খুঁজুন
, ,

দুদকের মামলায় ফরিদপুরের সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার ইউসুফ আলী কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
দুদকের মামলায় ফরিদপুরের সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার ইউসুফ আলী কারাগারে

ফরিদপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে একটি মূল্যবান হেবা ঘোষণাপত্র দলিলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ফ্লুইড দিয়ে মুছে ও ঘষামাজা করে জমি আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের হওয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ফরিদপুরের সাবেক সদর সাব-রেজিস্ট্রার মো. ইউসুফ আলী মিয়াকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সেলিম রেজা তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে দুদকের করা মামলায় আদালতে হাজির হলে তার পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আবেদন নামঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের একটি হেবা ঘোষণাপত্র দলিল (দলিল নং-৪০৬৭, তারিখ ১৫ মে ২০১৭) জালিয়াতির মাধ্যমে পরিবর্তন করে জমি আত্মসাতের চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, সাবেক সাব-রেজিস্ট্রারসহ পাঁচজন পরস্পরের যোগসাজশে দলিলের মূল কপির ষষ্ঠ পৃষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ফ্লুইড দিয়ে মুছে এবং ঘষামাজা করে দলিলের প্রকৃত তথ্য পরিবর্তন করেন।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, দলিলে থাকা স্ট্যাম্প নং-০৩১৭১৯৭-এর শেষ লাইনের পর “যাহা দিয়ারা ৩৯১৯ ও ৩৯২০ নং দাগ হইতে দখলভোগ করিবেন” অংশটি অসৎ উদ্দেশ্যে সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হয়। পরে পরিবর্তিত দলিলটি বালামভুক্ত করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক স্বাক্ষরও সম্পন্ন করা হয়। এর মাধ্যমে দলিলের প্রকৃত গ্রহীতা ও অভিযোগকারী মো. খলিলুর রহমানকে প্রায় ৯ শতাংশ জমির দখল থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধান ও তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে ফরিদপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সরদার আবুল বাসার বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ফরিদপুরের মামলা নং-০২ (দুদক জি.আর-৬/২৬) হিসেবে রুজু করা হয়।

মামলায় মোট পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন— সাবেক সদর সাব-রেজিস্ট্রার মো. ইউসুফ আলী মিয়া, তুলনাকারক মো. মেহেদী হাসান, নকলকারক মনোয়ার হোসেন, পাঠক মো. জাহিদ শেখ এবং দলিলের দাতা মো. জিন্নাহ শেখ।
আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারার পাশাপাশি ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা, জাল-জালিয়াতি, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং অসৎ উদ্দেশ্যে অন্যায় সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, তদন্তে যদি এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তার সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

মামলাটি ফরিদপুরে সরকারি নথি জালিয়াতি ও ভূমি সংক্রান্ত দুর্নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে আলোচনায় এসেছে। আদালতের এ আদেশের মধ্য দিয়ে মামলার পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রম আরও এগিয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলামের বদলি, নতুন এসপি শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলামের বদলি, নতুন এসপি শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলামকে বদলি করা হয়েছে। তাকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজীকে ফরিদপুরের নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

রবিবার (৫ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বর্তমান ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলামকে সিআইডির পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে, ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজীকে ফরিদপুর জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া একই প্রজ্ঞাপনে সিআইডির পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লাকে ঝালকাঠির পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ২৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলামের বাড়ি বরিশালের উজিরপুর উপজেলায়। পুলিশে পেশাগত দক্ষতা ও বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম-সেবা)’ অর্জন করেন।

এর আগে, ২০২৫ সালের ২৬ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়। পরে ২৯ নভেম্বর তিনি ফরিদপুরের পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। প্রায় সাত মাস দায়িত্ব পালন শেষে এবার তাকে সিআইডিতে বদলি করা হলো।

ফরিদপুরে ৪ কেজি গাঁজাসহ ইজিবাইকচালক গ্রেপ্তার

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ৪ কেজি গাঁজাসহ ইজিবাইকচালক গ্রেপ্তার

ফরিদপুর শহরের ধুলদী এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে চার কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। এ সময় তার কাছ থেকে গাঁজা বহনে ব্যবহৃত একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও একটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) সকাল ৭টা ১৫ মিনিট থেকে ৮টা পর্যন্ত শহরের ফরিদপুর-রাজবাড়ী মহাসড়কের ধুলদী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের একটি বিশেষ রেইডিং টিম ওই এলাকায় অবস্থান নেয়। পরে সন্দেহভাজন একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক তল্লাশি চালিয়ে চার কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকেই সাগর আহমেদ (২৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেফতার সাগর আহমেদ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মহিষকুন্ডি এলাকার মাদারপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মোকলেছুর রহমান এবং মায়ের নাম লুৎফুন্নেছা।

