খুঁজুন
শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২ বৈশাখ, ১৪৩৩

ফরিদপুর-৪ আসনে আলোচনায় স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী মুফতি রায়হান জামিল

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫, ৩:৩৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর-৪ আসনে আলোচনায় স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী মুফতি রায়হান জামিল

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ আসনে (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ব্যবসায়ী, শিক্ষক ও সমাজসেবক মুফতি রায়হান জামিল।

উপাধিসহ তার নাম মুফতি রায়হান জামিল তবে ডাকনাম রায়হান। ১৯৯০ সালে চরভদ্রাসন উপজেলার এমকে ডাঙ্গী গ্ৰামে তার জন্ম। তার পিতা মো. খবির শেখ। মাদরাসা থেকে তিনি হাফেজ মাওলানা ও মুফতি সম্পন্ন করেছেন।

তরুণ প্রজন্মের এই নেতা সারা বছর শিক্ষকতা, ব্যবসা ও সমাজসেবা নিয়ে থাকেন। আগে থেকেই তিনি রাজনৈতিক সচেতন মানুষ তবে কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। দল, মত, জাতি ও ধর্ম নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের সেবক হতে চান এজন্য তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন।

একজন প্রগতিশীল, জনবান্ধব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকার গরীব-দুঃখী অসহায় মানুষের কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি হিসেবে তিনি জানান, বেকার, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত ফরিদপুর-৪ আসন গড়তে চাই। সবার জন্য শিক্ষা, খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা ও বাসস্থান এর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চাই।

তার প্রধান মেসেজ হলো ‘সৎ লোকের শাসন চাই, দুর্নীতি মুক্ত সমাজ চাই, শোষক নয় সেবক হতে চাই।’

ফরিদপুর-৪ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী তরুণ প্রজন্মের নেতা মুফতি রায়হান জামিল বলেন, ‘বহু আগে থেকেই আমি অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করে আসছি। তারই ধারাবাহিকতায় দশ টাকায় ইলিশ মাছ বিক্রি, এক টাকা কেজি গরুর মাংস বিক্রি, দুই টাকা কেজি চাল বিক্রি, দশ টাকা হালি ডিম বিক্রি, ভিক্ষুকদের কর্মসংস্থান, ফ্রি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, ফ্রি সেলাই প্রশিক্ষণ, গর্ভবতী মায়েদের জন্য ফ্রি গাড়ি সেবাসহ অসংখ্য উদ্যোগের মাধ্যমে সব সময় মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করছি।’

তিনি বলেন, ‘আমার এই সেবামূলক কার্যক্রম কখনোই ভোট পাওয়া বা ভাইরাল হওয়ার উদ্দেশ্যে নয়; বরং একমাত্র লক্ষ্য হলো : আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং গরিব-অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। আমি শুধু ফরিদপুর জেলাতেই নয়, অন্য জেলাতেও এসব সেবামূলক কাজ করে আসছি। যদি উদ্দেশ্য কেবল ভোট হতো, তবে আমি অন্য জেলায় এসব কাজ করতাম না।’

তরুণ এই নেতা বলেন, একজন মুসলমানের প্রতিটি কাজই হওয়া উচিত আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। তা দান করা হোক বা রাজনীতি করা হোক যখনই আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে করা হয়, তখন সেটি ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত হয়।

তিনি আরও বলেন, ইনশাআল্লাহ আমার সেবামূলক কার্যক্রম সবসময় অব্যাহত থাকবে। আপনাদের সবার কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া কামনা করছি, যেন আল্লাহ আমার এই প্রচেষ্টাগুলো কবুল করেন।

তরুণ এই সুশীল ব্যক্তি, ফরিদপুর-৪ আসন এলাকার অবহেলিত ও গণমানুষের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে (স্বতন্ত্র) এমপি প্রার্থী হিসেবে রায়হান জামিল ইতোমধ্যেই নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। তিনি ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, সুবিধা অসুবিধা ও বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে নিজের উপস্থিতি মজবুত করছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি শুধু প্রতিশ্রুতিতে নয় বরং বাস্তবায়নে বিশ্বাস করি। যদি ভোটাররা আমাকে সুযোগ দেন, আমি ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসনকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়ে তুলব।’

তিনি শুধুমাত্র রাজনীতিবিদ নন, তিনি সামাজিক উন্নয়নের কাজেও সক্রিয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যুবসমাজের উন্নয়ন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিমূলক কর্মকাণ্ডে তার অবদান ব্যাপক প্রশংসিত। স্থানীয়রা মনে করেন, এমন তরুণ নেতৃত্ব আমাদের এলাকায় সবসময় প্রয়োজন।

ফরিদপুরে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল শিক্ষা কর্মকর্তার লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল শিক্ষা কর্মকর্তার লাশ

ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌর এলাকায় গোপালগঞ্জ উপজেলা সদরের সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ রাজু ইসলাম (৩৬)-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার পূর্ব হাসামদিয়া এলাকার মাতৃকুঞ্জ নামে একটি আবাসিক ভবনের চতুর্থ তলার ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত শেখ রাজু ইসলাম গোপালগঞ্জ উপজেলা সদরে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার মউতলা গ্রামে। তিনি নুরুল ইসলাম শেখের ছেলে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ভাঙ্গা পৌরসভার আতাদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হ্যাপি আক্তারের স্বামী। তাদের সংসারে দুই কন্যা সন্তান রয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর আনুমানিক ১টা থেকে দেড়টার মধ্যে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। বিষয়টি বুঝতে পেরে দ্রুত স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে নিচে নামানো হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের স্ত্রী হ্যাপি আক্তার জানান, দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি বাসায় ফোন করেন। এ সময় তার মেয়েরা জানায়, তাদের বাবা ঘরের ভেতরে গলায় রশি দিয়েছেন। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত বাসায় এসে স্বামীর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।

