খুঁজুন
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

শীতকালীন অ্যালার্জি থেকে যেভাবে রক্ষা পাবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ণ
শীতকালীন অ্যালার্জি থেকে যেভাবে রক্ষা পাবেন

এই শীতে কি আগের চেয়ে বেশি অ্যালার্জির সমস্যা হচ্ছে? শীতকালীন অ্যালার্জির লক্ষণ আসলে সাধারণ মৌসুমি অ্যালার্জির মতোই। তবে শীতের ঠান্ডা ও রুক্ষ আবহাওয়ার কারণে আমরা বেশি সময় ঘরের ভেতরে থাকি। এতে ঘরের ভেতরের অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী জিনিসের (indoor allergens) সংস্পর্শে বেশি আসতে হয়।

শীতে অ্যালার্জি বাড়ানোর কিছু সাধারণ কারণ

– বাতাসে ভাসমান ধুলার কণা

– ডাস্ট মাইট (অতি ছোট পোকা)

– পোষা প্রাণীর লোম ও ত্বকের খোসা

– ছত্রাক বা ফাঙ্গাস (mold)

– তেলাপোকার মল

অ্যালার্জির উপসর্গ কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো আগেই সতর্কতা নেওয়া। তবে লক্ষণ অনেক বেড়ে গেলেও উপশম পাওয়ার উপায় আছে।

চলুন আজ জেনে নিই ঘরের কোন কোন জিনিস অ্যালার্জির কারণ হতে পারে, কী কী লক্ষণ দেখা দেয়, কীভাবে চিকিৎসা ও প্রতিরোধ করা যায়, এবং শীতকালীন অ্যালার্জি আর সর্দি-কাশির পার্থক্য কী।

ঘরের ভেতরের অ্যালার্জির কারণ

শীতকালে আবহাওয়া স্যাঁতসেঁতে থাকে এবং আমরা বেশি সময় ঘরের ভেতর থাকি। এতে কিছু নির্দিষ্ট অ্যালার্জির কারণ বেশি সক্রিয় হয়।

অ্যালার্জির লক্ষণ

শীতকালীন অ্যালার্জির সাধারণ লক্ষণগুলো হলো :

– হাঁচি

– নাক বন্ধ বা নাক দিয়ে পানি পড়া

– চোখ চুলকানো

– গলা ও কান চুলকানো

– নাক বন্ধ থাকায় শ্বাস নিতে কষ্ট

– শুকনো কাশি (কখনো কফসহ)

– ত্বকে র‍্যাশ

– শরীর খারাপ লাগা

– হালকা জ্বর

তীব্র অ্যালার্জি হলে (বিশেষ করে হাঁপানি থাকলে) দেখা দিতে পারে :

– বুক চেপে ধরা

– শ্বাস নেওয়ার সময় শোঁ শোঁ শব্দ

– দ্রুত শ্বাস নেওয়া

– খুব ক্লান্ত লাগা

– অস্থির বা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত লাগা

অ্যালার্জি আর সর্দির পার্থক্য

সর্দি হয় ভাইরাসের কারণে, যা অন্য মানুষের কাছ থেকে ছড়ায়। অ্যালার্জি হয় শরীরের প্রতিক্রিয়ার কারণে, যখন কোনো অ্যালার্জির উপাদানের সংস্পর্শে আসা হয়।

সর্দি সাধারণত কয়েক দিনের মধ্যে সেরে যায়। অ্যালার্জি যতদিন অ্যালার্জির কারণের সংস্পর্শে থাকবেন, ততদিন চলতে পারে।

সংক্ষেপে পার্থক্য

সর্দি : কয়েক দিন থেকে ২ সপ্তাহ থাকে

অ্যালার্জি : কয়েক দিন থেকে মাসের পর মাসও থাকতে পারে

সর্দিতে : শরীর ব্যথা ও জ্বর হয়

অ্যালার্জিতে : সাধারণত জ্বর ও শরীর ব্যথা হয় না

সর্দিতে : চোখ চুলকায় না

অ্যালার্জিতে : চোখ চুলকায় ও পানি পড়ে

চিকিৎসা

অ্যালার্জির বেশিরভাগ উপসর্গ ঘরেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

