খুঁজুন
শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ১৪ চৈত্র, ১৪৩২

ফরিদপুরে কনকনে শীতেও থেমে নেই জনজীবন

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:২৫ এএম
ফরিদপুরে কনকনে শীতেও থেমে নেই জনজীবন

ফরিদপুরে হঠাৎ করে জেঁকে বসেছে কনকনে শীত। ঘন কুয়াশা, হিমেল হাওয়া আর কমে যাওয়া তাপমাত্রায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিশেষ করে ভোরের দিকে শীতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হচ্ছে। তবুও জীবিকার তাগিদে থেমে নেই মানুষের দৈনন্দিন চলাচল ও কর্মব্যস্ততা।

ভোর থেকেই শহরের প্রধান সড়কগুলোতে দেখা যায় রিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চলাচল। শীত উপেক্ষা করে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী ও শ্রমজীবীরা বেরিয়ে পড়ছেন নিজ নিজ গন্তব্যে। অনেকেই গরম কাপড়, মাফলার, টুপি ও হাতমোজা পরে শীত মোকাবিলা করছেন। আবার নিম্নআয়ের মানুষের অনেককে দেখা যাচ্ছে খোলা আকাশের নিচে আগুন জ্বালিয়ে শরীর গরম করতে।

শহরের কাঁচাবাজারগুলোতেও সকাল থেকেই ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সবজি বিক্রেতা, মাছ ও মাংস ব্যবসায়ীরা শীতের মধ্যেই পসরা সাজিয়ে বসেছেন। ক্রেতারাও প্রয়োজনের তাগিদে বাজারে আসছেন, যদিও শীতের কারণে অনেকের মুখে অস্বস্তির ছাপ স্পষ্ট। এক সবজি বিক্রেতা বলেন, “শীত বেশি হলেও বেচাকেনা থেমে নেই, পেটের দায়ে বসতেই হয়।”

অন্যদিকে, শীতের প্রভাব পড়েছে খেটে খাওয়া ও ছিন্নমূল মানুষের জীবনে। ফুটপাত ও খোলা জায়গায় বসবাসকারীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। শীতবস্ত্রের অভাবে শিশু ও বৃদ্ধরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সামাজিক উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল ও গরম কাপড় বিতরণ শুরু হলেও তা এখনও পর্যাপ্ত নয় বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

এদিকে চিকিৎসকরা শীতজনিত রোগ থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের নিউমোনিয়া, সর্দি-কাশি ও জ্বরের ঝুঁকি বেশি থাকায় গরম কাপড় পরা, কুসুম গরম পানি ব্যবহার এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সব মিলিয়ে কনকনে শীত ফরিদপুরের মানুষের জীবনযাত্রায় কিছুটা কষ্ট বাড়ালেও জীবন থেমে নেই। সংগ্রাম আর জীবিকার তাগিদে শীত উপেক্ষা করেই প্রতিদিনের পথচলা অব্যাহত রেখেছে এ জেলার মানুষ।

নীরবে কমছে চোখের পাওয়ার—এই ৪টি লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৫ এএম
নীরবে কমছে চোখের পাওয়ার—এই ৪টি লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না

চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া মানেই হঠাৎ অন্ধকার নেমে আসা, এমনটা সবসময় ঘটে না। বরং বেশিভাগ ক্ষেত্রেই দৃষ্টিশক্তি ধীরে ধীরে কমতে থাকে, এতটাই নিঃশব্দে যে অনেকেই বুঝতেই পারেন না কখন সমস্যা শুরু হয়েছে।

আমরা প্রায়ই এসব লক্ষণকে ক্লান্তি, ঘুমের অভাব, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার বা মানসিক চাপ বলে এড়িয়ে যাই। অথচ শরীর বারবার ছোট ছোট সংকেত দিয়ে আমাদের সতর্ক করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়মতো এসব লক্ষণ চিহ্নিত করা গেলে বড় ধরনের ক্ষতি থেকে বাঁচা সম্ভব। না হলে তা ধীরে ধীরে স্থায়ী দৃষ্টিহীনতার কারণও হতে পারে।

ভারতের Dr Agarwals Eye Hospital-এর সিনিয়র কনসালট্যান্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. রজত কাপুর জানান, ‘দৃষ্টিশক্তি খুব কম ক্ষেত্রেই হঠাৎ কমে যায়। সাধারণত এটি ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে শুরু হয়—হালকা ঝাপসা দেখা, ঘন ঘন মাথাব্যথা কিংবা রাতে দেখতে সমস্যা হওয়া; যা আমরা অনেক সময় গুরুত্ব দিই না।’

নিচে এমন ৪টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ তুলে ধরা হলো, যেগুলো অবহেলা করা ঠিক নয়—

১. ঘন ঘন মাথাব্যথা বা চোখে চাপ অনুভব

এটি সবসময় ক্লান্তির কারণে হয় না। দীর্ঘক্ষণ পড়াশোনা বা স্ক্রিন ব্যবহারের পর মাথাব্যথা হলে তা চোখের রিফ্র্যাকটিভ সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। চোখের ফোকাসিং সমস্যাও এর কারণ হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ঘন ঘন মাথাব্যথা মস্তিষ্কের টিউমারের মতো জটিল সমস্যারও লক্ষণ হতে পারে।