অভিযানে উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে রয়েছে চার কেজি গাঁজা, একটি বাটন মোবাইল ফোন এবং একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক। জব্দকৃত আলামত আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জব্দ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক বেলায়েত হোসেন বাদী হয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ায় পাঠানো হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ফরিদপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শিরিন আক্তার বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে আমাদের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান চালিয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার ও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।”

পেঁয়াজের দামে হাহাকার, কৃষকদের বাঁচাতে সরকারের দ্বারস্থ ফরিদপুরের সালথার ইউএনও

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর ও সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ
পেঁয়াজের দামে হাহাকার, কৃষকদের বাঁচাতে সরকারের দ্বারস্থ ফরিদপুরের সালথার ইউএনও

ফরিদপুরের সর্বাধিক পেঁয়াজ উৎপাদনকারী উপজেলা সালথার পেঁয়াজ চাষিদের দীর্ঘদিনের লোকসান, ন্যায্যমূল্য সংকট ও সংরক্ষণ সমস্যার সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন।

কৃষকদের উৎপাদন ব্যয়, বাজারে মূল্য পতন, সংরক্ষণ সংকট এবং প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তার বিষয়গুলো তুলে ধরে তিনি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একটি বিস্তারিত লিখিত প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন।

এর আগে পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে সালথার কয়েকজন কৃষক ক্ষোভে উৎপাদিত পেঁয়াজ ডোবা ও পানিতে ফেলে দেন। সেই ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। কৃষকদের দুর্দশার বাস্তব চিত্র সামনে আসার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমস্যার স্থায়ী সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে ইউএনও দবির উদ্দিন বলেন, সালথার অর্থনীতির একটি বড় অংশই পেঁয়াজ চাষের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু উৎপাদন ব্যয় ক্রমাগত বাড়লেও কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না। তাই বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে, যাতে কৃষকদের জন্য কার্যকর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়।

তিনি জানান, প্রতিবেদনের সঙ্গে বীজ, সার, সেচ, কীটনাশক, শ্রমিকের মজুরি, জমির লিজ, পরিবহন ও সংরক্ষণ ব্যয়সহ পেঁয়াজ উৎপাদনের পূর্ণাঙ্গ ব্যয় বিবরণী সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে উন্নতমানের বীজ সরবরাহ, পর্যাপ্ত সার বরাদ্দ, আধুনিক কোল্ডস্টোরেজ ও সংরক্ষণাগার নির্মাণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, কৃষকদের প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক কৃষিযন্ত্র সরবরাহের সুপারিশ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সালথা উপজেলার প্রায় ১৪ হাজার ৯৫০ হেক্টর আবাদযোগ্য জমির মধ্যে ১২ হাজার ৫৮৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে। চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার ১২৫ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে। কিন্তু বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে গড়ে ২২ থেকে ২৩ টাকা দরে, যেখানে উৎপাদন ব্যয় প্রায় ২৫ টাকা ১৫ পয়সা। ফলে প্রতি কেজিতে কৃষকদের প্রায় ২ টাকা ৬৫ পয়সা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হচ্ছে।

কৃষকদের অভিযোগ, উৎপাদন ভালো হলেও পর্যাপ্ত সংরক্ষণ ব্যবস্থা না থাকায় মৌসুমেই কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। অনেকেই ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছেন। ফলে উৎপাদন খরচও তুলতে না পেরে ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। তাদের দাবি, সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহ, বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণ এবং আধুনিক সংরক্ষণাগার নির্মাণ করা হলে পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সালথার মতো সম্ভাবনাময় এলাকায় কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে শুধু তাদের জীবনমানই উন্নত হবে না, দেশের পেঁয়াজ উৎপাদনও আরও বাড়বে এবং আমদানিনির্ভরতা কমবে। একই সঙ্গে কৃষকদের মধ্যে পেঁয়াজ চাষে নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি হবে।

ইউএনও দবির উদ্দিন বলেন, “কৃষক বাঁচলে কৃষি বাঁচবে। তাই তাদের সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। আশা করছি, সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। এতে সালথার হাজার হাজার পেঁয়াজ চাষি উপকৃত হবেন।”