খুঁজুন
সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৬ মাঘ, ১৪৩২

আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান-শফিকুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩২ এএম
আজ সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান-শফিকুর রহমান

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার সন্ধ্যা ৭-৮টার মধ্যে বাংলাদেশ টেলিভিশন এই ভাষণ সম্প্রচার করবে।

এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকও আজ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। তাদের ভাষণও বিটিভিতে সম্প্রচারের কথা রয়েছে।

জানা গেছে, জামায়াত আমিরের ভাষণ আজ সন্ধ্যা ৬-৭টার মধ্যে ও বিএনপি চেয়ারম্যানের ভাষণ সন্ধ্যা ৭-৮টার মধ্যে সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন।

এর আগে গতকাল রোববার এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের (চরমোনাই পীর) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণ বিটিভিতে সম্প্রচার করা হয়। এদিন সন্ধ্যা ৭টায় নাহিদ ইসলামের ভাষণ এবং এর আগে সন্ধ্যা ৬টায় চরমোনাই পীরের ভাষণ সম্প্রচার করে বিটিভি।

উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

ওইদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। এবারের নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করছে।

মোবাইল ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞায় গণমাধ্যমকে আওতামুক্ত রাখার আশ্বাস ইসির

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:২৪ পিএম
মোবাইল ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞায় গণমাধ্যমকে আওতামুক্ত রাখার আশ্বাস ইসির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকর্মীদের আওতামুক্ত রাখার আশ্বাস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এ তথ্য জানান রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) সভাপতি কাজী জাবেল।

তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আরএফইডি। ইসিকে জানানো হয়েছে, এমন সিদ্ধান্ত নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি করবে।

সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে মোবাইল ফোন একটি অপরিহার্য উপকরণ।
কাজী জাবেল আরও জানান, এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন তাদের আশ্বাস দিয়েছে এবং সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিষয়টি শিগগিরই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে বলেও ইসি কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছে।

এর আগে রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানায়, ভোটকেন্দ্রের চারশ (৪০০) গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে সাধারণ ভোটারসহ কোনো ব্যক্তি মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না।

১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সহকারী শিক্ষক নিবে ফরিদপুরের পুলিশ লাইনস্ স্কুল অ্যান্ড কলেজ

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:০৬ পিএম
সহকারী শিক্ষক নিবে ফরিদপুরের পুলিশ লাইনস্ স্কুল অ্যান্ড কলেজ

ফরিদপুর জেলার পুলিশ লাইনস্ স্কুল অ্যান্ড কলেজে সহকারী শিক্ষক পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। এ সংক্রান্ত একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ, পুলিশ সুপারের কার্যালয়, ফরিদপুর।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফরিদপুর সদরস্থ পুলিশ লাইনস্ স্কুল অ্যান্ড কলেজে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে একজন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। পদসংখ্যা ১টি।

শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞান/কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং/তথ্য প্রযুক্তি অথবা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাঠদানের অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

প্রার্থীর বয়স অনূর্ধ্ব ৩৫ বছর হতে হবে। নির্বাচিত প্রার্থীকে সরকারি বিধি অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদান করা হবে।

আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদনপত্রের সঙ্গে জীবনবৃত্তান্ত, সদ্য তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের সত্যায়িত কপি, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি এবং ৫০০ টাকার পে-অর্ডার সংযুক্ত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

আবেদনপত্র সরাসরি অথবা ডাকযোগে অধ্যক্ষ, পুলিশ লাইনস্ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ফরিদপুর বরাবর পাঠাতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।

পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোনো প্রকার টিএ/ডিএ প্রদান করা হবে না। কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে বিজ্ঞপ্তির শর্ত পরিবর্তন বা নিয়োগ বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।

কাউকে রক্ত দিলে কি রোজা নষ্ট হয়ে যায়?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩০ এএম
কাউকে রক্ত দিলে কি রোজা নষ্ট হয়ে যায়?

পবিত্র রমজান মাসে রোজা পালন করতে গিয়ে দৈনন্দিন প্রয়োজন ও মানবিক দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট নানা মাসআলা সামনে আসে। বিশেষ করে কোনো অসুস্থ রোগীর জন্য রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হলে অনেক রোজাদারের মনে প্রশ্ন জাগে—রোজা রেখে রক্ত দিলে কি রোজা নষ্ট হয়ে যাবে?

কারণ রোজা অবস্থায় শরীর থেকে রক্ত বের হওয়া, দুর্বলতা অনুভব করা কিংবা চিকিৎসাজনিত প্রয়োজনে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয়টি শরিয়তের দৃষ্টিতে কী—এ বিষয়ে অনেকেরই স্পষ্ট ধারণা থাকে না।

এ বিষয়ে হাদিস ও ফিকহের কিতাবে সুস্পষ্ট আলোচনা রয়েছে। আলেমরা ব্যাখ্যা করেছেন, রোজা ভঙ্গ হওয়ার মূল কারণ হলো শরীরের ভেতরে কোনো কিছু প্রবেশ করা। সাধারণভাবে শরীর থেকে কিছু বের হলে রোজা নষ্ট হয় না। তবে অতিরিক্ত রক্ত দিলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকায় সে ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ কারণে রোজা অবস্থায় রক্ত দেওয়া যাবে কিনা, কার জন্য তা মাকরূহ হতে পারে এবং কোন অবস্থায় তা বৈধ—এসব বিষয় জানা রোজাদারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে করে একদিকে যেমন মানবিক দায়িত্ব পালন করা যায়, অন্যদিকে তেমনি ইবাদতও শরিয়তের বিধান অনুযায়ী সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

রোজা অবস্থায় রক্ত দিলে কি রোজা নষ্ট হয়ে যাবে?

ফুকাহায়ে কেরামদের মতে, রোজা অবস্থায় রক্ত দিলে রোজা ভেঙে যায় না। সে কারণে বিভিন্ন পরীক্ষা বা চিকিৎসার প্রয়োজনে রক্ত দেওয়া জায়েজ। তবে এমন পরিমাণ রক্ত দেওয়া মাকরূহ, যার ফলে শরীর অতিরিক্ত দুর্বল হয়ে পড়ে এবং রোজা রাখা কষ্টকর হয়ে যায়।

এজন্য দুর্বল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে রোজা অবস্থায় অন্য রোগীকে রক্ত দেওয়া অনুচিত। তবে যে ব্যক্তি সবল এবং রোজা অবস্থায় রক্ত দিলে তার জন্য রোজা রাখা কষ্টকর হবে না, সে চাইলে রক্ত দিতে পারে। এতে কোনো শরয়ি অসুবিধা নেই।আবার সিঙ্গার মাধ্যমে শরীরের বিষাক্ত রক্ত বের করা হয়। তাই রোজা রেখে নিজের টেস্ট/পরীক্ষার জন্য কিংবা কোনো রোগীকে দেওয়ার জন্য রক্ত দিলে, রোজার কোনো ক্ষতি হবে না। তবে রক্ত দিতে গিয়ে দুর্বল হয়ে রোজা ভেঙ্গে ফেলার আশঙ্কা থাকলে, সে অবস্থায় রক্ত দেওয়া মাকরুহ হবে।

হজরত সাবিত আল-বুনানি (রহ.) বলেন- আনাস ইবনে মালিক (রা.)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছে যে, রোজাদারের জন্য শরীর থেকে শিঙ্গা লাগিয়ে রক্ত বের করাকে কি আপনি অপছন্দ করেন? জবাবে তিনি বলেন- না, আমি অপছন্দ করি না। তবে দুর্বল হয়ে পড়ার ভয় থাকলে ভিন্নকথা। (বুখারি ০১/২৬০)

সূত্র: বুখারি ১৯৩৬–১৯৪০, আলবাহরুর রায়েক ২/২৭৩, কিতাবুল আসল ২/১৬৮, মাজমাউল আনহার ১/৩৬০