নিহতের জমজ ভাই শেখ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, মায়ের ফোন পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে আসেন। বাসায় পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পর উপরের তলা থেকে চিৎকার শুনে দৌড়ে গিয়ে ভাইয়ের মরদেহ দেখতে পান। ঘটনাটি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে।

এদিকে নিহতের ছোট মেয়ে আমেনা আক্তার (প্রায় ৪ বছর) জানায়, কিছুক্ষণ আগে তার বাবা তার পাশে শুয়ে ছিলেন। পরে তাকে পাশে না পেয়ে পাশের কক্ষে গিয়ে বাবাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে তিনি জানান।

পুলিশ জানিয়েছে, এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা খতিয়ে দেখতে ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিহতের সহকর্মী ও স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সংবাদ প্রকাশের পর: জমিদার বাড়ি সংরক্ষণে পদক্ষেপের ঘোষণা দিলেন এমপি বাবুল

সদরপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ
সংবাদ প্রকাশের পর: জমিদার বাড়ি সংরক্ষণে পদক্ষেপের ঘোষণা দিলেন এমপি বাবুল

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাইশরশি জমিদার বাড়ি সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন ফরিদপুর-৪ (সদরপুর, ভাঙ্গা ও চরভদ্রাসন) আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে। এরই প্রেক্ষিতে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এমপি বাবুল সরেজমিনে জমিদার বাড়িটি পরিদর্শন করেন এবং সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, এই জমিদার বাড়িটি আমাদের এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন। এটিকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। ইতোমধ্যে আমরা এটি অধিদপ্তর-এর আওতায় এনে সংরক্ষণের চেষ্টা করছি।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকা এই জমিদার বাড়ির বিভিন্ন অংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি গুপ্তধনের আশায় বউঘাট খননের ঘটনাও এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

শহিদুল ইসলাম বাবুলের এ ঘোষণায় এলাকাবাসীর মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। তারা দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন।

ফরিদপুরে ৫ প্রাণহানির পরও নিরাপত্তাহীন কাফুরা রেলক্রসিং, নেই গেট-গেটম্যান—ঝুঁকিতে মানুষ

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ৫ প্রাণহানির পরও নিরাপত্তাহীন কাফুরা রেলক্রসিং, নেই গেট-গেটম্যান—ঝুঁকিতে মানুষ

ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের কাফুরা রেলক্রসিংটি দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই রেলক্রসিংয়ে নেই কোনো লেভেল ক্রসিং গেট, নেই গেটম্যান—ফলে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন পথচারী ও যানবাহন চালকরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, বহুবার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারি এই কাফুরা রেলক্রসিংয়েই ভয়াবহ এক দুর্ঘটনায় ট্রেন ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হন। আহত হন আরও কয়েকজন, যাদের তাৎক্ষণিকভাবে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকাগামী একটি ট্রেন রেলগেট অতিক্রম করার সময় একটি মাইক্রোবাস হঠাৎ লাইনের ওপর উঠে পড়লে এ সংঘর্ষ ঘটে। ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসটি প্রায় ৫০ গজ দূরে ছিটকে গিয়ে পাশের একটি পুকুরে পড়ে যায়।

দুর্ঘটনার সময় সেখানে কোনো গেট বা গেটম্যান না থাকাই বড় কারণ হিসেবে উঠে আসে। এরপর স্থানীয়দের ক্ষোভের মুখে কর্তৃপক্ষ একাধিকবার ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, কাফুরা রেলক্রসিংয়ে এখনো নেই কোনো স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ট্রেন আসার সময় সতর্কবার্তা বা ব্যারিয়ার না থাকায় হঠাৎ করেই যানবাহন লাইনে উঠে পড়ছে, যা বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ওহিদুল ফকির বলেন, “প্রতিদিনই ভয় নিয়ে রাস্তা পার হতে হয়। ট্রেন কখন আসবে, কোনো ধারণা থাকে না। দ্রুত এখানে গেটম্যান নিয়োগ জরুরি।”

অটোরিকশা চালক হামিদ শরীফ বলেন, “হঠাৎ ট্রেন চলে এলে দুর্ঘটনা এড়ানো কঠিন হয়ে যায়। অনেক সময় অল্পের জন্য বেঁচে যাই।”

এলাকার চা দোকানদার হেলাল বেপারি জানান, “ট্রেন এলে আমরা নিজেরাই রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে গাড়ি থামানোর চেষ্টা করি।”

ঝালমুড়ি বিক্রেতা রফিক মোল্যা বলেন, “এখানে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। এত মানুষ মারা গেলেও কর্তৃপক্ষের কোনো মাথাব্যথা নেই।”

চটপটি বিক্রেতা মো. হায়দার মন্ডল বলেন, “প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে এই রাস্তা দিয়ে। ঝুঁকি থাকলেও যেন কারো নজর নেই—এটা খুবই দুঃখজনক।”

এ বিষয়ে ফরিদপুর রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার প্রহলাদ বিশ্বাস ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে জানান, “গেটম্যান নিয়োগ ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আওতাধীন।”

এ ব্যাপারে রেলওয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহাবুব হাসান ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, এ ব্যাপারে পাকশীতে একাধিকবার চিঠি দেওয়া হলেও এখনও এর কোনো সমাধান মিলেনি।

রেলওয়ের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মোসা. হাসিনা খাতুন ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, “এটি সম্ভবত অননুমোদিত রেলগেট হওয়ায় গেটম্যান নেই। তবে বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, বিষয়টি আমরা ইতোমধ্যে জেনেছি। আমরা এলাকাবাসী ও ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুতই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সোহরাব হোসেন ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, “জননিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাইতো সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে শ্রীঘ্রই সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”