ফরিদপুরে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর সাত বছরের কারাদণ্ড
ফ্যাটি লিভার দুই ধরনের। অ্যালকোহলিক ও নন অ্যালকোহলিক। মাত্রাতিরিক্ত মদ্যপান থেকে লিভারে চর্বি জমলে তা অ্যালকোহলিক ফ্যাট। দ্বিতীয় ক্ষেত্রটি মূলত খাদ্যতালিকায় অতিরিক্ত তেল, ফ্যাট জাতীয় উপাদান বেড়ে গেলে হয়।
কখনও কখনও নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার বংশগত কারণেও হতে পারে। সময় মতো সতর্ক না হলে এই ফ্যাটি লিভারের হাত ধরেই হানা দিতে পারে লিভার সিরোসিস। তবে বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ফ্যাটি লিভারের কারণে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়তে পারে শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গেও।
আপনার ফ্যাটি লিভার আছে কিনা, তা বোঝার জন্য নিচের লক্ষণ, ঝুঁকির দিকে নজর দিতে হবে:
প্রাথমিক সাধারণ লক্ষণসমূহ (যা অনেকেই অবহেলা করেন)
অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা (Fatigue): পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুমের পরেও যদি আপনি দিনের পর দিন কারণ ছাড়াই খুব ক্লান্ত বোধ করেন, তবে এটি লিভারের সমস্যার একটি অন্যতম প্রধান লক্ষণ হতে পারে।
পেটের ডান দিকের উপরের অংশে অস্বস্তি: পেটের যে অংশে লিভার থাকে (পাজরের ডানদিকে নিচে), সেখানে হালকা ব্যথা, ভোঁতা ব্যথা বা ভারি ভাব অনুভব করা।
অরুচি ও ওজন হ্রাস: খাওয়ার রুচি কমে যাওয়া বা চেষ্টা ছাড়াই ওজন কমতে থাকা।
রোগের জটিল পর্যায়ে দেখা দেওয়া লক্ষণ (সিরোসিসের দিকে গেলে):
ফ্যাটি লিভার দীর্ঘদিন চিকিৎসা না করালে তা লিভার সিরোসিসের (স্থায়ী ক্ষতি) দিকে যেতে পারে। তখন যে মারাত্মক লক্ষণগুলো দেখা দেয়:
জন্ডিস:
চোখ ও গায়ের চামড়া হলুদ হয়ে যাওয়া।
পেট ফুলে যাওয়া (Ascites):
পেটে পানি জমার কারণে পেট অস্বাভাবিক ফুলে যাওয়া।
পায়ে ফোলাভাব:
পায়ের পাতা এবং গোড়ালিতে পানি জমে ফুলে যাওয়া।
ত্বকের পরিবর্তন:
হাতের তালু লাল হয়ে যাওয়া (Palmar erythema) এবং ত্বকের ওপর মাকড়সার জালের মতো রক্তনালী ভেসে ওঠা (Spider angiomas)।
সহজেই রক্তপাত:
সামান্য আঘাতেই রক্তপাত হওয়া বা কালশিটে পড়া।
২০২২ সালে সুইডেনের একটি গবেষণা থেকে জানা গেছে, নন অ্যালকোহল-রিলেটেড ফ্যাটি লিভারে আক্রান্তদের মধ্যে লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা ১২.১৮ শতাংশ বেশি।
২০২৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার ন্যাশনাল হেল্থ ইন্স্যুরেন্স সার্ভিসের একদল গবেষক এই বিষয়টি নিয়ে আবার গবেষণা করেন। তাঁরা জানান, যাঁরা অ্যালকোহল বা মদ্য পান করেন, তাঁদের মধ্যে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা সাধারণ মানুষের চেয়ে ২.৬০ শতাংশ বেশি। মদ বা অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় খান না, কিন্তু ফ্যাটি লিভারের সমস্যা রয়েছে–এমন মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়।
একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে, তাঁদের মধ্যে ৯০ শতাংশেরই স্থূলত্ব রয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে এই সমস্যা অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় থাকলে লিভারে প্রদাহজনিত সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। এমনকি, লিভার বিকল হয়ে যাওয়াও অসম্ভব নয়।
চিকিৎসকেরা বলছেন, এই ধরনের ফ্যাটি লিভার থেকে সিরোসিস, হেপাটোসেলুলার কার্সিনোমায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। আবার, অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় থাকলে তা খাদ্যনালি, পিত্তথলি, ফুসফুস, থাইরয়েড গ্রন্থির ক্যান্সার কিংবা লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বাড়িয়ে তোলে।
ইনফিনিক্স বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে তাদের নতুন স্মার্টফোন ‘ইনফিনিক্স স্মার্ট ২০’। স্মার্টফোনটি এন্ট্রি-লেভেল সেগমেন্টে যুক্ত করেছে আধুনিক ভয়েস প্রিন্ট নয়েজ রিডাকশন প্রযুক্তি, যা পরিষ্কার ভয়েস কল নিশ্চিত করতে বিশেষভাবে তৈরি। টেকসই, স্মুথ ডিসপ্লে এবং ব্যবহারবান্ধব ডিজাইনের সমন্বয়ে স্মার্ট ২০ তৈরি করা হয়েছে দৈনন্দিন বাস্তব চাহিদার কথা মাথায় রেখে।
বাংলাদেশের ব্যস্ত শহুরে জীবনে কথোপকথন শুধু দুর্বল নেটওয়ার্কের কারণে ব্যাহত হয় না, বরং আশপাশের অতিরিক্ত শব্দ-যেমন যানজটপূর্ণ রাস্তা, ভিড় পূর্ণ ক্যাম্পাস, গণপরিবহন কিংবা বাজারের কারণেও ব্যাহত হয়। বাস্তব সমস্যাটির সমাধান দিতে স্মার্ট ২০ ফোনে রয়েছে পিওর ভয়েস কল প্রযুক্তি, যা ভয়েস প্রিন্ট নয়েজ রিডাকশনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কণ্ঠ আলাদা করে শনাক্ত করে এবং পেছনের অপ্রয়োজনীয় শব্দ কমিয়ে দেয়।
ফলে নিয়মিত কল, অনলাইন কল কিংবা স্পিকার ব্যবহারের সময়েও কথোপকথন থাকে পরিষ্কার। যেখানে এই দামের স্মার্টফোনে সাধারণত ক্যামেরা বা পারফরম্যান্সকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেখানে স্মার্ট ২০ গুরুত্ব দিয়েছে পরিষ্কার ও নির্ভরযোগ্য ভয়েস কমিউনিকেশনে।
ফোনটিতে রয়েছে ৬.৭৮ ইঞ্চির ১২০ হার্টজ পাঞ্চ-হোল ডিসপ্লে, যা স্ক্রলিং, ভিডিও দেখা ও গেমিংয়ে দেয় আরও মসৃণ অভিজ্ঞতা। উচ্চ রিফ্রেশ রেটের কারণে স্ক্রিন ট্রানজিশন ও অ্যানিমেশন হয় আরও স্বাভাবিক ও সাবলীল। পাঞ্চ-হোল ডিজাইন স্ক্রিনকে করেছে আরও ইমারসিভ ও পরিপাটি। শক্তিশালী ব্যাটারি থাকা সত্ত্বেও স্মার্ট ২০ বজায় রেখেছে স্লিম ও হালকা গঠন, যা দীর্ঘ সময় হাতে ধরে ব্যবহার করতেও আরামদায়ক।
স্মার্ট ২০-এ ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেক হেলিও জি৮১ অক্টা-কোর প্রসেসর, যা মাল্টিটাস্কিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার, ভিডিও স্ট্রিমিং এবং হালকা গেমিংয়ে দেয় স্থিতিশীল পারফরম্যান্স এবং উন্নত শক্তি সাশ্রয়। পাশাপাশি রয়েছে ৪৮ মাস ফ্লুয়েন্সি অপ্টিমাইজেশন সুবিধা, যা দীর্ঘদিন ব্যবহারের পরও ফোনের মসৃণতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।
