খুঁজুন
শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২ বৈশাখ, ১৪৩৩

স্বচ্ছ সংসদই পারে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে

রহমান মৃধা
প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬, ৭:০৬ পূর্বাহ্ণ
স্বচ্ছ সংসদই পারে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে

যতদিন সংসদে দুর্নীতিমুক্ত ও ঋণখেলাপিমুক্ত সংসদ সদস্য না যাবে, ততদিন বাংলাদেশে সংবিধান থেকে জাতি ন্যায়বিচার পাবে না। কারণ, you will never find justice when criminal politicians make the law।

এটি কেবল একটি বাক্য নয়। এটি রাষ্ট্রের ভেতরের অমীমাংসিত সংকটের সংক্ষিপ্ত সারাংশ। এখানে প্রশ্ন ব্যক্তির নয়, কাঠামোর। প্রশ্ন দলীয় নয়, নৈতিকতার।

সংবিধান একটি জাতির সর্বোচ্চ নীতিপত্র। সেখানে ন্যায়, সমতা, মানবাধিকার ও জবাবদিহির অঙ্গীকার লেখা থাকে। কিন্তু সেই সংবিধান বাস্তবায়নের দায়িত্ব যাদের হাতে, যদি তারাই দুর্নীতি, ঋণখেলাপি, লুটপাট, ক্ষমতার অপব্যবহার, চাঁদাবাজি ও ভোট জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত হন, তবে সংবিধানের ভাষা কাগজেই সীমাবদ্ধ থাকে। ন্যায়বিচার তখন নথিতে থাকে, বাস্তবে নয়।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে দীর্ঘদিন ধরে একটি বিপজ্জনক প্রবণতা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনী প্রতিযোগিতা নীতির লড়াই নয়, প্রভাবের লড়াই হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি, ভোটের পরে প্রভাব বিস্তার। রাষ্ট্রীয় সম্পদকে জনসম্পদ হিসেবে নয়, দলীয় সম্পদ হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ বারবার উঠেছে। ঋণখেলাপিরা ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে দুর্বল করেছে, আর সাধারণ আমানতকারীরা অনিশ্চয়তায় থেকেছে। বড় প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, অথচ জবাবদিহি দুর্বল।

চাঁদাবাজি ও প্রভাব খাটানোর সংস্কৃতি স্থানীয় পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায়ে বিস্তৃত হয়েছে বলে নাগরিকদের মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছে। তরুণ প্রজন্মের একটি অংশ মনে করে, যোগ্যতা নয়, সংযোগই সাফল্যের পথ। এই ধারণা রাষ্ট্রের জন্য গভীর বিপদের সংকেত।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো ভোটের প্রতি আস্থার সংকট। যদি নাগরিক বিশ্বাস করতে না পারেন যে তাদের ভোটই প্রতিনিধিত্ব নির্ধারণ করে, তবে গণতন্ত্র কেবল আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হয়। গণতন্ত্রের প্রাণ হলো আস্থা। সেই আস্থা ক্ষয় হলে সংবিধানের প্রতিশ্রুতি দুর্বল হয়ে পড়ে।

এই বাস্তবতায় মূল প্রশ্নটি স্পষ্ট। আইন প্রণেতারা যদি নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হন, তবে আইন কি ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে পারে? যখন অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত বা আর্থিক অনিয়মে জড়িত ব্যক্তিরা আইন প্রণয়ন করেন, তখন আইনের প্রতি জনগণের শ্রদ্ধা কমে যায়। আইনের শাসন তখন ব্যক্তির শাসনে রূপ নিতে শুরু করে।

সমাধান ব্যক্তিবিশেষকে অপছন্দ করা নয়। সমাধান হলো কাঠামোগত শুদ্ধি। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী মনোনয়নে নৈতিক মানদণ্ড কঠোর করা, ঋণখেলাপি ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্তদের সংসদে প্রবেশ বন্ধ করা, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বাস্তব অর্থে শক্তিশালী করা জরুরি।

রাষ্ট্রকে বাঁচাতে হলে প্রথমে সংসদকে শুদ্ধ করতে হবে। কারণ সংসদই আইন তৈরি করে, আর আইনই রাষ্ট্রের চরিত্র নির্ধারণ করে। আইন যদি নৈতিকতার উপর দাঁড়ায়, রাষ্ট্র টিকে থাকে। আইন যদি স্বার্থের উপর দাঁড়ায়, রাষ্ট্র ভেঙে পড়ে।

