রাসাছাত্রীর, চালক পলাতক

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় মাটিবাহী ট্রলির চাপায় পিষ্ট হয়ে মরিয়ম (১৩) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে নগরকান্দা বাজার সংলগ্ন মুন্সী শফিউদ্দিন ফিলিং স্টেশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সকালে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে নগরকান্দা মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার ছাত্রী মরিয়ম রাস্তা পার হওয়ার সময় দ্রুতগামী একটি মাটিবাহী ট্রলির নিচে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই সে গুরুতর আহত হয়।

পরে আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও গুরুতর আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।

নিহত মরিয়ম নগরকান্দা উপজেলার বড় কাজলি গ্রামের বাসিন্দা মো. রাজ্জাকের মেয়ে। পরিবারের সঙ্গে সে নগরকান্দা বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করত এবং স্থানীয় মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার পরপরই ট্রলিচালক যানটি ফেলে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরে উত্তেজিত জনতা ট্রলিটি আটক করে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ট্রলিটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পলাতক চালককে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, “এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ঘটনা। একটি নিষ্পাপ শিশুর এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দায়ীদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ফরিদপুরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৮:৫৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে ফরিদপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ শাখা।

রবিবার (১৪ জুন) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের শহর শাখা উচ্চ মাধ্যমিক ভবনের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিপুল সংখ্যায় অংশগ্রহণ করেন।

প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. পারভেজ খান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ আদনান হোসেন অনু এবং সাধারণ সম্পাদক তামজিদুল হাসান কায়েস।

এছাড়া এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরেফিন কায়েস ও মো. জুয়েল রানা, প্রচার সম্পাদক মাহিদুল ইসলাম স্বরন, সাবেক সভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক, সিনিয়র সহ-সভাপতি এম. মামুন রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রাহিমসহ জেলা ও কলেজ শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সরকার এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা দাবি করেন, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্টা চলছে।

বক্তারা বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে এবং শিক্ষাঙ্গনে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিমূলক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন। তারা ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্ত অবস্থান গ্রহণের ঘোষণা দেন।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল কলেজ ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তাদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন।

সদরপুরে বসতভিটা দখলচেষ্টা ও গৃহবধূকে মারধরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৮:১১ অপরাহ্ণ
সদরপুরে বসতভিটা দখলচেষ্টা ও গৃহবধূকে মারধরের অভিযোগ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় আদালতের স্থিতাবস্থা (স্ট্যাটাসকো) আদেশ উপেক্ষা করে বসতভিটা দখলের চেষ্টা, গৃহবধূকে মারধর এবং বিভিন্নভাবে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সদরপুর উপজেলার পূর্ব শ্যামপুর গ্রামের বাসিন্দা মমতাজ বেগম। তিনি দাবি করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে থাকা তার বসতবাড়ি ও সংলগ্ন জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে তাকে উচ্ছেদের চেষ্টা করছে।

মামলা ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মমতাজ বেগম তার তিন ভাইয়ের কাছ থেকে মৌখিক চুক্তির মাধ্যমে বসতবাড়িসহ অতিরিক্ত ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ জমি প্রায় ১০ লাখ টাকায় ক্রয় করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বসবাস ও ভোগদখল করে আসছেন। তবে পরবর্তীতে তার দুই ভাই শাহাদাত বেপারী ও লিটন বেপারী একই সম্পত্তি ২০২৬ সালের ২০ জানুয়ারি ২৮৫ নম্বর দলিলমূলে ফাহিমা বেগমের কাছে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

বিষয়টি জানতে পেরে মমতাজ বেগম সদরপুর সিনিয়র সিভিল জজ আদালত, ভাঙ্গা, ফরিদপুরে দেওয়ানি মামলা (নং-৭৮/২০২৬) দায়ের করেন। মামলাটি বাটোয়ারা ও ‘বাই-আপ’ সংক্রান্ত বলে জানা গেছে।

মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. মহিউদ্দিন জানান, মামলার শুনানি শেষে আদালত বিতর্কিত সম্পত্তির বিষয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে জবাব দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষ সম্পত্তির বর্তমান অবস্থা পরিবর্তন করতে পারবে না।

তিনি অভিযোগ করেন, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও বিবাদীপক্ষ ওই সম্পত্তিতে প্রবেশের চেষ্টা করছে এবং তার মক্কেলকে ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে। এমনকি স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ব্যবহার করে তাকে মারধরের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি।

ভুক্তভোগী মমতাজ বেগম বলেন, “আমি আমার ভাইদের কাছ থেকে জমি কিনে বছরের পর বছর বসবাস করছি। কিন্তু তারা আমাকে না জানিয়ে অন্যের কাছে জমি বিক্রি করে দেয়। পরে আমি আদালতের শরণাপন্ন হই। আদালত আমার পক্ষে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিলেও প্রতিপক্ষ তা মানছে না। বরং আমাকে মারধর, প্রাণনাশের হুমকি এবং জমি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা পাচ্ছেন না। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিনি পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, সদরপুর থানার ৩৬ নম্বর শ্যামপুর মৌজার বিএস ১০৬১ নম্বর খতিয়ান ও বিএস ৩৭৭৭ নম্বর দাগভুক্ত জমির অংশবিশেষ নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। আদালত বিতর্কিত ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ জমির বিষয়ে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দিয়েছেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এ বিষয়ে সদরপুর থানার এসআই মোহাম্মদ মোখলেছের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে। উভয় পক্ষের বক্তব্য ও নথিপত্র বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

তবে অভিযোগের বিষয়ে ফাহিমা বেগম ও অভিযুক্ত অন্যদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফরিদপুরের সদরপুরে ২২ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন দাখিল মাদ্রাসা, ভোগান্তিতে ৩০০ শিক্ষার্থী

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের সদরপুরে ২২ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন দাখিল মাদ্রাসা, ভোগান্তিতে ৩০০ শিক্ষার্থী

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ভাষাণচর ইউনিয়নের কারীর হাট দাখিল মাদ্রাসায় গত ২২ দিন ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় পাঠদান, অফিস কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, স্থানীয় নুরা শেখের বাড়ির ওপর দিয়ে মাদ্রাসার বিদ্যুৎ লাইন নেওয়া হয়েছিল। প্রায় ২২ দিন আগে বিদ্যুৎ সংযোগ পুড়ে যায়। পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গেলে তারা বাধা দেয়। এরপর থেকে প্রতিষ্ঠানটি অন্ধকারে রয়েছে।

তারা জানান, বারবার বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হলেও এখনো বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। এতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষক-কর্মচারীরাও নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষ করে প্রচণ্ড গরমে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চালিয়ে যেতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত সমস্যার সমাধান করে মাদ্রাসায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

কারীর হাট দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. এবিএম রাইসুদ্দিন বলেন, গত ২২ দিন ধরে মাদ্রাসাটি বিদ্যুৎহীন অবস্থায় রয়েছে। বারবার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি। এতে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীর পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি শিক্ষক-কর্মচারীদেরও নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। প্রচণ্ড গরমে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান পরিচালনা করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান করে মাদ্রাসায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত নুরা শেখের স্ত্রীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সদরপুর উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী জেনারেল ম্যানেজার মো. শহিদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যুৎ সংযোগ পুড়ে যাওয়ার পর নতুন করে সংযোগ স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট বাড়ির ওপর দিয়ে লাইন নেওয়ার প্রয়োজন হয়। কিন্তু বাড়ির লোকজন কোনোভাবেই তাদের বাড়ির ওপর দিয়ে বিদ্যুৎ লাইন নিতে দিচ্ছেন না। তবে বিষয়টি সমাধানে আমরা স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। আশা করছি, দ্রুত এর একটি সুরাহা হবে।

এ বিষয়ে সদরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত হয়েছি। মাদ্রাসাটিতে পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপনের জন্য পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ শাওন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।