খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

আপনার উচ্চতা অনুযায়ী আদর্শ ওজন কত, জেনে নিন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৬ পূর্বাহ্ণ
আপনার উচ্চতা অনুযায়ী আদর্শ ওজন কত, জেনে নিন

বর্তমান সময়ে সুস্থ থাকা মানেই শুধু রোগমুক্ত থাকা নয়, বরং শরীরের ওজন, গঠন, জীবনযাপন; সবকিছু মিলিয়েই গড়ে ওঠে একজন মানুষের সামগ্রিক স্বাস্থ্যচিত্র।

অনেকেই আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কিংবা ওজন মাপার যন্ত্রে চোখ রেখে ভাবেন, ‘আমার ওজন কি ঠিক আছে?’ কেউ আবার ‘আদর্শ ওজন’ শুনলেই সরাসরি বিএমআই (BMI)-এর হিসাব কষতে শুরু করেন।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই বিএমআই-ই কি শেষ কথা?

স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিষয়টি এতটা সরল নয়। কারণ, শুধু ওজন আর উচ্চতার অনুপাত দিয়ে শরীরের ভেতরের প্রকৃত অবস্থা বোঝা সবসময় সম্ভব হয় না। একই ওজনের দু’জন মানুষের শরীরের গঠন, চর্বির পরিমাণ, এমনকি রোগের ঝুঁকিও একেবারে ভিন্ন হতে পারে।

সম্প্রতি বিশ্বখ্যাত স্বাস্থ্য সাময়িকী দ্য ল্যানসেট ডায়াবেটিস অ্যান্ড এন্ডোক্রাইনোলজি-তে প্রকাশিত এক গবেষণায়ও উঠে এসেছে, শুধু বিএমআই দিয়ে কারও স্বাস্থ্য বিচার করলে অনেক সময় ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। এর বদলে তারা বিএমআইয়ের সঙ্গে কোমরের পরিধি ও চর্বির শতকরা হার মাপার মতো কিছু বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেন।

গবেষকেরা বলছেন, ওজন ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা পেতে ওসব পরিমাপের সঙ্গে জীবনযাপনের বিভিন্ন বিষয়–আশয়, যেমন খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক কার্যক্রম ও বংশগতির মতো বিষয়ও বিবেচনা করা উচিত।

বিএমআই ও এর সীমাবদ্ধতাগুলো কী

বিএমআই হিসাব করার জন্য প্রথমে কোনো ব্যক্তির ওজনকে কিলোগ্রাম এককে নিতে হবে। উচ্চতা পরিমাপ করতে হবে মিটারে। এরপর সেই ওজনকে মিটারের বর্গ দিয়ে ভাগ করলেই পাওয়া যাবে বিএমআই।

অর্থাৎ বিএমআই = ওজন (কিলোগ্রাম) ÷ উচ্চতা (মিটার)২

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবমতে, বিএমআই ১৮.৫–এর নিচে হলে ওজন কম ধরা হয়। ১৮.৫ থেকে ২৪.৯ পর্যন্ত থাকলে তা আদর্শ। এই সূচক ২৫ থেকে ২৯.৯ হলে তা অতিরিক্ত ওজন এবং ৩০–এর বেশি পাওয়া গেলে তাকে স্থূল ধরা হয়।

কিন্তু এখন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই হিসাব শরীরের চর্বিহীন পেশি ও চর্বিযুক্ত পেশির ওজনের পার্থক্য করতে পারে না। ফলে একজন খেলোয়াড় বা পেশিবহুল ব্যক্তির বিএমআই বেশি দেখালেও তার শরীরে চর্বি প্রকৃতপক্ষে কম থাকতে পারে। আবার কারও ওজন ‘আদর্শ’ দেখালেও তার শরীরে অতিরিক্ত চর্বি থাকতে পারে।

গবেষকদের পরামর্শ, ওজন ও স্বাস্থ্যের সঠিক ধারণা পেতে এককভাবে বিএমআইয়ের ওপর নির্ভর করা যাবে না। এর পাশাপাশি আরও কিছুর পরিমাপ করতে হবে।

বিএমআইয়ের বিকল্প কী

বিএমআই পুরোপুরি বাদ দেওয়ার মতো কিছু নয়, তবে এটিকে একমাত্র মানদণ্ড ভাবাও ঠিক নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় বিবেচনায় নেওয়া জরুরি—

১. কোমরের মাপ

এর মাধ্যমে পেটে জমা হওয়া চর্বির পরিমাণ সম্পর্কে জানা যায়। এটি জানার মাধ্যমে ডায়াবেটিস ও হৃদ্‌রোগ বিষয়ে সতর্ক থাকা সম্ভব। এটি সাধারণত নাভির ঠিক ওপরে টেপ দিয়ে মাপা হয়।