ডিভাইসটি ১.৫ মিটার উচ্চতা থেকে পতন সহনশীল মিলিটারি-গ্রেড সার্টিফিকেশন পেয়েছে, যা পড়ে যাওয়ার মতো সাধারণ দুর্ঘটনায় অতিরিক্ত সুরক্ষা দেয়। পাশাপাশি রয়েছে আইপি৬৪ মানের পানি ও ধুলা প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং স্প্ল্যাশ টাচ সুবিধা। অর্থাৎ হালকা পানির ছিটা বা ধুলাবালির মধ্যেও স্ক্রিন থাকে সচল ও ব্যবহারযোগ্য। প্রতিদিনের যাতায়াত ও অনিশ্চিত আবহাওয়ায় এই সুবিধা বাড়ায় ফোনটির নির্ভরযোগ্যতা।
স্মার্ট ২০-এ রয়েছে আল্ট্রা লিংক ফ্রি কল সুবিধা, যা নেটওয়ার্ক সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হলে স্বল্প দূরত্বে যোগাযোগের বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করবে।
এছাড়াও ফোনটিতে রয়েছে অলওয়েজ-অন ডিসপ্লে, আইআর ব্লাস্টার এবং এফএম রেডিও-যা দৈনন্দিন ব্যবহারে যোগ করে বাড়তি সুবিধা।
ফোনটি শ্যাডো ব্ল্যাক, সানলাইক অরেঞ্জ, ক্লাউডলাইন ব্লু এবং পোলারিস টাইটানিয়াম এই চার রঙে পাওয়া যাচ্ছে। ইনফিনিক্স স্মার্ট ২০ (৪+৬৪ জিবি) দাম ১২,৯৯৯ টাকা। ফোনটি এখন সারা দেশে অনুমোদিত বিক্রয়কেন্দ্র এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাচ্ছে।
ইরানে গত জানুয়ারির বিক্ষোভ-সম্পর্কিত একটি মামলায় এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পরিবারঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ দণ্ড কার্যকর হলে এটি জানুয়ারির অস্থিরতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রথম মৃত্যুদণ্ড হবে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সূত্রটি রয়টার্সকে জানিয়েছে, অভিযুক্ত মোহাম্মদ আব্বাসির বিরুদ্ধে ‘মোহারেবে’ (সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে শত্রুতা) অভিযোগ আনা হয়। তবে ইরানের বিচার বিভাগ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে রায় ঘোষণা করেনি। দেশটির সর্বোচ্চ আদালতের অনুমোদনও বাকি রয়েছে।
সূত্রটি জানিয়েছে, আব্বাসির বিরুদ্ধে এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হত্যার অভিযোগ আনা হলেও তার পরিবার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
সূত্রটি জানিয়েছে, আব্বাসির বিরুদ্ধে এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হত্যার অভিযোগ আনা হলেও তার পরিবার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, জানুয়ারির বিক্ষোভ দমনে কঠোর অভিযানে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর এটিকে ইরানের সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে সতর্ক করে বলেছিলেন, বিক্ষোভ-সম্পর্কিত মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে তিনি সামরিক পদক্ষেপের নির্দেশ দিতে পারেন।
সূত্রটি আরও জানায়, অভিযুক্তের মেয়ে ফাতেমেহ আব্বাসিকে বিক্ষোভে জড়িত থাকার অভিযোগে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাদের পছন্দের আইনজীবীর সুযোগ না দিয়ে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ইরানের বিচার বিভাগ এখনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
আপনার মতামত লিখুন
Array