খুঁজুন
, ,

‘বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ৪ কোটি মহিলাদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে’ : বাবুল

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
‘বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ৪ কোটি মহিলাদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে’ : বাবুল

ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল বলেছেন, ‘১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে ২৫ বিঘা জমির খাজনা মওকুফ করেছিল। মেয়েদের বিনা বেতনে শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন। এবার ক্ষমতায় গেলে ৪ কোটি পরিবারের মহিলা অভিভাবকদের ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়া হবে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে ঘরে বসে মা-বোনেরা সেই সুবিধা ভোগ করবেন।’

সোমবার (০৮ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় সদরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের চাররশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মৃধা বাড়ির উঠানে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

শহিদুল ইসলাম বলেন, দেশের প্রয়োজনে, মানুষের প্রয়োজনে বেগম খালেদা জিয়াকে আল্লাহপাক যেন সুস্থতার সঙ্গে নেক হায়াত দান করেন।

কৃষকদলের এ নেতা বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় গেলে নারী অভিভাবকদের ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়া হবে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনে গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে, দেশের মানুষের কল্যাণের স্বার্থে, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে ধানের শীষে ভোট দিন।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কাজী বদরুতজ্জামান বদু, সদস্য সচিব তরিকুল ইসলাম কবির মোল্লা, যুগ্ম-আহ্বায়ক কে এম আবু সাঈদ, যুবদল নেতা মুন্সি ইশারত, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাওয়াদ মোল্যা, ছাত্রদল নেতা তুষার মাহমুদসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

সদরপুর উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় ৩২ জন বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররের সমন্বয়ে দুস্থ-অসহায় প্রায় ১২০০ রোগীকে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়।

ফরিদপুরের সদরপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে নৌকা বাইচ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৭ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরের সদরপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে নৌকা বাইচ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার জরিপের ডাঙ্গী ছোট কোলে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

​নৌকা বাইচ দেখতে জরিপের ডাঙ্গীসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নদী তীরে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে। নদীর দুই পাড়ে দাঁড়িয়ে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ রোমাঞ্চকর এ প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন।

​শাহ আলম শানুর সভাপতিত্বে এবং সাবেক মেম্বার জয়নাল খাঁনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. শহিদুল ইসলাম খাঁন বাবুল।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “জরিপের ডাঙ্গীর জনগণ আমাকে অনেক ভোট দিয়েছেন, সেজন্য আমি আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আগামীতেও আপনারা এরকম নৌকা বাইচের আয়োজন করবেন এবং যেকোনো সহযোগিতায় আমাকে পাশে পাবেন। বিগত ১৭ বছরে যে উন্নয়ন হয়েছে, আমি আগামী ৫ বছরে তা করার চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ।”

​একইসঙ্গে তিনি এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কারের আশ্বাস দেন এবং আয়োজক রিপন বেপারী, সুজন খাঁন, জাবেদ বেপারী, গণঅধিকার পরিষদ ফরিদপুর জেলা নেতা শেখ জাহিদ হাসান ও হাসান (বাপ্পী) সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

​অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদরপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কাজী বদরুত জামান বদু, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক ফজলুর রহমান বাবুল, মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক (তাজুল), চর বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নওশাদ ইসমাইল, মো. রফিকুল ইসলাম, মারুফ মৃধা, সমাজসেবক গোলাম মোস্তফা খাঁন, সদরপুর মহিলা কলেজের প্রভাষক মোয়াজ্জেম হোসেন ও জাহিদ মাস্টারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

​প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এতে ‘আদেল ফাইটার’ দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বিজয়ী দলের মালিক শেখ আদেলের হাতে প্রধান অতিথির পক্ষে পুরস্কার তুলে দেন সদরপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কাজী বদরুত জামান বদু।

​আয়োজক ও স্থানীয়রা জানান, গ্রামবাংলার এই ঐতিহ্যবাহী আয়োজন এলাকার মানুষের মধ্যে আনন্দ, উৎসাহ ও সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিষণ্নতা রোধে ইসলাম যা বলে

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ
বিষণ্নতা রোধে ইসলাম যা বলে

জীবনযাপনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো- ‘মানসিক চাপ।’ মানসিক চাপ একজন মানুষের জীবনের অনেক বড় একটি বাস্তবতা।

মানবজীবনে বিচিত্র ধরনের উত্থান-পতন রয়েছে, রয়েছে অসংলগ্নতা, দুখ-কষ্ট, অপ্রাপ্তি, বেদনা ইত্যাদি।

এসব কিছু মানুষের ভেতরটাকে অস্থির ও বিষণ্ন করে তোলে, অহেতুক বিরক্তির উদ্রেক ঘটায়।

মানসিক চাপ ব্যক্তির ওপর তো বটেই পরিবেশের ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলে।

মানুষ যখন মানসিক চাপের সম্মুখীন হয়- তখন এক ধরনের নেতিবাচকতা তাকে পেয়ে বসে।

নিজের সম্পর্কে বা নিজের দিকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে তাকাতে শুরু করে দেয়। যার ফলে আত্মবিশ্বাস নড়বড়ে হয়ে ওঠে, বিষণ্নতা অবসাদ পেয়ে বসে।

এমন অনাকাঙ্ক্ষিত মানসিক অবস্থার কুপ্রভাব ব্যক্তি আচরণের ওপর প্রভাব ফেলে। ফলে সে অশালীন ও অসংলগ্ন আচরণ করতে শুরু করে, অযথা উত্তেজিত হয়ে যায়।
অতএব মানসিক চাপ কীভাবে প্রতিহত করা যায়, কী করে তা মোকাবিলা করা যায়; তা জানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, ধর্মীয় বোধ ও বিশ্বাস উত্তেজনা মোকাবিলায় মানুষকে হেফাজত করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। আধুনিক চিকিৎসাবিদরা মানসিক কষ্ট বা মর্মযাতনা দূর করার জন্য ধর্মীয় মূল্যবোধগুলোকে ব্যক্তি মনে দৃঢ়ভাবে স্থাপনের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব লোক নিয়মিতভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদিতে যোগ দেয় সেসব লোকের সুস্থতার পরিমাণ যারা নিয়মিতভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদিতে যোগ দেয় না তাদের তুলনায় অনেক বেশি।

এই গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত থেকে প্রমাণ হয় যে, শারীরিক সুস্থতার সঙ্গে আধ্যাত্মিকতার শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে। আর ধর্মীয় বিশ্বাস ও আচরণগুলোই প্রকৃত সুস্থতার কার্যকরী উপাদান।

পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন জায়গায় এ বিষয়ে আলোচনা রয়েছে। ওই সব আলোচনার সারমর্ম হলো- যাদের অন্তর ইমানের নূরে আলোকিত, তারা সমগ্র পৃথিবীতে সুন্দর, কল্যাণ আর ভালো ছাড়া অন্য কিছুই চোখে দেখেন না। তারা বিশ্বব্যবস্থাকে সবোর্ত্তম ব্যবস্থা বলে মনে করেন। তারা মহাপ্রজ্ঞাবান সেই স্রষ্টা ও প্রতিপালক খোদার প্রার্থনা করেন যিনি এই বিশ্ব সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নিয়ে সৃষ্টি করেছেন এবং যিনি সুন্দর ও কল্যাণ ছাড়া তার সৃষ্টিকুলের জন্য অন্য কোনো কিছুই পছন্দ করেন না। এক্ষেত্রে যদি কোনো কিছুতে ঘাটতি থাকে কিংবা জটিলতা থাকে তাহলে সেসব অসংগতি সহনীয় এবং সমাধানের পর্যায়ে পড়ে।

সূরা বাকারার ১৫৬ নম্বর আয়াতে এ সম্পর্কে ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা আল্লাহর ওপর বিশ্বাসী তারা যেকোনো বিপদ আপদের সময় এই সত্য ও বাস্তবতার প্রতি মনোযোগ আকৃষ্ট করে বলে যে, আমরা আল্লাহর জন্য এবং আল্লাহর দিকেই আমাদের ফিরে যেতে হবে।’

বলা হয়, ভয় মানসিক চাপের অন্যতম কারণ। আর ভয় কাটিয়ে ওঠার জন্য যত রকম উপায়ের কথা বলা হয়েছে, সেসবের মধ্যে ধর্মীয় বিশ্বাস সবচেয়ে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। ভয়ের উৎপত্তি যেখান থেকে ধর্মীয় বিশ্বাস সেই উৎপত্তিস্থলটাকেই ধ্বংস করে দেয়।

ইসলামি স্কলারদের অভিমত হলো, যেসব মানুষ ইসলামি শিক্ষার ছায়াতলে লালিত পালিত হয়, পবিত্র কোরআনের দৃষ্টিতে তারা মানসিক চাপ থেকে নিরাপদ। কারণ, শক্তির মূল যে উৎস তার সঙ্গে যে মানুষের সম্পর্ক সৃষ্টি হয় পৃথিবীর অন্য কোনো শক্তি তাকে আর প্রভাবিত করতে পারে না। সুতরাং আল্লাহর সঙ্গে মানে শক্তির উৎসের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনকারী মানুষ আর কোনো কিছুকেই ভয় করে না।

পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘যে এক আল্লাহ ও আখেরাতের ওপর ঈমান আনবে এবং সৎকাজ করবে নিঃসন্দেহে তার কোনো ভয় বা মর্ম বেদনার কারণ নেই।’

মনে রাখবেন, আপনি একজন বিশেষ মানুষ এবং নিজের সঙ্গে ভালো আচরণ করার যোগ্যতা রাখেন। ধর্মীয় শিক্ষাও তাই। তাই বিপদ-আপদে আল্লাহর স্মরণ, ধৈর্যধারণ, খোদাভীতি বা তাকওয়াবান হওয়া, বিপদাপদে ভেঙে না পড়ে সুস্থির থাকা, বিষণ্নতা পরিহারে জন্য সৎকাজ করা এবং অপরের কল্যাণ ও সেবায় এগিয়ে যাওয়া ইসলামের শিক্ষা। কোনো মানুষ এসব অভ্যন্তরীণ বিশ্বাস দিয়ে মানসিক চাপ ও আঘাতকে সুন্দরভাবে রোধ করে দুরন্ত ঝড়ের মুখেও স্থির থাকতে পারেন।

আল্লাহতায়ালার সঙ্গে সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর উপায় হচ্ছে- দোয়া এবং নামাজ। এগুলো মানসিক অস্থিরতাকে কমিয়ে দেয়। সেইসঙ্গে ব্যক্তি মনে দৃঢ় আশার সঞ্চার করে। কারণ কোরআনে কারিমে বলা হয়েছে, ‘একমাত্র আল্লাহর জিকির বা স্মরণের মাধ্যমেই অন্তরগুলো প্রশান্তি পায়।

ফরিদপুরে নদীভাঙনের গুজবে সড়ক থেকে তোলা ইট ফেরত দিল অভিযুক্তরা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে নদীভাঙনের গুজবে সড়ক থেকে তোলা ইট ফেরত দিল অভিযুক্তরা

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় নদীভাঙনের অজুহাত দিয়ে রাতের আঁধারে গ্রামীণ সড়কের তুলে নেওয়া ইট শেষ পর্যন্ত ফেরত দিতে বাধ্য হয়েছে অভিযুক্তরা। বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ ও উপজেলা প্রশাসনের কঠোর বার্তার পর তুলে নেওয়া ইট স্বস্থানে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

​রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অভিযুক্ত জামায়াত সমর্থক গোলাম কুদ্দুসের ভাতিজা মাসুদ মোল্যাসহ সংশ্লিষ্টরা ওই সড়কে গিয়ে ইটগুলো পুনরায় বসানোর জন্য ফেরত দিয়ে যান।

​বিষয়টি নিশ্চিত করে বুড়াইচ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব পান্নু মিয়া বলেন, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের কঠোর নির্দেশে অভিযুক্তরা তুলে নিয়ে যাওয়া ইটগুলো ফেরত দিয়ে গেছে।

​এর আগে গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে বুড়াইচ ইউনিয়নের চর খোলাবাড়িয়া গ্রামের আলহেরা দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন সড়কের প্রায় ৩০০ মিটার অংশের ইট নদীভাঙনের অজুহাতে তুলে নেওয়া হয়। এতে রাস্তাটিতে খানাখন্দ ও কাদামাটির সৃষ্টি হয়ে চর খোলাবাড়িয়া ও দিগনগর গ্রামের কয়েকশ মানুষের চলাচলা বন্ধ হয়ে পড়ে।

​পরদিন শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। ওই দিনই আলফাডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রতন কুমার মন্ডল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকেই তুলে নেওয়া ইট উদ্ধারের সত্যতা মেলে। এসময় পুলিশের পক্ষ থেকে তিন দিনের মধ্যে ইটগুলো আগের জায়গায় ফিরিয়ে দেওয়ার আলটিমেটাম দেওয়া হয়।

​একই দিন ঘটনার প্রতিকার ও বিচার চেয়ে ভুক্তভোগীদের পক্ষে বাবুল শেখ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

​প্রশাসনের এমন শক্ত অবস্থান ও গণমাধ্যমের তৎপরতায় শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের আগেই তুলে নেওয়া ইট স্বস্থানে ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হন অভিযুক্তরা।