খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৩০ মে) বিকেলে ফরিদপুর জেলা ও মহানগর বিএনপির যৌথ উদ্যোগে শহরের কাঠপট্টি দলীয় কার্যালয়ে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোদাররেস আলী ঈছা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ.কে.এম কিবরিয়া স্বপন, মহানগর বিএনপির ‌ আহ্বায়ক এ এফ এম কাইয়ুম জঙ্গি, ‌সদস্য সচিব গোলাম মোস্তফা মিরাজ, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এমটি আখতার টুটুল, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আজম খানসহ জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, দেশের উন্নয়ন ও জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশ গঠনে দেশের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে জনগণের শ্রমকে সম্পদে পরিণত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

এ সময় বক্তারা বিএনপির ‌চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

মুসলিম পুরুষদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কার্যকর ১০ উপায়

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:০৪ পূর্বাহ্ণ
মুসলিম পুরুষদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কার্যকর ১০ উপায়

একজন মুসলিম পুরুষের আধ্যাত্মিক ও পার্থিব উভয় জীবনের উন্নতির জন্য আত্মবিশ্বাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আধ্যাত্মিক স্তরে নিজের ঈমানের প্রতি আত্মবিশ্বাস আল্লাহর সাথে একটি মজবুত সম্পর্ক তৈরি করে, যা জীবনের কঠিন পরীক্ষায় ধৈর্য ও তাওয়াক্কুলের শক্তি যোগায়।

অন্যদিকে, দৈনন্দিন জীবনে এটি একজন পুরুষকে পরিবার ও সমাজের জন্য ইতিবাচক রোল মডেল হতে এবং ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়াতে সাহায্য করে। তবে মনে রাখতে হবে, আত্মবিশ্বাস মানে অহংকার নয়; এটি যখন নম্রতার সাথে মিশে থাকে, তখনই তা ব্যক্তিগত উন্নয়নও নেতৃত্বের শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে ওঠে।

নিচে মুসলিম পুরুষদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর ১০টি কার্যকর উপায় তুলে ধরা হলো:

১. তাওয়াক্কুল বা আল্লাহর ওপর ভরসা: ইসলামি আত্মবিশ্বাসের মূলে রয়েছে তাওয়াক্কুল। এর অর্থ হলো, নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টাটুকু করার পর ফলাফলের জন্য আল্লাহর ওপর নির্ভর করা। এই বিশ্বাস মানুষকে যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতেও শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী রাখে। যার তাওয়াক্কুল নেই, সে সামান্য ব্যর্থতাতেই ভেঙে পড়ে, কিন্তু যার তাওয়াক্কুল আছে, সে জানে যে আল্লাহর পরিকল্পনা তার জন্য আরও উত্তম।

২. নিজের সবল ও দুর্বল দিকগুলো মূল্যায়ন করা: আত্মসচেতনতা আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মৌলিক ভূমিকা পালন করে। নিজের প্রতিভা, মূল্যবোধ এবং দুর্বলতাগুলো বুঝতে পারলে একজন মুসলিম পুরুষ ইসলামি আদর্শের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নিজের জীবন গুছিয়ে নিতে পারেন। নিয়মিত আত্ম-পর্যালোচনার মাধ্যমে জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে (যেমন বিয়ে বা ক্যারিয়ার) প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা সম্ভব।

৩. শারীরিক ও মানসিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা: একজন পুরুষকে তার সামর্থ্য অনুযায়ী শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকার চেষ্টা করতে হবে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘একজন শক্তিশালী মুমিন আল্লাহর কাছে দুর্বল মুমিনের চেয়ে অধিক প্রিয়’। শারীরিক সুস্থতা যেমন আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, তেমনি কোনো মানসিক সমস্যা বা ট্রমা থাকলে পেশাদার সাহায্য নেওয়াও বুদ্ধিমত্তার পরিচয়, যা ব্যক্তিকে তার পূর্ণ সম্ভাবনা অর্জনে সাহায্য করে।

৪. ইসলামি জ্ঞান অর্জন: ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য বাধ্যতামূলক। কোরআন, হাদিস এবং ইসলামের সমৃদ্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্য সম্পর্কে জ্ঞান একজন পুরুষকে জীবনের উদ্দেশ্য বুঝতে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে আত্মবিশ্বাস জোগায়।