২. রাতে গাড়ি চালাতে অসুবিধা

রাতে আলোতে সমস্যা হওয়া দৃষ্টিশক্তি কমার প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। যেমন—গাড়ির হেডলাইটে অতিরিক্ত ঝলকানি, আলোর চারপাশে হ্যালো দেখা এবং কম আলোতে পরিষ্কার দেখতে না পারা। এগুলো ছানি (ক্যাটারাক্ট), রিফ্র্যাকটিভ পরিবর্তন বা রেটিনার সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।

৩. মাঝেমধ্যে ঝাপসা দেখা

হঠাৎ ঝাপসা দেখা আবার ঠিক হয়ে যাওয়া, এটিও অবহেলার বিষয় নয়। রক্তে শর্করার মাত্রা ওঠানামা করলে চোখের লেন্সে প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এই লক্ষণ বেশি দেখা যায়।

৪. ডাবল ভিশন বা দ্বৈত দেখা

হঠাৎ কখনও দুটি ছবি দেখা যাচ্ছে? ফোকাস করতে কষ্ট হচ্ছে? এই সমস্যাগুলো মূলত চোখের পেশির ভারসাম্যহীনতা ও স্নায়বিক জটিলতার লক্ষণ। এ ধরনের সমস্যা দ্রুত পরীক্ষা করানো জরুরি, কারণ এর পেছনে গুরুতর কারণও থাকতে পারে।

বিশেষ সতর্কতা

চক্ষু বিশেষজ্ঞরা আরও সতর্ক করেছেন, বর্তমানে মায়োপিয়া (দূরের জিনিস ঝাপসা দেখা) দ্রুত বাড়ছে। অনেকেই মোবাইল ফোন চোখের খুব কাছে ধরে ব্যবহার করেন। এতে চোখে অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং পাওয়ার দ্রুত বাড়তে পারে।

এছাড়া গ্লুকোমা বা অন্যান্য রেটিনাজনিত রোগ অনেক সময় নীরবে দৃষ্টিশক্তি নষ্ট করে, কারণ প্রাথমিক পর্যায়ে এগুলোর তেমন কোনো লক্ষণই দেখা যায় না।

শেষ কথা

চোখের দৃষ্টি কমে যাওয়া কখনোই হঠাৎ ঘটে না, বরং শরীর আগে থেকেই ইঙ্গিত দেয়। তাই ছোট ছোট উপসর্গকে অবহেলা না করে সময়মতো পরীক্ষা করানো জরুরি। সচেতন থাকলে দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করা সম্ভব, আর অবহেলা করলে তা স্থায়ী ক্ষতির কারণ হয়ে উঠতে পারে।

সূত্র হিন্দুস্তান টাইমস

হঠাৎ খিঁচুনি হলে কী করবেন? জেনে নিন জরুরি করণীয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৫ এএম
হঠাৎ খিঁচুনি হলে কী করবেন? জেনে নিন জরুরি করণীয়

হঠাৎ কোনো মানুষ খিঁচুনিতে আক্রান্ত হলে পরিস্থিতি মুহূর্তেই আতঙ্কজনক হয়ে উঠতে পারে। অনেকেই তখন কী করবেন বুঝে উঠতে পারেন না। অথচ এমন জরুরি মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত ও প্রাথমিক পদক্ষেপ একজন মানুষের জীবন রক্ষা করতে পারে। চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত আশপাশের মানুষের সচেতনতা ও উপস্থিত বুদ্ধিই হতে পারে সবচেয়ে বড় ভরসা।

শুধু হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক নয়, খিঁচুনিও এমন একটি অবস্থা যা হঠাৎ করেই দেখা দিতে পারে। তাই এর লক্ষণগুলো জানা এবং সঠিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো অত্যন্ত জরুরি।

খিঁচুনির লক্ষণ কী কী?

বিশ্বখ্যাত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান Johns Hopkins Medicine-এর তথ্য অনুযায়ী, খিঁচুনির সময় যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে—

১. হাত-পা হঠাৎ ঝাঁকুনি দেওয়া

২. শরীর শক্ত হয়ে যাওয়া

৩. একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা

৪. দ্রুত চোখের পলক ফেলা

৫. হঠাৎ পড়ে যাওয়া

৬. শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া

৭. মল বা মূত্র নিয়ন্ত্রণ হারানো

৮. এমনকি অজ্ঞান হয়ে যাওয়া

এই লক্ষণগুলো দ্রুত চিনতে পারলে সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়।

কী করবেন : জরুরি প্রাথমিক পদক্ষেপ

ভারতের মারেঙ্গো এশিয়া হাসপাতালের নিউরোলজিস্ট ডা. প্রভীন গুপ্তা, যিনি দুই দশকের বেশি সময় ধরে স্নায়ুরোগ নিয়ে কাজ করছেন। তিনি খিঁচুনির সময় করণীয় বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন।

