খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন, ১৪৩২

ঠান্ডার কারণে মুখ ঢেকে নামাজ পড়া কি জায়েজ? যা বলছে ইসলাম

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫৯ এএম
ঠান্ডার কারণে মুখ ঢেকে নামাজ পড়া কি জায়েজ? যা বলছে ইসলাম

প্রত্যেক মুসলমানের ওপর নামাজ ফরজ করা হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তোমরা আমার স্মরণোদ্দেশ্যে নামাজ কায়েম করো।’ (সুরা ত্বহা : ১৪)

অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তুমি সূর্য হেলার সময় থেকে রাতের অন্ধকার পর্যন্ত নামাজ কায়েম করো এবং ফজরের নামাজ (কায়েম করো)। নিশ্চয়ই ফজরের নামাজে সমাবেশ ঘটে।’ (সুরা বনি ইসরাঈল : ৭৮)

ষড়ঋতু অনুযায়ী এখন চলছে শীতকাল। এই মৌসুমকে মুমিনের বসন্ত বলা হয়। তবে, শীতকালে নামাজ আদায়ের সময় অনেকেই মুখ ঢেকে নামাজে দাঁড়ান। তাই প্রশ্ন জাগে, ‘শীতে মুখ ঢেকে নামাজ পড়া কি জায়েজ? এভাবে নামাজ পড়লে কি তা শুদ্ধ হয়?’

এ প্রসঙ্গে রাজধানীর জামিয়া ইকরার ফাজিল মুফতি ইয়াহইয়া শহিদ কালবেলাকে বলেন, স্বাভাবিক অবস্থায় চেহারা খোলা রেখে নামাজ আদায় করা সুন্নত। চেহারা ঢেকে নামাজ আদায় করা মাকরুহ। তাই বিশেষ কোনো ওজর না থাকলে শীতের চাদর, মাফলার, রুমাল, কেফিয়াহ, ওড়না, মাস্ক ইত্যাদি দিয়ে পুরো চেহারা বা চেহারার একাংশ ঢেকে নামাজ আদায় করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

তিনি জানান, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাঁধের দুই পাশে কাপড় ঝুলিয়ে নামাজ আদায় করতে এবং নামাজের সময় মুখ ঢাকতে নিষেধ করেছেন। (সুনানে আবু দাউদ : ৬৪৩)

মুফতি ইয়াহইয়া শহিদ আরও বলেন, তবে কোনো বিশেষ অসুবিধা ছাড়া মুখ ঢেকে নামাজ আদায় করলে মাকরুহ হলেও নামাজ হয়ে যাবে। পুনরায় পড়তে হবে না। আর শরিয়তে গ্রহণযোগ্য কোনো ওজর বা অসুবিধা থাকলে চেহারা ঢেকে নামাজ আদায় করা মাকরুহ হবে না। যেমন কেউ যদি সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত থাকে এবং জামাতে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে পাশের মুসল্লির অসুবিধা হওয়ার আশংকা থাকে, তাহলে নাক-মুখ ঢেকে নামাজ আদায় করতে পারে।

 

শবে কদরের আলামত কী? মহানবী (সা.) জানিয়েছেন ৫টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৭:০৯ এএম
শবে কদরের আলামত কী? মহানবী (সা.) জানিয়েছেন ৫টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ

‘শবেকদর’ ফার্সি শব্দগুচ্ছ। শব শব্দের অর্থ রাত্রি, আর কদর শব্দের অর্থ সম্মান, মর্যাদা, সমাদর, খাতির, ভাগ্য, পরিমাণ এবং তাকদির নির্ধারণ করা।

আরবিতে এই রাতকে লাইলাতুল কদর বলা হয়। আল্লাহ যে রাতে কোরআন অবতীর্ণ করেছেন, সে রাতকে বরকতময় করেছেন। সেটিই কদরের রাত বা শবেকদর। রমজান মাসের শেষ দশদিনের যে কোনো বেজোড় রাত্রে এই ‘শবেকদর’ ঘটে।

কিন্তু ঠিক কোন রাতে শবেকদর কোরআনে তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। তবে কদর যে রমজান মাসে, তার নির্দেশ স্পষ্ট। সুরা বাকারায় বলা হয়েছে, কোরআন রমজান মাসে অবতীর্ণ হয়েছে (আয়াত : ১৮৭) এবং সুরা কদরে বলা হয়েছে, কোরআন কদরের রাতে নাজিল হয়েছে (আয়াত : ১)।

নবীজি (সা.) লাইলাতুল কদর লাভের আশায় একবার রমজানের প্রথম দশ দিন ইতিকাফ করেন। এরপর কয়েকবার ইতিকাফ করেন মাঝের দশ দিন। এরপর একসময় শেষ দশ দিন ইতিকাফ করতে শুরু করেন এবং ইরশাদ করেন, তোমরা রমজানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর অন্বেষণ করো। (বোখারি : ২০২০, লাতাইফুল মাআরিফ : পৃষ্ঠা ৩৫৩)

এদিকে, রোজার শেষ দশকে কদরের রাত অনুসন্ধানের পাশাপাশি নবীজি লাইলাতুল কদরের রাত চেনার কিছু আলামতও বলে দিয়েছেন। বিশুদ্ধ হাদিসের আলোকে কদরের রাত চেনার কিছু আলামত জেনে নিই—

১. আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে নবীজি (সা.) বলেছেন, …ওই রাতের আলামত বা লক্ষণ হলো, রাত শেষে সকালে যে সূর্য উদিত হবে, তা উজ্জ্বল হবে। কিন্তু সে সময় (উদয়ের সময়) তার কোনো তীব্র আলোকরশ্মি থাকবে না (অর্থাৎ দিনের তুলনায় কিছুটা নিষ্প্রভ হবে)। (মুসলিম : ১৬৭০)

২. আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, লাইলাতুল কদরের রাতটি হবে প্রফুল্লময়। না গরম, না ঠাণ্ডা। সেদিন সূর্য উঠবে লালবর্ণে, তবে দুর্বল থাকবে। (ইবনু খুযাইমাহ : ২১৯২)

৩. উবাদাহ ইবনু সামাত (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেন, লাইলাতুল কদর শেষ দশ রজনীতে রয়েছে। যে এই রাত্রে নিজের (আমলের) হিসাব নিতে দাঁড়াবে, আল্লাহ তাআলা তার পূর্বের এবং পরের পাপরাশি ক্ষমা করে দেবেন। আর এই রাত্রি আছে বেজোড় রাত্রিগুলোতে: নবম, সপ্তম, পঞ্চম, তৃতীয় এবং শেষ রাত।

নবীজি আরও বলেন, লাইলাতুল কদরের আলামত হচ্ছে, স্বচ্ছ রাত, যে রাতে চাঁদ উজ্জ্বল হবে, আবহাওয়ায় প্রশান্তি (সাকিনাহ) থাকবে। না ঠাণ্ডা, না গরম। সকাল পর্যন্ত (আকাশে) কোনো উল্কাপিণ্ড দেখা যাবে না। সে রাতের চাঁদের মতই সূর্য উঠবে (তীব্র) আলোকরশ্মি ছাড়া। শয়তান সেই সময় বের হয় না। (মুসনাদ আহমাদ : ২২৭৬৫)

৪. এক হাদিসে নবীজি (সা.) বলেছেন, লাইলাতুল কদর উজ্জ্বল একটি রাত। না গরম, না ঠাণ্ডা। সে রাতে কোনো উল্কাপিণ্ড দেখা যাবে না। (মাজমাউজ জাওয়ায়িদ : ৩/১৭৯; সহিহ আল-জামিঈ, হাদিস : ৫৪৭২)

৫. রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, লাইলাতুল কদর রয়েছে সপ্তম, অথবা নবম, অথবা বিংশ, যে রাতে (পৃথিবীর) নুড়ি পাথরের চেয়ে বেশি সংখ্যক ফেরেশতাগণ জমিনে নেমে আসেন। (মাজমাউল জাওয়ায়িদ, হাদিস : ৩/১৭৮; সহিহ আল-জামি, হাদিস : ৫৪৭৩)

সূত্র : কালবেলা

শবে কদরের রাতে যে দোয়া পড়তে বলেছেন মহানবী (সা.)?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৩ এএম
শবে কদরের রাতে যে দোয়া পড়তে বলেছেন মহানবী (সা.)?

লাইলাতুল কদর বা শবেকদর বছরের শ্রেষ্ঠ রাত। এই রাত হাজার বছরের চেয়ে উত্তম। মহাগ্রন্থ আল কোরআনে রাব্বুল আলামিন ইরশাদ করেন, ‘তুমি কি জানো শবে কদর কী?

শবে কদর এক হাজার মাস অপেক্ষাও শ্রেষ্ঠ। সে রাতে ফেরেশতাগণ ও রূহ প্রত্যেক কাজে তাদের প্রতিপালকের অনুমতিক্রমে অবতীর্ণ হয়। সে রাত (আদ্যোপান্ত) শান্তি ফজরের আবির্ভাব পর্যন্ত। (সুরা কদর : ১-৫)

রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘ রমজানে এমন একটি রাত আছে, যা হাজার রাতের চেয়ে উত্তম। যে এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো, সে সত্যিই বঞ্চিত হলো। ’ (সুনানে নাসায়ি: ২১০৮)

অন্য হাদিসে তিনি (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সওয়াবের আশায় কদরের রাতে ইবাদতের মধ্যে রাত জাগবে, তার আগের গোনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ (বোখারি : ৩৫)

বরকতময় এই রাতে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় জিনিস মহান রাব্বুল আলামিনের কাছ থেকে চেয়ে নিতে পারেন। তিনি দিতে চান, আপনি না নিলে তিনি অসন্তুষ্ট হন। আল্লাহর হাবিব (সা.) বলেন, ‘যে আল্লাহর কাছে চায় না, আল্লাহ তার প্রতি রাগান্বিত হন।’ (তিরমিজি : ৩৩৭৩)

তাহলে শবেকদের কী দোয়া করবেন, কী চাইবেন?

লাইলাতুল কদর যেহেতু বিশেষ রজনী, তাই এ রাতে বিশেষ কিছুই চাওয়া দরকার। সেই বিশেষ প্রার্থনা নবীজি (সা.) আমাদের শিখিয়ে গেছেন। হজরত আয়েশা (রা.) নবীজিকে (সা.) জিজ্ঞাসা করেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ, যদি আমি জানতে পারি আজ লাইলাতুল কদর তাহলে আমি কী দোয়া করতে পারি? নবীজি (সা.) বললেন, তুমি বলো, اللّهُمّ إِنّكَ عُفُوّ تُحِبّ الْعَفْوَ ।فَاعْفُ عَنِّي

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আননি।

অর্থ : হে আল্লাহ, আপনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। আপনি ক্ষমা করতেই ভালোবাসেন। সুতরাং আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। (তিরমিজি : ৩৫১৩)

ঘাড় ও বগলে কালচে দাগ কেন হয়? জানালেন বিশেষজ্ঞরা

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৬:২৮ এএম
ঘাড় ও বগলে কালচে দাগ কেন হয়? জানালেন বিশেষজ্ঞরা

অনেকের ঘাড়, বগল কিংবা শরীরের ভাঁজে অন্য জায়গার তুলনায় কালচে দাগ দেখা যায়। অনেকেই এটিকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ঘাটতি মনে করে বেশি করে ঘষে বা সাবান ব্যবহার করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষয়টি সব সময় পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়; বরং এটি কোনো শারীরিক সমস্যার লক্ষণও হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডভিত্তিক অ্যানেসথেসিওলজি ও ইন্টারভেনশনাল পেইন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. কুনাল সুদ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। গত ৪ মার্চ তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এক ভিডিও বার্তায় জানান, ঘাড় বা বগলের ত্বক গাঢ় হয়ে যাওয়ার একটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের নাম রয়েছে— Acanthosis Nigricans।

কেন হয় এই কালচে দাগ?

চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই অবস্থায় ত্বক শুধু গাঢ়ই হয় না, বরং একটু মোটা ও মসৃণ বা ভেলভেটের মতো দেখায়। অনেকেই এটিকে ময়লা বা অপরিষ্কার ভাবলেও আসলে তা নয়। ঘষে পরিষ্কার করার চেষ্টা করলে সাধারণত কোনো পরিবর্তন হয় না।

ডা. কুনাল সুদের মতে, এই সমস্যাটি বেশিভাগ ক্ষেত্রেই শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বেশি থাকা বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ কারণে এটি অনেক সময় প্রিডায়াবেটিস, টাইপ ২ ডায়াবেটিস কিংবা পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS)–এর মতো সমস্যার সঙ্গে দেখা যায়।

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কী?

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে শরীরের পেশি, চর্বি ও লিভারের কোষগুলো ইনসুলিন হরমোনের প্রতি ঠিকমতো সাড়া দেয় না। অথচ রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইনসুলিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যখন কোষগুলো ইনসুলিনের প্রতি সাড়া কম দেয়, তখন রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে থাকে। ফলে অগ্ন্যাশয়কে আরও বেশি ইনসুলিন তৈরি করতে হয়। এই পরিস্থিতিই অনেক সময় ত্বকের এমন কালচে দাগের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

চিকিৎসা কী?

বিশেষজ্ঞদের মতে, Acanthosis Nigricans নিজে থেকে সংক্রামক বা মারাত্মক রোগ নয়। তবে এর পেছনে থাকা কারণগুলো শনাক্ত করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

ডা. কুনাল সুদের মতে, শুধু ত্বক ঘষে পরিষ্কার করার চেষ্টা করে লাভ নেই। বরং শরীরের ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমানোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

কীভাবে ঝুঁকি কমানো যায়?

স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান Cleveland Clinic জানায়, কিছু জীবনধারাগত পরিবর্তনের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমানো সম্ভব। যেমন—

পুষ্টিকর খাবার খাওয়া : অতিরিক্ত চিনি ও অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার কমিয়ে প্রোটিন ও আঁশযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া।

নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম : ব্যায়াম করলে শরীরের পেশি রক্তের গ্লুকোজ ব্যবহার করতে পারে, ফলে ইনসুলিনের প্রয়োজনীয়তা কমে।

অতিরিক্ত ওজন কমানো : অনেক ক্ষেত্রে ওজন কমালে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সও কমে যায়।

পরীক্ষা করা জরুরি

বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি ঘাড় বা বগলে এমন কালচে দাগ দেখা যায় এবং তা দীর্ঘদিন থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। অনেক সময় A1C পরীক্ষা করা হয়, যার মাধ্যমে গত তিন মাসে রক্তে গ্লুকোজের গড় মাত্রা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।

চিকিৎসকদের মতে, শরীরের ত্বকে অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন দেখা দিলে তা অবহেলা না করে কারণ খুঁজে বের করা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অনেক সময় ছোট একটি লক্ষণই বড় কোনো শারীরিক সমস্যার আগাম ইঙ্গিত দিতে পারে।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস