খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরে মাদক সেবন করায় তিন যুবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড 

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মাদক সেবন করায় তিন যুবককে ৬ মাসের কারাদণ্ড 

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মাদক সেবনের অপরাধে তিন যুবককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সাথে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো অতিরিক্ত একমাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৭ আগস্ট) দুপুরে অভিযান চালিয়ে আলফাডাঙ্গা পৌর এলাকার বাঁকাইল গ্রাম থেকে তাদের আটক করে পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে আদালত বসিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম রায়হানুর রহমান এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, আলফাডাঙ্গা উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের রবি ঘোষের ছেলে রজত ঘোষ (২৫), বাকাইল গ্রামের সৈয়দ আলীর ছেলে মো. জনি (২৮) ও গোপালপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে হাসিবুল খান (৩৬)।

আদালত সূত্রে জানা যায়, দন্ডপ্রাপ্ত যুবকরা আলফাডাঙ্গা পৌর এলাকার বাঁকাইল গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ঘরের মধ্যে ইয়াবা সেবন করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম রায়হানুর রহমান সেখানে উপস্থিত হন। পরে আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাদের তিনজনকে মাদকসেবন অবস্থায় আটক করেন। এরপর অভিযুক্তরা তাদের দোষ স্বীকার করেন ও ভবিষ্যতে মাদকসেবন করবেন না মর্মে অঙ্গীকার করেন। দোষীদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী প্রত্যেককে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও একইসঙ্গে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো অতিরিক্ত একমাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আলফাডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম রায়হানুর রহমান বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকসেবন করার অপরাধে তিনজনকে জেল ও জরিমানা করা হয়েছে। মাদকমুক্ত উপজেলা গড়তে এ ধরণের অভিযান অব্যহত থাকবে।’

ফরিদপুর জেলা কারাগারে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে মৌসুমী ফল কাঁঠাল বিতরণ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৫:১৬ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুর জেলা কারাগারে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে মৌসুমী ফল কাঁঠাল বিতরণ

ফরিদপুর জেলা কারাগারের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাঝে সৌহার্দ্য, আন্তরিকতা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির অংশ হিসেবে মৌসুমী ফল কাঁঠাল বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জেলা কারাগার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কারাগারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্টাফদের হাতে কাঁঠাল তুলে দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া এবং জেলার মনির হোসেন।

অনুষ্ঠানে জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কল্যাণ ও তাদের মাঝে পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে কারাগার কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময়ে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে। দেশীয় মৌসুমী ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সবাইকে একসঙ্গে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা, কর্মস্পৃহা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর। এমন উদ্যোগ কর্মপরিবেশকে আরও ইতিবাচক ও প্রাণবন্ত করে তোলে।

এ সময় জেলার মনির হোসেন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কারাগারের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনায় সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

কাঁঠাল বিতরণ অনুষ্ঠানে কারাগারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, কারারক্ষী এবং কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এ উদ্যোগে অংশগ্রহণকারী স্টাফরা কারা কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, এমন ছোট ছোট আয়োজন কর্মক্ষেত্রে উৎসাহ, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কল্যাণ ও মনোবল বৃদ্ধি করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে ফরিদপুরে মাদ্রাসা পরিচালকের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে ফরিদপুরে মাদ্রাসা পরিচালকের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

ফরিদপুরে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় মাদ্রাসার পরিচালক মো. আশরাফ আলীকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে আদায় করে ভুক্তভোগী পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. আশরাফ আলী (৪৬) আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি ফরিদপুর শহরের দক্ষিণ গোয়ালচামট এলাকার রওজাতুন-নেছা মহিলা মাদ্রাসার পরিচালক। একই মাদ্রাসার একটি কক্ষে তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী ওই মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী ও হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল। ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আশরাফ আলী তাকে হেফজখানার শ্রেণিকক্ষ থেকে নিজের বাসায় ডেকে নেন। সে সময় তার স্ত্রী-সন্তান বাড়িতে ছিলেন না।

অভিযোগ অনুযায়ী, বাসা ফাঁকা থাকার সুযোগে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন আশরাফ আলী। একপর্যায়ে কিশোরীটি নিজেকে রক্ষা করতে দৌড়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। পরে বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি বাবা-মাকে জানায়।

পরিবারটি প্রথমে স্থানীয়ভাবে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়। পরে তারা আইনের আশ্রয় নেয়। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর পুলিশ আশরাফ আলীকে গ্রেপ্তার করলেও পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। তবে মামলার বিচারিক কার্যক্রম ও যুক্তিতর্ক শুরু হওয়ার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।
তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নূর হোসেন আদালতে আশরাফ আলীকে একমাত্র অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য-প্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া জানান, আদালত দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। পাশাপাশি জরিমানার ৭০ হাজার টাকা তার সম্পত্তি বিক্রি করে আদায় করে ভুক্তভোগী পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার পর ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। তারা দ্রুত আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের রায় কার্যকরের দাবি জানান।

সোনালি আঁশের গৌরব ফেরাতে ফরিদপুরে বিএডিসির মাঠ দিবস

হাসানউজ্জামান, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৯:১০ অপরাহ্ণ
সোনালি আঁশের গৌরব ফেরাতে ফরিদপুরে বিএডিসির মাঠ দিবস

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী অর্থকরী ফসল পাটের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার এবং দেশীয় পাট বীজের ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফরিদপুরে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) আয়োজিত পাট ফসলের মাঠ দিবস ও বীজ ডিলার কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে ফরিদপুর সদর উপজেলার তেঁতুলতলা এলাকায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে পাট চাষ, উন্নতমানের দেশীয় বীজের ব্যবহার এবং বীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএডিসির যুগ্ম সচিব ও বীজ ও উদ্যান উইংয়ের সদস্য পরিচালক মো. মজিবুর রহমান।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ বিভাগের অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক মোসাব্বের হোসেন, পাট বীজ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক দেবদাস সাহা, বীজ উৎপাদন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ মো. হুমায়ুন কবির, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফরিদপুরের উপ-পরিচালক মো. শাহাদুজ্জামান এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া।

এছাড়া কৃষি বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, জেলার পাটচাষি, পাট বীজ ডিলার এবং স্থানীয় কৃষকরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ফরিদপুর বিএডিসি বীজ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. কামরুল হক।

বক্তারা বলেন, পাট বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতি, পরিবেশ এবং রপ্তানি খাতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ফসল। বিশ্বব্যাপী পরিবেশবান্ধব প্রাকৃতিক তন্তুর চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাটের সম্ভাবনাও দিন দিন বাড়ছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে উন্নতমানের দেশীয় পাট বীজ ব্যবহারের বিকল্প নেই।

তারা কৃষকদের বিএডিসি উৎপাদিত জেআরও-৫২৪ (JRO-524) জাতের পাট বীজ ব্যবহারের পরামর্শ দেন। বক্তাদের মতে, সরকারিভাবে ভর্তুকি মূল্যে প্রতি কেজি বীজ মাত্র ১২০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এ বীজের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা ৯০ শতাংশের বেশি হওয়ায় উৎপাদন খরচ কমে এবং ফলনও ভালো পাওয়া যায়।

কর্মশালায় জানানো হয়, বর্তমানে দেশে ব্যবহৃত পাট বীজের একটি বড় অংশ বিদেশ থেকে, বিশেষ করে ভারত থেকে আমদানি করা হয়। এ নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয়ভাবে উন্নতমানের পাট বীজ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিএডিসি ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

বক্তারা জানান, ‘মাদার সিড’ উৎপাদন ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমের মাধ্যমে ২০২৯-৩০ সালের মধ্যে দেশে পাট বীজ উৎপাদনে শতভাগ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়িত হলে প্রতিবছর প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে এবং কৃষকরা সহজে মানসম্পন্ন বীজ পেতে সক্ষম হবেন।

আলোচনা শেষে বিএডিসির কর্মকর্তা, কৃষক ও বীজ ডিলাররা জেআরও-৫২৪ জাতের পাটের প্রদর্শনী ক্ষেত পরিদর্শন করেন। মাঠ পর্যায়ে বীজের গুণগত মান, গাছের বৃদ্ধি এবং ফলনের সম্ভাবনা সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের অবহিত করা হয়।

কৃষি সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, উন্নতমানের দেশীয় বীজের ব্যবহার বাড়লে পাট উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে এবং একসময় ‘সোনালি আঁশ’ খ্যাত পাট আবারও দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।