খুঁজুন
, ,

মাওলানা এম এ করিমের মায়ের অসুস্থতা, দেশ-বিদেশের সবার কাছে দোয়া কামনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
মাওলানা এম এ করিমের মায়ের অসুস্থতা, দেশ-বিদেশের সবার কাছে দোয়া কামনা

বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য এবং ঐতিহাসিক শাপলা চত্বর আন্দোলনের অন্যতম শীর্ষ নেতৃত্বদানকারী আলেম মাওলানা এম এ করিম ইবনে মছব্বিরের মমতাময়ী মা আলহাজ্ব মোছা. কমলা বেগম (ব্রিটিশ নাগরিক) দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিল রোগে অসুস্থ রয়েছেন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থান করছেন এবং চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।

মাওলানা এম এ করিম ইবনে মছব্বির তাঁর মায়ের দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘ নেক হায়াত কামনায় দেশ-বিদেশে অবস্থানরত আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, বন্ধু-বান্ধব, সহকর্মী এবং সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমানের কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া চেয়েছেন।

তিনি বলেন, “মা আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় নিয়ামত। আমার মায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। মহান আল্লাহ তাআলা যেন তাঁকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন এবং কষ্ট লাঘব করেন—এই দোয়াই সকলের কাছে কামনা করছি।”

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আলহাজ্ব মোছা. কমলা বেগম দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। বয়সজনিত কারণে তাঁর শারীরিক দুর্বলতা বেড়ে যাওয়ায় নিয়মিত চিকিৎসা ও পরিচর্যার মধ্যে রাখা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা তাঁর সুস্থতার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে মাওলানা এম এ করিমের মায়ের অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁর অনুসারী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া করছেন। অনেকে আল্লাহর কাছে তাঁর রোগমুক্তি, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ নেক হায়াত প্রার্থনা করেছেন।

ধর্মীয় অঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বও আলহাজ্ব মোছা. কমলা বেগমের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা বলেন, অসুস্থ মানুষের জন্য দোয়া করা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা এবং একজন মায়ের সুস্থতার জন্য সন্তানের এই আবেদন মানবিকতারও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

মাওলানা এম এ করিম ইবনে মছব্বির শেষবারের মতো আবারও সকলের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন, যেন সবাই আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে তাঁর মায়ের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করেন।

যে ৭ খাবার ফুড পয়জনিং-এর ঝুঁকি বাড়াতে পারে?

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ
যে ৭ খাবার ফুড পয়জনিং-এর ঝুঁকি বাড়াতে পারে?

বর্ষার ঝিরিঝিরি বৃষ্টি যেমন আমাদের মনে স্বস্তি এনে দেয়, তেমনই এই স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য নিয়ে আসতে পারে বড় চ্যালেঞ্জ। বর্ষাকালে বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশের কারণে ফুড পয়জনিং বা খাদ্য বিষক্রিয়ার প্রকোপ অনেক বেড়ে যায়।

সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি ফুড-এর একটি বিশেষ প্রতিবেদনে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। গবেষকরা বলছেন, আর্দ্র আবহাওয়া ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য ক্ষতিকর অণুজীবের দ্রুত বংশবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত অনুকূল, যার ফলে খাবার খুব দ্রুত নষ্ট বা পচে যায়।

এই বিষয়ে বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ রূপালী দত্ত বলেন, ‘বর্ষাকালে আমাদের পরিপাকতন্ত্র তুলনামূলকভাবে ধীরগতির হয়ে পড়ে। যার কারণে পেট ফাঁপা, গ্যাস এবং বদহজমের মতো অস্বস্তিকর লক্ষণগুলো সহজেই দেখা দেয়’। তাই সারা বছর খাদ্য সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হলেও, বর্ষার মৌসুমে কিছু নির্দিষ্ট খাবারের ক্ষেত্রে আমাদের অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

ফুড পয়জনিং-এর সাধারণ লক্ষণসমূহ

অসাবধানতাবশত বর্ষাকালে জীবাণুযুক্ত খাবার খেয়ে ফেললে শরীরে যেসব উপসর্গ দেখা দিতে পারে:

বমি বমি ভাব এবং বমি হওয়া

পেটে মোচড় দেওয়া এবং তীব্র পেট ব্যথা

পাতলা পায়খানা বা ডায়রিয়া (কিছু ক্ষেত্রে মল দিয়ে রক্তও যেতে পারে)

