খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন, ১৪৩২

রমজানে মাথাব্যথা? সহজ সমাধান জেনে নিন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ১:১৫ পিএম
রমজানে মাথাব্যথা? সহজ সমাধান জেনে নিন

রমজান মাসে জীবনধারা বদলে যায়। পরিবর্তিত সময়ে সবার খাবার খাওয়া কিংবা ঘুম ঠিকঠাক না-ও হতে পারে। এমনটা হলে দেখা দিতে পারে নানান শারীরিক সমস্যা। মাথাব্যথা তেমনই এক সমস্যা।

এ সময় মাথাব্যথার অন্যতম কারণই হলো পরিবর্তিত জীবনধারায় স্বাস্থ্যকর চর্চা বজায় রাখতে না পারা। তবে অন্যান্য কারণও থাকতে পারে। এ প্রসঙ্গে স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেডের মেডিসিন বিভাগের অ্যাসোসিয়েট কনসালট্যান্ট ডা. তাসনোভা মাহিন-এর সঙ্গে কথা বলে জানাচ্ছেন রাফিয়া আলম

কারণগুলো জানা থাক

রমজান মাসে মাথাব্যথার অন্যতম কারণ পানিশূন্যতা। অনেকেই রাতে বেশি পানি খেয়ে অভ্যস্ত নন। তাই ইফতার থেকে সাহ্‌রি পর্যন্ত সারা দিনের পানির চাহিদা মিটিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

রমজান মাসে সাধারণত পানিশূন্যতাজনিত মাথাব্যথা হয় দিনে, পড়ন্ত বেলায়। এই সময়টায় মাথাব্যথার আরেকটি কারণ হলো রক্তের শর্করা কমে যাওয়া। বিশেষত ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের এমনটা হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

রমজান মাসে সাহ্‌রির সময় তো ওঠা হয়ই, কারও কারও অফিসের সময়ও বদলায়। ঘরের কাজের ধারায় আসে পরিবর্তন। এমন সব কারণে ঘুমের সময়ও বদলে যায়। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে মাথাব্যথা হতে পারে যে কারও।

যে সময় কেউ ক্যাফেইন গ্রহণে অভ্যস্ত, সেই সময় তা না পেলেও তাঁর মাথাব্যথা হতে পারে। দিনের নির্দিষ্ট সময়ে কারও চা-কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে ওই সময়টায় তাঁর মাথাব্যথার ঝুঁকি থাকে।

তবে কিছু রোগের কারণেও মাথাব্যথা হতে পারে। পরিবর্তিত জীবনধারার কারণে মাইগ্রেনে আক্রান্ত ব্যক্তির মাথাব্যথা বাড়তে পারে। ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তি ওষুধ সেবনে অনিময় করলে কিছু জটিলতার সম্মুখীন হতে পারেন। এসব সমস্যার লক্ষণও হতে পারে মাথাব্যথা।

মাথাব্যথা এড়াতে চাইলে

বুঝতেই পারছেন, মাথাব্যথা প্রতিরোধ করতে স্বাস্থ্যকর জীবনধারার বিকল্প নেই। তাই সবারই খেয়াল রাখতে হবে এসব বিষয়—

ইফতার থেকে সাহ্‌রি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে। সাহ্‌রি খেতে হবে বুঝেশুনে।

সাহ্‌রির জন্য এমন খাবার বেছে নিতে হবে, যা হজম হতে সময় একটু বেশি লাগে। গোটা শস্য (লাল চাল, লাল আটা, ওটস, কিনোয়া প্রভৃতি) এ ধরনের খাবার। এ ধরনের খাবার খেলে রক্তের শর্করা বাড়ে ধীরে ধীরে, কমেও ধীরে ধীরে। আমিষও রাখুন সাহ্‌রিতে।

প্রক্রিয়াজাত এবং পরিশোধিত (রিফাইনড) খাবার (যেমন ইনস্ট্যান্ট নুডলস) এড়িয়ে চলুন সাহ্‌রিতে।