অতএব এই বাক্যটি কেবল প্রতিবাদ নয়, একটি সতর্কবার্তা।

ন্যায়বিচার কাগজে লেখা থাকে না, তা মানুষের হাতে গড়ে ওঠে।

আর সেই হাত যদি কলুষিত হয়, তবে সংবিধানও ন্যায় দিতে পারে না।

শেষ প্রশ্নটি এড়ানো যায় না। রাষ্ট্রের জনগণ যেমন, তার নেতৃত্বও সাধারণত তেমনি হয়। বাংলাদেশের জন্য কি এই কথাটি প্রযোজ্য?

গণতন্ত্রে নেতৃত্ব আকাশ থেকে নামে না। নেতৃত্ব উঠে আসে সমাজের ভেতর থেকে। যদি সমাজ দুর্নীতিকে সহনীয় মনে করে, যদি ঋণখেলাপিকে কৌশলী ব্যবসায়ী হিসেবে দেখে, যদি ভোট জালিয়াতিকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে মেনে নেয়, যদি চাঁদাবাজিকে প্রভাবের অংশ মনে করে, তবে সেই মানসিকতার প্রতিফলনই একদিন সংসদে বসে। তখন আমরা কেবল নেতৃত্বকে দোষ দিই, কিন্তু আয়নায় নিজেদের দেখি না।

তবে এর অর্থ এই নয় যে জনগণ দায়ী বলেই রাষ্ট্র ব্যর্থ। বরং এর অর্থ, পরিবর্তনের শক্তিও জনগণের ভেতরেই আছে। সমাজ যদি নৈতিক মানদণ্ড উঁচু করে, যদি ভোটাররা প্রশ্ন করতে শেখে, যদি দলীয় অন্ধত্বের বদলে নৈতিকতার ভিত্তিতে প্রতিনিধি বেছে নেয়, তবে সংসদ বদলাবে। সংসদ বদলালে আইন বদলাবে। আইন বদলালে রাষ্ট্রের চরিত্র বদলাবে।

বাংলাদেশের জন্য প্রশ্নটি তাই দ্বিমুখী। নেতৃত্ব কি জনগণের প্রতিচ্ছবি, নাকি জনগণকে এমন কাঠামোর মধ্যে রাখা হয়েছে যেখানে বিকল্পই সংকুচিত? যদি দ্বিতীয়টি সত্য হয়, তবে কাঠামো ভাঙতে হবে। যদি প্রথমটি আংশিক সত্য হয়, তবে মানসিকতা বদলাতে হবে।

অতএব, যতদিন সংসদে দুর্নীতিমুক্ত ও ঋণখেলাপিমুক্ত প্রতিনিধি না যাবে, ততদিন সংবিধানের প্রতিশ্রুতি পূর্ণ হবে না। কিন্তু সেই পরিবর্তনের চাবিকাঠি জনগণের হাতেই।

প্রশ্ন এখন একটাই। আমরা কি কেবল অভিযোগ করব, নাকি নিজেদের রাজনৈতিক নৈতিকতাকেও পুনর্গঠন করব?

লেখক: রহমান মৃধা, গবেষক ও লেখক, প্রাক্তন পরিচালক, ফাইজার, সুইডেন

 

ফরিদপুরে আরএসএম ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরসের উদ্যোগে হজ্জ প্রশিক্ষণ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে আরএসএম ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরসের উদ্যোগে হজ্জ প্রশিক্ষণ

সরকার অনুমোদিত ফরিদপুর জেলার একমাত্র হজ্জ ও ওমরাহ এজেন্সি আরএসএম ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরসের উদ্যোগে হজ্জ যাত্রীদের নিয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে পবিত্র মক্কা নগরীতে হাজীদের করণীয় ও হজ্জের পবিত্রতা রক্ষায় প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেন সরকার অনুমোদিত প্রশিক্ষকরা।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ১০ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরের স্বপ্নছোয়া কমিনিউটি সেন্টারে এই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। যেখানে হজ্জের চলতি মৌসুমে আরএসএম ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরসের মাধ্যমে নারী-পুরুষসহ ৯৬ জন হজ্জ যাত্রী অংশ নেয়।

এছাড়া চলতি মৌসুমে সারা দেশে প্রায় আড়াইশ জন হজ্জ্ব যাত্রী এজেন্সিটির মাধ্যমে হজ্জে যাবেন বলে প্রতিষ্ঠানটির স্বত্ত্বাধিকারী আলহাজ্ব মনিরুল ইসলাম মোল্যা জানিয়েছেন। তিনি হজ্জ এজেন্সীস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ অর্থাৎ হাব-এর ঢাকা জোনাল কার্যনির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম মোল্লা।

হজ্জ প্রশিক্ষণে তিনি পবিত্র হজের গুরুত্ব, নিয়ম-কানুন ও করণীয় বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেন। এছাড়া অন্যদের মধ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন শাহ ফরিদ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবুল কালাম আজাদ সহ অনেকে। তারা হজের বিভিন্ন আমল ও কার্যক্রম সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক ধারণা লাভ করেন।

আরএসএম ট্রাভেলস এন্ড ট্যুরসের প্রধান কার্যালয় ফরিদপুর শহরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিপরীত পাশে অবস্থিত। প্রতি বছরই হজ্জ ও ওমারাহ যাত্রায় সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে।

ফরিদপুরে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল শিক্ষা কর্মকর্তার লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল শিক্ষা কর্মকর্তার লাশ

ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌর এলাকায় গোপালগঞ্জ উপজেলা সদরের সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ রাজু ইসলাম (৩৬)-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার পূর্ব হাসামদিয়া এলাকার মাতৃকুঞ্জ নামে একটি আবাসিক ভবনের চতুর্থ তলার ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শেখ রাজু ইসলাম গোপালগঞ্জ উপজেলা সদরে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার মউতলা গ্রামে। তিনি নুরুল ইসলাম শেখের ছেলে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ভাঙ্গা পৌরসভার আতাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হ্যাপি আক্তারের স্বামী। তাদের সংসারে দুই কন্যা সন্তান রয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর আনুমানিক ১টা থেকে দেড়টার মধ্যে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। বিষয়টি বুঝতে পেরে দ্রুত স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে নিচে নামানো হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের স্ত্রী হ্যাপি আক্তার জানান, দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি বাসায় ফোন করেন। এ সময় তার মেয়েরা জানায়, তাদের বাবা ঘরের ভেতরে গলায় রশি দিয়েছেন। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত বাসায় এসে স্বামীর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।

নিহতের জমজ ভাই শেখ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মায়ের ফোন পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন। বাসায় পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পর উপরের তলা থেকে চিৎকার শুনে দৌড়ে গিয়ে ভাইয়ের মরদেহ দেখতে পান। ঘটনাটি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে।

এদিকে নিহতের ছোট মেয়ে আমেনা আক্তার (প্রায় ৪ বছর) জানায়, কিছুক্ষণ আগে তার বাবা তার পাশে শুয়ে ছিলেন। পরে তাকে পাশে না পেয়ে পাশের কক্ষে গিয়ে বাবাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে তিনি জানান।

পুলিশ জানিয়েছে, এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা খতিয়ে দেখতে ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিহতের সহকর্মী ও স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সংবাদ প্রকাশের পর: জমিদার বাড়ি সংরক্ষণে পদক্ষেপের ঘোষণা দিলেন এমপি বাবুল

সদরপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ
সংবাদ প্রকাশের পর: জমিদার বাড়ি সংরক্ষণে পদক্ষেপের ঘোষণা দিলেন এমপি বাবুল

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাইশরশি জমিদার বাড়ি সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন ফরিদপুর-৪ (সদরপুর, ভাঙ্গা ও চরভদ্রাসন) আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। এরই প্রেক্ষিতে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এমপি বাবুল সরেজমিনে জমিদার বাড়িটি পরিদর্শন করেন এবং সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, এই জমিদার বাড়িটি আমাদের এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন। এটিকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। ইতোমধ্যে আমরা এটি অধিদপ্তর-এর আওতায় এনে সংরক্ষণের চেষ্টা করছি।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকা এই জমিদার বাড়ির বিভিন্ন অংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি গুপ্তধনের আশায় বউঘাট খননের ঘটনাও এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

শহিদুল ইসলাম বাবুলের এ ঘোষণায় এলাকাবাসীর মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন।