খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরের প্রবীণ সংগীতজ্ঞ ওস্তাদ খায়রুল ইসলাম নীলু আর নেই

মাহবুব হোসেন পিয়াল, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের প্রবীণ সংগীতজ্ঞ ওস্তাদ খায়রুল ইসলাম নীলু আর নেই

ফরিদপুরের বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী ও প্রবীণ শিক্ষক শহরের ভাটিলক্ষ্মীপুর এলাকার বাসিন্দা ওস্তাদ খায়রুল ইসলাম নীলু ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।

সোমবার (২৩ জুন) সকাল ৯টা ২০ মিনিটের দিকে শহরের একটি বেসরকারী হাসপাতালে বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃতুবরণ করেন।তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। সোমবার বাদ আছর শহরের ভাটিলক্ষ্মীপুর ইয়াছিন মঞ্জিল জামে মসজিদে তার নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাকে আলীপুর পৌর কবরাস্থানে দাফন করা হয়।

ওস্তাদ খায়রুল ইসলাম নীলুর মৃত্যুর সংবাদে ফরিদপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুতে ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক এম এ সামাদ , সাধারণ সম্পাদক মফিজ ইমাম মিলন, ফরিদপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি উন্নয়ন সংস্থার আহবায়ক এ্যাডভোকেট তৌহিদুল ইসলাম ষ্টালিন, সদস্য সচিব মো. হাসানুজ্জামান, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন পিয়াল, এফডিএর প্রতিষ্টাতা মো. আজহারুল ইসলাম, বিএফএফর নিবাহী পরিচালক অনম ফজলুল হাদি সাব্বির, চাঁদের হাট ফরিদপুরের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন তিতু, সুর লহড়ী একাডেমীর সভাপতি শরীফ সোহান, বীরমুক্তিযোদ্ধা আমিনুর রহমান ফরিদ, কবি আবু জাফর দিলু, কবি আলীম আল রাজি আজাদ, ফরিদপুর ললিতকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী মিঠুসহ ফরিদপুরের বিভিন্ন সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো শোক প্রকাশ করেছেন।

ফরিদপুর সংগীত জগতের এক পুরোধা ব্যক্তিত্ব ছিলেন খায়রুল ইসলাম। তিনি ফরিদপুর ললিতকলা একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। দীর্ঘ দিন তিনি ফরিদপুর শিল্পকলা একেডেমির সংগীত শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ফরিদপুর খেলাঘর তাকে তপন বোস স্মৃতি পদক এবং শিল্পকলা একাডেমি সংগীত গুণিন সম্মাননা পদক প্রদান করে। এছাড়া খেয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন, ফরিদপুর প্রবীণ হিতৈষী সংঘ তাকে সম্মাননা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেছে।

ফরিদপুরে হাম আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ২১

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে হাম আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ২১

ফরিদপুরে হামের সংক্রমণ এখনও উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আরও ৩৪ জন শিশু ভর্তি হয়েছেন। তবে একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪৬ জন। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৩ হাজার ৪’শত ৭ জন রোগী বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে হামের উপসর্গে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে হামের উপসর্গে আক্রান্ত ৭৯ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অধিকাংশই শিশু। আক্রান্তদের বেশিরভাগেরই জ্বর, সর্দি, কাশি এবং শরীরে লালচে দাগের মতো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ৪৬ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রোগীদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু।

তিনি বলেন, হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় অভিভাবকদের আরও সচেতন হতে হবে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শিশুদের হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো শিশুর জ্বর, সর্দি, কাশি, চোখ লাল হয়ে যাওয়া কিংবা শরীরে লালচে র্যাশ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতাল বা চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তি হাঁচি-কাশির মাধ্যমে খুব সহজেই অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে টিকাবঞ্চিত শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগের ঝুঁকি বেশি থাকে। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, অপুষ্টি, এমনকি মৃত্যুর মতো জটিলতাও দেখা দিতে পারে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারি, রোগী শনাক্তকরণ এবং চিকিৎসাসেবা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি টিকাদান কর্মসূচি আরও কার্যকর করতে মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের সক্রিয় রাখা হয়েছে। অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করা গেলে হামের সংক্রমণ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্বাস্থ্য বিভাগ সবাইকে অপ্রয়োজনে ভিড় এড়িয়ে চলা, আক্রান্ত শিশুকে আলাদা রেখে পরিচর্যা করা, পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছে। একই সঙ্গে হামের কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

সালথায় হচ্ছে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬, ২:৫০ অপরাহ্ণ
সালথায় হচ্ছে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় একটি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অগ্রগতি প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ইউএনও দবির উদ্দিন বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে নির্দেশনা এসেছে। এখন সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচন, প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম ধাপে ধাপে এগিয়ে নেওয়া হবে। সরকারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।”

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার-১ মো. উজ্জল হোসেন স্বাক্ষরিত ১৮ জুন ২০২৬ তারিখের এক পত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম তাঁর নির্বাচনী এলাকায় একটি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন।

প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো আধা-সরকারি (ডিও) পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বিষয়টি বিবেচনা করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠানোরও অনুরোধ জানানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সালথা উপজেলায় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় না থাকায় এলাকার বিপুলসংখ্যক ছাত্রীকে দূরবর্তী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে লেখাপড়া করতে হয়। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াতের কারণে তারা নিরাপত্তা ঝুঁকি, অতিরিক্ত যাতায়াত ব্যয় এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়। এসব কারণে অনেক শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। তাই স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনার অনুলিপি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে সালথায় একটি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দাবি ছিল। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হলে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মেয়েদের উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষার সুযোগ আরও সহজ হবে। পাশাপাশি ঝরে পড়ার হার কমবে এবং নারী শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

এদিকে, সরকারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর বিদ্যালয়টির স্থান নির্ধারণ, অবকাঠামো নির্মাণ এবং শিক্ষা কার্যক্রম চালুর বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। বিদ্যালয়টি বাস্তবায়িত হলে সালথার শিক্ষা খাতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হবে।

ফরিদপুরের নগরকান্দায় বাস-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের নগরকান্দায় বাস-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ফাহিম মাতুব্বর (২৩) ও রফিকুল মাতুব্বর (২৫) নামে দুই বন্ধুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রোববার (৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়কের নগরকান্দা উপজেলার মশাউজান এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল থেকে ফরিদপুরগামী সাকুরা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে নগরকান্দাগামী একটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে মোটরসাইকেল চালক ফাহিম মাতুব্বর ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

গুরুতর আহত অবস্থায় মোটরসাইকেলের অপর আরোহী রফিকুল মাতুব্বরকে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত ফাহিম মাতুব্বর নগরকান্দা উপজেলার ফুলসূতী ইউনিয়নের চকনাউডুবি গ্রামের জাহিদ মাতুব্বরের ছেলে। অপর নিহত রফিকুল মাতুব্বর একই গ্রামের কাউছার মাতুব্বরের ছেলে। তারা দুজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। একসঙ্গে মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হন।

দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে প্রায় ৩০ মিনিট যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে ভাঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ও নগরকান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রসুল সামদানী আজাদ জানান, সাকুরা পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হন। আহত অপর ব্যক্তিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘাতক বাসটি জব্দ করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।