ওষুধ : সিটিরিজিন (Zyrtec), ফেক্সোফেনাডিন (Allegra) মতো অ্যান্টিহিস্টামিন নিয়মিত খেলে উপকার পাওয়া যায়। মাথাব্যথা থাকলে Tylenol জাতীয় ওষুধ কাজে আসে।

নেটি পট বা নাক ধোয়া : পরিষ্কার পানিতে নাক ধুলে ভেতরের অ্যালার্জির উপাদান বের হয়ে যায়।

নাসাল স্প্রে: Flonase বা Nasacort-এর মতো স্প্রে নাকের প্রদাহ কমায়।

অ্যালার্জি শট (ইমিউনোথেরাপি) : দীর্ঘদিনের তীব্র অ্যালার্জি হলে ডাক্তার পরামর্শ দিতে পারেন। এতে ধীরে ধীরে শরীর অ্যালার্জির সঙ্গে মানিয়ে নেয়।

প্রতিরোধের উপায়

শীতে ঘরের অ্যালার্জি কমাতে :

– বালিশ ও ম্যাট্রেসে ডাস্ট-প্রুফ কভার ব্যবহার করুন

– গরম পানিতে নিয়মিত কাপড় ও বিছানার চাদর ধুতে থাকুন

– ডিহিউমিডিফায়ার ব্যবহার করে ঘরের আর্দ্রতা ৩০-৫০% রাখুন

– HEPA ফিল্টারযুক্ত ভ্যাকুয়াম দিয়ে নিয়মিত পরিষ্কার করুন

– সম্ভব হলে কার্পেট বাদ দিন

– ছত্রাক দেখা গেলে ব্লিচ ও পানি দিয়ে পরিষ্কার করুন

– খাবারের উচ্ছিষ্ট খোলা রাখবেন না

– কোথাও পানি লিক হলে দ্রুত ঠিক করুন

– দরজা-জানালার ফাঁক বন্ধ রাখুন

– পোষা প্রাণীকে শোবার ঘর বা রান্নাঘরে কম ঢুকতে দিন

শীতকালীন অ্যালার্জির লক্ষণ মূলত মৌসুমি অ্যালার্জির মতোই— হাঁচি , চুলকানি, ত্বকের র‍্যাশ, নাক বন্ধ বা নাক দিয়ে পানি পড়া। সঠিক ওষুধ, নাক পরিষ্কার রাখা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিলে শীতেও স্বস্তিতে থাকা সম্ভব।

তবে কয়েক সপ্তাহ পরও যদি উপসর্গ না কমে বা দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয়, তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন।

সূত্র : Healthline

ফরিদপুরের চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যার রহস্য উন্মোচন, পুরস্কৃত এডিশনাল এসপি আজমীর হোসেনের টিম

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যার রহস্য উন্মোচন, পুরস্কৃত এডিশনাল এসপি আজমীর হোসেনের টিম

ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের কালিতলা এলাকায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর মা ও কন্যাশিশু হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন এবং আসামিকে গ্রেপ্তারে বিশেষ ভূমিকা রাখায় ফরিদপুর জেলা পুলিশের সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেনের নেতৃত্বাধীন তদন্তকারী টিমকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে ফরিদপুর জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ সভায় জেলা পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম এ পুরস্কার প্রদান করেন। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ মে সদর উপজেলার কালিতলা এলাকার একটি পুকুরপাড় সংলগ্ন স্থান থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় জাহানারা বেগম (৩০) ও তার পাঁচ বছর বয়সী কন্যা সামিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। নিহত জাহানারা রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন।

ঘটনার পরপরই ফরিদপুর জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট সমন্বিতভাবে তদন্ত শুরু করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত তদন্তকারী টিম তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামত বিশ্লেষণের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করে।

তদন্তে উঠে আসে, ঢাকার একটি ইটভাটায় কাজ করার সময় জাহানারার সঙ্গে মো. উজ্জ্বল খানের পরিচয় হয় এবং পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে উজ্জ্বল তাকে ফরিদপুরে নিয়ে আসে। পরে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে নির্মমভাবে জাহানারা ও তার শিশুকন্যাকে হত্যা করে মরদেহ গোপনে মাটিচাপা দেয়।

তদন্তকারী টিমের ধারাবাহিক অভিযানের ফলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এলাকা থেকে অভিযুক্ত উজ্জ্বল খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোদাল, ধারালো অস্ত্র, মোবাইল ফোন এবং নিহতদের ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, জেলার গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলাগুলোর দ্রুত রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। কালিতলার এই দ্বৈত হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে সদর সার্কেলের টিম দক্ষতা, নিষ্ঠা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছে। তাদের এই সাফল্য অন্যদের জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

নিরাপদ মৎস্য উৎপাদনে দক্ষতা বাড়াতে ফরিদপুরে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ, অংশ নিলেন ২০ মৎস্যচাষি

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
নিরাপদ মৎস্য উৎপাদনে দক্ষতা বাড়াতে ফরিদপুরে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ, অংশ নিলেন ২০ মৎস্যচাষি

নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মৎস্য এবং মৎস্যজাত পণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশবান্ধব চাষাবাদ এবং টেকসই মৎস্য খাত গড়ে তোলার লক্ষ্যে ফরিদপুরে দিনব্যাপী সদস্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) ফরিদপুর সদর উপজেলার কৈজুরি ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এবং সোসাইটি ডেভেলপমেন্ট কমিটি (এসডিসি)-এর বাস্তবায়নে আয়োজিত এ কর্মশালায় বিভিন্ন এলাকার ২০ জন মৎস্যচাষি ও সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ফারুক ময়েদুজ্জামান এবং এসডিসির মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাবেদুল ইসলাম। কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন এসডিসির সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. রাহুল আমিন।

দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে নিরাপদ মাছ চাষের আধুনিক কৌশল, উত্তম মৎস্য চাষ অনুশীলন (GAqP), পুকুরের পানি ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, মাছের সুষম খাদ্য প্রয়োগ, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ওষুধ ও রাসায়নিকের সঠিক ব্যবহার, অ্যান্টিবায়োটিকের দায়িত্বশীল প্রয়োগ, মাছ আহরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রশিক্ষকরা বলেন, বর্তমান সময়ে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সেই লক্ষ্য অর্জনে নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে মানবস্বাস্থ্য যেমন ঝুঁকির মুখে পড়ে, তেমনি পরিবেশ ও জলজ জীববৈচিত্র্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিরাপদ মাছ উৎপাদনের বিকল্প নেই।

তারা আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি মাছ ও মৎস্যজাত পণ্যের চাহিদা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিরাপদ উৎপাদন নিশ্চিত করা গেলে দেশের মৎস্যখাত আরও সমৃদ্ধ হবে, রপ্তানি আয় বাড়বে এবং প্রান্তিক মৎস্যচাষিরাও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন।

প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা নিরাপদ ও আধুনিক মাছ চাষ সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান অর্জন করেছেন। অর্জিত জ্ঞান মাঠপর্যায়ে প্রয়োগ করে উৎপাদন বৃদ্ধি ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে তারা কাজ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আয়োজকরা জানান, গ্রামীণ পর্যায়ে নিরাপদ মৎস্য উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং মৎস্যচাষিদের দক্ষতা উন্নয়নে ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ফরিদপুরের শ্রেষ্ঠ ওসি সদরপুর থানার আব্দুল আল মামুন শাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের শ্রেষ্ঠ ওসি সদরপুর থানার আব্দুল আল মামুন শাহ

ফরিদপুর জেলা পুলিশের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আল মামুন শাহ।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সকালে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সের শহীদ ছালাম সভাকক্ষে মাসিক কল্যাণ সভায় তাকে শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে পুরস্কার ও ক্রেষ্ট তুলে দেন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ফাতেমা ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামছুল আজম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন, সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) মো. আজম খানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, সামগ্রিক কর্মতৎপরতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে অনন্য অবদান রাখায় মো. আব্দুল আল মামুন শাহ’কে শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচন করা হয়েছে। তার এ সাফল্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।