খুঁজুন
বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

ফরিদপুরে ইজিবাইক চোরচক্রের জাল ভেঙে দিল পুলিশ: ১৮টি ইজিবাইক উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১২

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:২৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ইজিবাইক চোরচক্রের জাল ভেঙে দিল পুলিশ: ১৮টি ইজিবাইক উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১২

ফরিদপুরে সক্রিয় একটি সংঘবদ্ধ ইজিবাইক চোরচক্রের মূল রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। আন্তঃজেলা এই চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে ১৮টি ইজিবাইকসহ বিপুল পরিমাণ খণ্ডিত যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। চক্রটি চুরি করা ইজিবাইক কেটে অংশবিশেষ আলাদা করে আবার নতুনভাবে জোড়া লাগিয়ে বিক্রি করত—এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে পুলিশের তদন্তে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে ফরিদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ফাতেমা ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. রায়হান গফুর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ জানায়, ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় দায়ের করা একটি ইজিবাইক চুরির মামলার সূত্র ধরে এই চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। মামলার বাদী জাহিদুল ইসলাম (৪০), পেশায় একজন ইজিবাইক চালক। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টার দিকে তিনি শহরের কোর্টপাড় জামে মসজিদের সামনে তার ইজিবাইক তালাবদ্ধ করে ব্যক্তিগত কাজে আদালতে যান। প্রায় ৪৫ মিনিট পর ফিরে এসে দেখেন তার ইজিবাইকটি আর সেখানে নেই। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও না পেয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি কোতয়ালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনায় পেনাল কোডের ৩৭৯ ধারায় মামলা রুজু হয় এবং তদন্তভার দেওয়া হয় এসআই মো. নুর হোসেনের ওপর।

তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে আলাল ফকির (২৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেন। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন এবং চক্রের অন্যান্য সদস্যদের নাম প্রকাশ করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে একে একে চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—মোজাম্মেল মণ্ডল (৪৬), মো. ইলিয়াস হোসেন (৫০), মো. আবুল হোসেন মোল্লা (৬০), তানভীর শেখ (৩০), আওয়াল বিশ্বাস (৬৫), বদিউজ্জামান মোল্লা (২৭), মৃদুল মীর মালোত (২৯), মিলন খান (৪২), মো. আশরাফ (২৮), শহিদ সিকদার (৩৮), মো. জুয়েল রানা (৩৪) এবং মো. রনি মিয়া (৩১)। তারা ফরিদপুর, শরীয়তপুর, মাগুরা ও জামালপুর জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে চুরি ও চোরাই ইজিবাইক কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের ভাষ্যমতে, এই চক্রটি অত্যন্ত কৌশলী উপায়ে অপরাধ পরিচালনা করত। প্রথমে তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে ইজিবাইক চুরি করত। এরপর গোপন গ্যারেজে নিয়ে ইজিবাইক ভেঙে চ্যাসিস, বডি, গ্লাস, কেবিনসহ বিভিন্ন অংশ আলাদা করা হতো। পরে এসব খণ্ডিত অংশ একটির সঙ্গে আরেকটি জোড়া লাগিয়ে নতুন ইজিবাইক তৈরি করা হতো। চোরাই ইজিবাইক শনাক্ত করা কঠিন করতে ইঞ্জিন ও চ্যাসিস নম্বর পরিবর্তন করে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করা হতো। এরপর কম দামে সাধারণ মানুষের কাছে এসব ইজিবাইক বিক্রি করা হতো।

তদন্তে আরও জানা যায়, চক্রটি ভুয়া গ্যারেজের আড়ালে এই কার্যক্রম পরিচালনা করত। এসব গ্যারেজে চোরাই ইজিবাইক মেরামতের নামে কেটে টুকরো করা, নম্বর পরিবর্তন এবং নতুনভাবে জোড়া লাগানোর কাজ চলত। তারা ভুয়া সিলমোহরযুক্ত প্যাড ব্যবহার করে ইচ্ছামতো ইঞ্জিন ও চ্যাসিস নম্বর বসিয়ে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করত। এতে সাধারণ মানুষ প্রতারণার শিকার হচ্ছিল।

পুলিশের অভিযানে মোট ১৮টি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২টি সচল এবং ৬টি অচল। এছাড়া উদ্ধার করা হয়েছে ৪টি চ্যাসিস, ১টি বডির কাটা অংশ, ৭টি গ্লাস ফ্রেম, ৩টি কেবিন, ২টি মাঝের বেড়া, ২টি পিছনের বেড়া, ২টি বাম্পার, ১টি সকেট জাম্পার, ১টি কাটার মেশিন এবং ৫ ট্রাক পরিমাণ খণ্ডিত যন্ত্রাংশ। বুধবার সকালে আরও একটি ইজিবাইক জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ফরিদপুরের বোয়ালমারী, মধুখালী, শরীয়তপুরের নড়িয়া এবং মাগুরার মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইজিবাইকগুলোর মধ্যে একটি ২০২৫ সালের একটি চুরি মামলার বলে শনাক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা একটি সংঘবদ্ধ আন্তঃজেলা চোরচক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে ইজিবাইক চুরি করে তা খণ্ডিত অংশে ভেঙে ফেলে এবং পুনরায় জোড়া লাগিয়ে নতুন ইজিবাইক হিসেবে বিক্রি করত। এতে সাধারণ মানুষ প্রতারিত হচ্ছিল। তিনি আরও জানান, এই চক্রের সঙ্গে জড়িত আরও সদস্য থাকতে পারে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেছে, অস্বাভাবিক কম দামে ইজিবাইক কেনা থেকে বিরত থাকতে এবং ক্রয়ের আগে বৈধ কাগজপত্র যাচাই করতে। কোনো সন্দেহজনক তথ্য পেলে নিকটস্থ থানায় জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।

পুলিশের এই সফল অভিযানে ফরিদপুরসহ আশপাশের জেলায় ইজিবাইক চুরির প্রবণতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

‘পাহাড় সমান বোঝা নেমে গেছে’, মেয়েদের কাছে পেয়ে সালমা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:২৫ পূর্বাহ্ণ
‘পাহাড় সমান বোঝা নেমে গেছে’, মেয়েদের কাছে পেয়ে সালমা

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা। গানের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এখন নিজের মত করেই আছেন তিনি।

সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুই মেয়ের সঙ্গে নিজের কয়েকটি ছবি পোস্ট করে হৃদয়ের কথা শেয়ার করেছেন এই সংগীতশিল্পী। জানিয়েছেন, ব্যক্তি জীবনের নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে দুই সন্তান নিয়ে অনেক ভালো আছেন তিনি।

দুই মেয়ের সঙ্গে নিজের ছবি পোস্ট করে সালমা লেখেন, ‘আমার দুনিয়াতে আমার সন্তানদের নিয়ে ভালো আছি। আমি মা- এটাই এখন আমার সবচেয়ে বড় পরিচয়।

পোস্টে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন তার বড় মেয়ে স্নেহার কথা, যাকে তিনি নিজের কাছে ফিরে পাওয়াকে জীবনের বড় প্রাপ্তি হিসেবে দেখছেন।

তিনি লেখেন, ‘আল্লাহ পাক তার বান্দাকে বেশি দিন কষ্টে রাখেন না।

আমার পাহাড় সমান বোঝা নেমে গেছে হৃদয় থেকে। আমার স্নেহা আমার কাছে চলে এসেছে।’
বাকি জীবন দুই মেয়ের সঙ্গে কাটিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে শেষে সালমা লেখেন, ‘কাজে মনোযোগ নেই। আমি সন্তানকে পেয়ে সব ভুলে গেছি। বাকি জীবনটা তোদের জন্য উৎসর্গ করলাম। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন। ’

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে সাবেক সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় সালমার। তাদের সংসারে জন্ম নেয় কন্যাসন্তান স্নেহা। তবে ২০১৬ সালে দাম্পত্য জীবনের ইতি টানেন এই দম্পতি।

প্রথম সংসারের বিচ্ছেদের সাড়ে তিন বছর পর ২০১৮ সালের শেষ দিনে আইনজীবী সানাউল্লাহ নূরেকে বিয়ে করেন সালমা। কিন্তু সাত বছরের মাথায় এই সংসারও ভেঙে যায়। সালমা-সানাউল্লাহ দম্পতির সাইফা নামে এক মেয়ে রয়েছে।

বিশ্রামে মোস্তাফিজ-তাসকিন-নাহিদ, নতুন মুখ সাকলাইন-রিপন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১৯ পূর্বাহ্ণ
বিশ্রামে মোস্তাফিজ-তাসকিন-নাহিদ, নতুন মুখ সাকলাইন-রিপন

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজকে সামনে রেখে নতুন এক কৌশল গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

অভিজ্ঞ পেসারদের বিশ্রাম দিয়ে তরুণদের পরখ করে দেখার লক্ষ্যে প্রথম দুই ম্যাচের জন্য ঘোষিত স্কোয়াডে আনা হয়েছে বড় চমক।

এই সিরিজে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন ২৮ বছর বয়সী পেসার আব্দুল গাফফার সাকলাইন।
দীর্ঘদিন ধরে ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পুরস্কার পেলেন সাকলাইন।

