খুঁজুন
, ,

১৬ জেলায় জনবল নিয়োগ দিচ্ছে ব্র্যাক, আবেদন অনলাইনে

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ
১৬ জেলায় জনবল নিয়োগ দিচ্ছে ব্র্যাক, আবেদন অনলাইনে

চাকরি দিচ্ছে ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজ। প্রতিষ্ঠানটি তাদের ল্যাব অ্যাসিসটেন্ট পদে জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ২৫ জুন থেকেই আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে, চলবে আগামী ১১ জুলাই পর্যন্ত। আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিতদের মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে।

চলুন, একনজরে দেখে নিই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি-

প্রতিষ্ঠানের নাম: ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজ

পদের নাম: ল্যাব অ্যাসিসটেন্ট

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসিতে বিজ্ঞান/ ফুড টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা

অন্যান্য যোগ্যতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা

অভিজ্ঞতা: প্রয়োজন নেই

দায়িত্ব ও কাজ

খামারীদের নিকট হতে দুধের নমুনা গ্রহণ করে পরীক্ষা করা

গুনগত মাণ নিশ্চিত করণের মাধ্যমে দুধ ওজন ও সংগ্রহ করা

দুধের ক্যান, মিল্ক ট্যাংক ও চিলিং সেন্টার পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখা

চিলিং সেন্টারের প্রয়োজনীয় রেজিস্টার মেইন্টেন করা

জেনারেটর চালানো, বন্ধ ও পরিস্কার করা, রাত্রিকালীন চিলিং সেন্টারের নিরাপত্তা প্রদান করা এবং অন্যান্য অর্পিত দায়িত্ব পালন করা।

চাকরির ধরন: ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র: ল্যাবে

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)

বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩২ বছর

কর্মস্থল: রংপুর, বগুরা, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, ঝিনাইদাহ, পাবনা, কুষ্টিয়া, সিরাজগঞ্জ।

বেতন: মাসিক বেতন সর্বমোট ১৪,৪৪৫ টাকা

অন্যান্য সুবিধা: স্বাস্থ্য ও জীবন বীমা, উৎসব ভাতা, আনুতোষিক, প্রদায়ক ভবিষ্যনিধি এবং আরো অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা।

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আবেদনের শেষ সময়: ১১ জুলাই ২০২৬

নৌযান শ্রমিক কর্মচারী দল ঢাকা বিভাগের প্রধান উপদেষ্টা হলেন বেলায়েত হোসেন মাস্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০৮ পূর্বাহ্ণ
নৌযান শ্রমিক কর্মচারী দল ঢাকা বিভাগের প্রধান উপদেষ্টা হলেন বেলায়েত হোসেন মাস্টার

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নৌযান শ্রমিক কর্মচারী দলের ঢাকা বিভাগীয় কমিটিতে মো. বেলায়েত হোসেন মাস্টার প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচিত হয়েছেন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নৌযান শ্রমিক দলের সভাপতি মো. সুমন ভুঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বেলায়েত হোসেন মাস্টার ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী সাতবাড়িয়া পানাইল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান।

​দীর্ঘদিন ধরে নৌযান শ্রমিকদের অধিকার আদায় ও সংগঠনকে শক্তিশালী করতে তিনি মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার নতুন এ দায়িত্ব প্রাপ্তিতে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।

​এক প্রতিক্রিয়ায় বেলায়েত হোসেন মাস্টার শ্রমিক সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত করা এবং শ্রমিকদের সার্বিক স্বার্থ ও অধিকার রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

​একই সাথে তাকে ঢাকা বিভাগের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নির্বাচিত করায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আস্থাভাজন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক দলের আহবায়ক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নৌযান শ্রমিক দলের সভাপতি মো. সুমন ভুঁইয়া এবং সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমানসহ কেন্দ্রীয় কমিটির সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

স্বামী-স্ত্রীর যেসব ভুল সংসারে অশান্তি ডেকে আনে? জেনে নিন এক পলকে

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৫:২৮ পূর্বাহ্ণ
স্বামী-স্ত্রীর যেসব ভুল সংসারে অশান্তি ডেকে আনে? জেনে নিন এক পলকে

একটি সুখী সংসার ভালোবাসা, বিশ্বাস, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং মানিয়ে নেওয়ার মাধ্যমেই গড়ে ওঠে। কিন্তু কখনো কখনো স্বামী-স্ত্রীর অতিরিক্ত সন্দেহ, অযথা রাগ-অভিমান, সকল বিষয়ে হস্তক্ষেপ, একে-অপরের পরিবারকে অবজ্ঞা, অতিরিক্ত চাহিদা এবং স্বামীর প্রতি অসম্মানের কারণে ধীরে ধীরে দাম্পত্যের শান্তি নষ্ট হতে থাকে।

