খুঁজুন
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

শামার গাড়ি ভাঙা মামলার আসামি আ.লীগ নেতা আনোয়ার, শামার হাতেই ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগদান

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
শামার গাড়ি ভাঙা মামলার আসামি আ.লীগ নেতা আনোয়ার, শামার হাতেই ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগদান

ফরিদপুরের সালথায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফরিদপুর-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শামা ওবায়েদের গাড়ি ভাঙচুর মামলার আসামি আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার হোসেন মিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি শামা ওবায়েদের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে বিএনপিতে যোগদানের ঘোষণা দেন।

রবিবার (০৪ জানুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে সালথা উপজেলার ভাওয়াল গ্রামে বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক প্রয়াত আতিয়ার রহমান কবির মিয়ার কবর জিয়ারত করেন শামা ওবায়েদ। কবর জিয়ারত শেষে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভা চলাকালেই আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার হোসেন মিয়া ফুলের তোড়া দিয়ে বিএনপিতে যোগ দেন এবং অনুষ্ঠানে বক্তব্যও রাখেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন মিয়া বলেন,
“আমি আজ থেকে বিএনপি নেত্রী শামা ওবায়েদের দলে মিশে গেলাম। আগামীর দিনে আমি ধানের শীষের একজন সৈনিক হয়ে কাজ করবো।”

শামা ওবায়েদ কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি সালথা ও নগরকান্দা উপজেলা নিয়ে গঠিত ফরিদপুর-২ সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী। তিনি নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং প্রয়াত কে এম ওবায়দুর রহমানের কন্যা। কে এম ওবায়দুর রহমান একসময় বিএনপির মহাসচিব ছিলেন।

অপরদিকে, আনোয়ার হোসেন মিয়া সালথা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ভাওয়াল ইউনিয়নের ইউসুফদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সালথায় বিএনপি প্রার্থী হিসেবে প্রচারণায় আসার সময় শামা ওবায়েদের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই মামলার ১২ নম্বর আসামি আনোয়ার হোসেন মিয়া। মামলার বিবাদীপক্ষের আইনজীবী ছানোয়ার হোসেন জানান, বর্তমানে আনোয়ার হোসেন আদালতের আদেশে জামিনে রয়েছেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ওয়াহিদুজ্জামান, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আছাদ মাতুব্বর, বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার খায়রুল বাসার আজাদসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

খন্দকার খায়রুল বাসার আজাদ বলেন, “আনোয়ার হোসেন মিয়া আমাদের নেত্রী শামা ওবায়েদের হাতে ফুল দিয়ে আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।”

সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার জানান,“তিনি প্রকাশ্য সভায় বক্তব্য দিয়ে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন।”

তবে বিএনপিতে যোগদানের আগে আনোয়ার হোসেন মিয়া আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদসহ দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেননি বলে দাবি করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা। পদত্যাগ ছাড়াই একজন পদধারী আওয়ামী লীগ নেতার এমন প্রকাশ্য যোগদান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শওকত হোসেন মুকুল তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে লেখেন,“উনি সালথা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। উনার ভাই ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। আরেক ভাই জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও জজ কোর্টের এপিপি। সুযোগ সুবিধা না পাওয়ার অভিযোগ করলেও ওই পদ ব্যবহার করেই কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে। সেই পদটাও সঙ্গে নিয়েই পদত্যাগ না করে বিএনপিতে যোগ দিলেন—এতো বড় অকৃতজ্ঞতা কীভাবে সম্ভব?”

