খুঁজুন
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ২০ চৈত্র, ১৪৩২

ফরিদপুরের চারটি আসনে কত পেল ‘হ্যাঁ’ ভোট, কত ‘না’— ফলাফল যা বলছে?

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরের চারটি আসনে কত পেল ‘হ্যাঁ’ ভোট, কত ‘না’— ফলাফল যা বলছে?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ এ ফরিদপুর জেলার চারটি আসনে প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফলে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে স্পষ্ট সমর্থন দেখা গেছে। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাঠানো প্রাথমিক ফলাফলের বার্তা শিট অনুযায়ী, চার আসনেই মোট ভোটারের তুলনায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ভোট পড়েছে এবং প্রতিটি আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট ‘না’ ভোটের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলে। ভোট শেষে কেন্দ্রভিত্তিক গণনা সম্পন্ন করে রাতে প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা।

ফরিদপুর-১ (আসন নং ২২১):

ফরিদপুর-১ (আসন নং ২২১)-এ মোট ভোটার ৫ লাখ ১০ হাজার ৫৪০ জন। এর মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৪২৩টি এবং ‘না’ ভোট ১ লাখ ১২ হাজার ৮০৩ টি। মোট বৈধ ভোট ২ লাখ ৯৮ হাজার ২২৬। বাতিল ভোট রয়েছে ২৭ হাজারের বেশি।

ফরিদপুর-২ (আসন নং ২১২):

ফরিদপুর-২ (আসন নং ২১২)-এ মোট ভোটার ৩ লাখ ৩২ হাজার ৪১ জন। এখানে ‘হ্যাঁ’ ভোট পেয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ৩৪টি এবং ‘না’ ভোট ৬৭ হাজার ৮টি। মোট বৈধ ভোট ১ লাখ ৯২ হাজার ৪২। বাতিল ভোট ২৬ হাজারের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফরিদপুর-৩ (আসন নং ২১৩):

ফরিদপুর-৩ (আসন নং ২১৩)-এ মোট ভোটার ৪ লাখ ৩২ হাজার ৬২১ জন। এ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫০ এবং ‘না’ ভোট ৮০ হাজার ৫৩৭। মোট বৈধ ভোট ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫৮৭। বাতিল ভোট ২৪ হাজার ৫৭২।

ফরিদপুর-৪ (আসন নং ২১৪):

অন্যদিকে ফরিদপুর-৪ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯৬ হাজার ৭০৬ জন। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ১০২টি এবং ‘না’ ভোট ১ লাখ ১১ হাজার ৯০টি। মোট বৈধ ভোট ২ লাখ ৫৪ হাজার ১৯২। বাতিল ভোট ২৬ হাজার ৮৫৪।

চারটি আসনের কোথাও ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়নি এবং সব কেন্দ্রের ফল ‘কিউমুলেটিভ’ পদ্ধতিতে একত্র করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠানো হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এগুলো প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল; যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত ফল গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।

ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। বড় ধরনের কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। রাতে ফল ঘোষণা হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় সমর্থকদের মাঝে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। এখন আনুষ্ঠানিক চূড়ান্ত ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছে ফরিদপুরবাসী ও রাজনৈতিক মহল।

সালথায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০: বাড়িঘর ভাংচুর

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:২৫ অপরাহ্ণ
সালথায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০: বাড়িঘর ভাংচুর

ফরিদপুরের সালথায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে অন্তত ৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের বাতাগ্রাম এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষচলাকালে বেশ কয়েকটি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, জমি সংক্রান্ত বিয়ষ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাতাগ্রাম এলাকার হেমায়েত মাতুব্বরের সাথে প্রতিপক্ষের মো. ফারুক মাতুব্বরের সমর্থক বাচ্চু চোকদারের বিরোধ চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা বিরোধপূর্ণ জমি মেপে সালিশের মাধ্যমে ঘটনাটি মিমাংসা করে দেওয়ার উদ্যোগ নেন। কিন্তু জমি মাপামাপির সময় উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায় উভয়পক্ষের অন্তত ২০০ থেকে ৩০০ সমর্থক দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় ঘন্টাব্যাপী চলে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ।

সংঘর্ষের সময় মেহেদী মুন্সী, মিন্টু মুন্সী, সেলিম মুন্সী, হালিম মীর, মান্দার শেখ, মিজা, সেলিম চোকদার ও আসাদ শেখের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয় বলে জানা গেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আব্বাস মাতুব্বর, তমিজদ্দিন মাতুব্বর, আসাদ শেখ, রাজ্জাক শেখ, পিকুল মাতুব্বর, লিটন মীর ও আলিম মীরকে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ বিষয় বক্তব্য নেওয়ার জন্য হেমায়েত মাতুব্বর ও ফারুক মাতুব্বরের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি।

সালথা থানার ওসি (তদন্ত) ইন্দ্রজিৎ মল্লিক বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকার পরিবেশ এখন শান্ত। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘দেশে প্রচুর পরিমান তেল মজুদ আছে, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই’: ইসমাইল জবিউল্লাহ

আব্দুল মান্নান মুন্নু, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
‘দেশে প্রচুর পরিমান তেল মজুদ আছে, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই’: ইসমাইল জবিউল্লাহ

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেছেন, দেশে প্রচুর পরিমান তেল মজুদ আছে। জালানি তেলের কোন সমস্যা নেই। যে সমস্যা আছে শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য নয়, সারা বিশ্বে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। বিশ্বব্যাপী জালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। তাই আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কিছু নেই।

বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল ) সকাল ১০ টার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের রশিবপুরা দাখিল মাদ্রাসা মাঠে খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, খাল খনন কর্মসূচীতে কেউ অনিয়ম বা দূর্নীতি করলে সে যেই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের সরকার জনবান্ধব সরকার, এখন পর্যন্ত কোনো তেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়নি। এপ্রিল মাসেও জালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করা হবে না। প্রচুর পরিমান তেল মজুদ আছে এবং প্রচুর পরিমান তেল পাইপ লাইনে রয়েছে। সুতরাং আমরা মনে করি আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারন নেই।

ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী জালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে। আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কিছু নেই। কেউ তেল নিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরির করবে বা অপচেষ্টা করলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে।’

তিনি আরো বলেন, স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রতিটি পাম্পে খোঁজ রাখার জন্য। কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে জনগণের ভোগান্তি যাতে কেউ না করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে। কেউ যদি কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টা করে তাহলে কঠোর হাতে দমন করা হবে। সরকার ভর্তুকি দিয়ে আমরা এটা চালিয়ে যাবো, যাতে জনগণের কোনো সমস্যা না হয়।

এর আগে রশিবপুরা দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে খাল খনন কর্মসূচীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ। জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্যার সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল, পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম, ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ). মিজানুর রহমান, ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা সহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদরুল আলম।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, ভাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ সহ বিএনপি এবং তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

ফরিদপুরের নগরকান্দায় গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

প্রবীর কান্তি বালা, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের নগরকান্দায় গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় পপি বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (০১ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সদর বাজারে চেয়ারম্যানের গলি এলাকার গোলাম মোস্তফার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

পপি বেগম নগরকান্দার কাইচাইল ইউনিয়নের সাদিপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার স্বামীর বাড়ি একই ইউনিয়নের শ্রীরামপট্টি গ্রামে। তবে পপি বেগম, স্বামী শহিদুল ইসলাম এবং দুই মেয়ে এক ছেলেকে নিয়ে নগরকান্দা সদরে গোলাম মোস্তফার বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

গোলাম মোস্তফা নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক ছিলেন, পাশাপাশি তিনি সাংবাদিকতা করেন। তিনি দৈনিক সরেজমিন বার্তার নগরকান্দা উপজেলা প্রতিনিধি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শহীদুল ইসলাম দীর্ঘদিন সৌদি আরবে ছিলেন। তিনি সেখানে প্রায় ৮ বছর অবস্থান করেন। তবে গত ৫ বছর ধরে তিনি দেশে অবস্থান করছেন।

ঘটনার পর বুধবার বিকেলে পপির মা বিউটি বেগম (৫৫) বাদী হয়ে ঘটনার বিবরণ দিয়ে তার মেয়ের “অস্বাভাবিক মৃত্যু” দাবি করে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করার দাবি জানিয়ে নগরকান্দা থানায় একটি অভিযোগ দেন।

কাইচাইল ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য ও সাদিপুর গ্রামের বাসিন্দা ফারুক মাতুব্বর বলেন, গত ২৯ মার্চ পপি তার বোনের বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে গতকাল বুধবার সকালেই নিজের বাসায় ফিরে আসেন।

ফারুক মাতুব্বর আরও বলেন, স্বামী শহীদুল ইসলাম কোন কাজ করতেন না এবং জুয়া ও তাস খেলে দিন কাটাতেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলে আসছিল।

এ লাশ উদ্ধারে দায়িত্ব পালনকারি নগরকান্দা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইরানুল ইসলাম জানান, পপির এক মেয়ে গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে স্কুল থেকে ফিরে তাদের ঘরের দরজা খোলা দেখতে পায়। পরে ঘরের ভেতরে ঢুকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মায়ের লাশ দেখতে পায়।

ইরানুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এটি একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু বলে আমাদের কাছে মনে হয়েছে ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রসুল সামদানি আজাদ বলেন, এই মৃত্যুটি অস্বাভাবিক। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, লাশ উদ্ধার করে গতকাল বুধবার বিকেলেই ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পপির মায়ের মামলাটি আপাতত অপমৃত্যুর মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের যদি এটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে প্রতিবেদন পাওয়া যায় তাহলে এই মামলাই হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে।