খুঁজুন
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩

ফরিদপুরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, পুলিশসহ আহত ২৩

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:১৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, পুলিশসহ আহত ২৩

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এর ফলে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় বোয়ালমারীর ওয়াপদার মোড় এলাকা। সংঘর্ষে তিন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (০৭ নভেম্বর) বিকেলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষের সময় ওয়াপদার মোড়ের পাশে হারুণ শপিং কমপ্লেক্সে বিএনপির একটি পক্ষের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। আগুন দেওয়া হয় ওই শপিং কমপ্লেক্সের সামনে থাকা অন্তত ১০টি মোটরসাইকেলে। এছাড়া আশেপাশের দোকানগুলিতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।

বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপি কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলাম ও বোয়ালমারী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শামসুদ্দীরন মিয়া ঝুনুর নেতৃত্বে বিভক্ত। এই দুই নেতাই আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বোয়ালমারী আলফাডাঙ্গা ও মধুখালী নিয়ে গঠিত ফরিদপুর-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী। তবে দল এ আসনে দলীয় মনোনয়ন স্থগিত করে রেখেছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বেলা তিনটার দিকে শামসুদ্দীর মিয়ার সমর্থকরা ওয়াপদার মোড় এলাকায় এবং নাসিরুলের সমর্থকরা প্রায় এক কিলোমিটার দূরে কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজ মোড় সমবেত হতে শুরু করেন। সমবেতদের হাতে বাঁশের লাঠির মাথায় ধানের শীষ বাধা ছিল।

বিকাল ৪টার দিকে নাসিরুলের পক্ষের লোকজন মিছিল নিয়ে ওয়াপদার মোড় এলাকার দিকে এগুতে থাকে। ওই সময় শামসুদ্দীনের সমর্থকরা কাজী সিরাজুল ইসলাম মহিলা কলেজের দিকে এগুতে থাকে। বোয়ালমারী পৌরসভার সামনে এলে দুই পক্ষ পরস্পরের প্রতি ইট নিক্ষেপ করতে শুরু করে।

তবে নাসিরুলের সমর্থকরা সংখ্যায় বেশি হওয়ায় শামসুদ্দীনের সমর্থকরা পিছু হটে ওয়াপদার মোড়ে হারুণ শপিং কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থান নেয়।

এসময় বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর হাসান চৌধুরী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শিব্বির আহমেদ ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান দুই পক্ষকে থামানোর চেষ্টা করেন। তবে নাসিরুল  ইসলামের সমর্থকদের হামলায় এক পর্যায়ে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এর পর নাসিরুলের সমর্থকরা হারুণ শপিং কমপ্লেক্সে সামনে থাকা অন্তত ১০টি মোটরসাইলে আগুন ধরিয়ে দেয়। তারা ওই ভবনের নিচ তলায় অবস্থিত শামসুদ্দিন মিয়ার কার্যালয়ে ঢুকে ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এছাড়া আশেপাশে বিভিন্ন দোকানে হামলা করে ভাঙচুর করে। এসময় হামলাকারীদের হাতে রামদা, চাইনিজ কুড়ালসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়।

বিকাল পাঁচটা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত নাসিরুলের সমর্থকদের হামলার সময় থানার পুলিশ সদস্যদের এক কোনে অবস্থান নিয়ে আত্মরক্ষা করতে দেখা যায়। দমকল বাহিনীর একটি গাড়ি আগুন নেভাতে এসে হামলার শিকার হয়।

শামসুদ্দীন মিয়া বলেন, “প্রশাসনকে জানিয়ে আমরা ওয়াপদার মোড়ে অনুষ্ঠান করছিলাম। এসময় নাসিরুলের লোকজন আওয়ামী লীগের লোকদের সঙ্গে নিয়ে অতর্কিতে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তারা ১০টি মোটরসাইকেলে আগুন দিয়েছে, আমার কার্যালয়ে আগুন দিয়েছে। আমার ১৫ জন সমর্থক আহত হয়েছেন। কার্যালয়ে থাকা বেগম খালেদা জিয়ার ছবি ভাঙচুর করেছে।”

খন্দকার নাসিরুল ইসলাম বলেন, “আমি ছিলাম মধুখালী। আমাদের লোকজনদের ওপর হামলা করেছে। একজনকে কুপিয়ে জখম করে। ওরা হারুন শপিং কমপ্লেক্সের উপরে উঠে আমার সমর্থদের ওপর ইট ছুড়ে মারলে চার-পাঁচজন কয়েকজন আহত হন। এতে জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে ওই শপিং কমপ্লেক্সে হামলা করে।”

বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে অবস্থান নেয়। সেনাবাহিনী আসার পর দমকল বাহিনী পুনরায় ঘটনাস্থলে এসে আগুন নেভায়। সেনাবাহিনী থাকার পরও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর অবস্থা বিরাজ করতে দেখা যায়।

বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে বলেন, “বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ হয়েছে। এসময় তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। তবে পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”

ফরিদপুরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ: ‘আপত্তিকর ফেসবুক পোস্টের’ প্রতিবাদে আসিফের গ্রেপ্তার দাবি

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ: ‘আপত্তিকর ফেসবুক পোস্টের’ প্রতিবাদে আসিফের গ্রেপ্তার দাবি

ফরিদপুরে জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে শহরের জনতা ব্যাংক মোড়ে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ.কে.এম কিবরিয়া স্বপনকে নিয়ে ফরিদপুর-৩ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মোরশেদুল ইসলাম আসিফের ফেসবুক পোস্টের প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। একইসঙ্গে তার গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান নেতাকর্মীরা।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, মোরশেদুল ইসলাম আসিফ দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেলা বিএনপির সদস্য সচিবসহ দলটির বিভিন্ন নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর, মানহানিকর ও আপত্তিকর মন্তব্য করে আসছেন। এসব কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করছে বলেও দাবি করেন তারা।

বক্তারা আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার করে রাজনৈতিক নেতাদের সম্মানহানি করা গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি অনিক খান জিতুর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক মাইদুল ইসলাম সরুনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুনুর রহমান।

সমাবেশ থেকে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। একইসঙ্গে তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে।

সমাবেশ শেষে একটি সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ মিছিল জনতা ব্যাংক মোড়ের আশপাশের সড়ক প্রদক্ষিণ করে শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হয়।

সালথায় যুব অধিকার পরিষদের সচেতনতামূলক সভা, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের আহ্বান

ফরিদপুর ও সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
সালথায় যুব অধিকার পরিষদের সচেতনতামূলক সভা, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের আহ্বান

“মাদককে না বলুন, জীবনকে হ্যাঁ বলুন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় মাদকবিরোধী গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে সালথা মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে যুব অধিকার পরিষদের উদ্যোগে এ সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হয়। স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষার্থী ও তরুণদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

যুব অধিকার পরিষদের সালথা উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা ইমারত হোসেনের সভাপতিত্বে এবং ফরিদপুর জেলা শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন জুয়েল ভান্ডারীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী (ট্রাক) ও উপজেলা সভাপতি ফারুক ফকির।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সালথা থানার এসআই অপূর্ব, যুব অধিকার পরিষদ ফরিদপুর জেলা সভাপতি সাইদুর রহমান খান, সাধারণ সম্পাদক বায়েজিদ হোসেন বিপুল এবং সালথা উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফারুক ফকির বলেন, “মাদক একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি, যা আমাদের যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একটি সুন্দর ও সুস্থ সমাজ গঠনে মাদকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।” তিনি আরও বলেন, পরিবার থেকেই সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে এবং সন্তানদের প্রতি নজরদারি বাড়াতে হবে।

তিনি প্রশাসনের পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়।”

বক্তারা বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা। সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মাদকাসক্তি প্রতিরোধ করা সম্ভব বলেও তারা মত দেন।

সভা শেষে মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়াতে নিয়মিত ক্যাম্পেইন, স্কুল-কলেজে প্রচার কার্যক্রম এবং তরুণদের অংশগ্রহণমূলক উদ্যোগ গ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয়।

ফরিদপুরে ধর্ম অবমাননার ঘটনায় যুবক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ধর্ম অবমাননার ঘটনায় যুবক গ্রেপ্তার

ফরিদপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্ম অবমাননাকর মামলার আসামি প্রদীপ পালকে (৪০) নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) র‌্যাবের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র‌্যাব-১০-এর লালবাগ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল র‌্যাব-১১-এর সহযোগিতায় এ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল ফোন ও একটি মেমোরি কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত প্রদীপ পাল ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার জালালচর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার এক নারীর নাম ও ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া আইডি খুলে অশ্লীল, মানহানিকর ও ধর্মীয় অবমাননাকর পোস্ট করেন এবং চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় ২০২৫ সালের সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ২৫, ২৬ ও ২৭ ধারা এবং দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৩৮৫ ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে পিবিআই ফরিদপুর তদন্ত চলমান রয়েছে।

জানা গেছে, গত ১৪ এপ্রিল জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার জাটিগ্রাম এলাকার শংকর কুমার পাল (৩৩)-এর নাম ও ছবি ব্যবহার করে একটি ফেসবুক আইডি থেকে কোরআন অবমাননাকর পোস্ট দেওয়া হয়। এতে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচন পত্রের ভিত্তিতে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব জানিয়েছে, চাঁদাবাজি, হত্যা, ছিনতাই, অপহরণ, প্রতারণাসহ সব ধরনের সাইবার অপরাধ দমনে তাদের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রয়েছে।