খুঁজুন
, ,

অপবিত্র অবস্থায় সেহরি—খাওয়া যাবে, নাকি নয়? জানুন সঠিক নিয়ম

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৬ পূর্বাহ্ণ
অপবিত্র অবস্থায় সেহরি—খাওয়া যাবে, নাকি নয়? জানুন সঠিক নিয়ম

রমজানের বিশেষ আমল সেহরি খাওয়া। শেষ রাতে উঠে সেহরি খেতে হয়। কখনো দেখা যায়, ঘুমের মাঝে স্বপ্নদোষ হয়ে গেছে। তখন অনেকেই ভাবনায় পড়ে যান, এই অবস্থায় সেহরি খাওয়া যাবে কিনা? এ নিয়ে ফিকহের কিতাবাদিতে বিশদ সমাধান দেওয়া আছে। চলুন সংক্ষেপে জেনে নেওয়া যাক এর সমাধান।

ফিকহের কিতাবাদিতে বলা আছে, গোসল ফরজ থাকা অবস্থায় সেহরি খেতে কোনো সমস্যা নেই। নাপাক অবস্থায় সেহরি খেলেও রোজা সহিহ হয়ে যাবে। তবে পর্যাপ্ত সময় থাকলে উত্তম হলো, গোসল সেরে তারপর সেহরি খাওয়া। অবশ্য গোসলের আগেই যদি সেহরি খাওয়া হয়, তাহলে ফজরের ওয়াক্তের মধ্যেই গোসল সেরে নামাজ আদায় করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের বাহানা খুঁজে নামাজ কাজা করার সুযোগ নেই। (জামিয়া ইসলামিয়া বানুরি টাউন, ফাতাওয়া : ১৪৪১০৯২০১২৮৫)

উল্লেখ্য, সেহরি খাওয়া সুন্নত। পেট ভরে খাওয়া জরুরি নয়, এক ঢোক পানি পান করলেও সেহরির সুন্নত আদায় হবে।

হাদিস শরীফে আছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-

‘তোমরা সেহরি খাও। কেননা, সেহরিতে বরকত রয়েছে।’-সহিহ মুসলিম ১/৩৫০

অন্য হাদিসে বলা হয়েছে, সেহরি খাওয়া বরকতপূর্ণ কাজ। সুতরাং তোমরা তা পরিত্যাগ করো না। এক ঢোক পানি দিয়ে হলেও সেহরি কর। কারণ যারা সেহরি খায় আল্লাহ তাআলা তাদের উপর রহমত বর্ষণ করেন এবং ফেরেশতারা তাদের জন্য রহমতের দুআ করেন।’-মুসনাদে আহমদ ৩/১২; মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বা, হাদীস : ৯০১০; সহিহ ইবনে হিববান, হাদীস ৩৪৭৬

 

ফরিদপুরে গাভীর দুধ সংগ্রহ করতে গিয়ে লাথিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৪:২৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে গাভীর দুধ সংগ্রহ করতে গিয়ে লাথিতে প্রাণ গেল বৃদ্ধার

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার চরযশোরদী ইউনিয়নের আশফরদী গ্রামে গাভীর দুধ সংগ্রহ করতে গিয়ে গাভীর লাথিতে গুরুতর আহত হয়ে আছিয়া বেগম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহত আছিয়া বেগম আশফরদী গ্রামের মৃত জব্বার তালুকদারের স্ত্রী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের গবাদিপশুর দেখভাল করতেন। প্রতিদিনের মতো শুক্রবার সকালেও নিজ বাড়ির গোয়ালঘরে গাভীর দুধ সংগ্রহ করতে যান। এ সময় হঠাৎ গাভীটি উত্তেজিত হয়ে তাকে জোরে লাথি মারে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সকাল আনুমানিক ৮টা ৪৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয়রা জানান, গবাদিপশুর আচরণ হঠাৎ পরিবর্তিত হলে এমন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিশেষ করে দুধ দোহনের সময় পশু অস্থির হয়ে উঠলে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। আছিয়া বেগমের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি এলাকাবাসীর মধ্যেও গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে নগরকান্দা থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে বিষয়টি যেহেতু গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মৃত্যুর ঘটনায় রূপ নেয়, তাই সংশ্লিষ্ট আইনগত কার্যক্রম মুকসুদপুর থানা পুলিশ পরিচালনা করছে।

নগরকান্দা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আব্দুর রাজ্জাক জানান, গাভীর লাথিতে আহত হওয়ার পর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি স্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা হিসেবে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

উদ্ভাবনের মঞ্চে ফরিদপুরের শিক্ষার্থীরা, অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় বিজ্ঞান উৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ
উদ্ভাবনের মঞ্চে ফরিদপুরের শিক্ষার্থীরা, অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় বিজ্ঞান উৎসব

বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা, উদ্ভাবনী চিন্তাধারা এবং প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘পিইএমএফইসি জাতীয় বিজ্ঞান উৎসব-২০২৬’।

পদ্মা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ফার্ম এডুকেশন কর্নার (পিইএমএফইসি)-এর উদ্যোগে শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ঈশান মিলনায়তনে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।

দিনব্যাপী এ আয়োজনে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষাবিদ ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন। উৎসবটি প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ ও উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে মুখর হয়ে ওঠে।

ফরিদপুরের সদরপুরের চন্দ্রপাড়া ডিগ্রি কলেজের মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হা-মীম গ্রুপ ও চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের পরিচালক এবং দৈনিক সমকালের প্রকাশক আবুল কালাম আজাদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ফজলুল হক খাঁন, ফরিদপুর ওয়েলফেয়ার ফোরামের সভাপতি কর্নেল (অব.) ফারুক ইয়া আযম, ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি টেকেরহাট শাখার এভিপি মো. ইকবাল হোসেন, ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সিদ্দিকুর রহমান, চাষী জীবী কল্যাণ সংঘের সাধারণ সম্পাদক এস এম শাহজাহান, ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আমজাদ হোসেন পলাশ, মো. ফায়সাল আলাম, মো. ইলিয়াস হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, অ্যাপোলো স্পেশালাইজড হাসপাতালের মো. দেলোয়ার হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

বক্তারা বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই সময়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, গবেষণামনস্কতা এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত বিজ্ঞান উৎসব ও উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতার আয়োজন করা প্রয়োজন। এ ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উৎসবে বিভিন্ন বিজ্ঞানভিত্তিক প্রদর্শনী, উদ্ভাবনী প্রকল্প উপস্থাপন, জ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন মডেল প্রদর্শন করা হয়। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের সৃজনশীল উদ্ভাবন ও বৈজ্ঞানিক ধারণা উপস্থাপন করে দর্শনার্থীদের প্রশংসা কুড়ান।

আয়োজকরা জানান, এ ও বি—দুই ক্যাটাগরিতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৫০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতা শেষে দুই ক্যাটাগরিতে সেরা ছয়জন বিজয়ীর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে অতিথিরা বলেন, আজকের এই তরুণ বিজ্ঞানীরাই আগামী দিনের উদ্ভাবনী বাংলাদেশ গঠনে নেতৃত্ব দেবে। তাই বিজ্ঞানচর্চার পরিবেশ আরও বিস্তৃত করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

মুসলিম পুরুষদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কার্যকর ১০ উপায়

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:০৪ পূর্বাহ্ণ
মুসলিম পুরুষদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কার্যকর ১০ উপায়

একজন মুসলিম পুরুষের আধ্যাত্মিক ও পার্থিব উভয় জীবনের উন্নতির জন্য আত্মবিশ্বাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আধ্যাত্মিক স্তরে নিজের ঈমানের প্রতি আত্মবিশ্বাস আল্লাহর সাথে একটি মজবুত সম্পর্ক তৈরি করে, যা জীবনের কঠিন পরীক্ষায় ধৈর্য ও তাওয়াক্কুলের শক্তি যোগায়।

অন্যদিকে, দৈনন্দিন জীবনে এটি একজন পুরুষকে পরিবার ও সমাজের জন্য ইতিবাচক রোল মডেল হতে এবং ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়াতে সাহায্য করে। তবে মনে রাখতে হবে, আত্মবিশ্বাস মানে অহংকার নয়; এটি যখন নম্রতার সাথে মিশে থাকে, তখনই তা ব্যক্তিগত উন্নয়নও নেতৃত্বের শক্তিশালী হাতিয়ার হয়ে ওঠে।

নিচে মুসলিম পুরুষদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর ১০টি কার্যকর উপায় তুলে ধরা হলো:

১. তাওয়াক্কুল বা আল্লাহর ওপর ভরসা: ইসলামি আত্মবিশ্বাসের মূলে রয়েছে তাওয়াক্কুল। এর অর্থ হলো, নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টাটুকু করার পর ফলাফলের জন্য আল্লাহর ওপর নির্ভর করা। এই বিশ্বাস মানুষকে যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতেও শান্ত ও আত্মবিশ্বাসী রাখে। যার তাওয়াক্কুল নেই, সে সামান্য ব্যর্থতাতেই ভেঙে পড়ে, কিন্তু যার তাওয়াক্কুল আছে, সে জানে যে আল্লাহর পরিকল্পনা তার জন্য আরও উত্তম।