স্থানীয় বিএনপি নেতারা দাবি করছেন, শামা ওবায়েদের নেতৃত্ব ও জনপ্রিয়তায় অনুপ্রাণিত হয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা বিএনপিতে যোগ দিচ্ছেন, যা ফরিদপুর-২ আসনে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তিকে আরও সুদৃঢ় করছে।

অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ মহলে এই যোগদান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দলীয় পদে বহাল থেকেও অন্য দলে যোগ দেওয়া রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী কি না—তা নিয়েই চলছে আলোচনা।

এ বিষয়ে আনোয়ার হোসেন মিয়ার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার ভাই ও সালথা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন মিয়া বলেন, “আনোয়ার বিএনপিতে যোগ দিয়েছে—এটা শুনেছি। সে সাবালক, নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিতে পারে। তবে এখনো সে কোনো লিখিত পদত্যাগপত্র দেয়নি। হয়তো দুই-একদিনের মধ্যেই জানাবে।”

ফরিদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের মাঝে মৌসুমী ফল লিচু বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের মাঝে মৌসুমী ফল লিচু বিতরণ

ফরিদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের মানবিক ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে সকল বন্দির মাঝে মৌসুমী ফল লিচু বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) সকালে জেলা কারাগার প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্দিদের পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গ্রীষ্মকালীন জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর ফল লিচু বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

লিচু বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া এবং জেলার মনির হোসেন। তারা বন্দিদের খোঁজখবর নেন এবং কারাগারের সার্বিক পরিবেশ ও বন্দিদের কল্যাণমূলক বিষয়গুলো পরিদর্শন করেন।

এ সময় জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া বলেন, বন্দিদের মানবিক মর্যাদা রক্ষা এবং তাদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে কারা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন কল্যাণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। বন্দিদের জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্য, চিকিৎসাসেবা, বিনোদন ও পুনর্বাসনমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি মৌসুমী ফল বিতরণও তার একটি অংশ।

তিনি আরও বলেন, কারাগার শুধু শাস্তি প্রদানের স্থান নয়, বরং সংশোধন ও পুনর্বাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। বন্দিদের মানসিক বিকাশ ও ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

লিচু বিতরণ পেয়ে বন্দিদের মধ্যেও সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায়। কারা কর্তৃপক্ষের এমন উদ্যোগকে তারা ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন।

ফরিদপুর জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, ভবিষ্যতেও বন্দিদের কল্যাণ ও সুস্থতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সদরপুরের পদ্মাবেষ্টিত ইউনিয়নে নির্মাণ হচ্ছে পরিষদ ভবন, অবসান হবে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৮:১২ পূর্বাহ্ণ
সদরপুরের পদ্মাবেষ্টিত ইউনিয়নে নির্মাণ হচ্ছে পরিষদ ভবন, অবসান হবে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পদ্মাবেষ্টিত প্রত্যন্ত চরাঞ্চল দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন অবশেষে পেতে যাচ্ছে নিজস্ব ইউনিয়ন পরিষদ ভবন। দীর্ঘদিন ধরে পরিষদ ভবন না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিতে ট্রলারে প্রায় দুই ঘণ্টা পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে উপজেলা সদরে যেতে হতো। প্রায় দুই হাজার পরিবারের এই ইউনিয়নে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে ইউনিয়নের নুরুদ্দিন সরদার কান্দী বাজার সংলগ্ন এলাকায় সেমি-পাকা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাজহারুল ইসলাম।

এর আগে একই ইউনিয়নের উপজেলা প্রশাসন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন সরদার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব ভবন না থাকায় প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণে তাদের নানা ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হতো। নতুন ভবন নির্মিত হলে ইউনিয়নবাসী নিজ এলাকাতেই সহজে নাগরিক সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এতে চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

এদিকে বহুদিনের প্রত্যাশিত ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। স্থানীয়দের আশা, দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে চরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।

প্রিয়জন হারানোর শোকে কাতর ব্যক্তিকে যে ৭ কথা বলা উচিত নয়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৮:০৪ পূর্বাহ্ণ
প্রিয়জন হারানোর শোকে কাতর ব্যক্তিকে যে ৭ কথা বলা উচিত নয়?

