খুঁজুন
, ,

ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন চেনার ৫ উপায়, এক নজরে দেখে নিন

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৫ পূর্বাহ্ণ
ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন চেনার ৫ উপায়, এক নজরে দেখে নিন

চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতা যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে প্রতারণার কৌশলও। বিশেষ করে অনলাইন জব পোর্টাল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং মেসেজিং অ্যাপকে ব্যবহার করে ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন ছড়িয়ে দিচ্ছে প্রতারকচক্র। আকর্ষণীয় বেতন, ঘরে বসে কাজ, অভিজ্ঞতা ছাড়াই মোটা অঙ্কের আয় কিংবা দ্রুত নিয়োগের মতো প্রলোভন দেখিয়ে তারা চাকরিপ্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রভাবশালী ব্যবসাবিষয়ক সাময়িকী ফোর্বস এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের ভিত্তিতে ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন শনাক্ত করার পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় তুলে ধরেছে। চাকরির আবেদন করার আগে এসব বিষয় জানা থাকলে প্রতারণার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

১. অবিশ্বাস্য বেতন, কিন্তু কাজের বর্ণনা অস্পষ্ট

যে কোনো বৈধ চাকরির বিজ্ঞাপনে দায়িত্ব, যোগ্যতা, কাজের ধরন এবং প্রতিষ্ঠানের প্রত্যাশা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে। কিন্তু ভুয়া বিজ্ঞাপনে সাধারণত অস্পষ্ট ভাষা ব্যবহার করা হয়। একই সঙ্গে অল্প কাজ, কম অভিজ্ঞতা এবং অস্বাভাবিক বেশি বেতনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, কোনো চাকরির অফার যদি বাস্তবতার তুলনায় অনেক বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়, তাহলে সেটি যাচাই না করে বিশ্বাস করা উচিত নয়। ‘ঘরে বসে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা আয়’ বা ‘অভিজ্ঞতা ছাড়াই উচ্চ বেতন’ ধরনের দাবি সতর্ক হওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে।

২. প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট বা ঠিকানায় অসংগতি

বর্তমানে অনেক প্রতারক আসল প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে দেখতে প্রায় একই রকম ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করে। অনেক সময় শুধু একটি অক্ষর বা বানানের সামান্য পরিবর্তন থাকে, যা সহজে চোখে পড়ে না।

তাই আবেদন করার আগে প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, ডোমেইন, লিংকডইন পেজ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উপস্থিতি যাচাই করা উচিত। প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা, যোগাযোগের তথ্য এবং নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি একে অপরের সঙ্গে মিলছে কি না, সেটিও দেখা জরুরি।

৩. অস্বাভাবিক যোগাযোগ পদ্ধতি

কোনো সাক্ষাৎকার ছাড়াই শুধু হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম বা ব্যক্তিগত ইমেইলের মাধ্যমে চাকরি নিশ্চিত করার প্রস্তাব এলে সতর্ক হতে হবে।

বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান সাধারণত অফিসিয়াল ইমেইল ব্যবহার করে এবং ফোন, ভিডিও কল বা সরাসরি সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্রার্থী যাচাই করে। পাশাপাশি বিজ্ঞাপনে অতিরিক্ত বানান ভুল, দুর্বল ভাষা বা অপেশাদার উপস্থাপনাও ভুয়া হওয়ার লক্ষণ হতে পারে।

৪. আবেদন ছাড়াই চাকরির অফার

হঠাৎ কোনো দিন একটি মেসেজ বা ইমেইল এলো, যেখানে বলা হলো আপনি একটি চাকরির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। অথচ আপনি সেই প্রতিষ্ঠানে কখনো আবেদনই করেননি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে উত্তেজিত না হয়ে আগে প্রতিষ্ঠানের পরিচয় যাচাই করা উচিত। বর্তমানে অনেক প্রতারক পরিচিত প্রতিষ্ঠানের নাম, এমনকি প্রকৃত রিক্রুটারের পরিচয়ও ব্যবহার করছে বিশ্বাস অর্জনের জন্য। তাই আবেদন না করেও চাকরির অফার পেলে সেটিকে সন্দেহের চোখে দেখা উচিত।

৫. চাকরি দেওয়ার আগে অর্থ বা ব্যাংক তথ্য চাওয়া

এটি সবচেয়ে বড় সতর্কসংকেতগুলোর একটি। প্রতারকরা কখনো প্রশিক্ষণ ফি, কখনো সফটওয়্যার, কখনো ল্যাপটপ বা ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম কিট’ কেনার কথা বলে অর্থ দাবি করে। আবার কেউ কেউ নিয়োগের শুরুতেই ব্যাংক হিসাব, জাতীয় পরিচয়পত্র বা অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য চায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈধ কোনো প্রতিষ্ঠান চাকরি দেওয়ার আগে আবেদনকারীর কাছ থেকে অর্থ নেয় না। একইভাবে নিয়োগের প্রাথমিক ধাপে ব্যাংক হিসাবের তথ্য দেওয়ারও প্রয়োজন পড়ে না। এমন দাবি এলে সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হওয়া উচিত।

প্রতারণা এড়াতে যা করবেন

প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনটি মিলিয়ে দেখুন।

প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে ‘scam’, ‘review’ বা ‘complaint’ লিখে অনলাইনে খুঁজে দেখুন।

কোনো অর্থ বা ফি দেওয়ার আগে একাধিকবার যাচাই করুন।

অফিসিয়াল ইমেইল ছাড়া অন্য মাধ্যমে সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করবেন না।

তাড়াহুড়া করে সিদ্ধান্ত নেবেন না। সন্দেহ হলে অফারটি প্রত্যাখ্যান করুন।

শেষ কথা

চাকরি জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। কিন্তু সেই স্বপ্নকে পুঁজি করে প্রতারকরাও এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সক্রিয়। তাই আকর্ষণীয় বেতন বা দ্রুত নিয়োগের প্রতিশ্রুতির চেয়ে প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা যাচাই করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখবেন, সত্যিকারের নিয়োগদাতা আপনাকে চাকরি দেওয়ার জন্য অর্থ চাইবে না; বরং আপনার যোগ্যতা যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নেবে। সচেতন থাকলে ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপনের ফাঁদ এড়িয়ে নিরাপদে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।

তথ্যসূত্র: ফোর্বস

ফরিদপুরে চীনা যুবকের সঙ্গে কলেজছাত্রীর বিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে চীনা যুবকের সঙ্গে কলেজছাত্রীর বিয়ে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়, সেখান থেকে প্রেম। এরপর পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে। চীনা নাগরিক বলে দাবি করা এক যুবককে বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে আসেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার এক কলেজছাত্রী। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর নবদম্পতিকে একনজর দেখতে তাঁদের বাড়িতে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ। এ নিয়ে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে কৌতূহল ও চাঞ্চল্য। ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের নকুলহাটি গ্রামে।

তবে শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে ওই বাড়িতে গিয়ে নবদম্পতিকে পাওয়া যায়নি। তাঁরা লোকচক্ষুর আড়ালে চলে গেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই যুবকের নাম ওয়াং চাও (২৫)। তিনি চীনের নাগরিক বলে দাবি করা হচ্ছে। বিয়ের পর তাঁর নাম রাখা হয়েছে আরিফ ইসলাম। তাঁর স্ত্রী তাহমিনা আক্তার (২০) ফরিদপুর শহরের সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর বাড়ি সালথার নকুলহাটি গ্রামে।

তাহমিনার পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় দুই বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওয়াং চাওয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রথম দিকে পরিবারের সদস্যরা এ সম্পর্ক মেনে নিতে চাননি। তবে তাহমিনা নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় পরে পরিবার বিয়েতে সম্মতি দেয়। এরপর গত ১৯ অক্টোবর ঢাকায় পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাঁদের বিয়ে হয়।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, বিয়ের আগে হলফনামার মাধ্যমে ধর্ম ও নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন ওই যুবক। পরে মুসলিম রীতি অনুযায়ী তাঁদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বিয়ের পর গত ২৬ অক্টোবর রাতে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি নকুলহাটি গ্রামে আসেন ওয়াং চাও। বিদেশি যুবকের সঙ্গে স্থানীয় কলেজছাত্রীর বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁকে দেখতে বাড়িতে ভিড় জমাতে থাকেন স্থানীয় লোকজন। এ নিয়ে গ্রামজুড়ে কৌতূহল তৈরি হয়। তবে শনিবার বিকেলে তাঁদের আর বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

তাহমিনার পরিবারের সদস্যরা জানান, ওয়াং চাও সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাঁদের জানা নেই। বর্তমানে তাহমিনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরির কাজ চলছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে তাঁরা দুজনই চীনে চলে যাবেন।

এ বিষয়ে আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন বলেন, বিষয়টি আজই লোকমুখে জানতে পেরেছি। আমি ওই বাড়িতে যাচ্ছি। পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।

গণরায় নিয়ে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: জামায়াত আমীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ণ
গণরায় নিয়ে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: জামায়াত আমীর

জামায়াতে ইসলামী ও ১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের ৭ দফা দাবিতে আয়োজিত পথসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “গণরায় নিয়ে সরকার জনগণের সঙ্গে চরম প্রতারণা করেছে। জনগণের সেই রায় ও অধিকার বাস্তবায়নের জন্যই আজ আমরা রাজপথে নেমেছি।”

​তিনি আরও বলেন, “আমরা জনগণের চূড়ান্ত মুক্তির জন্য মাঠে নেমেছি। বর্তমানে সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। আমরা একটি বৈষম্যহীন ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে চাই। এ লড়াই মূলত আমাদের অধিকার ও মুক্তির লড়াই।”

​শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভার সামনে লংমার্চের অংশ হিসেবে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

​এর আগে সকালে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ফটক থেকে সংক্ষিপ্ত উদ্বোধনী সমাবেশের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামী ও ১১-দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ে ঢাকা থেকে খুলনা-কুষ্টিয়া অভিমুখে এই রোডমার্চ কর্মসূচির সূচনা হয়।

​সংক্ষিপ্ত সভা শেষে শতাধিক গাড়ির বহর নিয়ে লংমার্চটি ঢাকা থেকে মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে এবং মাদারীপুর-শরীয়তপুর সীমানা অতিক্রম করে ভাঙ্গায় এসে পৌঁছায়। সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য শেষে গাড়িবহরটি খুলনা বিভাগের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

​লংমার্চের আয়োজকরা জানান, দিনব্যাপী এ কর্মসূচির যাত্রাপথে মাওয়ার নাওডোবা, বাগেরহাটের কাটাখালী, খুলনার বাবরী চত্বর ও স্বাধীনতা চত্বরে ধারাবাহিক পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তীতে লংমার্চের বহরটি যশোরের মুড়লি মোড় এবং ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আয়োজিত পথসভায় মিলিত হবে।

​লংমার্চের শেষ পর্যায়ে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে এক বিশাল সমাপনী মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে এই দূরপাল্লার কর্মসূচি শেষ হবে।

​এদিকে লংমার্চকে কেন্দ্র করে যাত্রাপথে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে।

ফরিদপুরে কৌশিক সাহা জিতু হত্যার বিচারের দাবি

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে কৌশিক সাহা জিতু হত্যার বিচারের দাবি

ফরিদপুর শহরের সিংপাড়া নিবাসী কৌশিক সাহা জিতু হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করে বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ ফরিদপুর জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর শাখা।

​ফরিদপুর পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সহ-সভাপতি তাপস কুমার সাহার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিধান কুমার সাহা, সহ-সভাপতি ননী গোপাল বিশ্বাস ও সুকেশ কুমার সাহা, দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট তুষার কুমার দত্ত, সদর উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি সিতাংশু মিত্র কিংকর, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট চিরঞ্জীব রায়, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিশ্বনাথ সরকার স্বাধীন এবং চন্দ্রা দেবনাথ।

​এ সময় পৌর পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি রাম দত্ত, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের জেলা কমিটির সদস্যসচিব সুব্রত রবিদাসসহ বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

​মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কৌশিক সাহা জিতুর অকাল মৃত্যুতে তাঁর পরিবার অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পুরো ফরিদপুরজুড়ে তীব্র শোক, ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

​বক্তারা অবিলম্বে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং আইনানুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের জন্য জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।