খুঁজুন
, ,

সিভির যেসব ভুলের কারণে ইন্টারভিউর ডাক আসে না?

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
সিভির যেসব ভুলের কারণে ইন্টারভিউর ডাক আসে না?

চাকরির জন্য সিভি বানালেন, পাঠিয়েও দিলেন চাকরিদাতার কাছে। এরপর একদিন যায়, এক মাস যায়, চলে যায় আরও লম্বা সময়ও, কিন্তু কোনো উত্তর আসে না।

চাকরি খুঁজেছেন, এমন প্রায় সবাই কোনো না কোনো সময় এই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছেন। সবচেয়ে হতাশার বিষয় হলো, অনেক সময় নিজের সিভির দিকে তাকিয়ে বড় কোনো সমস্যা খুঁজে পাওয়া যায় না। পড়াশোনা আছে, অভিজ্ঞতা আছে, বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার তথ্যও আছে।

তারপরও ইন্টারভিউ কল কেন আসছে না, তা যেন গোলকধাঁধায় ফেলে দেয়। কেউ কেউ তখন ধরে নেন, তাদের সিভি যথেষ্ট ভালো নয়। কিন্তু একটি সিভি ভালো হলেই যে সেটি নিয়োগদাতার চোখে পড়বে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। এর পেছনে আরও কিছু কারণ থাকতে পারে।

সব চাকরির জন্য একই সিভি

একটি সিভি তৈরি করে সেটি সব চাকরির জন্য ব্যবহার করার অভ্যাস আমাদের দেশে অনেক দেখা যায়। কিন্তু নিয়োগদাতারা সাধারণত খোঁজেন, আবেদনকারী তাদের নির্দিষ্ট পদের জন্য কতটা উপযুক্ত। ফলে একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য কার্যকর সিভি অন্য প্রতিষ্ঠানের কাছে ততটা গুরুত্বপূর্ণ নাও মনে হতে পারে। ধরুন, একটি প্রতিষ্ঠানে লেখালেখির অভিজ্ঞতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আরেকটিতে গবেষণার দক্ষতা। আপনি যদি দুটো ক্ষেত্রকেই সমান গুরুত্ব দিয়ে রাখেন, তাহলে কোনো ক্ষেত্রই আলাদা করে চোখে নাও পড়তে পারে। তাই চাকরির ধরন অনুযায়ী সিভির কিছু অংশ পরিবর্তন করা প্রয়োজন হতে পারে।

দায়িত্ব আছে, অর্জন নেই

সিভিতে প্রায়ই দেখা যায়, মানুষ কী কী কাজ করেছেন তার দীর্ঘ তালিকা দেওয়া আছে। কিন্তু সেই কাজের ফল কী ছিল, সেটি লেখা নেই। ধরুন, আপনি একটি প্রতিষ্ঠানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনা করেছেন। এই তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু নিয়োগদাতা আরও জানতে চাইতে পারেন, এর ফলে কী পরিবর্তন এসেছে। পাঠক বেড়েছে? অনুসারী বেড়েছে? কোনো প্রচারণা সফল হয়েছে? শুধু দায়িত্ব নয়, কাজের প্রভাবও তুলে ধরতে পারলে সিভি অনেক বেশি শক্তিশালী হয়।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য খুঁজে পাওয়া কঠিন

অনেক সময় সিভিতে এত তথ্য থাকে যে মূল বিষয়গুলোই হারিয়ে যায়। স্কুলজীবনের পুরস্কার, বহু বছর আগের কর্মশালা, অপ্রাসঙ্গিক প্রশিক্ষণ সবকিছু একসঙ্গে যুক্ত করতে করতে সিভি দীর্ঘ হয়ে যায়। ফলে নিয়োগদাতার চোখে প্রথমে পড়ার কথা ছিল যে তথ্যগুলো, সেগুলোই আড়ালে চলে যায়। সিভি পড়ার জন্য সাধারণত খুব বেশি সময় দেওয়া হয় না। তাই কোন তথ্যটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সেটি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা জরুরি।

অভিজ্ঞতা আছে, কিন্তু সাম্প্রতিক কিছু নেই

নিয়োগদাতারা প্রায়ই দেখতে চান একজন ব্যক্তি নিজেকে কতটা হালনাগাদ রাখছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি বা পুরোনো অভিজ্ঞতা অবশ্যই মূল্যবান। কিন্তু কয়েক বছর ধরে নতুন কোনো প্রশিক্ষণ, দক্ষতা বা কাজের অভিজ্ঞতা যুক্ত না হলে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে প্রযুক্তি, গণমাধ্যম বা করপোরেট খাতের মতো দ্রুত পরিবর্তনশীল ক্ষেত্রগুলোতে নতুন কিছু শেখার আগ্রহও গুরুত্ব পায়।

আবেদন করছেন ভুল জায়গায়

কখনো কখনো সমস্যা সিভিতে নয়, আবেদন করার জায়গায়। তিন বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে, কিন্তু আবেদন করছেন সদ্য স্নাতক একজন। অথবা কাজটির সঙ্গে নিজের দক্ষতার মিল খুব কম। এমন পরিস্থিতিতে সিভি যতই ভালো হোক, ইন্টারভিউ কল পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। অনেক চাকরিপ্রার্থী প্রতিদিন যত বেশি সম্ভব আবেদন পাঠানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু লক্ষ্যভিত্তিক আবেদন সাধারণত বেশি কার্যকর হয়।

ছোট ভুলের বড় প্রভাব

ভুল ফোন নম্বর, পুরোনো ই-মেইল ঠিকানা, কাজ না করা পোর্টফোলিও লিংক কিংবা বানান ভুল—এসব কারণে সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার ঘটনাও কম নয়। নিয়োগদাতার দৃষ্টিতে এগুলো শুধু ভুল নয়, এগুলো আবেদনকারীর মনোযোগ ও পেশাদারিত্ব সম্পর্কেও ধারণা তৈরি করে। তাই সিভি পাঠানোর আগে কয়েকবার দেখে নেওয়া ভালো। সম্ভব হলে অন্য কাউকে দিয়েও পড়িয়ে নেওয়া যেতে পারে।

শুধু সিভি পাঠিয়েই থেমে যাওয়া

চাকরি খোঁজার পুরো প্রক্রিয়াটিকে অনেকেই শুধু সিভি পাঠানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেন। কিন্তু বাস্তবে এর বাইরেও অনেক কিছু আছে। ইন্টার্নশিপ, প্রশিক্ষণ, সেমিনার, পেশাগত অনুষ্ঠান কিংবা পরিচিত মানুষের মাধ্যমে অনেক সময় এমন সুযোগের খবর জানা যায়, যা সাধারণ চাকরির বিজ্ঞাপনে আসে না। তাই চাকরি খোঁজা মানে শুধু আবেদন করা নয়, নিজের ক্ষেত্রের মানুষদের সঙ্গেও যুক্ত থাকা।

প্রতিযোগিতাটাও বাস্তব

একটি চাকরির জন্য কয়েকশ আবেদন জমা পড়া এখন খুবই সাধারণ ঘটনা। সেখানে বহু যোগ্য মানুষ আবেদন করেন। ফলে ইন্টারভিউ কল না পাওয়া মানেই যে আপনার সিভিতে বড় কোনো সমস্যা আছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। কখনো কখনো বিষয়টি শুধু প্রতিযোগিতারও হতে পারে।

ইন্টারভিউ কল না এলে নিজের যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ করা সহজ। কিন্তু সব দায় সিভির ওপর চাপানোর আগে পুরো বিষয়টি একটু ভেবে দেখা প্রয়োজন। অনেক সময় ছোট কিছু পরিবর্তন, আরও লক্ষ্যভিত্তিক আবেদন এবং নিজের অভিজ্ঞতাকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আর কখনো কখনো দরকার হয় শুধু আরও কিছু সময় ও ধৈর্যের।

সূত্র: ডেইলি স্টার

গণরায় নিয়ে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: জামায়াত আমীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ণ
গণরায় নিয়ে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: জামায়াত আমীর

জামায়াতে ইসলামী ও ১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের ৭ দফা দাবিতে আয়োজিত পথসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “গণরায় নিয়ে সরকার জনগণের সঙ্গে চরম প্রতারণা করেছে। জনগণের সেই রায় ও অধিকার বাস্তবায়নের জন্যই আজ আমরা রাজপথে নেমেছি।”