২. কোমর–হিপ অনুপাত

স্কিনফোল্ড ক্যালিপার, ডেক্সা স্ক্যান ও বায়োইলেকট্রিক্যাল ইম্পিডেন্স (বিআই)–এর মতো পরিমাপক দিয়ে শরীরের আদর্শ গঠন সম্পর্কে মোটামুটি সঠিক ধারণা পাওয়া যায়।

স্কিনফোল্ড ক্যালিপার এমন একটি বিশেষ যন্ত্র, যা দিয়ে শরীরের চামড়া ও এর নিচের চর্বির পুরুত্ব মাপা হয়। এটি সাধারণত বাহু, ঊরু, পেট, পিঠ ইত্যাদি জায়গার চামড়া চেপে ধরে চর্বির স্তর মাপতে ব্যবহার করা হয়।

ডেক্সার পূর্ণরূপ হলো ডুয়েল এনার্জি এক্স–রে অ্যাবজর্পশোমেট্রি। এ পরীক্ষার মাধ্যমে ছবি তুলে শরীরের বিভিন্ন অংশের হাড়, পেশি ও চর্বি আলাদা করে মাপা যায়।

বায়োইলেকট্রিক্যাল ইম্পিডেন্স হলো শরীরের চর্বি, পেশি, পানি ইত্যাদির পরিমাণ নির্ণয়ের পদ্ধতি।

৩. শরীর–আকৃতি সূচক (বিএসআই)

স্থূলতাসংক্রান্ত উচ্চঝুঁকি এড়াতে এই পরিমাপ করা হয়। এটি বিএমআই ও কোমরের মাপের সমন্বয়ে একটি পরিমাপের পদ্ধতি।

তবু মিলিয়ে নিন আপনার উচ্চতা অনুযায়ী আদর্শ ওজন

যদিও জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস ও বংশগতির প্রভাব রয়েছে, তবুও একটি সাধারণ ধারণা পেতে নিচের হিসাবটি কাজে লাগতে পারে—

উচ্চতা যখন ৫ ফুট ২ ইঞ্চি, ওজন হতে হবে ৪৭–৬১ কেজি

উচ্চতা যখন ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি, ওজন হতে হবে ৫৩–৬৮ কেজি

উচ্চতা যখন ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি, ওজন হতে হবে ৬০–৭৯ কেজি

এই হিসাব বিএমআই অনুযায়ী করা হয়েছে। কাজেই ওজন ও স্বাস্থ্যের সঠিক ধারণা পেতে এর সঙ্গে অন্যান্য পরিমাপকের সুসমন্বয় করতে হবে।

সূত্র: দ্য ল্যানসেট ডায়াবেটিস অ্যান্ড এন্ডোক্রাইনোলজি

 

ফরিদপুরে ভাইরাল হওয়া সেই লাইলীর পাশে দাঁড়াল জেলা প্রশাসন, দিলেন আর্থিক সহায়তা 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ভাইরাল হওয়া সেই লাইলীর পাশে দাঁড়াল জেলা প্রশাসন, দিলেন আর্থিক সহায়তা 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া লোকসংগীত শিল্পী লাইলী আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন। মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের ব্যবহার অনুপযোগী বসতবাড়ি পুনর্নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাজহারুল ইসলাম। 

বুধবার (২৭ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের বাংলোবাড়িতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে লাইলী আক্তারের হাতে আর্থিক সহায়তার টাকা তুলে দেন জেলা প্রশাসক।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মিন্টু বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) সোহরাব হোসাইন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সুস্মিতা সাহাসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম বলেন, “লাইলী আক্তার আমাদের জেলার গর্ব। তার কণ্ঠে গ্রামীণ সংস্কৃতির যে আবেগ ও ঐতিহ্য ফুটে উঠেছে, তা ইতোমধ্যে মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে। একজন শিল্পীর জীবনমান উন্নয়নে সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, লাইলী আক্তারের বসতবাড়িটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও বসবাসের অনুপযোগী। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার বাড়ি পুনর্নির্মাণে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

এসময় জেলা প্রশাসক জানান, লাইলীর বিষয়টি সরকারের সংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দুষ্টিগোচর হয়েছে। ঈদের পরে যে কোন সময়ে তার জন্য সরকারিভাবে সহযোগিতা করা হবে।

সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত লাইলী আক্তার জেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমি কখনও ভাবিনি আমার গান এত মানুষের ভালোবাসা পাবে। জেলা প্রশাসন আমার পাশে দাঁড়ানোয় আমি অনেক খুশি।”

এদিকে স্থানীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিরা জেলা প্রশাসনের এ মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, এমন উদ্যোগ শিল্পীদের অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং গ্রামীণ সংস্কৃতি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ফরিদপুরে তীব্র ঝড় থেকে বাঁচতে তাবুর নিচে আশ্রয়, শেষ রক্ষা হলো না শ্রমিক নেতার

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৩:২৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে তীব্র ঝড় থেকে বাঁচতে তাবুর নিচে আশ্রয়, শেষ রক্ষা হলো না শ্রমিক নেতার

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় তীব্র ঝড় থেকে বাঁচতে একটি তাবুর নিচে আশ্রয় নিতে গিয়ে গাছচাপায় জিয়াউর রহমান বাঘা (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি শরিয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার পূর্ব মহিষা গ্রামের আমির হোসেন বাঘার ছেলে।

বুধবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা সদর ইউনিয়নের বাইশরশি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জিয়াউর রহমান বাঘা জাকের পার্টির সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বলে জানা গেছে।

নিহতের সঙ্গে থাকা হাজী মো. মনির হোসেন জানান, সকালে তারা দুজন একসঙ্গে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ ঝড় ও বৃষ্টির তীব্রতা বেড়ে গেলে সড়কের পাশে একটি অস্থায়ী তাবুর নিচে আশ্রয় নেন। একপর্যায়ে প্রবল বাতাসে পাশের একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ ভেঙে তাবুর ওপর পড়ে। এতে জিয়াউর রহমান গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় পথচারীদের সহায়তায় দ্রুত তাকে বিশ্ব জাকের মঞ্জিল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ্ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ফরিদপুরের ১০ গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে ঈদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ণ
সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ফরিদপুরের ১০ গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে ঈদ

সারা দেশে বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হলেও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে বুধবার (২৭ মে) ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেছেন ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ১০ গ্রামের আংশিক ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতির ধারাবাহিকতায় জেলার বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষ একদিন আগে রোজা ও দুই ঈদ পালন করে আসছেন। এ উপলক্ষে বুধবার সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে পর্যায়ক্রমে সহস্রাইল দায়রা শরীফ, রাখালতলি ও মাইটকুমরা মসজিদে চারটি জামায়াতে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাটাগড়, সহস্রাইল, দরিসহস্রাইল, মাইটকুমরা, রাখালতলি, গঙ্গানন্দপুরসহ অন্তত ১০ গ্রামের কিছু মানুষ চট্টগ্রামের মির্জাখিল শরীফের অনুসারী হিসেবে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করেন। প্রতিবছরের মতো এবারও এসব এলাকায় ঈদের প্রস্তুতি সম্পন্ন শেষে ঈদ উদযাপন করছেন।

সহস্রাইল দায়রা শরীফে নামাজ শেষে মুসল্লিদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করেন মসজিদ কমিটি। সেখানে জামায়াতে ইমামতি করেন ধলেরচর দরবার শরীফের পীর সাহেব মুফতি মোহাম্মদ রাকিবুল হাসান।

আলফাডাঙ্গা সরকারি ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও বোয়ালমারীর কাঁটাগড় গ্রামের বাসিন্দা মো. মাহিদুল হক বলেন, “চট্টগ্রামের মির্জাখিল শরীফ ও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বোয়ালমারীর শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একদিন আগে রোজা ও দুই ঈদ পালন করে আসছেন। এবারও চারটি জামায়াতে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।”

তিনি আরো বলেন, বোয়ালমারীর পাশাপাশি আলফাডাঙ্গা উপজেলার ধলেরচর গ্রামের কিছু মানুষও এ জামায়াতে অংশ নেন।

আলফাডাঙ্গা উপজেলার ধলেরচর গ্রামের বাসিন্দা আবু বক্কার জানান, আগে ধলেরচর মাদ্রাসা ঈদগাহ মাঠে আলাদা জামায়াত হতো। কিন্তু ইমাম অধ্যক্ষ আব্দুর রহমানের মৃত্যুর পর সেখানে আর জামায়াত হচ্ছে না। এখন ধলেরচরের কয়েকজন মুসল্লি সহস্রাইল দায়রা শরীফে গিয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

স্থানীয়রা জানান, এ অঞ্চলে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের প্রথা বহু বছরের পুরোনো। সংখ্যায় কম হলেও নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসরণ করেই তারা প্রতি বছর আলাদা দিনে ঈদ পালন করে থাকেন।