জ্বর এবং শরীর কাঁপানো ঠাণ্ডা লাগা

অতিরিক্ত শারীরিক ক্লান্তি ও সারা শরীরে ব্যথা হওয়া

ঝুঁকিপূর্ণ সেই ৭টি খাবার

বর্ষার দিনগুলোতে সুস্থ থাকতে নিচের ৭টি খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি:

১. কাঁচা বা আধা-সেদ্ধ মাংস

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (CDC)-এর মতে, মুরগি, টার্কি কিংবা গরুর মাংস যদি সঠিকভাবে এবং পুরোপুরি রান্না করা না হয়, তবে তাতে সালমোনেলা (Salmonella) এবং ই. কোলাই (E. coli)-এর মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে যেতে পারে। তাই মাংস ভালোভাবে সেদ্ধ করে রান্না করা নিশ্চিত করুন।

২. কাঁচা বা আধা-সেদ্ধ ডিম

কাঁচা ডিম দিয়ে তৈরি বিভিন্ন খাবার যেমন—ঘরে তৈরি মেয়োনিজ কিংবা বেশ কিছু ডেজার্ট বা মিষ্টিজাতীয় খাবার এই সময়ে খাদ্যবাহিত রোগের ঝুঁকি বা ফুড পয়জনিং-এর আশঙ্কা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

৩. সামুদ্রিক মাছ ও শামুকজাতীয় খাবার

অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ‘ফুডসেফটি’-এর তথ্য অনুযায়ী, কাঁচা মাছ, সুশি এবং বিভিন্ন খোলসযুক্ত সামুদ্রিক খাবার-এ ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা প্রাকৃতিকভাবে তৈরি টক্সিন থাকতে পারে, বিশেষ করে যদি সেগুলো দূষিত পানি থেকে সংগ্রহ করা হয়ে থাকে।

৪. অপাস্তুরিত দুধ ও নরম পনির

কাঁচা বা অপাস্তুরিত দুধ এবং তা থেকে তৈরি পনিরে লিস্টিরিয়া (Listeria)-এর মতো মারাত্মক ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে বলে সতর্ক করেছে সিডিসি। বর্ষায় এগুলো পরিহার করাই শ্রেয়।

৫. কাঁচা ফলমূল ও শাকসবজি

ভালোভাবে না ধুয়ে কাঁচা ফল, পাতাযুক্ত সবজি কিংবা শাক খাওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক। এগুলোতে ক্ষতিকর জীবাণু, মাটির কণা কিংবা সেচের পানি থেকে আসা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া লেগে থাকতে পারে।

৬. রান্না করা ভাত ও পাস্তা

রান্না করা ভাত, নুডলস বা পাস্তা যদি ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় দীর্ঘ সময় রেখে দেওয়া হয়, তবে সেখানে খুব দ্রুত ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধতে পারে ও বংশবৃদ্ধি করতে পারে।

৭. কাটা মাংস ও রেডি-টু-ইট সালাদ

দোকানের প্যাকেটজাত সালাদ, কোলস্লো, আলুর সালাদ বা স্লাইস করা মাংস (Deli Meats) যদি সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষিত না থাকে, তবে তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। এছাড়া হাত দিয়ে নাড়াচাড়ার কারণেও এগুলো সহজেই দূষিত হতে পারে।

বর্ষায় ফুড পয়জনিং এড়াতে করণীয়

বাড়িতে খাবার প্রস্তুত ও সংরক্ষণের সময় কিছু সহজ কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর অভ্যাস গড়ে তুলুন:

ফল ও সবজি ধোয়া এবং হাত পরিষ্কার করা: যেকোনো ফলমূল ও সবজি রান্নার আগে বা কাঁচা খাওয়ার আগে প্রবাহিত পানির নিচে রেখে খুব ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। খাবার তৈরির আগে, মাঝে ও পরে এবং খাওয়ার ঠিক আগে সাবান ও পানি দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুয়ে নিন।

কাঁচা ও রান্না করা খাবার আলাদা রাখা: কাঁচা মাংস, ডিম, হাঁস-মুরগি বা সামুদ্রিক খাবারকে রান্না করা এবং সরাসরি খাওয়ার উপযোগী খাবার থেকে সর্বদা আলাদা রাখুন, যাতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া রান্নাঘরে বা অন্যান্য খাবারে ছড়িয়ে না পড়ে।

