খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ভূয়া ম্যাজিস্ট্রেট আটক

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ভূয়া ম্যাজিস্ট্রেট আটক

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে স্বর্ণের দোকান হতে শাহরিয়ার জাহান (৫১)নামে একজন ভূয়া ম্যাজিস্ট্রেটকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মৌলভীরচর বাজারে সুব্রত জুয়েলার্স নামে একটি স্বর্ণের দোকান হতে তাকে আটক করা হয়।

পরে স্থানীয়রা বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে পনের দিনের কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

শাহরিয়ার রাজবাড়ি জেলার পাংশা উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত আকবর আলীর ছেলে।

সুব্রত জুয়েলার্সের মালিক জানায়, ঘটনার দিন বেলা সাড়ে ১০ টার দিকে তার দোকানে ওই ব্যাক্তি এসে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন কাগজপত্র দেখতে চায়।বিষয়টি পাশের দোকানে বসে থাকা একজন এনজিও কর্মী দেখে। পরে তার মোবাইলে থাকা একটি ভিডিও দেখিয়ে সুব্রতকে সতর্ক করে বলে তার দোকানে যেই ব্যাক্তি ম্যাজিস্ট্রেটের পরিচয় দিয়েছে সে আসলে একজন প্রতারক। পরে আশেপাশের ব্যাবসায়ী ও স্থানীয়দের সহায়তায় ওই ব্যাক্তিকে আটক করা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে ওইদিন দুপুরে চরভদ্রাসন উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যায়েদ হোছাইন ঘটনাস্থলে যান। পরে ঘটনার সত্যতা যাচাই করে দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৯ ধারায় শাহরিয়ারকে দোষী সাব্যস্ত করে পনের দিনের জেল প্রদান করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

এব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যায়েদ হোছাইন বলেন, ঘটনাস্থলে এসে আমরা অভিযুক্ত ব্যাক্তির বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সত্যতা পাই। পরে তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ভ্রম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল প্রদান করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চরভদ্রাসন থানার উপ-পরিদর্শক গোলাম হোসেনসহ সঙ্গীয় ফোর্স।

ফরিদপুরে ফুটপাত দখলে নাকাল পথচারী, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সড়কে হাঁটছেন নগরবাসী

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:১২ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে ফুটপাত দখলে নাকাল পথচারী, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সড়কে হাঁটছেন নগরবাসী

ফরিদপুর পৌর এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ফুটপাত দখল করে দোকানপাট, ভাসমান ব্যবসা ও অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারীরা। হাঁটার জন্য নির্মিত ফুটপাত ব্যবহার করতে না পেরে শিশু, শিক্ষার্থী, নারী, বৃদ্ধসহ সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্যস্ত সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে যেমন দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে, তেমনি সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যা চললেও কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নগরবাসী।

সম্প্রতি শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, জনতা ব্যাংক মোড়, হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজারসংলগ্ন সড়ক, থানা মোড়, গোয়ালচামট, রাজবাড়ী রাস্তার মোড়, টেপাখোলা সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ফুটপাতের বড় অংশ দখল করে বসেছে ভাসমান দোকান। কোথাও ফলের দোকান, কোথাও চা-স্টল, আবার কোথাও পোশাক, জুতা কিংবা সবজির অস্থায়ী দোকান। অনেক স্থায়ী দোকানদারও তাদের পণ্য ফুটপাতে সাজিয়ে রেখেছেন। ফলে পথচারীদের জন্য ফুটপাত কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

শহরের আলীপুর এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, “ফুটপাত দিয়ে হাঁটার কোনো সুযোগই নেই। বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে হাঁটতে হয়। মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও বাসের ভিড়ে প্রতিদিন ভয় নিয়ে চলাচল করতে হয়। ছোট ছেলেমেয়েদের নিয়ে বের হলে আরও বেশি আতঙ্কে থাকতে হয়।”

সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের শিক্ষার্থী তানিয়া আক্তার বলেন, “কলেজে যাতায়াতের সময় ফুটপাত ব্যবহার করতে পারি না। দোকান আর ক্রেতাদের ভিড়ে রাস্তা বন্ধ হয়ে থাকে। বাধ্য হয়ে গাড়ির পাশ দিয়ে হাঁটতে হয়। এতে প্রায়ই দুর্ঘটনার মুখোমুখি হতে হয়।”

গোয়ালচামট এলাকার গৃহিণী নাসরিন বেগম বলেন, “বাজার করতে গেলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয়। শিশুদের নিয়ে চলাচল করা খুবই কষ্টকর। ফুটপাত সাধারণ মানুষের জন্য, কিন্তু এখন সেটি ব্যবসার জায়গায় পরিণত হয়েছে।”

রিকশাচালক আব্দুল কাদের বলেন, “ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় মানুষ রাস্তায় হাঁটে। এতে যানবাহনের গতি কমে যায় এবং প্রায়ই যানজট সৃষ্টি হয়। ছোটখাটো দুর্ঘটনাও ঘটছে।”

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কয়েকজনের দাবি, জীবিকার তাগিদেই তারা ফুটপাতে ব্যবসা করছেন। তাদের ভাষ্য, বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে তারা এখানে বসছেন। তবে তারা স্বীকার করেন, এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে।

ফরিদপুরের সচেতন নাগরিক কমিটির সদস্য সাংবাদিক হাসানউজ্জামান বলেন, ফুটপাত মূলত পথচারীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য নির্মাণ করা হলেও দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলের কারণে এর উদ্দেশ্যই ব্যাহত হচ্ছে। নিয়মিত অভিযান পরিচালনা না করায় দখলদাররা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও কয়েকদিন কিংবা কয়েকঘন্টার পর আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে।

ফরিদপুর নাগরিক মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর কান্তি বালা বলেন, শুধু উচ্ছেদ অভিযান চালালেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। ফুটপাত দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ভাসমান ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত করা গেলে নগরবাসী নিরাপদে ফুটপাত ব্যবহার করতে পারবেন।

তিনি আরও, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত করবে। অন্যথায় প্রতিদিনের এই ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়বে।

এ বিষয়ে ফরিদপুরের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সভাপতি আবরাব নাদিম ইতু বলেন, “ফুটপাত কোনোভাবেই ব্যবসা করার জায়গা নয়। এটি পথচারীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য নির্মিত। ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় মানুষ বাধ্য হয়ে সড়কে হাঁটছে, যা দুর্ঘটনার বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নগরবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে হবে। একই সঙ্গে ভাসমান ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প স্থান নির্ধারণ করাও প্রয়োজন।”

ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, “পৌরসভা নিয়মিতভাবে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে অভিযান পরিচালনা করছে। তবে উচ্ছেদের পর অনেকেই আবার ফুটপাত দখল করে বসে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। খুব শিগগিরই প্রশাসনের সহযোগিতায় সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি যেসব ভাসমান ব্যবসায়ী জীবিকার জন্য ফুটপাতে বসেন, তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা যায় কি না, সেটিও বিবেচনা করা হচ্ছে।”

ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস হলে যে ৮ কাজ করবেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫১ পূর্বাহ্ণ
ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস হলে যে ৮ কাজ করবেন?

ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের জীবনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি বাড়িয়েছে নতুন ধরনের ঝুঁকিও। ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা এখন আর বিরল নয়।

কখনো হ্যাকিং, কখনো প্রতারণা, কখনো সম্পর্কের অবনতি, আবার কখনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া ভিডিওও মানুষের ব্যক্তিগত জীবনকে বিপর্যস্ত করে দিতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঠান্ডা মাথায় দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নিলে ক্ষতি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

আতঙ্কিত না হয়ে পরিস্থিতি বুঝুন

নিজের ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল হওয়ার খবর শুনে স্বাভাবিকভাবেই মানসিক চাপ তৈরি হয়। তবে প্রথমেই নিশ্চিত হতে হবে, ভিডিওটি সত্যিই আপনার কি না, নাকি সম্পাদনা বা এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। একই সঙ্গে এটি কোথায় এবং কীভাবে ছড়াচ্ছে, সেটিও বোঝার চেষ্টা করুন।