আপনার প্রিয়জন হারানোর শোকে কাতর কোনো বন্ধু বা আত্মীয়ের পাশে দাঁড়িয়ে আমরা প্রায়ই বুঝতে পারি না কী বলা উচিত। আমরা তাদের সান্ত্বনা দিতে চাই, কিন্তু অনেক সময় আমাদের বলা কথাগুলো হিতে বিপরীত হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শোক কোনো সহজ বিষয় নয় এবং একে অন্যের জন্য আরামদায়ক করার কোনো সংক্ষিপ্ত পথ নেই।

নিচে এমন ৭টি কথার তালিকা দেওয়া হলো যা প্রিয়জন হারানো ব্যক্তিকে বলা থেকে বিরত থাকা উচিত:

১. সবকিছুই কোনো না কোনো কারণে ঘটে: এই কথাটি শোকাতুর ব্যক্তির কষ্টকে ছোট করে ফেলে। কারণ, সব শোকের পেছনে কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা থাকে না এবং কোনো কারণই প্রিয়জনকে হারানোর অভাব পূরণ করতে পারে না।

২. আমি ঠিক জানি আপনার কেমন লাগছে: শোক একটি অত্যন্ত ব্যক্তিগত অনুভূতি এবং প্রত্যেকের অভিজ্ঞতা আলাদা। এমনকি আপনি নিজে কাউকে হারিয়ে থাকলেও, অন্যের শোকের সাথে নিজের তুলনা করা উচিত নয়।

৩. অন্তত আপনি প্রস্তুতির সময় পেয়েছিলেন: দীর্ঘ অসুস্থতার পর কেউ মারা গেলে অনেকেই এটি বলেন। কিন্তু প্রিয়জন চলে যাবে এটা আগে থেকে জানলেও তার চলে যাওয়ার কষ্ট বা ব্যথা একটুও কমে না।

৪. অন্তত আপনার অন্য সন্তান বা পরিবারের সদস্যরা তো আছে: এই কথার মাধ্যমে বোঝানো হয় যে একজনের অভাব অন্যজন দিয়ে পূরণ করা সম্ভব। এটি মৃত ব্যক্তির গুরুত্বকে খাটো করে দেখায়।

৫. শক্ত হোন: এই কথাটি শোকাতুর ব্যক্তির ওপর আবেগ চেপে রাখার জন্য এক ধরনের মানসিক চাপ সৃষ্টি করে। শোকের সময় ভেঙে পড়াটাই স্বাভাবিক এবং অনেক সময় এটাই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

৬. এখন সব ভুলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে: শোক কাটানোর কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। কাউকে ভুলে যাওয়া বা সরিয়ে দেওয়ার নাম শোক কাটিয়ে ওঠা নয়, বরং শোককে জীবনের অংশ হিসেবে মেনে নিতে শিখতে অনেক সময়ের প্রয়োজন হয়।

৭. শুধু ভালো স্মৃতিগুলোর কথা ভাবুন: শোকের শুরুতে ভালো স্মৃতিগুলোও অনেক সময় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায় কারণ সেই মানুষটির অনুপস্থিতি আরও প্রকটভাবে অনুভূত হয়। শোকাতুর ব্যক্তি কীভাবে শোক পালন করবেন তা নির্ধারণ করে দেওয়া উচিত নয়।

সঠিকভাবে পাশে দাঁড়ানোর উপায়

সান্ত্বনা দেওয়ার বদলে আপনার উপস্থিতিই সবচেয়ে বড় সমর্থন হতে পারে। আপনি বলতে পারেন, ‘আমি জানি না কী বলা উচিত, তবে আমি তোমার পাশে আছি’। এছাড়া শুধু কথা না বলে ঘরের কাজে সাহায্য করা বা নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার মাধ্যমেও দীর্ঘমেয়াদী সমর্থন দেওয়া সম্ভব। মনে রাখবেন, লক্ষ্য শোক দূর করা নয়, বরং তাকে অনুভব করানো যে এই কঠিন যাত্রায় তিনি একা নন।

তথ্যসূত্র: ভেরিওয়েল মাইন্ড