খুঁজুন
শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

পুলিশের নতুন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
পুলিশের নতুন আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির

পুলিশের অতিরিক্ত আইজি ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) প্রধান মো. আলী হোসেন ফকিরকে পদোন্নতি দিয়ে নতুন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

মো. আলী হোসেন ফকির বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের ১৫তম ব্যাচের সদস্য।

জানা যায়, তাকে রাজনৈতিক কারণে আওয়ামী লীগ শাসনামলে একবার চাকরিচ্যুত করা হয়।

পরে বিএনপি ক্ষমতায় এলে তিনি চাকরি ফিরে পান। এরপর আবার আওয়ামী লীগ আমলে তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিলে আইনি প্রক্রিয়ায় এসপি পদমর্যাদায় চাকরি ফিরে পান আলী হোসেন ফকির। এরপর সুপার নিউমারারি ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পান তিনি।

আলী হোসেন ফকিরের জীবন বৃত্তান্ত

আলী হোসেন ফকির ১৯৬৮ সালের ৫ এপ্রিল বাগেরহাট জেলার সদর থানাধীন এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যানেজমেন্টে বি.কম অনার্স, এম.কম এবং এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএসের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে সহকারী সুপার (এএসপি) পদে যোগদান করেন।

কর্মজীবনে তিনি ডিআইজি-পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও ডিআইজি-এসপিবিএন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার এবং নেত্রকোনা, ফেনী ও মাগুরা জেলার এসপি হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
আলী হোসেন বাংলাদেশ পুলিশের হয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কসোভো ও আইভরি কোস্ট জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি প্রশিক্ষণ এবং সরকারি কাজে যুক্তরাষ্ট্র, চীনসহ বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, ১৫তম বিসিএস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক, ১৫তম বিসিএস পুলিশ ফোরামের আহ্বায়ক, খুলনা ক্লাব এবং ঢাকা অফিসার্স ক্লাবের সদস্য। এছাড়া তিনি ঢাকার এপিবিএন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি, বাংলাদেশ পুলিশ হ্যান্ডবল ক্লাবের সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

আছেন আরও বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে।
তার সহধর্মিণী প্রফেসর নাসিমা ফেরদৌসী সরকারি তিতুমীর কলেজে ফিন্যান্স ডিপার্টমেন্টে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন। পারিবারিক জীবনে তিনি এক পুত্র এবং এক কন্যা সন্তানের জনক। তার ছেলে কুয়েটে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এবং কন্যা বুয়েটে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অধ্যয়নরত।

নির্দোষ দাবি করে আলফাডাঙ্গা পৌরসভার উদ্যোক্তার প্রতিবাদ

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
নির্দোষ দাবি করে আলফাডাঙ্গা পৌরসভার উদ্যোক্তার প্রতিবাদ

জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে ৪০ হাজার টাকা চেয়েছেন আলফাডাঙ্গা পৌরসভার উদ্যেক্তা মো. শাহিনুর রহমান। সংবাদটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন তিনি।

শনিবার (০৬ জুন) দুপুরে আলফাডাঙ্গা সদরের নিজ বাড়িতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে লিখিত প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

লিখিত প্রতিবাদে তিনি জানান, আলফাডাঙ্গা পৌরসভার উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সহিত কাজ করে চলছেন মো.শাহিনুর রহমান। গত বুধবার (৩ জুন) পৌরসভার ইচাপাশা গ্রামের রবি ইসলাম নামের এক ব্যক্তি তার চাচীকে নিয়ে পৌর ভবনে আসেন জন্ম নিবন্ধন সংসোধন করার জন্য। শাহিনুর সংশোধন করার জন্য কাজগপত্র চান। এটা সংশোধন করতে কত টাকা খচর হবে জানতে চাইলে বলেন ৫০ থেকে ১০০ টাকা খরচ হবে। তারা বলেন আরও টাকা লাগবে কি না? শাহিনুর প্রতি উত্তরে না বলে দেন।

রবি এসময় রুমের বাহিরে এসে শাহিনুরকে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসা করেন আপনি আমার চাচীর কাছে জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে ৪০ হাজার টাকা চাইলেন কেন? এমন প্রশ্ন শুনে তিনি আবাক হয়ে বলেন আমি আপনার চাচীর কাছে কখন এ টাকা চাইলাম। তাদের মধ্যে এ নিয়ে তর্কবির্তক হওয়ার পর ভূল বোঝাবুঝির অবসান হয়। পরদিন একই গ্রামের বিল্লাল হুসাইন নামের এক ব্যক্তি এসে বলল জন্ম নিবন্ধন সংশোধন ফি নিয়ে কি হয়েছে? তাকে বলেন সমাধান হয়ে গেছে। বিল্লাল সাহেব তাকে বলেন ৪০ হাজার টাকা কি রবি চেয়েছে? শাহিনুর না বলে দেয়। এ কথা সুনে বিল্লাল চলে যায়।

এরপর কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণ যোগাযোগ মাধ্যমে শাহিনুর রহমান জন্ম নিবন্ধন সংশোধন করতে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ চেয়েছেন বলে বিভিন্ন ভাবে প্রচার করা হয়। এসব মিথ্যা ও অপ-প্রচারের বিরুদ্ধে তিনি প্রতিবাদ জানান।

আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক রিফাত নূর মৌসুমি জানান, জন্ম নিবন্ধনে বাড়তি টাকা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফরিদপুরে ভ্যাপসা গরমের দাপট, হাঁসফাঁস করছে মানুষ

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ভ্যাপসা গরমের দাপট, হাঁসফাঁস করছে মানুষ

গত কয়েকদিন ধরে তীব্র ভাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে ফরিদপুরের জনজীবন। দিনের পাশাপাশি রাতেও মিলছে না স্বস্তি। প্রচণ্ড রোদ, বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতা এবং বৃষ্টির অনুপস্থিতিতে জেলার মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষ, রিকশাচালক, কৃষক ও খোলা আকাশের নিচে কাজ করা কর্মজীবীদের কষ্ট সবচেয়ে বেশি।

জেলা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার ফরিদপুরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৬ দশমিক ০১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ০২ ডিগ্রি এবং শুক্রবার ৩৪ দশমিক ০১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যদিও শুক্রবার তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে, তবে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় গরমের অনুভূতি কমেনি। বরং ভ্যাপসা আবহাওয়ার কারণে মানুষ আরও অস্বস্তি অনুভব করছেন।

শনিবার (০৬ জুন) দুপুরে শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন না। রাস্তাঘাট, বাজার ও জনসমাগমস্থলে মানুষের উপস্থিতি তুলনামূলক কম। যারা জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হচ্ছেন, তাদের বেশিরভাগকেই ছাতা, টুপি কিংবা পানির বোতল সঙ্গে রাখতে দেখা গেছে।

শহরের আলীপুর এলাকার রিকশাচালক আব্দুল করিম বলেন, “সকালে কিছুটা কাজ করা গেলেও দুপুরের পর রাস্তায় থাকা কঠিন হয়ে যায়। কয়েক মিনিট রোদে থাকলেই শরীর ঘামে ভিজে যায়। যাত্রীও কমে গেছে।”

একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানান সদর উপজেলার কৃষক মজিবর শেখ। তিনি বলেন, “ধান ও সবজির জমিতে কাজ করতে গিয়ে খুব কষ্ট হচ্ছে। সকাল থেকে গরমের কারণে শ্রমিকরাও বেশিক্ষণ মাঠে থাকতে পারছেন না।”

ফরিদপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামাদুল হক ‘ফরিদপুর প্রতিদিন’-কে বলেন, বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ অত্যধিক বেশি থাকার কারণেই মানুষ বেশি ঘামছেন এবং তাপমাত্রা তুলনামূলক কম থাকলেও গরমের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। আর্দ্রতা বেশি থাকলে শরীর থেকে ঘাম সহজে শুকাতে পারে না, ফলে অস্বস্তি ও ক্লান্তি বেড়ে যায়।

তিনি আরও জানান, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। তখন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বাড়বে এবং তাপমাত্রাও ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে। এর ফলে গরমের তীব্রতা কমে স্বস্তি ফিরতে পারে জনজীবনে।

চিকিৎসকরা এই গরমে প্রয়োজন ছাড়া রোদে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বাইরে বের হলে পর্যাপ্ত পানি পান, হালকা রঙের সুতি পোশাক ব্যবহার এবং শিশু ও বয়স্কদের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। অতিরিক্ত গরমে হিট স্ট্রোক, পানিশূন্যতা, মাথা ঘোরা ও ক্লান্তির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে টানা গরমে বিদ্যুতের চাহিদাও বেড়েছে। অনেক এলাকায় লোডশেডিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। গরমে অতিষ্ঠ ফরিদপুরবাসী এখন এক পশলা বৃষ্টির অপেক্ষায় দিন গুনছেন। তাদের প্রত্যাশা, দ্রুত আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটবে এবং দীর্ঘদিনের এই ভাপসা গরম থেকে মিলবে কিছুটা স্বস্তি।

সাংবাদিক আনিচের ওপর হামলার প্রতিবাদে ফরিদপুরে মানববন্ধন, অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক আনিচের ওপর হামলার প্রতিবাদে ফরিদপুরে মানববন্ধন, অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি

দেশ টিভি ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ফরিদপুর প্রতিনিধি মো. আনিচুর রহমান আনিচের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদ, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ফরিদপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (০৬ জুন) সকাল ১১টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সংবাদকর্মীরা এ মানববন্ধনে অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তারা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একটি উন্নয়ন প্রকল্পের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক আনিচুর রহমান হামলার শিকার হয়েছেন। এটি শুধু একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা নয়, বরং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সত্য প্রকাশের অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা। এ ধরনের ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে ভবিষ্যতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

হামলার শিকার সাংবাদিক আনিচুর রহমান বলেন, “সংবাদ সংগ্রহ ও সত্য তুলে ধরা একজন সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব। একটি সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে আমি বিভিন্ন সময় হুমকি পেয়েছি। পরে হাসপাতালের ভেতরেও আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমি এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িতদের কঠোর শাস্তি চাই, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সাংবাদিক এ ধরনের হামলার শিকার না হন।”

মধুখালী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হোসেন পলাশ বলেন, “সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতে হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। যারা সাংবাদিকের ওপর হামলা চালিয়েছে, তারা মূলত সত্যকে আড়াল করার চেষ্টা করেছে। প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি, দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনের মুখোমুখি করা হোক।”

ভাঙ্গা উপজেলা প্রতিনিধি ও আরটিভির সাংবাদিক আল ইমরান বলেন, “উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আমরা এ ঘটনার দ্রুত বিচার চাই।”

বক্তারা আরও বলেন, সম্প্রতি ফরিদপুরে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হুমকি ও হয়রানির ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

এব্যাপারে জানতে চাইলে ফরিদপুরের কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, “সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। মতপ্রকাশ ও সংবাদ সংগ্রহের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি করে এমন কোনো ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

উল্লেখ্য, এলজিইডির একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ সংগ্রহের জেরে গত ২০ মে ফরিদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালে সাংবাদিক আনিচুর রহমানের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ঠিকাদারসহ ৮-৯ জনের বিরুদ্ধে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।