খুঁজুন
শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯ মাঘ, ১৪৩২

পেয়ারা খোসাসহ খাওয়া ভালো নাকি খোসা ছাড়িয়ে, যা বলছেন পুষ্টিবিদ

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৮ এএম
পেয়ারা খোসাসহ খাওয়া ভালো নাকি খোসা ছাড়িয়ে, যা বলছেন পুষ্টিবিদ

মিষ্টি-টক স্বাদের জন্য পেয়ারার জনপ্রিয়তা সবার কাছেই। কাঁচা খাওয়া থেকে শুরু করে জুস, জ্যাম কিংবা স্মুদি—নানাভাবে পেয়ারার ব্যবহার রয়েছে। পুষ্টিগুণে ভরপুর এই ফলটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো ও হজমে সহায়ক হিসেবে পরিচিত। তবে পেয়ারার ক্ষেত্রে একটি প্রশ্ন প্রায়ই সামনে আসে, খোসাসহ খাওয়া ভালো নাকি খোসা ছাড়িয়ে খাওয়াই স্বাস্থ্যসম্মত?

অনেকের মধ্যেই এ নিয়ে দ্বিধা রয়েছে—পেয়ারার খোসা কি বাড়তি উপকার দেয়, নাকি এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে? সম্প্রতি এ বিষয়ে নিজের মতামত তুলে ধরেছেন ভারতীয় পুষ্টিবিদ দীপসিখা জৈন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পেয়ারার খোসাসহ খাওয়া নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

দীপসিখা জৈনের মতে, পেয়ারা অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর একটি ফল হলেও কীভাবে তা খাওয়া হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, খোসাসহ পেয়ারা খেলে পটাশিয়াম, জিঙ্ক ও ভিটামিন সি-এর মতো অতিরিক্ত মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট পাওয়া যায়, যা ত্বকের গঠন উন্নত করতে এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে যাদের উচ্চ কোলেস্টেরল বা ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের জন্য পেয়ারার খোসা এড়িয়ে চলাই ভালো।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, খোসাসহ পেয়ারা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা ও লিপিড প্রোফাইলের অবনতি হতে পারে। সে কারণে উচ্চ রক্তে শর্করা বা কোলেস্টেরল সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য খোসা ছাড়ানো পেয়ারা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ বলে মনে করেন পুষ্টিবিদরা।

কেন পেয়ারা ‘সুপারফ্রুট’?

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

পেয়ারা ভিটামিন সি-এর অন্যতম সমৃদ্ধ উৎস, যা কমলার চেয়েও বেশি। এই শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং সর্দি-কাশি প্রতিরোধে সহায়তা করে। একটি পেয়ারা থেকেই দৈনিক প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি-এর চাহিদা পূরণ হতে পারে।

হজমে সহায়ক ও আঁশসমৃদ্ধ

পেয়ারায় রয়েছে প্রচুর খাদ্যআঁশ, যা হজম প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে। আঁশ রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে খোসা ছাড়িয়ে খেলে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পেয়ারা একটি ভালো খাদ্য হতে পারে।

ত্বকের যত্নে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট

লাইকোপিন ও ভিটামিন এ-এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ পেয়ারা ফ্রি র‍্যাডিক্যালের ক্ষতিকর প্রভাব কমায় এবং বয়সের ছাপ পড়া ধীর করে। নিয়মিত পেয়ারা খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা ও গঠন উন্নত হতে পারে।

হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী

পেয়ারায় থাকা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যকারিতা বজায় রাখে। ‘জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন’-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত পেয়ারা খেলে রক্তচাপ কমে এবং লিপিড প্রোফাইলের উন্নতি ঘটে, যা হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য ইতিবাচক।

খাদ্যতালিকায় পেয়ারা রাখার উপায়

মাঝসকালের নাশতা হিসেবে টাটকা পেয়ারা খেতে পারেন

ফলের সালাদে কুচি করা পেয়ারা যোগ করতে পারেন

স্মুদিতে ব্লেন্ড করে পান করতে পারেন

লবণ ও মরিচগুঁড়া ছিটিয়ে খেতে পারেন

ডেজার্ট বা জ্যামে পেয়ারার পিউরি ব্যবহার করতে পারেন

খোসাসহ হোক বা খোসা ছাড়িয়, যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন পেয়ারা একটি পুষ্টিগুণে ভরপুর ফল। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় এই সুপারফ্রুট রাখলে সুস্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।

সূত্র : এনডিটিভি

ফরিদপুরে সেনাবাহিনীর পরিচয়ে চাঁদাবাজি: ভুয়া সাংবাদিক গ্রেপ্তার

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৪২ পিএম
ফরিদপুরে সেনাবাহিনীর পরিচয়ে চাঁদাবাজি: ভুয়া সাংবাদিক গ্রেপ্তার

ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকার কিষাণহাটে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজির সময় মো. আরিফ শেখ (৩৯) নামে এক ভুয়া সাংবাদিককে হাতেনাতে আটক করেছে সেনাবাহিনী। পরে তাকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হলে বিশেষ আইনে প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফরিদপুর সেনা ক্যাম্প।

সেনা ক্যাম্প সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফরিদপুর আর্মি ক্যাম্পের নেতৃত্বে ১৫ রিভারাইন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন এবং স্থানীয় পুলিশের একটি যৌথ দল কিষাণহাট এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের সময় সেনাবাহিনীর পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে মো. আরিফ শেখকে আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি নিজেকে ‘দৈনিক ঘোষণা’ পত্রিকার প্রতিনিধি দাবি করেন। তবে পরবর্তীতে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে হেনস্তা ও চাঁদাবাজির বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি। আটক আরিফ শেখ গোয়ালচামট এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
পরে তাকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন জানান, সেনাবাহিনীর ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিশেষ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগেও গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) ভোররাতে সেনাবাহিনীর অভিযানে মো. জহির মোল্যা (৪১) নামে আরেক ভুয়া সাংবাদিককে আগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

সেনা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক জহির মোল্যা ও আরিফ শেখ ফরিদপুরের একটি ভূঁইফোড় সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত।

 

ফরিদপুর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক অপু ঠাকুরকে অব্যাহতি

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০৮ পিএম
ফরিদপুর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক অপু ঠাকুরকে অব্যাহতি

ফরিদপুর জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক মো. হাসিবুর রহমান (অপু ঠাকুর)-কে দলীয় সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অমান্য করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) জাতীয় নাগরিক পার্টির দপ্তর সেলের সদস্য মো. তৌহিদ আহমেদ আশিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ও নীতিগত অবস্থান বজায় রাখার স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে মো. হাসিবুর রহমানের ভূমিকা নিয়ে কেন্দ্রে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তিনি দলীয় নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করেননি বলে অভিযোগ ওঠে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নজরে এলে তদন্ত ও পর্যালোচনার মাধ্যমে তাকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেনের নির্দেশক্রমে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। অব্যাহতির ফলে মো. হাসিবুর রহমান এখন থেকে দলের কোনো সাংগঠনিক পদে বহাল থাকবেন না এবং দলীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনায় তার কোনো ভূমিকা থাকবে না।

এ বিষয়ে দলীয় একাধিক নেতা জানান, এনসিপি একটি শৃঙ্খলাভিত্তিক রাজনৈতিক দল। এখানে ব্যক্তির চেয়ে দলের নীতি, আদর্শ ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলাই সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়। কেউ যদি দলীয় সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনার বাইরে গিয়ে কাজ করেন, তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে—এটাই দলের অবস্থান।

ফরিদপুর জেলা এনসিপির রাজনীতিতে এই সিদ্ধান্ত নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে দলের কার্যক্রমে সাময়িক প্রভাব পড়লেও কেন্দ্রীয় নেতারা আশাবাদী, দ্রুতই সাংগঠনিক শূন্যতা পূরণ করা হবে এবং দলীয় কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক গতিতে এগিয়ে যাবে।

এদিকে অব্যাহতির বিষয়ে মো. হাসিবুর রহমানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে এ ঘটনাকে এনসিপির অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা জোরদারের অংশ হিসেবে দেখছেন।

ভাঙ্গার চৌকিঘাটায় মৃত্যু ফাঁদ! ভেঙে পড়া ব্রিজে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হাজারো মানুষের

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর ও সোহাগ মাতুব্বর, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫২ এএম
ভাঙ্গার চৌকিঘাটায় মৃত্যু ফাঁদ! ভেঙে পড়া ব্রিজে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হাজারো মানুষের

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের চৌকিঘাটা এলাকায় ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজের মাঝখান ভেঙে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। ঝুঁকিপূর্ণ এই ব্রিজ দিয়েই প্রতিদিন শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ ও বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছে। দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকলেও বিকল্প পথ না থাকায় কাঠ ও বাঁশ দিয়ে অস্থায়ীভাবে পারাপার হতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চৌকিঘাটা থেকে ঘারুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র সহজ পথ হলো এই ব্রিজটি। কয়েক মাস আগে ব্রিজের মাঝখানে ফাটল দেখা দিলে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটে। পরে ঘারুয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আংশিক মেরামত করা হলেও তা টেকসই হয়নি। সর্বশেষ গত শনিবার চৌকিঘাটা থেকে ঘারুয়া সড়কের বিটুমিন ঢালাই কাজ চলাকালে রাস্তা সমান করার রোলার ব্রিজের ওপর উঠলে আবারও ব্রিজের মাঝখান ভেঙে যায়। এরপর থেকে ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে।

এলাকাবাসী জানান, ব্রিজটি বিশ্বাস বাড়ি ও শেখ বাড়ির মাঝখানে অত্যন্ত সরু করে নির্মাণ করা হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দুই পাশের জমি ভরাট হয়ে গেলেও ব্রিজটি আগের অবস্থাতেই রয়ে গেছে। ফলে ব্রিজটির কার্যকারিতা অনেকটাই হারিয়েছে। ব্রিজটি সরু হওয়ায় একসঙ্গে দুটি যানবাহন চলাচল করতে পারে না। তার ওপর দুই পাশে কোনো রেলিং না থাকায় যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দা লিয়াকত মাতুব্বর বলেন, “প্রতিদিন এই ব্রিজ দিয়েই আমাদের চলাচল। বাচ্চারা স্কুলে যায়, রোগী নিয়ে হাসপাতালে যেতে হয়। ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় এখন প্রাণ হাতে নিয়ে পার হতে হচ্ছে। বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে দায় নেবে কে?”

আরেক বাসিন্দা বাদল হোসেন জানান, “এখানে ব্রিজ না রেখে একটা কালভার্ট করা হলে সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। বারবার মেরামত করে লাভ নেই।”

এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মোহাম্মদ মালিক নাজমুল হাসান বলেন, “ব্রিজটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি আমি অবগত। আপাতত কোনো বরাদ্দ না থাকায় বড় কাজ করা সম্ভব নয়। তবে নির্বাচন শেষ হলে বরাদ্দ পেলে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। দ্রুতই আমি নিজে সরেজমিনে ব্রিজটি পরিদর্শন করব।”

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ্-আবু-জাহের বলেন, “বিষয়টি আগে জানা ছিল না। আপনার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। চৌকিঘাটা মাদ্রাসা সংলগ্ন ব্রিজের মাঝখান ভেঙে পড়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে এবং দ্রুত সংস্কারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে এলাকাবাসী দ্রুত স্থায়ী সমাধান হিসেবে নতুন কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।