খুঁজুন
শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২ বৈশাখ, ১৪৩৩

শীতকালীন অ্যালার্জি থেকে যেভাবে রক্ষা পাবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ
শীতকালীন অ্যালার্জি থেকে যেভাবে রক্ষা পাবেন

এই শীতে কি আগের চেয়ে বেশি অ্যালার্জির সমস্যা হচ্ছে? শীতকালীন অ্যালার্জির লক্ষণ আসলে সাধারণ মৌসুমি অ্যালার্জির মতোই। তবে শীতের ঠান্ডা ও রুক্ষ আবহাওয়ার কারণে আমরা বেশি সময় ঘরের ভেতরে থাকি। এতে ঘরের ভেতরের অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী জিনিসের (indoor allergens) সংস্পর্শে বেশি আসতে হয়।

শীতে অ্যালার্জি বাড়ানোর কিছু সাধারণ কারণ

– বাতাসে ভাসমান ধুলার কণা

– ডাস্ট মাইট (অতি ছোট পোকা)

– পোষা প্রাণীর লোম ও ত্বকের খোসা

– ছত্রাক বা ফাঙ্গাস (mold)

– তেলাপোকার মল

অ্যালার্জির উপসর্গ কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো আগেই সতর্কতা নেওয়া। তবে লক্ষণ অনেক বেড়ে গেলেও উপশম পাওয়ার উপায় আছে।

চলুন আজ জেনে নিই ঘরের কোন কোন জিনিস অ্যালার্জির কারণ হতে পারে, কী কী লক্ষণ দেখা দেয়, কীভাবে চিকিৎসা ও প্রতিরোধ করা যায়, এবং শীতকালীন অ্যালার্জি আর সর্দি-কাশির পার্থক্য কী।

ঘরের ভেতরের অ্যালার্জির কারণ

শীতকালে আবহাওয়া স্যাঁতসেঁতে থাকে এবং আমরা বেশি সময় ঘরের ভেতর থাকি। এতে কিছু নির্দিষ্ট অ্যালার্জির কারণ বেশি সক্রিয় হয়।

অ্যালার্জির লক্ষণ

শীতকালীন অ্যালার্জির সাধারণ লক্ষণগুলো হলো :

– হাঁচি

– নাক বন্ধ বা নাক দিয়ে পানি পড়া

– চোখ চুলকানো

– গলা ও কান চুলকানো

– নাক বন্ধ থাকায় শ্বাস নিতে কষ্ট

– শুকনো কাশি (কখনো কফসহ)

– ত্বকে র‍্যাশ

– শরীর খারাপ লাগা

– হালকা জ্বর

তীব্র অ্যালার্জি হলে (বিশেষ করে হাঁপানি থাকলে) দেখা দিতে পারে :

– বুক চেপে ধরা

– শ্বাস নেওয়ার সময় শোঁ শোঁ শব্দ

– দ্রুত শ্বাস নেওয়া

– খুব ক্লান্ত লাগা

– অস্থির বা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত লাগা

অ্যালার্জি আর সর্দির পার্থক্য

সর্দি হয় ভাইরাসের কারণে, যা অন্য মানুষের কাছ থেকে ছড়ায়। অ্যালার্জি হয় শরীরের প্রতিক্রিয়ার কারণে, যখন কোনো অ্যালার্জির উপাদানের সংস্পর্শে আসা হয়।

সর্দি সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যে সেরে যায়। অ্যালার্জি যতদিন অ্যালার্জির কারণের সংস্পর্শে থাকবেন, ততদিন চলতে পারে।

সংক্ষেপে পার্থক্য

সর্দি : কয়েক দিন থেকে ২ সপ্তাহ থাকে

অ্যালার্জি : কয়েক দিন থেকে মাসের পর মাসও থাকতে পারে

সর্দিতে : শরীর ব্যথা ও জ্বর হয়

অ্যালার্জিতে : সাধারণত জ্বর ও শরীর ব্যথা হয় না

সর্দিতে : চোখ চুলকায় না

অ্যালার্জিতে : চোখ চুলকায় ও পানি পড়ে

চিকিৎসা

অ্যালার্জির বেশিরভাগ উপসর্গ ঘরেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

ওষুধ : সিটিরিজিন (Zyrtec), ফেক্সোফেনাডিন (Allegra) মতো অ্যান্টিহিস্টামিন নিয়মিত খেলে উপকার পাওয়া যায়। মাথাব্যথা থাকলে Tylenol জাতীয় ওষুধ কাজে আসে।

নেটি পট বা নাক ধোয়া : পরিষ্কার পানিতে নাক ধুলে ভেতরের অ্যালার্জির উপাদান বের হয়ে যায়।

নাসাল স্প্রে: Flonase বা Nasacort-এর মতো স্প্রে নাকের প্রদাহ কমায়।

অ্যালার্জি শট (ইমিউনোথেরাপি) : দীর্ঘদিনের তীব্র অ্যালার্জি হলে ডাক্তার পরামর্শ দিতে পারেন। এতে ধীরে ধীরে শরীর অ্যালার্জির সঙ্গে মানিয়ে নেয়।

প্রতিরোধের উপায়

শীতে ঘরের অ্যালার্জি কমাতে :

– বালিশ ও ম্যাট্রেসে ডাস্ট-প্রুফ কভার ব্যবহার করুন

– গরম পানিতে নিয়মিত কাপড় ও বিছানার চাদর ধুতে থাকুন

– ডিহিউমিডিফায়ার ব্যবহার করে ঘরের আর্দ্রতা ৩০-৫০% রাখুন

– HEPA ফিল্টারযুক্ত ভ্যাকুয়াম দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার করুন

– সম্ভব হলে কার্পেট বাদ দিন

– ছত্রাক দেখা গেলে ব্লিচ ও পানি দিয়ে পরিষ্কার করুন

– খাবারের উচ্ছিষ্ট খোলা রাখবেন না

– কোথাও পানি লিক হলে দ্রুত ঠিক করুন

– দরজা-জানালার ফাঁক বন্ধ রাখুন

– পোষা প্রাণীকে শোবার ঘর বা রান্নাঘরে কম ঢুকতে দিন

শীতকালীন অ্যালার্জির লক্ষণ মূলত মৌসুমি অ্যালার্জির মতোই— হাঁচি , চুলকানি, ত্বকের র‍্যাশ, নাক বন্ধ বা নাক দিয়ে পানি পড়া। সঠিক ওষুধ, নাক পরিষ্কার রাখা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিলে শীতেও স্বস্তিতে থাকা সম্ভব।

তবে কয়েক সপ্তাহ পরও যদি উপসর্গ না কমে বা দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয়, তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।

সূত্র : Healthline

ফরিদপুরে বাগানের গাছে ঝুলছিল বৃদ্ধের লাশ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বাগানের গাছে ঝুলছিল বৃদ্ধের লাশ

ফরিদপুর সদর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের পরমানন্দপুর, বিষ্ণুদিয়া ও ভবানীপুর তিন গ্রামের সীমানা সংলগ্ন একটি বিলের মাঝখানে বাগান থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত ব্যক্তির নাম রঞ্জিত সরকার (৬০)। তিনি কোতোয়ালি থানার বিষ্ণুদিয়া গ্রামের মৃত রবীন্দ্রনাথ সরকারের ছেলে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে তিনি কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

পরবর্তীতে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটের দিকে ভবানীপুর গ্রামের এক কৃষক জমিতে কাজ করার সময় বাগানের ভেতরে একটি মেহগনি গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয়দের জানান। খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি রঞ্জিত সরকারের বলে শনাক্ত করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি তার পরিবারকে অবহিত করা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূর হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি ক্রাইম সিন ইউনিটকে অবহিত করেন। পরে ক্রাইম সিন টিমের উপস্থিতিতে মরদেহটি গাছ থেকে নামানো হয় এবং প্রাথমিকভাবে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

পুলিশ জানায়, মরদেহের প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য লাশটি ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

কোতোয়ালি থানার এসআই নূর হোসেন বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। এটি আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান।

ফরিদপুরে সংস্কৃতি মন্ত্রীর উদ্বোধনে শুরু খাল পুনঃখনন, জলাবদ্ধতা নিরসনে আশাবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সংস্কৃতি মন্ত্রীর উদ্বোধনে শুরু খাল পুনঃখনন, জলাবদ্ধতা নিরসনে আশাবাদ

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নে মধুমতি নদী থেকে কামারগ্রাম স্লুইচগেট পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে। দেশব্যাপী নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে খালটির পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছিল। এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল এবং বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ বাড়ছিল স্থানীয়দের। খালটি পুনঃখনন করা হলে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে, সেচ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটবে এবং কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমে ফলন বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি এলাকাটির পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায়ও প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উদ্বোধন উপলক্ষে গুনবহা ইউনিয়নের নদীয়ারচাঁদ এলাকায় আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, “খাল পুনঃখননের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদের পানি চলাচল স্বাভাবিক হবে এবং কৃষকরা সহজে সেচ সুবিধা পাবেন। সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহসভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও গুনবহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জায় সাহা এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক, আমিনা মামুন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার আশরাফুল আলম মামুন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোয়ালমারী-মধুখালী-আলফাডাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. আজম খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম রকিবুল হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিব্বির আহমেদ এবং বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খালটি পুনঃখনন সম্পন্ন হলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমবে এবং শুকনো মৌসুমে কৃষিজমিতে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত হবে, যা এলাকার সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও বঞ্চিত জনগণ: ফরিদপুরে জামায়াতে ইসলামী

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও বঞ্চিত জনগণ: ফরিদপুরে জামায়াতে ইসলামী

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ফরিদপুর অঞ্চলের উদ্যোগে উপজেলা ও থানা পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে ফরিদপুর শহরের মুসলিম মিশন প্রাঙ্গণে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা আমির মোহাম্মদ বদর উদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও অঞ্চল পরিচালক ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ। এসময় ফরিদপুরসহ আশপাশের পাঁচ জেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও দেশের সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত অধিকার ও ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত। দীর্ঘদিন ধরে দেশে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে এবং মানুষের মানবিক মর্যাদা ও অধিকার যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে তারা দাবি করেন।

তারা আরও অভিযোগ করেন, গত এক যুগের বেশি সময় ধরে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত ছিল। অনেকেই স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারেননি; সত্য কথা বলায় অনেকে হয়রানি, গ্রেপ্তার কিংবা আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। কেউ কেউ দীর্ঘদিন বিনা বিচারে কারাগারে ছিলেন বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।

বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন আসে এবং পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচন ও গণভোট প্রসঙ্গে তারা দাবি করেন, জনগণের মতামত যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তারা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধের দাবি জানান। পাশাপাশি জ্বালানি সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথাও উল্লেখ করেন বক্তারা।

সম্মেলনে দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে দুর্নীতি, বিদ্যুৎ সংকট ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য প্রফেসর আবদুত তাওয়াব, অঞ্চল প্রধান শামসুল ইসলাম আল বরাটি, জেলা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল ওহাব এবং জেলা নায়েবে আমির ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।