২. নিজের সবল ও দুর্বল দিকগুলো মূল্যায়ন করা: আত্মসচেতনতা আত্মবিশ্বাস বাড়াতে মৌলিক ভূমিকা পালন করে। নিজের প্রতিভা, মূল্যবোধ এবং দুর্বলতাগুলো বুঝতে পারলে একজন মুসলিম পুরুষ ইসলামি আদর্শের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নিজের জীবন গুছিয়ে নিতে পারেন। নিয়মিত আত্ম-পর্যালোচনার মাধ্যমে জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রে (যেমন বিয়ে বা ক্যারিয়ার) প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা সম্ভব।

৩. শারীরিক ও মানসিক সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা: একজন পুরুষকে তার সামর্থ্য অনুযায়ী শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকার চেষ্টা করতে হবে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘একজন শক্তিশালী মুমিন আল্লাহর কাছে দুর্বল মুমিনের চেয়ে অধিক প্রিয়’। শারীরিক সুস্থতা যেমন আত্মবিশ্বাস বাড়ায়, তেমনি কোনো মানসিক সমস্যা বা ট্রমা থাকলে পেশাদার সাহায্য নেওয়াও বুদ্ধিমত্তার পরিচয়, যা ব্যক্তিকে তার পূর্ণ সম্ভাবনা অর্জনে সাহায্য করে।

৪. ইসলামি জ্ঞান অর্জন: ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য বাধ্যতামূলক। কোরআন, হাদিস এবং ইসলামের সমৃদ্ধ বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্য সম্পর্কে জ্ঞান একজন পুরুষকে জীবনের উদ্দেশ্য বুঝতে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে আত্মবিশ্বাস জোগায়।

৫. পরিপাটি সাজসজ্জা ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা: শারীরিক পরিচ্ছন্নতা ও পরিপাটি পোশাক মানুষের আত্মবিশ্বাসকে তাৎক্ষণিকভাবে বাড়িয়ে দেয়। নিয়মিত চুল ছাঁটা, মেসওয়াক করা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা সুন্নাহসম্মত। দামী ব্র্যান্ডের কাপড় নয়, বরং পরিষ্কার, ইস্ত্রি করা এবং মার্জিত পোশাক পরিধান করাই আত্মবিশ্বাসী হওয়ার জন্য যথেষ্ট।

৬. ভয়ের মোকাবিলা করা: ভয় কাটিয়ে ওঠার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস সুদৃঢ় হয়। ইসলাম আমাদের প্রতিকূলতার মুখে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে এগিয়ে যেতে শেখায়। প্রতিটি বাধা অতিক্রম করার অভিজ্ঞতা একজন মুমিনকে আরও সাহসী ও আত্মপ্রত্যয়ী করে তোলে।

৭. ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়া: ইসলামে ব্যর্থতাকে পরাজয় হিসেবে নয়, বরং আধ্যাত্মিক ও ব্যক্তিগত উন্নয়নের সুযোগ হিসেবে দেখা হয়। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়ে ঘুরে দাঁড়ানোই সফলতার সিঁড়ি। এটি ব্যর্থতাকে সাময়িক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখতে শেখায়।

৮. অর্জনগুলোকে উদযাপন করা: অহংকার না করে আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত হিসেবে নিজের সাফল্যগুলোকে ইতিবাচকভাবে দেখা উচিত। নিজের ভালো কাজ বা অর্জনগুলোকে স্বীকার করা মানসিকভাবে শক্তিশালী হতে সাহায্য করে।

৯. প্রয়োজনীয় জীবন-দক্ষতা অর্জন: কিছু বিশেষ দক্ষতা একজন পুরুষের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, জনসমক্ষে কথা বলা, ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনা, নেতৃত্ব, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা এবং আত্মরক্ষা।

১০. নৈতিক চরিত্রের (আখলাক) উন্নয়ন: সুন্দর চারিত্রিক গুণাবলী আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। সততা, ধৈর্য, কৃতজ্ঞতা, বিনয় এবং অন্যের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশের মাধ্যমে একজন মানুষ সমাজে শ্রদ্ধার পাত্র হয়ে ওঠেন, যা তার নিজের ওপর আস্থা আরও বাড়িয়ে দেয়।

শেষকথা

আত্মবিশ্বাস কোনো জাদুর মতো রাতারাতি চলে আসে না; এটি নিয়মিত অনুশীলনের বিষয়। আল্লাহর ওপর বিশ্বাস রেখে এবং নিজের উন্নতির জন্য ক্রমাগত চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার মাধ্যমেই একজন মুসলিম পুরুষ প্রকৃত আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে পারেন।

দ্য মুসলিম ভাইব অবলম্বনে