শুরুতে ছোট মনে হওয়া এসব আচরণ একসময় স্বামী-স্ত্রীর মাঝে দূরত্ব তৈরি করে এবং এর প্রভাব পড়ে উভয়ের পুরো পরিবারের ওপরও। নিম্নে তার কারণগুলো বর্ণনা করা হল।

১.অতিরিক্ত সন্দেহ করা: স্বামীকে অকারণে সন্দেহ করা এবং তার প্রতিটি কাজে কৈফিয়ত চাওয়া, প্রত্যেকটা কাজে নেতিবাচক অর্থ খোঁজা দাম্পত্যজীবনে অবিশ্বাস তৈরি করতে পারে। পারস্পরিক বিশ্বাস নষ্ট হলে যত্নে গড়া সম্পর্কেও ধীরে ধীরে দূরত্ব হয়। দুজনের ভালোবাসাও ফিকে হয়ে যায়। ইসলামও অমূলক সন্দেহ থেকে সতর্ক করেছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, হে মুমিনগণ! তোমরা অধিকাংশ ধারণা থেকে বেঁচে থাক। নিশ্চয়ই কোনো কোনো ধারণা পাপ। (সুরা হুজুরাত: ১২)

২.সব বিষয়ে ঝগড়া করা: ছোটখাটো বিষয়েও অতিরিক্ত উত্তেজনায় জড়িয়ে পড়লে সংসারের স্বাভাবিক শান্তি নষ্ট হয়ে যায়। প্রতিটি সমস্যার সমাধান ঝগড়ার মাধ্যমে করতে গেলে একসময় উভয়ের মধ্যেই বিরক্তি চলে আসে। এমনকি রাগের মাথায় মানুষ এমনও কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে, যা পরবর্তীতে অনুশোচনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অথচ রাসুল সা. রাগ সংবরণ করতে সবসময় গুরুত্ব দিয়ে বলতেন, শক্তিশালী সে নয়, যে কুস্তিতে অন্যকে পরাজিত করে; বরং সেই সবচেয়ে শক্তিশালী, যে রাগের সময়ও নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। (বুখারি: ৬১১৪)

এক্ষেত্রে হযরত আবু দারদা রা. একটি চমৎকার কাজ করতেন। তিনি তাঁর স্ত্রীকে বলেন, আমি রাগ করলে তুমি আমাকে শান্ত করবে, আর তুমি রাগ করলে আমি তোমাকে শান্ত করব।

৩.স্বামীর অনুপস্থিতিতে সংসারের দেখভাল না করা: সংসার একটি যৌথ দায়িত্ব। দুজনের যত্নেই গড়ে ওঠে একটি সুখময় দাম্পত্যজীবন। কিন্তু কখনো স্বামীর অনুপস্থিতিতে স্ত্রী যদি সংসারের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোতে দায়িত্বশীল না হন, তাহলে সংসারে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে। ইসলামও নারীর পারিবারিক দায়িত্বের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছে। রাসুল সা. বলেন, তোমরা প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল। অর্থাৎ, স্ত্রী তার স্বামীর ঘরের দায়িত্বশীল। সে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসিত হবে। (বুখারি: ২৫৮৮)

৪.পরপুরুষ বা পরনারীর সাথে মেলামেশা: অপরিচিত মানুষের সঙ্গে প্রয়োজনে স্বাভাবিক কথাবার্তা আর অনুচিত ঘনিষ্ঠতা এক নয়। দাম্পত্যের সীমারেখা অতিক্রম করে স্ত্রী পরপুরুষের সাথে ঘনিষ্ঠ হলে একদিকে যেমন আল্লাহ তায়ালার সাথে নাফরমানি, অন্যদিকে তেমনি স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক বিশ্বাস ও দাম্পত্যজীবনে দুজনেই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, মুমিন নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থান হেফাজত করে। (সুরা আন নূর: ৩১) একই হুকুম পুরুষদের ক্ষেত্রেও।

৫.স্বামীর পরিবারকে অসম্মান করা: স্বামীর পরিবারের প্রতি অকারণে অসম্মানজনক আচরণ দাম্পত্যে চাপ তৈরি হতে পারে। আবার পরিবারের কারো সঙ্গে মতবিরোধ হলে তা সমাধানের পরিবর্তে স্বামীর কাছে কান ভারী করা দাম্পত্যে কলহ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। মতপার্থক্য থাকতেই পারে; তবে তা শালীনতা ও ধৈর্যের সাথে সমাধান করা জরুরি। এর থেকে বেঁচে থাকার অন্যতম উপায় হল, পরস্পরের প্রতি সম্মান বজায় রেখে কথা বলা। আল্লাহ তায়ালা তাই বলেন, তোমরা মানুষের সঙ্গে উত্তম কথা বল। (সুরা বাকারা: ৮৩)

৬.অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ: স্বামীর ব্যক্তিগত বিষয়, কাজ কিংবা প্রতিটি সিদ্ধান্তে অযাচিত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা একসময় সম্পর্ককে অস্বস্তিকর করে তুলতে পারে। এতে স্বামী-স্ত্রী উভয়েই একে অপরের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। সংসারে পরামর্শ ও মতামত থাকবেই; বরং দাম্পত্যজীবন সুন্দর করতে দুজনেরই আন্তরিকভাবে চেষ্টা করা উচিত। তবে সেই সঙ্গে একে-অপরের ব্যক্তিস্বাধীনতা, পছন্দ ও সম্মানের জায়গাটিও বজায় রাখা প্রয়োজন।

৭.অন্যের সঙ্গে তুলনা করা: অমুকের স্বামী এমন, অমুকের সংসার এতকিছু, অমুকের স্বামী তাকে এত ভালো রাখে—এভাবে অন্যের সঙ্গে নিজের স্বামী ও সংসারের তুলনা করলে স্বামীর মনে কষ্ট ও অপূর্ণতার অনুভূতি তৈরি হতে পারে। এতে স্বামীর আত্মবিশ্বাস ও কর্মস্পৃহায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

কর্মের গতিও কমে যেতে পারে। সারাদিন বাইরে কাজকর্ম করে স্বামী যখন একটুখানি মানসিক শান্তির জন্য ঘরে ফেরে, তখন এসব কথায় ঘরেও তার মন বসে না। এর ফলে স্বামী একসময় অন্যদিকে ঝুঁকেও যেতে পারে। তাই প্রয়োজন, স্বামীর উপার্জন ও পরিশ্রমের প্রতি সন্তুষ্ট থাকা এবং তাকে গুরুত্ব দেওয়া। তাহলেই সংসার সুখের হয়ে উঠবে। রাসুল সা. বলেন, তোমাদের কারো যদি এমন লোকের উ

ওপর নজর পড়ে, যাকে মাল-ধন ও দৈহিক গঠনে অধিক মর্যাদা দেয়া হয়েছে। তবে সে যেন এমন লোকের দিকে নজর দেওয়া, যে তার চেয়ে নিম্ন স্তরে রয়েছে। (বুখারি: ৬৪৯০)

৮.দাম্পত্যের ব্যক্তিগত বিষয় বাইরে প্রকাশ করা: স্বামী-স্ত্রী একে অপরের পোশাকস্বরূপ। আল্লাহ তায়ালা বলেন, তারা তোমাদের পোশাক, তোমরা তাদের পোশাক। (সুরা বাকারা: ১৮৭) অর্থাৎ উভয়ে উভয়ের দোষ-ত্রুটি ঢেকে রাখবে। কিন্তু দাম্পত্যের ব্যক্তিগত সমস্যা বা ঝগড়া বন্ধু, আত্মীয় কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে তিনটি ক্ষতি হয়। এক. গোপনীয়তা নষ্ট হয়। দুই. নিজেদের মান-সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়। তিন. স্বামী-স্ত্রীর মাঝে সম্পর্কে ফাটল ধরে। রাসুল সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি মানুষের দোষ গোপন রাখে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তার দোষ গোপন রাখবেন, ( মুসলিম: ২৫৯০)। প্রয়োজন হলে সংসারের জটিল সমস্যা হলে বিশ্বস্ত ও বিচক্ষণ কোনো আলেমের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। তবে নিজেদের গোপনীয় বিষয়গুলো সকলের আলোচ্য বিষয় বানানো কখনোই উচিত নয়।

৯.ক্ষমা না করা: সংসারে মনোমালিন্য হতেই পারে। দুজনের মাঝে অতীতের ভুল-ত্রুটি থাকাও অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু ঝগড়া হলেই পেছনের গল্প টেনে আনা, এটা কোনো সচেতন ব্যক্তির কাজ নয়। পুরোনো ভুলগুলো সমাধানের পরও সেগুলো দিয়ে বারবার খোঁটা দিলে সম্পর্কের মধ্যে নীরব তিক্ততা তৈরি হয় এবং ক্ষতকে আরও গভীর করে তোলে। রাসুল সা. বলেন, যে ব্যক্তি ক্ষমা করে, আল্লাহ তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেন। আর কেউ আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভে বিনীত হলে তিনি তার মর্যাদা সমুন্নত করে দেন। (মুসলিম: ২৫৮৮)

১০.দায়িত্বহীনতা: সংসার একটি আমানত। এই আমানতের অবহেলা করলে অশান্তি আসবেই। স্বামীর কষ্টে উপার্জিত টাকা হিসাব-নিকাশ ছাড়া খরচ করা, পরিবারের ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় ও পরিকল্পনার ব্যাপারে বেখেয়াল থাকা, সন্তান ও ঘরের কাজে উদাসীনতা— এসব দায়িত্বহীনতার কারণে দাম্পত্যে অসন্তোষ ও আর্থিক সমস্যা তৈরি হয়। পারিবারিক বিষয় স্বামীর পাশাপাশি স্ত্রীরও পরামর্শ ও দায়িত্বশীল মনমানসিকতা থাকা জরুরি। রাসুল সা. বলেন, স্ত্রী তার স্বামীর ঘরের দায়িত্বশীল। কিয়ামতের দিন তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হবে। (বুখারি: ২৫৫৮)

১১.কথা না বলে অভিমান জমিয়ে রাখা: ঝগড়া হলে ভুলে বোঝাবুঝি ভুলে যাওয়া, সমস্যা হলে তা নিয়ে আলোচনা করে সমাধান করাই বুদ্ধিমানের কাজ। কিন্তু অনেক সময় রাগ-অভিমান করে কথা না বলে নীরবতা অবলম্বন করা হয়। এই অভিমান দীর্ঘদিন মনের মধ্যে পুষে রাখলে তা পাহাড় সমান হয়। এতে সম্পর্কের মাঝে দূরত্ব বাড়ে। ভালোবাসা কমে যায়। আর এভাবে কোনো সম্পর্কও টেকসই হয় না।

এজন্য শান্ত পরিবেশে নিজের সুবিধা-অসুবিধার কথা স্পষ্ট করে বললে অনেক ভুল বুঝাবুঝিই দূর হয়ে যায়। রাসুল সা. বলেন, কোনো মুসলমানের জন্য তার ভাইয়ের (অর্থাৎ, স্বামী-স্ত্রীসহ যেকোনো মুসলিম) সাথে তিন দিনের বেশি কথাবার্তা বন্ধ রাখা বৈধ নয়। তাদের সাক্ষাৎ হয়, তখন সে এদিকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং সে ওদিকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। আর তাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম, যে প্রথমে সালাম দিয়ে কথা শুরু করে। (বুখারি: ৬০৭৭)

মনে রাখা জরুরি- একটি সুখী সংসার গড়তে স্ত্রীর পাশাপাশি স্বামীকেও দায়িত্বশীল, ক্ষমাশীল ও পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। ভুল-ত্রুটি হলে তা নিয়ে ঝগড়া না করে বোঝাপড়া ও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করাই উত্তম। আল্লাহ তায়ালা সকলের দাম্পত্যকে ভালোবাসা, শান্তি ও বরকতে ভরে দিন। আমিন।

সূত্র : এনপিবি নিউজ

খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে সদরপুর বিএনপির আলোচনা সভা

শিশির খাঁন
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ
খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে সদরপুর বিএনপির আলোচনা সভা

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল করেছে সদরপুর জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরাম।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকালে ঢেউখালি ইউনিয়নের পিয়াজখালি বাজারে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তারা।পরে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এ সময় আকোটের চর বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ হাবিব চোকদারের সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মো. আওলাদ হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহব্বায়ক কাজী বদরুতজামান বদু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো. বাহালুল মাতুব্বর, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল রাজ্জাক খান, সদস্য মাসুদুর রহমান, জেলা যুবদলের যুগ্ন সম্পাদক শাহরিয়ার সুমন, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সাঈদ সজল, যুবদল নেতা রিফাত মাহমুদ, তুষার আহম্মেদ, ছাত্রদল নেতা তুষার মাহমুদ, সদরপুর কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক আহব্বায়ক রুমন মাতুব্বরসহ স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।