খাবার ভালো করে রান্না করা: জীবাণু ধ্বংস করতে খাবার সবসময় নিরাপদ অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা পৌঁছানো পর্যন্ত ভালোভাবে রান্না করুন। মাংসের ক্ষেত্রে সেদ্ধ হওয়া নিয়ে নিশ্চিত না হলে ফুড থার্মোমিটার ব্যবহার করতে পারেন।

খাবার দ্রুত ফ্রিজে রাখা: ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় খাবার ফেলে রাখলে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তাই পচনশীল এবং রান্না করা খাবার দ্রুত ফ্রিজে রাখুন। ফ্রিজের তাপমাত্রা ৪০° ফারেনহাইট (৪° সেলসিয়াস) বা তার নিচে এবং ডিপ ফ্রিজের তাপমাত্রা ০° ফারেনহাইট (-১৮° সেলসিয়াস) বা তার নিচে রাখা উচিত। রান্না শেষ হওয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যে খাবার ফ্রিজে রাখা জরুরি।

একটু সচেতনতা এবং সঠিক নিয়মে খাদ্য গ্রহণ ও রান্নার অভ্যাসই পারে বর্ষার এই মনোরম ঋতুতে আপনাকে ও আপনার পরিবারকে সুস্থ ও প্রাণবন্ত রাখতে।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি ফুড

ফরিদপুরে অবৈধ বালু উত্তোলনে কঠোর ইউএনও, আগুনে পুড়ল ৩ ড্রেজার

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে অবৈধ বালু উত্তোলনে কঠোর ইউএনও, আগুনে পুড়ল ৩ ড্রেজার

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানে ৩টি ড্রেজার বিনষ্ট এবং বালুমহাল আইনে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

​বুধবার (২৬ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত উপজেলার চর হরিরামপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুলহাস হোসেন সৌরভ।

​আদালত সূত্রে জানা যায়, দুপুরে চর হরিরামপুর ইউনিয়নের চর সালেপুর মধ্য এলাকা এবং ইউনিয়ন পরিষদের পেছনের অংশ থেকে ২টি ও সালেপুর পশ্চিমের হাজার বিঘা এলাকা থেকে ১টি ড্রেজার জব্দ করা হয়। পরে অবৈধ বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত ৩টি ড্রেজারই আগুন দিয়ে পুড়িয়ে বিনষ্ট করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

​তবে অভিযানকালে ড্রেজার পরিচালনকারীদের কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে অবৈধভাবে মাটি ভরাটের দায়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪(খ) ধারা লঙ্ঘনে ১৫ ধারায় আসলাম মোল্লা নামে স্থানীয় এক বাসিন্দাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

​উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জুলহাস হোসেন সৌরভ জানান, জনস্বার্থে ও অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

চরভদ্রাসনে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে বিএনপি

শিশির খাঁন
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ণ
চরভদ্রাসনে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে বিএনপি

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এক পরিবারকে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।

​বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের টিলারচর গ্রামে ক্ষতিগ্রস্ত শেখ আদেল উদ্দিনের হাতে এ অনুদান তুলে দেওয়া হয়। স্পেন প্রবাসী ও স্পেন বিএনপির সহ-সভাপতি ইউনুছ আলী প্রামাণিকের আর্থিক সহযোগিতায় এ সহায়তা দেওয়া হয়।

​জানা গেছে, গত রবিবার (২৩ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে টিলারচর গ্রামের শেখ আদেল উদ্দিনের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ১টি ছাপড়া ঘর ভস্মীভূত এবং রান্নাঘরের একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ছাড়া আগুনে পুড়ে মারা যায় গোয়ালঘরে থাকা ৭টি ছাগল। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের।

​সংবাদ পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তার অংশ হিসেবে ফরিদপুর-৪ আসনের নেতা শহিদুল ইসলাম বাবুলের নির্দেশনায় নগদ আর্থিক অনুদান পৌঁছে দেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

​অনুদান প্রদানকালে চরভদ্রাসন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অহিদুজ্জামান মোল্লা, সদস্য সচিব আব্দুল কুদ্দুস (ভিপি বাদশা), উপজেলা যুবদলের সভাপতি মোজাফফর হোসেন মোল্লা, চরভদ্রাসন বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির সদস্য আরমান আলী শিকদার এবং ঢাকা উত্তর কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. জাহাঙ্গীর হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

​সহযোগিতা প্রসঙ্গে স্পেন প্রবাসী ইউনুছ আলী প্রামাণিক জানান, দুস্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ সামাজিক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।