খুঁজুন
, ,

অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়ার প্রধান ৪ কারণ, এক পলকে দেখে নিন

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:৩৭ পূর্বাহ্ণ
অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়ার প্রধান ৪ কারণ, এক পলকে দেখে নিন

বয়সের সাথে সাথে চুল পাকা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। বয়স বাড়ার সাথে সাথে চুলের গোড়ায় থাকা ‘মেলানিন’ নামক রঞ্জক উৎপাদনকারী কোষগুলোর কার্যকারিতা কমে যায়, ফলে চুল সাদা হতে শুরু করে। তবে বর্তমানে অনেককেই দেখা যাচ্ছে যাদের বেশ কম বয়সেই চুল পেকে যাচ্ছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘প্রি-ম্যাচুর গ্রেয়িং’ বা অকালপক্কতা বলা হয়।

হঠাৎ কেন অসময়ে আপনার চুল পেকে যাচ্ছে? বিশেষজ্ঞরা এর পেছনে প্রধান ৪টি কারণ চিহ্নিত করেছেন:

১. মানসিক চাপ বা স্ট্রেস

আধুনিক জীবনে মানসিক চাপ বা স্ট্রেস থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন। তবে এই দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ আপনার চুলের রঙের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, অতিরিক্ত মানসিক চাপের কারণে চুলের অকালপক্কতা হতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেসের ফলে অনিদ্রা, উদ্বেগ এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যা তৈরি হয়, যা পরোক্ষভাবে চুলের ক্ষতি করে। তবে আশার কথা হলো, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে অনেক সময় চুলের স্বাভাবিক রঙ কিছুটা হলেও ফিরে আসার সম্ভাবনা থাকে।

২. অটো-ইমিউন রোগ

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা যখন ভুলবশত সুস্থ কোষগুলোকে আক্রমণ করে, তখন তাকে অটো-ইমিউন রোগ বলা হয়। এক্ষেত্রে অনেক সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধকারী কোষগুলো চুলের মেলানিন উৎপাদনকারী কোষগুলোকে আক্রমণ করে বসে। এর ফলে চুলের রঞ্জক নষ্ট হয়ে যায় এবং চুল দ্রুত সাদা হতে শুরু করে।

৩. ভিটামিন বি-১২ এর অভাব

শরীরের শক্তি এবং রক্তের লোহিত কণিকার সুস্থতার জন্য ভিটামিন বি-১২ অপরিহার্য। এই ভিটামিনটি চুলের বৃদ্ধি এবং এর স্বাভাবিক রঙ বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রক্তে লোহিত কণিকার কাজ হলো চুলের গোড়াসহ শরীরের সব অংশে অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়া। শরীরে ভিটামিন বি-১২ এর অভাব দেখা দিলে চুলের কোষগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে এবং অসময়ে চুল পেকে যায়।

৪. ধূমপান

ধূমপানের সাথে অকালপক্কতার একটি সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে ৩০ বছর বয়সের আগেই চুল পেকে যাওয়ার ঝুঁকি অধূমপায়ীদের তুলনায় অনেক বেশি। ধূমপানের ফলে রক্তনালীগুলো সংকুচিত হয়ে যায়, যার ফলে চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয় এবং চুল ঝরে পড়ার হার বেড়ে যায়। এছাড়া তামাকের বিষাক্ত উপাদানগুলো চুলের গোড়াতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, যা দ্রুত চুল পাকার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তথ্যসূত্র: জিও নিউজ

ভাঙ্গায় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিতে প্রাণ গেল যুবকের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
ভাঙ্গায় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে গুলিতে প্রাণ গেল যুবকের

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় একটি স্কুলে যাতায়াতকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে সুমন শেখ (২৩) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার পূর্ব হাসামদিয়া ও কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নিহত সুমন শেখ কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের মিলন শেখের ছেলে। তিনি একটি রেস্টুরেন্টে কর্মরত ছিলেন। রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যুর বিষয়টি ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে নিশ্চিত করেন নিহতের বড় ভাই জিহাদ শেখ।

স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একটি স্কুলে যাতায়াতের পথ নিয়ে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে সুমনকে লক্ষ্য করে শর্টগান থেকে গুলি ছোড়া হলে একটি গুলি তার গলায় বিদ্ধ হয়।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যাতে নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, “দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। নিহতের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ফরিদপুরের ২২ সাংস্কৃতিক সংগঠনকে ১২ লক্ষাধিক টাকার অনুদান দিল সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের ২২ সাংস্কৃতিক সংগঠনকে ১২ লক্ষাধিক টাকার অনুদান দিল সরকার

ফরিদপুরের বিভিন্ন সংস্কৃতি সংগঠন, শিল্পী ও সংস্কৃতি সেবীদের আর্থিক অনুদান দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের এই অনুদানের পাশাপাশি সরকারি চাকরিরত অবস্থায় নিহত পরিবারের সদস্যদেরকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়েছে।

ফরিদপুরের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ২২ টি সংগঠনকে দুটি ক্যাটাগরিতে ১২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা অনুদানের চেক তুলে দেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাজহারুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় মিলনায়তনে এক সভায় অনুদানের চেকগুলে তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম বলেন, আজ শিল্প ও সংস্কৃতিতে পুরো সমাজ অনেক পিছিয়ে পড়ছে। যে সমাজে সাহিত্য সংস্কৃতির চর্চা নেই সে সমাজ মৃতসমাজ। আর এর মূল কারণ আমাদের ভোগ বিলাসিতার দিকে অধিক মনোযোগ দেয়া। আমাদের সন্তানদেরকে এখান থেকে ফেরাতে হবে। বেশি বেশি সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চা করতে হবে, তাহলে একটি মননশীল নৈতিকতা সম্পন্ন, উন্নত সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে উঠবে। সেই সমাজে কিশোর গ্যাং থাকবে না, মাদকাসক্তি ও যৌন হয়রানি থেকে সে সমাজ আমাদের রক্ষা করবে।

জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সোহরাব হোসেন, জেলা কালচারাল অফিসার সুজিত কুমার সাহা, ফরিদপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক হাসানউজ্জামান, শিশু সংগঠন ফুলকি’র সভাপতি অঞ্জলি বালা, বাউল শিল্পী আজমল হোসেন, খেয়ালী নাট্য সম্প্রদায়ের আলম খান, ফরিদপুর টাউন থিয়েটারের পলাশ খান, বাংলা থিয়েটারের আনিসুর রহমান, ফরিদপুর আবৃত্তি সংসদের জাহিদুল ইসলাম সহ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক এবং শিল্পাঙ্গনে নেতৃবৃন্দ।

ফরিদপুরে এসডিসি-স্মার্ট প্রকল্পের স্টেকহোল্ডার লিঙ্কেজ কর্মশালা, নিরাপদ সবজি উৎপাদন-বাজারসংযোগে গুরুত্ব

সোহাগ জামান, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৬:৪১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে এসডিসি-স্মার্ট প্রকল্পের স্টেকহোল্ডার লিঙ্কেজ কর্মশালা, নিরাপদ সবজি উৎপাদন-বাজারসংযোগে গুরুত্ব

নিরাপদ সবজি উৎপাদন, পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তির প্রসার এবং প্রান্তিক কৃষকদের সঙ্গে বাজারের কার্যকর সংযোগ তৈরির লক্ষ্যে ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে স্টেকহোল্ডার লিঙ্কেজ কর্মশালা। কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, কৃষি বিশেষজ্ঞ, উদ্যোক্তা, আড়তদার ও সবজি চাষীরা অংশ নিয়ে টেকসই কৃষি ও বাজারব্যবস্থার উন্নয়নে নানা সুপারিশ তুলে ধরেন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে ফরিদপুর শহরের আলীপুরের আলাউদ্দীন খান সড়কে অবস্থিত এসডিসি টাওয়ারের হলরুমে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর অর্থায়নে এবং সোসাইটি ডেভেলপমেন্ট কমিটি (এসডিসি) বাস্তবায়িত Sustainable Microenterprise and Resilient Transformation (SMART) প্রকল্পের আওতায় SMART-HVC (Vegetable) Sub-project-এর স্টেকহোল্ডার লিঙ্কেজ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের সিনিয়র জেলা বিপণন কর্মকর্তা মো. সাহাদত হোসেন। সভাপতিত্ব করেন এবং কর্মশালার উদ্বোধন ঘোষণা করেন সোসাইটি ডেভেলপমেন্ট কমিটি (এসডিসি)-এর নির্বাহী পরিচালক কাজী আশরাফুল হাসান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পরিবেশ অধিদপ্তর, ফরিদপুরের উপপরিচালক মো. সাইদ আনোয়ার এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর সহকারী পরিচালক মোছা. আলেয়া খাতুন।

এছাড়াও কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষি ও কৃষি বিপণন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ, পরিবেশ ও মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থার প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, কৃষি উপকরণ সরবরাহকারী, আড়তদার এবং বিপুল সংখ্যক সবজি চাষী অংশ নেন।

কর্মশালার শুরুতে এসডিসি-স্মার্ট প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ আল রাজী মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনার মাধ্যমে প্রকল্পের লক্ষ্য, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা, নিরাপদ সবজি চাষ, মূল্য সংযোজন, বাজার সম্প্রসারণ এবং কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন।

পরে অনুষ্ঠিত উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণকারীরা নিরাপদ সবজি উৎপাদন, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ, ব্র্যান্ডিং এবং বাজারজাতকরণে বিদ্যমান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে মতামত দেন। পাশাপাশি কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিনিয়র জেলা বিপণন কর্মকর্তা মো. সাহাদত হোসেন বলেন, “নিরাপদ সবজি উৎপাদনের পাশাপাশি তা সঠিক মূল্যে ভোক্তার কাছে পৌঁছে দিতে একটি কার্যকর বাজারব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি। এ ধরনের স্টেকহোল্ডার লিঙ্কেজ কর্মশালা উৎপাদক, ব্যবসায়ী ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে কৃষিপণ্যের বাজারকে আরও শক্তিশালী করবে।”

বিশেষ অতিথিরা পরিবেশবান্ধব কৃষি চর্চা, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং বিএসটিআইয়ের মানদণ্ড অনুসরণ করে কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে উৎপাদন থেকে বিপণন পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে মান নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে এসডিসির নির্বাহী পরিচালক কাজী আশরাফুল হাসান বলেন, “টেকসই কৃষি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বাজারের সঙ্গে কার্যকর সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে প্রান্তিক সবজি চাষী ও কৃষি উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলাই স্মার্ট প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। অংশীজনদের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় ভবিষ্যতে কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা কৃষি উৎপাদন, বাজারব্যবস্থা ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। মধ্যাহ্নভোজ ও মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালার সমাপ্তি হয়।