প্রমাণ সংরক্ষণ করুন

ভিডিওটি যে প্ল্যাটফর্মে রয়েছে, তার লিঙ্ক, স্ক্রিনশট, আপলোডকারীর নাম, প্রকাশের সময়সহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করুন। এগুলো পরবর্তী সময়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজে আসবে।

ভিডিওটি ছড়াতে সাহায্য করবেন না

অনেকে রাগ বা আতঙ্কে ভিডিওটি ডাউনলোড করে পরিচিতদের কাছে পাঠান বা বিভিন্ন জায়গায় শেয়ার করে জানান যে, এটি মুছে ফেলতে হবে। এতে উল্টো ভিডিওটি আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই নিজেও ভিডিওটি শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।

সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মে দ্রুত অভিযোগ করুন

ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, এক্স (সাবেক টুইটার), ইউটিউবসহ প্রায় সব বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই ব্যক্তিগত বা সম্মতি ছাড়া প্রকাশিত অন্তরঙ্গ কনটেন্ট অপসারণের ব্যবস্থা রয়েছে। নির্ধারিত রিপোর্টিং অপশন ব্যবহার করে দ্রুত অভিযোগ জানান। অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়।

আইনি সহায়তা নিন

অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ভিডিও প্রকাশ করা অনেক দেশেই শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বাংলাদেশেও তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার অপরাধসংক্রান্ত প্রচলিত আইনের আওতায় অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে। প্রয়োজন হলে নিকটস্থ থানার পাশাপাশি পুলিশের সাইবার ইউনিট বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা নিন।

পাসওয়ার্ড বদলে ফেলুন

ভিডিওটি যদি হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে ফাঁস হয়ে থাকে, তাহলে অবিলম্বে ইমেইল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ক্লাউড স্টোরেজ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন। সম্ভব হলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) চালু করুন।

পরিচিতদের আগেই জানিয়ে দিন

ঘনিষ্ঠ পরিবার, বন্ধু বা কর্মস্থলের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সত্য ঘটনা সংক্ষেপে জানিয়ে রাখলে ভুল বোঝাবুঝি কমে। এতে কেউ ভিডিওটি পেলে বিভ্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যায়।

মানসিক চাপকে অবহেলা করবেন না

ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই লজ্জা, ভয়, উদ্বেগ কিংবা বিষণ্নতায় ভুগতে পারেন। এ সময় নিজেকে একা না রেখে বিশ্বস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলা এবং প্রয়োজন হলে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা কাউন্সেলরের সহায়তা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

ভবিষ্যতের জন্য সতর্কতা

এ ধরনের ঘটনার ঝুঁকি কমাতে কিছু অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি:

ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ক্লাউডে সংরক্ষণ করলে শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করুন।

অপরিচিত লিঙ্ক বা ফাইল খুলবেন না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাইভেসি সেটিংস নিয়মিত পর্যালোচনা করুন।

মোবাইল ও কম্পিউটারে নিরাপত্তা হালনাগাদ রাখুন।

কাউকে ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও পাঠানোর আগে সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করুন।

এআই প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি ভুয়া ভিডিও (ডিপফেক) সম্পর্কেও সচেতন থাকুন।

ভুক্তভোগীকে দোষারোপ নয়

বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, অনুমতি ছাড়া কারও ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া গোপনীয়তার গুরুতর লঙ্ঘন। এমন ঘটনার শিকার ব্যক্তিকে দোষারোপ বা উপহাস না করে সহানুভূতিশীল হওয়া এবং আইনি ও মানসিক সহায়তা পেতে সহযোগিতা করা সমাজের দায়িত্ব।

ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল হওয়া নিঃসন্দেহে একটি কঠিন অভিজ্ঞতা। তবে আতঙ্ক নয়, সচেতনতা, দ্রুত পদক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তাই এমন পরিস্থিতি মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

ফেডারেল ট্রেড কমিশন (এফটিসি) কনজিউমার অ্যাডভাইস ও বাংলাদেশ পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন অবলম্বনে

1win букмекерская контора — вход

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫৪ পূর্বাহ্ণ
1win букмекерская контора — вход

1win букмекерская контора — вход

Если вы ищете быстрый способ входа в 1win, начните с прямой ссылки на 1win вход. В случае блокировок воспользуйтесь 1win зеркало – он открывает неизменный доступ к платформе даже из ограниченных регионов.