৫. পরিপাটি সাজসজ্জা ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা: শারীরিক পরিচ্ছন্নতা ও পরিপাটি পোশাক মানুষের আত্মবিশ্বাসকে তাৎক্ষণিকভাবে বাড়িয়ে দেয়। নিয়মিত চুল ছাঁটা, মেসওয়াক করা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা সুন্নাহসম্মত। দামী ব্র্যান্ডের কাপড় নয়, বরং পরিষ্কার, ইস্ত্রি করা এবং মার্জিত পোশাক পরিধান করাই আত্মবিশ্বাসী হওয়ার জন্য যথেষ্ট।

৬. ভয়ের মোকাবিলা করা: ভয় কাটিয়ে ওঠার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস সুদৃঢ় হয়। ইসলাম আমাদের প্রতিকূলতার মুখে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে এগিয়ে যেতে শেখায়। প্রতিটি বাধা অতিক্রম করার অভিজ্ঞতা একজন মুমিনকে আরও সাহসী ও আত্মপ্রত্যয়ী করে তোলে।

৭. ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়া: ইসলামে ব্যর্থতাকে পরাজয় হিসেবে নয়, বরং আধ্যাত্মিক ও ব্যক্তিগত উন্নয়নের সুযোগ হিসেবে দেখা হয়। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়ে ঘুরে দাঁড়ানোই সফলতার সিঁড়ি। এটি ব্যর্থতাকে সাময়িক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখতে শেখায়।

৮. অর্জনগুলোকে উদযাপন করা: অহংকার না করে আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত হিসেবে নিজের সাফল্যগুলোকে ইতিবাচকভাবে দেখা উচিত। নিজের ভালো কাজ বা অর্জনগুলোকে স্বীকার করা মানসিকভাবে শক্তিশালী হতে সাহায্য করে।

৯. প্রয়োজনীয় জীবন-দক্ষতা অর্জন: কিছু বিশেষ দক্ষতা একজন পুরুষের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, জনসমক্ষে কথা বলা, ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনা, নেতৃত্ব, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা এবং আত্মরক্ষা।

১০. নৈতিক চরিত্রের (আখলাক) উন্নয়ন: সুন্দর চারিত্রিক গুণাবলী আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। সততা, ধৈর্য, কৃতজ্ঞতা, বিনয় এবং অন্যের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশের মাধ্যমে একজন মানুষ সমাজে শ্রদ্ধার পাত্র হয়ে ওঠেন, যা তার নিজের ওপর আস্থা আরও বাড়িয়ে দেয়।

শেষকথা

আত্মবিশ্বাস কোনো জাদুর মতো রাতারাতি চলে আসে না; এটি নিয়মিত অনুশীলনের বিষয়। আল্লাহর ওপর বিশ্বাস রেখে এবং নিজের উন্নতির জন্য ক্রমাগত চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমেই একজন মুসলিম পুরুষ প্রকৃত আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে পারেন।

দ্য মুসলিম ভাইব অবলম্বনে

যে ৫ অভ্যাস নীরবে হাড় দুর্বল করে?

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪২ পূর্বাহ্ণ
যে ৫ অভ্যাস নীরবে হাড় দুর্বল করে?

হাড়ের দুর্বলতা বা ভঙ্গুরতা যেকোনো বয়সেই দেখা দিতে পারে। এর পেছনে ভিটামিন বা মিনারেলের অভাব কিংবা আমাদের জীবনযাত্রার ধরণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে হাড়ের আয়তন ও ঘনত্ব কমতে থাকে, যা বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে একটি অতি সাধারণ সমস্যা।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি ২ জন নারীর মধ্যে ১ জন এবং প্রতি ৪ জন পুরুষের মধ্যে ১ জন এই সমস্যায় আক্রান্ত হন। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের কিছু সাধারণ অভ্যাস হাড়কে ভেতর থেকে দুর্বল করে দিচ্ছে। নিচে এমন ৫টি অভ্যাস ও তার প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করা হলো:

১. খাবারে লবণের অতিরিক্ত ব্যবহার

খাবারে অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার অভ্যাস হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। শরীরে লবণের পরিমাণ বেড়ে গেলে তা ক্যালসিয়ামের মাত্রা কমিয়ে দেয়, যার ফলে হাড় ধীরে ধীরে ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। হাড়কে মজবুত রাখতে খাবারে লবণের ব্যবহার সীমিত করা জরুরি।

২. দীর্ঘ সময় বসে থাকা

৪০ বছর বয়সের পর হাড়ের ঘনত্ব প্রাকৃতিক নিয়মেই কমতে শুরু করে। বর্তমানে আমাদের কর্মঘণ্টার বেশিভাগ সময় বসে কাটে। শারীরিক সক্রিয়তা কম হওয়ায় হাড়ের গঠনগত শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হাড়কে দীর্ঘকাল সুস্থ রাখতে নিয়মিত হাঁটাচলা, জগিং কিংবা ওজন তোলার মতো ব্যায়াম করা উচিত, যা হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

৩. সূর্যের আলো এড়িয়ে চলা

সূর্যের আলো শরীরে ভিটামিন ডি তৈরিতে প্রধান ভূমিকা রাখে, যা হাড়ের জন্য অন্যতম অপরিহার্য উপাদান। ভিটামিন ডি ছাড়া শরীর ক্যালসিয়াম শোষণ করতে পারে না। ফলে শরীরে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম থাকলেও ভিটামিন ডি-এর অভাবে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক কমপক্ষে ২৫ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন ডি প্রয়োজন, যা সূর্যের আলো ছাড়াও মাছ, দুধ, ডিম এবং গরুর কলিজা থেকে পাওয়া সম্ভব।

৪. মিষ্টি পানীয় বা সফট ড্রিংকস

অতিরিক্ত মিষ্টি পানীয় বা সফট ড্রিংকস পানের অভ্যাস হাড়ের ব্যাপক ক্ষতি করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এই ধরনের পানীয় হাড়ের ঘনত্ব কমিয়ে সেগুলোকে দুর্বল করে দেয়।

৫. অতিরিক্ত চা বা কফি পান

যদি আপনি চা বা কফির প্রতি আসক্ত হন, তবে সাবধান! গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, অত্যধিক পরিমাণে ক্যাফেইন গ্রহণ করলে তা হাড়ের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

বোনাস টিপস

ধূমপান ত্যাগ করুন। কারণ, এটি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতো হাড়ের ওপরও বিরূপ প্রভাব ফেলে। যারা নিয়মিত ধূমপান করেন, তাদের হাড় ভাঙার ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে এবং কোনো কারণে হাড় ভেঙে গেলে তা জোড়া লাগতেও দীর্ঘ সময় লাগে। সুস্থ ও সবল হাড় পেতে আজই এই ক্ষতিকর অভ্যাসগুলো ত্যাগ করে একটি সক্রিয় জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত হোন।

তথ্যসূত্র: জিও নিউজ

‘মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার বিকল্প নেই, প্রতিটি ইউনিয়নে হবে খেলার মাঠ’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ণ
‘মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার বিকল্প নেই, প্রতিটি ইউনিয়নে হবে খেলার মাঠ’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

“মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। একটি সুস্থ, সচেতন ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে যুবসমাজকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখতে হবে।”— এমন মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের সরকার দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশনা দিয়েছেন। যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রেখে খেলাধুলার মাধ্যমে গড়ে তোলার এমন উদ্যোগ অতীতে কোনো সরকার নেয়নি।”

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা পরিষদের হলরুমে নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নগরকান্দা উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) যৌথভাবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপির অর্থায়নে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা আফরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শামা ওবায়েদ ইসলাম আরও বলেন, “নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। সেলাই মেশিন বিতরণের মাধ্যমে অনেক নারী স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাবেন। পর্যায়ক্রমে এ ধরনের কর্মসূচি আরও সম্প্রসারণ করা হবে।”

তিনি বলেন, “একদিকে নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। এ দুটি উদ্যোগই একটি সুস্থ, দক্ষ ও উৎপাদনশীল সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজীসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।