​তিনি আরও বলেন, “আমরা জনগণের চূড়ান্ত মুক্তির জন্য মাঠে নেমেছি। বর্তমানে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। আমরা একটি বৈষম্যহীন ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। এ লড়াই মূলত আমাদের অধিকার ও মুক্তির লড়াই।”

​শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভার সামনে লংমার্চের অংশ হিসেবে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

​এর আগে সকালে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ফটক থেকে সংক্ষিপ্ত উদ্বোধনী সমাবেশের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী ও ১১-দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ে ঢাকা থেকে খুলনা-কুষ্টিয়া অভিমুখে এই রোডমার্চ কর্মসূচির সূচনা হয়।

​সংক্ষিপ্ত সভা শেষে শতাধিক গাড়ির বহর নিয়ে লংমার্চটি ঢাকা থেকে মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে এবং মাদারীপুর-শরীয়তপুর সীমানা অতিক্রম করে ভাঙ্গায় এসে পৌঁছায়। সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে গাড়িবহরটি খুলনা বিভাগের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

​লংমার্চের আয়োজকরা জানান, দিনব্যাপী এ কর্মসূচির যাত্রাপথে মাওয়ার নাওডোবা, বাগেরহাটের কাটাখালী, খুলনার বাবরী চত্বর ও স্বাধীনতা চত্বরে ধারাবাহিক পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তীতে লংমার্চের বহরটি যশোরের মুড়লি মোড় এবং ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আয়োজিত পথসভায় মিলিত হবে।

​লংমার্চের শেষ পর্যায়ে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে এক বিশাল সমাপনী মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে এই দূরপাল্লার কর্মসূচি শেষ হবে।

​এদিকে লংমার্চকে কেন্দ্র করে যাত্রাপথে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে।

ফরিদপুরে কৌশিক সাহা জিতু হত্যার বিচারের দাবি

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে কৌশিক সাহা জিতু হত্যার বিচারের দাবি

ফরিদপুর শহরের সিংপাড়া নিবাসী কৌশিক সাহা জিতু হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ ফরিদপুর জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর শাখা।

​ফরিদপুর পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সহ-সভাপতি তাপস কুমার সাহার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিধান কুমার সাহা, সহ-সভাপতি ননী গোপাল বিশ্বাস ও সুকেশ কুমার সাহা, দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট তুষার কুমার দত্ত, সদর উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি সিতাংশু মিত্র কিংকর, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট চিরঞ্জীব রায়, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিশ্বনাথ সরকার স্বাধীন এবং চন্দ্রা দেবনাথ।

​এ সময় পৌর পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি রাম দত্ত, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের জেলা কমিটির সদস্যসচিব সুব্রত রবিদাসসহ বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

​মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কৌশিক সাহা জিতুর অকাল মৃত্যুতে তাঁর পরিবার অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পুরো ফরিদপুরজুড়ে তীব্র শোক, ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

​বক্তারা অবিলম্বে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং আইনানুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের জন্য জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ফরিদপুরে হামে আক্রান্ত ৭ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ২২

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে হামে আক্রান্ত ৭ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ২২

ফরিদপুরে হামের সংক্রমণ থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ৪২ জনের শরীরে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত জেলায় সন্দেহভাজন হামের মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৩২৩ জনে এবং মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ জনে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

​শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

​প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ১৪ জন এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৮ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে দুই হাসপাতালে মোট ১১৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে জেনারেল হাসপাতালে ৪০ জন এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭৮ জন রোগী ভর্তি আছেন।

​গত ২৪ ঘণ্টায় দুই হাসপাতাল থেকে ৪৭ জন রোগী সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৭ হাজার ৫২ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

​উপজেলাভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় বোয়ালমারীতে ২৮, ভাঙ্গায় ১২, চরভদ্রাসনে ১৭, নগরকান্দায় ২, মধুখালীতে ৬, সদরপুরে ১৪, সালথায় ২৩ এবং ফরিদপুর সদরে ৫ জনের হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।

​এদিকে, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৯২৬ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছেন এবং হামে আক্রান্ত হয়ে ২২ জনের মৃত্যুর তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, জেনারেল হাসপাতালে শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ২৬৫ জন।

​স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত হওয়া ৪২ জনের মধ্যে ফরিদপুর জেলার স্থায়ী বাসিন্দা ৩০ জন এবং অন্যান্য জেলার ১২ জন রয়েছেন।