Наберите свой логин и пароль, а также введите код подтверждения, который пришёл в SMS. При отсутствии кода – зайдите в раздел «Сброс пароля» и следуйте инструкциям. При ошибке в логине, проверьте правильность набора и наличие заглавных букв.

После входа вы сразу увидите 1win ставки, где есть турниры, турниры с живыми ставками и фрибуты. Экономьте время, заполняя форму «Быстрый вход» – она позволяет сразу же перейти к любимому событию.

Для защиты средств всегда включайте двухфакторную авторизацию. Это сделает ваш баланс бк 1win безопасным и избавит от ненужных рисков при работе с 1 вин.

Регистрация нового пользователя и первая ставка

Перейдите в 1вин официальный сайт 1win зеркало и сразу выполните регистрацию. Заполните форму, укажите email, пароль, подтвердите номер телефона. После проверки появится подтверждение и вы получите стартовый бонус на счёт.

В 1win вход добавьте адрес своего нового аккаунта, чтобы быстро возвращаться к любимым рынкам без лишних запросов.

БК 1win известен большим выбором событий, а благодаря простому интерфейсу вы не тратите много времени на поиск нужного матча.

В разделе 1win ставки доступно почти миллион вариантов. Выберите категорию: футбол, теннис, киберспорт. Установите сумму коэффициента и нажмите «Сделать ставку».

Если захотите использовать мобильный интерфейс, 1 вин предлагает приложение, где можно делать ставки без выхода из программы.

Проверяйте ежедневную ставку: 1 win часто вносит фишки в форму БК для новых пользователей, позволяя выиграть дополнительные бонусы.

Ставьте на исходы с небольшим риском, чтобы учиться работе. Пример: коэффициент 1,5 или 1,6 – умеренный риск, но высокий шанс к выплате.

После выигрыша или проигрыша, обязательно пополните баланс, чтобы использовать кэшбек или промо‑код, доступный в разделе Акции.

Проверка безопасности: два фактора и защита аккаунта

Двухфакторный механизм требует два подтверждения: пароль и одноразовый код, генерируемый приложением. Такой подход устраняет риск несанкционированного доступа даже при утечке данных. Если вы используете 1 win зеркало, то защита распространяется на все входы, включая 1win зеркало.

Включить 2FA так быстро, как 1 вин:

  • Войдите в личный кабинет и перейдите в раздел «Установки».
  • Найдите пункт «Двухфакторная аутентификация» и нажмите «Включить».
  • Сохраняйте QR‑код, отсканируйте его в приложении Google Authenticator или Тони.
  • Введите полученный код, подтвердите настройку и сохраните резервный ключ.

Увеличьте надёжность 1vin аккаунта и уменьшите риск утраты средств. 2FA защищает от хакерских попыток, а резервный ключ позволяет быстро восстановить доступ. Это простой, но надёжный шаг, который повышает безопасность каждой 1win ставки.

Анализ начального бонуса: как он влияет на первые выигрыши

Сразу пополнить счет минимум на 200 ₽ после активации бк 1win поможет быстро активировать бонусную ставку. Бонус, предоставленный при регистрации, удваивает ваш депозит и открывает доступ к ставкам с более высокой экспозицией. Используйте 1 win для выбора матчей с более высоким коэффициентом, а также 1 вин для сбалансированной игры.

В первый день сосредоточьтесь на матчах с коэффициентом от 1.80 до 2.20, где вероятность выигрыша выше. При такой стратегии 35 % от полученных средств легко перейти в реальный выигрыш, а 15 % можно оставить в аккаунте. Если сайт недоступен, активируйте 1win зеркало, чтобы не терять время.

Постоянный контроль баланса позволяет корректировать ставки до 3–4 % от доступного капитала, предотвращая резкие отчисления. При использовании 1win вход как основного канала входа вы фиксируете доход на уровне 5–7 % от вложений, что сравнимо с средним показателем среди пользователей 1win. Таким образом, правильный подход к начальному бонусу увеличивает вероятность первых выигрышей и способствует более дисциплинированной игре в долгосрочной перспективе.