খুঁজুন
, ,

কৃষক কীভাবে তাঁর পণ্যে বিএসটিআইয়ের সিল মারবেন

নাহিদ হাসান
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৩:৩৪ অপরাহ্ণ
কৃষক কীভাবে তাঁর পণ্যে বিএসটিআইয়ের সিল মারবেন

একটি দেশ আছে, যেখানে গরু আর ঘাস খায় না, চরে না চারণভূমিতে। সেখানে গরু, মাছ, মুরগি মূলত খায় ভুট্টা।  দেশটিতে মুরগি জন্মের পর কখনো সূর্যের আলোর মুখ দেখতে পায় না। একজন কৃষক নিজের খামারে জানালা রেখেছিলেন, যেন মুরগির কাছে আলো পৌঁছায়। তাঁর খামার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। দেশটিতে সবজির কোনো আলাদা ঋতু নেই। টমেটো পাওয়া যায় সারা বছর। টমেটো পাকানো হয় ইথিলিন ব্যবহার করে। দেশটিতে পেটেন্ট জিনের সয়াবিনবীজ সংরক্ষণ করলে সন্ধ্যায় পুলিশের মতো ব্যক্তিগত তদন্তকারীরা বাড়িতে হানা দেয়, যাঁদের নিয়োগ দিয়েছেন বীজ বিক্রেতারা। আর এসব ঘটনা যে দেশে ঘটে, তার নাম যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি ও খাদ্যপণ্য নিয়ে টানা ছয় বছর কাজ করে ২০০৮ সালে রবার্ট কেনার একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেন। ওই তথ্যচিত্রের বাংলা নাম হতে পারে ‘খাদ্য কোম্পানি’। যখন তথ্যচিত্রটি বের হয়, তখন ঘটনাগুলো আমাদের কাছে ছিল অবাস্তব। কিন্তু আজ যুক্তরাষ্ট্র নয়, মনে হয় ওই তথ্যচিত্রের ঘটনাস্থল বাংলাদেশও।

যে ধরনের উদ্ভিদ বা বীজ বপন করলে পরিবেশে বিশেষ জীব, অণুজীবদের জীবন টেকা কঠিন, সেই ধরনের বীজ বা উদ্ভিদকে প্রবেশাধিকার দিলে পরিবেশের বারোটা বেজে যায়। বিজ্ঞানীরা এ ধরনের বীজ বা উদ্ভিদকে নাম দিয়েছেন আগন্তুক প্রজাতি।

বাংলাদেশে এখন আগন্তুক প্রজাতির বীজের ব্যবহার বেড়েছে। তবে হাইব্রিড বীজের উৎপাদনসক্ষমতা যাচাই, নজরদারি ও সার্টিফিকেটের ব্যবস্থা করেনি সরকার। কৃষক জমিতে কেমন বীজ লাগাচ্ছেন, তা দেখভালের কেউ নেই। কিন্তু কৃষক যা উৎপাদন করবেন, তা বিক্রি করতে গেলে সনদ নিতে হবে, এ কেমন কথা!

দুই.

উলিপুর উপজেলার দুই তরুণ ব্রহ্মপুত্রের একটি চরে কৃষি খামার দিয়েছেন। শর্ষের খেতে ফুল এলে তাঁরা মধু সংগ্রহ করেন। তারপর শর্ষেদানা এলে কাঠের ঘানিতে করেন তেল উৎপাদন। সেই তেল তাঁরা স্থানীয়দের মধ্যে বিক্রি করেন। কিন্তু বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন বা বিএসটিআইয়ের প্রত্যয়ন না থাকায় শহরের দোকানিরা সেই তেল রাখতে আগ্রহী হন না। তবে তাঁদের কাছে বিএসটিআইয়ের প্রত্যয়ন না থাকলেও স্থানীয় প্রত্যয়ন আছে।

আর প্রত্যয়ন দেয় কারা? ১. কৃষক নিজে, ২. সামাজিক প্রত্যয়ন। প্রথমত, কৃষক নিজের চাষকে প্রত্যয়ন দেন। তারপর আছে সামাজিক প্রত্যয়ন। সেটা দেন স্থানীয় ভোক্তারা। তবে এর বাইরেও একটা প্রত্যয়ন কোনো পণ্য বাজারজাত করতে গেলে জরুরি। সেটা হলো প্রতিষ্ঠানের কাছে থেকে প্রত্যয়ন। তবে কৃষকের পক্ষে প্রতিষ্ঠানের থেকে প্রত্যয়ন গ্রহণের রাস্তা নেই।

বাংলাদেশ সরকার যদি কোনো পণ্যকে মানের স্বীকৃতি দিতে চায়, তার জন্য কিছু নিয়ম আছে। বিএসটিআইয়ের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি পণ্য বানান, কোনো প্রক্রিয়া ব্যবহার করে বা কোনো পেটেন্ট, ট্রেডমার্ক বা ডিজাইন ব্যবহার করে স্ট্যান্ডার্ড মার্ক ব্যবহার করতে চান, তাঁকে লাইসেন্স নিতে হবে।

লাইসেন্স পেতে নির্ধারিত ফি দিতে হয় এবং নির্ধারিত ফরম পূরণ করে বিএসটিআইয়ে আবেদন করতে হয়। এরপর বিএসটিআই পণ্য পরীক্ষা করে সন্তুষ্ট হলে লাইসেন্স দেয়। কিন্তু এই পুরো প্রক্রিয়ায় অনেক ধাপ রয়েছে, যার ফলে অনুমোদন নিতে সময় লাগে এবং পণ্যের দাম বাড়ে।

উদাহরণস্বরূপ, চিলমারীর নারীরা হাতে মুড়ি বানান। যদি তাঁরা এই মুড়ি ঢাকা শহরে বিক্রি করতে চান, তাহলে তাঁরা বিএসটিআইয়ের সিল কীভাবে পাবেন? লাইসেন্স নেওয়া ও অনুমোদনের প্রক্রিয়ার চেয়ে তাঁর কাজটা তো অনেক সহজ।

ফলে স্থানীয় পর্যায়ের খাঁটি শর্ষের তেল, মধু বা মুড়ি উৎপাদনকারীদের যে কাজের সুযোগ হওয়ার কথা ছিল, তা আর হয় না। একজন কৃষক শর্ষে বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তুলতে না পারলেও, বাড়তি শ্রম যুক্ত করে তেল বা মুড়ি বানিয়ে হয়তো আয়ে কিছুটা ভারসাম্য রাখতে পারতেন।

এখানে সামাজিক শক্তিকেই পণ্যের প্রত্যয়নের কাজে লাগানো যায়। যে মানুষেরা খাবেন, তাঁরাই সেই খাবারের মান যাচাই করবেন। যে কৃষক শহরে পণ্য বিক্রি করবেন, তিনিই এই সামাজিক প্রত্যয়ন গ্রহণ করবেন। পাড়াভিত্তিক ছোট কমিটি করা যেতে পারে। যেখানে হয়তো থাকবেন দুজন শিক্ষক, দুজন ইমাম বা অন্যান্য ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, দুজন গৃহিণীসহ মোট ২০ জন ভোক্তা। তাঁরাই প্রত্যয়ন দেবেন। উৎপাদক চাইলে সহজেই এই ভোক্তাদের কাছ থেকে এই প্রত্যয়ন সংগ্রহ করতে পারবেন। এই পদ্ধতি জবাবদিহিমূলক, সহজ ও গণমুখী।

  • নাহিদ হাসান লেখক ও সংগঠক। ই–মেইল: nahidknowledge1@gmail.com

ফরিদপুরে সাপের কামড়ে ছটফট করছিল শিশু আব্দুল্লাহ, ফকিরের আশ্বাসেই হারিয়ে গেল প্রাণ

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সাপের কামড়ে ছটফট করছিল শিশু আব্দুল্লাহ, ফকিরের আশ্বাসেই হারিয়ে গেল প্রাণ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় বিষাক্ত সাপের কামড়ে সেক আব্দুল্লাহ (৫) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত আব্দুল্লাহ উপজেলার গাজিরটেক ইউনিয়নের চর অমরাপুর গ্রামের সেক শাহেদের ছেলে। দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল পরিবারের সবার ছোট এবং অত্যন্ত আদরের সন্তান।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ৯টার দিকে বাড়ির পেছনে খেলাধুলা করছিল আব্দুল্লাহ। এ সময় একটি কংক্রিটের স্ল্যাবের নিচে থাকা বিষাক্ত সাপ তার পায়ে কামড় দেয়। কামড় খাওয়ার পর শিশুটি বাড়িতে এসে মাকে জানায়, তাকে ‘ব্যাঙে কামড় দিয়েছে’। প্রথমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে না নেওয়ায় পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে নিয়ে যান, যিনি নিজেকে ঝাড়ফুঁক ও চিকিৎসাজ্ঞানসম্পন্ন বলে পরিচয় দেন।

শিশুটির চাচি আখি আক্তার জানান, স্থানীয় শহীদ ফকির নামে এক ব্যক্তির কাছে নেওয়ার পর তিনি কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলেন, এটি সাপের কামড় নয়। তার কথায় আশ্বস্ত হয়ে কিছু সময় সেখানে কাটানো হয়। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই আব্দুল্লাহর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে শুরু করে।

পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও দুপুরের দিকে শিশুটি মারা যায়।

গাজিরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “প্রথমে শিশুটিকে স্থানীয় এক ফকিরের কাছে নেওয়া হয়েছিল। পরে অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।”

আব্দুল্লাহর অকাল মৃত্যুতে পরিবারজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো চর অমরাপুর গ্রাম। প্রতিবেশীরাও এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

নগরকান্দায় স্ত্রীর তালাকের এক সপ্তাহ পর শ্বশুরবাড়িতে ঝুলছিল জামাতার মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় স্ত্রীর তালাকের এক সপ্তাহ পর শ্বশুরবাড়িতে ঝুলছিল জামাতার মরদেহ

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে শ্বশুরবাড়িতে এসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আব্দুল কারিম মুন্সী (৪২) নামে এক ব্যক্তি।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার চরযশোরদী ইউনিয়নের আলগাদিয়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল কারিম মুন্সী ভাঙ্গা উপজেলার কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের মৃত জালাল মুন্সীর ছেলে। তিনি নগরকান্দার আলগাদিয়া গ্রামের বাসিন্দা ওমর আলী শেখের জামাতা ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল কারিম ও তার স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন এবং কোনো স্থায়ী পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। এসব কারণে তাদের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি লেগেই থাকত। একপর্যায়ে কোরবানির ঈদের প্রায় এক সপ্তাহ আগে তার স্ত্রী একতরফাভাবে তাকে তালাক দেন।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের ধারণা, তালাকের পর থেকেই আব্দুল কারিম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। ঘটনার আগের রাতে তিনি শ্বশুরবাড়িতে আসেন। পরে শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় শ্বশুর ওমর আলী শেখের টিনশেড বসতঘরের সিঁড়ির আড়ার সঙ্গে দড়ি পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।

শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে খবর পেয়ে নগরকান্দা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানি আজাদ জানান, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফরিদপুরে রাতে স্বামীর সাথে ঝগড়া, ভোরে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে রাতে স্বামীর সাথে ঝগড়া, ভোরে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ

ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নে শ্বশুরের সেবাযত্নকে কেন্দ্র করে স্বামীর সঙ্গে বিরোধের জেরে রিমা আক্তার (৩৩) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (২০ জুন) ভোরে সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়াজউদ্দিন মুন্সির ডাঙ্গী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রিমা আক্তার ওই এলাকার শাহেদ আলীর স্ত্রী। তিনি দুই সন্তানের জননী ছিলেন। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রিমার শ্বশুর জহির উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছেন। তাকে দেখাশোনা ও সেবাযত্ন করার বিষয় নিয়ে প্রায়ই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হতো।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় শ্বশুরের দেখভাল করা নিয়ে রিমা আক্তার ও তার স্বামী শাহেদ আলীর মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে রিমা আক্তার স্বামীকে বিভিন্ন কথা বলেন। পরে রাতের খাবার খেয়ে স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নিজ কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন।

পরদিন শনিবার ভোরে শাহেদ আলী ঘুম থেকে উঠে ঘরের বাইরে গেলে ওই সুযোগে রিমা আক্তার ঘরের বাঁশের ধরনার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।কিছুক্ষণ পর তার মেয়ে সাবিহা (৯) মাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করলে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। পরে শাহেদ আলী ওড়না কেটে তাকে নিচে নামালেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খায়রুল বাশার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে এসআই খায়রুল বাশার বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”