তার বৈচিত্র্যময় বোলিংয়ের পাশাপাশি লোয়ার অর্ডারে কার্যকর ব্যাটিং করার সক্ষমতা নির্বাচকদের নজর কেড়েছে। অন্যদিকে, অভিজ্ঞ পেস আক্রমণের তিন স্তম্ভ মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানাকে এই সিরিজে বিশ্রামে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড।
পেস ইউনিটে সাকলাইনের সঙ্গী হিসেবে দলে ফিরেছেন তরুণ পেসার রিপন মণ্ডল। ২০২৩ সালের এশিয়ান গেমসে দেশের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও মূল জাতীয় দলে নিজেকে থিতু করার জন্য এই সিরিজটি রিপনের সামনে বড় সুযোগ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

প্রথম দুই টি-টোয়েন্টির এই স্কোয়াডে নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করবেন লিটন কুমার দাস, আর তার ডেপুটি হিসেবে থাকছেন মোহাম্মদ সাইফ হাসান।

প্রথম দুই টি-টোয়েন্টির জন্য বাংলাদেশ স্কোয়াড:

লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), মোহাম্মদ পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান তামিম, মোহাম্মদ সাইফ হাসান (সহ-অধিনায়ক), শামীম হোসেন, তাওহীদ হৃদয়, কাজী নুরুল হাসান সোহান, শেখ মাহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব, রিপন মণ্ডল, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন এবং আব্দুল গাফফার সাকলাইন।

সৃষ্টি নয়, স্রষ্টাই একমাত্র উপাস্য

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১৩ পূর্বাহ্ণ
সৃষ্টি নয়, স্রষ্টাই একমাত্র উপাস্য

মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,
أَمِ ٱتَّخَذُوۤاْ آلِهَةً مِّنَ ٱلأَرْضِ هُمْ يُنشِرُونَ (٢١)
সরল অনুবাদ :
তারা যেসব মাটির দেবতা গ্রহণ করেছে, সেগুলি কি মৃতকে জীবিত করতে সক্ষম?

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা

আরবের মুশরিকরা মাটির তৈরী যেসব দেবতা গ্রহন করেছিলো সেগুলো যে সম্পূর্ণ মিথ্যা-বানোয়াট সেটা বুঝানো উদ্দেশ্য। তাই জিজ্ঞাসা করা হয়েছে অস্বীকৃতির জন্য।

অর্থাৎ, যারা কোন জিনিসেরই ক্ষমতা রাখে না তাদেরকে কিভাবে মুশরিকরা আল্লাহর শরিক বানায় ও তাদের ইবাদত করে? (তাফসিরে আহসানুল বায়ান)
يُنشِرُونَ মানে হচ্ছে, কোন পড়ে থাকা প্রাণহীন বস্তুকে তুলে দাঁড় করিয়ে দেয়া। (কুরতুবি)

এতে আয়াতের অর্থ দাঁড়ায়, যেসব সত্তাকে তারা ইলাহ হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে এবং যাদের তারা নিজেদের উপাস্য হিসাবে গ্রহণ করছে তাদের মধ্যে কি এমন কেউ আছে যে, নিষ্প্রাণ বস্তুর বুকে সামান্য প্রাণ সঞ্চার করতে পারে? যদি এক আল্লাহ ছাড়া এটা আর কেউ করতে সক্ষম না হন- আর মুশরিকরা তো নিজেরাই একথা স্বীকার করে যে, আল্লাহ ছাড়া এটা করতে আর কেউ সক্ষম না – তাহলে এতকিছুর পরও তারা কিভাবে এগুলোকে উপাস্য হিসাবে গ্রহণ করছে এবং কেন করছে? (ইবন কাসির, ফাতহুল কাদির, তাফসিরে জাকারিয়া)

শিক্ষা ও বিধান

১. মানুষ যেসব মাটির বা সৃষ্টি করা জিনিসকে উপাস্য বানায়, তারা কোনো ক্ষমতার অধিকারী নয়।

প্রকৃত ক্ষমতা শুধু আল্লাহর।
২. মূর্তি বা যা সৃষ্টি করা হয়েছে তা কখন-ই কোনো কিছুকে জীবন দিতে পারে না।
তাই এই আয়াতের উত্তর হলো- স্পষ্ট: না। জীবন দেওয়া ও নেওয়া একমাত্র আল্লাহর কাজ।

৩. অন্ধ অনুসরণ নয়—যুক্তি দিয়ে ভাবতে হবে। যদি কোনো ‘দেবতা’ জীবন দিতে না পারে, তবে সে কিভাবে উপাস্য হতে পারে?
৪. মানুষ যা নিজেরাই সৃষ্টি করে (যেমন মূর্তি), তা কখনোই সৃষ্টিকর্তা হতে পারে না। সৃষ্টি আর স্রষ্টার পার্থক্য এই আয়াতে স্পষ্ট। তাই সব মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদতে মনোনিবেশ করা উচিত।

সৌজন্যে: কালের কণ্ঠ