তার ভাষায়, ‘খিঁচুনি হঠাৎ করেই হতে পারে। দৃশ্যটি ভয়ঙ্কর লাগলেও আপনি যদি শান্ত থাকেন এবং কী করতে হবে জানেন, তাহলে পরিস্থিতি সামলানো অনেক সহজ হয়ে যায়।’

নিচে তার পরামর্শ অনুযায়ী করণীয়গুলো তুলে ধরা হলো—

১. আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিরাপদ রাখুন

প্রথমেই নিশ্চিত করুন, ব্যক্তি নিরাপদ জায়গায় আছেন। এ ক্ষেত্রে আশপাশে থাকা আসবাবপত্র, ধারালো বস্তু বা ঝুঁকিপূর্ণ জিনিস সরিয়ে ফেলুন। এতে খিঁচুনির সময় অনিয়ন্ত্রিত নড়াচড়ায় আঘাত পাওয়ার ঝুঁকি কমে।

২. সঠিকভাবে শুইয়ে দিন

সম্ভব হলে আক্রান্ত ব্যক্তিকে পাশ ফিরে শুইয়ে দিন। মাথার নিচে নরম কিছু (কাপড়/বালিশ) দিন। এতে শ্বাসনালি খোলা থাকে এবং শ্বাসকষ্ট বা দম আটকে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।

৩. শরীর চেপে ধরবেন না

অনেকেই ভাবেন, শরীর চেপে ধরলে খিঁচুনি থামানো যাবে, এটি ভুল। জোর করে নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে উভয়েরই আঘাত লাগতে পারে। খিঁচুনি স্বাভাবিকভাবেই শেষ হতে দিন।

৪. প্রয়োজনে জরুরি ওষুধ ব্যবহার

যদি আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য আগে থেকে নির্ধারিত জরুরি ওষুধ (যেমন: মিডাজোলাম ন্যাজাল স্প্রে) থাকে, নির্দেশনা অনুযায়ী তা ব্যবহার করা যেতে পারে।

খিঁচুনির সময় কতক্ষণ? কখন হাসপাতালে যাবেন

ডা. প্রভীন গুপ্তা জানান, বেশিভাগ খিঁচুনি ২-৩ মিনিটের মধ্যেই থেমে যায়। তাই সময় লক্ষ্য রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে নিচের ক্ষেত্রে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে—

১. খিঁচুনি ৩ মিনিটের বেশি স্থায়ী হলে

২. অল্প সময়ের ব্যবধানে আবার খিঁচুনি শুরু হলে

যেসব ভুল কখনো করবেন না

১. খিঁচুনির সময় কিছু কাজ পরিস্থিতি আরও খারাপ করে দিতে পারে।

২. মুখে আঙুল, চামচ বা কাপড় ঢোকানোর চেষ্টা করবেন না। এতে দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

শেষ কথা

খিঁচুনির মতো পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পদক্ষেপ দ্রুত নিতে পারলে বড় ধরনের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। চিকিৎসা সহায়তা আসা পর্যন্ত আপনার সচেতনতা ও সহানুভূতিই হতে পারে একজন মানুষের নিরাপত্তার মূল চাবিকাঠি।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

‘ফ্যামিলি কার্ডের’ স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা! ফরিদপুরে যুবক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ১০:০১ পিএম
‘ফ্যামিলি কার্ডের’ স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা! ফরিদপুরে যুবক আটক

ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের কেশবনগর গ্রামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে মো. সাইফুল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে স্থানীয় এলাকাবাসী ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাকে কোতয়ালী থানা পুলিশের হাতে তুলে দেন। আটক সাইফুল ইসলাম ওই গ্রামের তমিজ উদ্দিনের ছেলে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নামে সরকারি বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাইফুল ইসলাম কেশবনগর এলাকার কয়েকজন হতদরিদ্র মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি দাবি করেন, তার মাধ্যমে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলো সরকারি খাদ্য সহায়তা ও অন্যান্য সুবিধা পেতে পারবে। এই প্রলোভনে পড়ে এলাকার অসহায় মানুষজন তার কাছে ভিড় জমাতে শুরু করেন।

অভিযোগ রয়েছে, সাইফুল ইসলাম জনপ্রতি ৭০০ থেকে ১,০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করেন। অনেকেই শেষ সম্বল থেকে টাকা দিয়ে কার্ড পাওয়ার আশায় ছিলেন। তবে সময় গড়ালেও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় এবং তার কথাবার্তায় অসংলগ্নতা দেখা দিলে ভুক্তভোগীদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়।

পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনার সৃষ্টি হলে ভুক্তভোগীরা ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফের হটলাইন নম্বরে অভিযোগ জানান। অভিযোগ পাওয়ার পর হটলাইন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিক সত্যতা পায়। এরই প্রেক্ষিতে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় সাইফুল ইসলামকে আটক করা হয়।

আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাইফুল ইসলাম টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি জানান, না বুঝে এ ধরনের কাজ করেছেন এবং ভবিষ্যতে আর এমন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না বলে প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে তিনি ভুক্তভোগীদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”