খুঁজুন
, ,

আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে ফরিদপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

হারুন আনসারী, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৫:৫৮ অপরাহ্ণ
আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে ফরিদপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে ফরিদপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে ফরিদপুর শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও মডেল মসজিদের সামনে থেকে বিশাল একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন সহকারে মিছিলে যোগ দেন। প্রায় এক কিলোমিটারব্যাপী লম্বা এই মিছিল শহরের প্রধান সড়ক অতিক্রম করে শহরের কোর্ট চত্বরে পৌঁছে শেষ হয়।
এর আগে পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে একই দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ বদরউদ্দিনের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মো. দেলোয়ার হুসাইন, কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য সামসুল ইসলাম আল বরাটি, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ফরিদপুর-৩ আসনের মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুত তাওয়াব, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, নায়েবে আমীর আবু হারিস মোল্যা, সদর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর জসীমউদ্দিন, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এসএম আবুল বাশার, পৌর জামায়াতের আমীর ডা. এহসানুল মাহবুব রুবেল, ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি হাফেজ ওবায়দুল্লাহ ও শহর শাখার সভাপতি আকমাল হোসাইন।
সমাবেশ সঞ্চালনা করেন- জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুল ওহাব।
সমাবেশে বক্তাগণ বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সাজানো মামলায় ক্যাঙ্গারু আদালতে আজহারুল ইসলামকে অন্যায়ভাবে সাজা দেয়া হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা থেকেই শেখ হাসিনা মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বানিয়ে একের পর এক ইসলামী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় অন্যায়ভাবে সাজা দিয়েছে। সেই ফ্যাসিস্ট হাসিনার পলায়নের পর তার এই ট্রাইব্যুনালও অবৈধ হয়ে গেছে।
তারা বলেন, অফিস থেকে বের হয়ে বাসায় ফেরার পথে আজহারুল ইসলামকে আটক করা হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে অমানষিক নির্যাতন চালানো হয়। তার বিরুদ্ধে যেই মামলা দায়ের করা হয়, তার কোন ভিত্তি নেই। আমরা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে এই পাতানো ট্রাইব্যুনালের ফরমায়েশি সাজায় কারাগারে অন্তরীণ মজলুম জননেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তি চাই।
তারা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার সুপরিকল্পিতভাবে জামায়াতের নেতাদের বিচারের নামে হত্যা করেছে। মিথ্যা অভিযোগ আজহারুল ইসলামকে এখনো বন্দি করে রেখেছে। তাকে ফাঁসির সেলের পাশে একটি কক্ষে অমানবিকভাবে বন্দি করে রাখা হয়েছে। অবিলম্বে তাকে মুক্তি না দিলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। নইলে জনগণের বিক্ষোভের মুখে এই সরকারকেও পালাতে হবে।

‘জুলাইয়ের বিজয় কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়, এটি ১৮ কোটি মানুষের বিজয়’ —পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৫ পূর্বাহ্ণ
‘জুলাইয়ের বিজয় কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়, এটি ১৮ কোটি মানুষের বিজয়’ —পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, “জুলাইয়ের যোদ্ধারা শুধু কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজপথে নামেননি। তারা দীর্ঘ ১৭ বছরের গুম, খুন, সন্ত্রাস, নির্যাতন ও স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যেই আন্দোলন করেছিলেন। এই বিজয় কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয়, এটি বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের সম্মিলিত বিজয়।”

বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার শহীদ আকরামুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, “গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ভিত্তি হচ্ছে জনগণের ভোটাধিকার, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা। তাই দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের বিকল্প নেই।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাইয়ের গণ-আন্দোলনে মানুষের আত্মত্যাগ, সাহস এবং গণতন্ত্রের প্রতি অটল অঙ্গীকার বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায় হয়ে থাকবে। শহীদদের এই আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অনুপ্রাণিত করবে।”

তিনি শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাদের আত্মত্যাগের চেতনা ধারণ করেই একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দেশবাসীকে বিভেদ ভুলে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

সমাবেশে বক্তব্য দেন ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদারেস আলী ইছা, নগরকান্দা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ শাহিনুজ্জামান শাহিন, সালথা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াহিদুজ্জামান ওহিদ, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, সালথা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আসাদ মাতুব্বর, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মাহাবুব আলী মিয়া এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুলসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

সভায় বক্তারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণ করেন এবং গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মানবদেহে মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করলে কী হয়, কীভাবে এগুলো এড়ানো যায়?

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৯ পূর্বাহ্ণ
মানবদেহে মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করলে কী হয়, কীভাবে এগুলো এড়ানো যায়?

সাম্প্রতিক সময়ে খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অন্যতম বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মাইক্রোপ্লাস্টিক। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ফুড-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমাদের পানীয় জল, সামুদ্রিক খাবার, ফলমূল, শাকসবজি, লবণ, মধু, চা, চাল, এমনকি শ্বাস নেওয়ার বাতাসেও এই ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা খুঁজে পাওয়া গেছে। বিজ্ঞানীরা এমনকি মানুষের রক্ত, ফুসফুস, হৃদযন্ত্রের ধমনী এবং গর্ভফুলের মধ্যেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি শনাক্ত করেছেন।

যদিও এই কণাগুলো আমাদের শরীরে ঠিক কতটা ক্ষতিকর তা নিয়ে গবেষণা চলছে, তবে প্রাথমিক ফলাফলগুলো যথেষ্ট চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মাইক্রোপ্লাস্টিক ও ন্যানোপ্লাস্টিক আসলে কী?

৫ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট আকারের প্লাস্টিকের কণাগুলোকে মাইক্রোপ্লাস্টিক বলা হয়। বড় প্লাস্টিক পণ্য যেমন বোতল, প্যাকেট বা সিন্থেটিক কাপড় সময়ের সাথে সাথে ভেঙে এই ক্ষুদ্র কণা তৈরি করে। এর চেয়েও ক্ষুদ্র কণা হলো ন্যানোপ্লাস্টিক, যা খালি চোখে দেখা যায় না এবং এগুলো মানবদেহের গভীরে প্রবেশ করতে সক্ষম বলে ধারণা করা হয়।

কীভাবে এগুলো আমাদের খাদ্যে প্রবেশ করে?

খাদ্যশৃঙ্খলের প্রায় প্রতিটি স্তরেই মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করতে পারে:

দূষিত মাটি ও পানির মাধ্যমে উদ্ভিদ ও মাছের শরীরে।

প্লাস্টিক প্যাকেজিং ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সময়।

রান্না বা খাবার সংরক্ষণের সময় বাতাসের মাধ্যমে ধুলোবালি হিসেবে খাবারের ওপর জমে।

মানবদেহে এর ক্ষতিকর প্রভাব

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বড় মাইক্রোপ্লাস্টিক কণাগুলো সাধারণত পরিপাকতন্ত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়, কিন্তু ক্ষুদ্রতম কণা বা ন্যানোপ্লাস্টিকগুলো রক্ত ও টিস্যুতে প্রবেশ করতে পারে। এর সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাবগুলো হলো:

প্রদাহ ও দীর্ঘমেয়াদী রোগ: মাইক্রোপ্লাস্টিক কোষকে উত্তেজিত করে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।

অক্সিডেটিভ স্ট্রেস: এটি শরীরের কোষ, প্রোটিন এবং ডিএনএ-র ক্ষতি করতে পারে।

পাকস্থলীর ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট: গবেষণা বলছে, এটি আমাদের অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে।

রাসায়নিক ঝুঁকি: প্লাস্টিকে থাকা বিভিন্ন ক্ষতিকর অ্যাডিটিভ বা পরিবেশ থেকে শোষিত ভারী ধাতু আমাদের শরীরে বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।

মাইক্রোপ্লাস্টিকের ঝুঁকি এড়ানোর উপায়

পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিক এখন সবখানে বিদ্যমান থাকায় একে পুরোপুরি এড়িয়ে চলা অসম্ভব, তবে কিছু অভ্যাসের মাধ্যমে এর সংস্পর্শ কমিয়ে আনা সম্ভব:

১. প্লাস্টিকে গরম করা বন্ধ করুন: প্লাস্টিকের পাত্রে খাবার রেখে মাইক্রোওয়েভে গরম করবেন না; পরিবর্তে কাঁচ বা সিরামিকের পাত্র ব্যবহার করুন।

২. কাঁচ বা স্টিলের পাত্র ব্যবহার: পানির বোতল, টিফিন বক্স বা খাবার সংরক্ষণের জন্য প্লাস্টিকের বদলে কাঁচ বা স্টেইনলেস স্টিলের পাত্র ব্যবহার করা নিরাপদ।

৩. অতিরিক্ত গরম খাবার থেকে সাবধান: খুব গরম চা বা কফি প্লাস্টিকের কাপে পান করা থেকে বিরত থাকুন, কারণ তা প্লাস্টিক কণা নিঃসরণ বাড়ায়।

৪. ফল ও সবজি ভালো করে ধোয়া: খাওয়ার আগে ফল ও সবজি ভালোভাবে ধুয়ে নিলে উপরিভাগে জমে থাকা প্লাস্টিক কণা বা ধুলো পরিষ্কার হয়।

৫. ফিল্টার করা পানি পান: বোতলজাত পানির তুলনায় ফিল্টার করা কলের পানিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক কম থাকার সম্ভাবনা থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাইক্রোপ্লাস্টিকের সুদূরপ্রসারী প্রভাব সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সচেতন থাকা এবং প্লাস্টিকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার কমিয়ে আনাই বুদ্ধিমানের কাজ।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি ফুড

বাঙ্গালী আমৃত্য জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণ করবে : শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু

আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ণ
বাঙ্গালী আমৃত্য জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণ করবে : শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ও ঐতিহাসিক ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদ পতন উপলক্ষে বিএনপির বিজয় র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বোয়ালমারী উপজেলা ও পৌর বিএনপির(একাংশ) আয়োজনে বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় বোয়ালমারী রেলস্টেশন থেকে র‍্যালিটি শুরু হয়ে পৌরসদরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বোয়ালমারী চৌরাস্তায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

র‍্যালীতে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। বিভিন্ন স্লোগান ও ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে র‍্যালিটি উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে। র‍্যালী শেষে বোয়ালমারী চৌরাস্তায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

র‌্যালী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- বোয়ালমারী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি ও বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু। তিনি বলেন, দলমত নির্বিশেষে বাঙালি যতদিন বেঁচে থাকবে, ততদিন জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণ করবে। জুলাই আন্দোলনে ছাত্রজনতা জীবন দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। তাদের এই আত্মত্যাগ জাতি কোনোদিন ভুলবে না। আর কোনোদিন যাতে জুলাইয়ের জঘন্যতম দিন না আসে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে দেশের মানুষের অধিকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন বোয়ালমারী সরকারি কলেজের সাবেক জিএস বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম মুকুল, মফিজুর কাদের খান মিল্টন, জাহাঙ্গীর আলম কালা মিয়া, সাবেক কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মিনাজুর রহমান লিপন, পৌর সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মনির হোসেন, জাসাসের সাবেক সভাপতি শাইন আনোয়ার, যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মাহবুব হাসান সজীব, ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক যাকারিয়া মোল্লা সুমন, জুয়েল প্রমুখ।