দিনে চা-কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সাহ্‌রির ১৫-২০ মিনিট পর খেয়ে নিতে পারেন। তবে সাহ্‌রিতে পর্যাপ্ত পানি খেতে ভুলবেন না। চা-কফি খাওয়ার কারণেও পানিশূন্যতা হতে পারে।

পরিবর্তিত জীবনধারা অনুযায়ীই নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর এবং ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন। রাতে অনিদ্রার ভোগান্তি না হলে দিনে সুযোগ করে একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন।

শরীরচর্চা করতে পারেন ইফতারের পর। দিনে ব্যায়াম করতে চাইলে ভারী ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন। পড়ন্ত বেলায় কোনো ব্যায়াম না করাই ভালো।

সম্ভব হলে লম্বা সময়ের জন্য সরাসরি রোদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন।

এ ছাড়া ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা মাইগ্রেনে আক্রান্ত ব্যক্তি, যাঁদের নিয়মিত ওষুধ সেবন করতে হয়, তাঁরা রোজকার ওষুধ সেবনের সময়ের ব্যাপারে চিকিৎসকের সঙ্গে আলাপ করে নিন।

মাথাব্যথা হলে কী করবেন

রমজান মাসে দিনের বেলায় মাথাব্যথা হলে ওই মুহূর্তে আপনি পানি বা খাবারও খেতে পারেন না, আবার কোনো ওষুধও সেবন করতে পারেন না। ওই মুহূর্তে একটু বিশ্রাম নিতে পারেন। সম্ভব হলে কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে নিন। কাপড়ে বা তোয়ালেতে বরফ বা ঠান্ডা পানির বোতল পেঁচিয়ে কিছুক্ষণ চেপে রাখতে পারেন ব্যথার জায়গায়।

কখন যাবেন চিকিৎসকের কাছে

সাধারণ কোনো কারণে মাথাব্যথা হলে তীব্রতা খুব বেশি হয় না এবং এর সঙ্গে কোনো বিপজ্জনক লক্ষণও থাকে না। এমন কিছু লক্ষণ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক, যেসব থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত—

হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা

চোখে ঝাপসা দেখা

অতিরিক্ত বমি

অতিরিক্ত শারীরিক দুর্বলতা

এ ছাড়া যদি কেউ অসংলগ্ন আচরণ করেন, অজ্ঞান হয়ে যান, খিঁচুনি হয়, রক্তচাপ বা রক্তের শর্করা খুব বেশি বেড়ে বা কমে যায়, তাহলে তাঁকে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে।

রক্তের শর্করা ৪ মিলিমোল/লিটারের নিচে নেমে এলে চিনি-পানি খাইয়ে দিতে হবে, যদি তিনি খাওয়ার মতো অবস্থায় থাকেন।

এভাবে রক্তের সুগার স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসার সুযোগ না হলে জরুরি ভিত্তিতে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

মশার কয়েলেই সর্বনাশ! মধুখালীতে পুড়ল বসতঘর, মারা গেল গরু-ছাগল

মো. ইনামুল খন্দকার, মধুখালী:
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৯:৫১ পিএম
মশার কয়েলেই সর্বনাশ! মধুখালীতে পুড়ল বসতঘর, মারা গেল গরু-ছাগল

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের ডুমাইন পূর্বপাড়া গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি দরিদ্র পরিবারের বসতবাড়ি ও গোয়ালঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

রবিবার (০১ মার্চ) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে দিনমজুর মো. মিঠু শেখের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গোয়ালঘরে জ্বালানো মশার কয়েল থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে হঠাৎ আগুনের শিখা দেখা দিলে মুহূর্তের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে বসতঘর, রান্নাঘর ও গোয়ালঘরে। দাহ্য উপকরণ থাকার কারণে আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এতে ঘরের আসবাবপত্র, খাদ্যশস্যসহ গৃহস্থালির প্রায় সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এ ঘটনায় একটি গাভী গরু ও দুটি ছাগল আগুনে পুড়ে মারা যায়। এছাড়া ঘরে সংরক্ষিত পেঁয়াজ, রসুন, ধান ও চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীও সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ওই পরিবারের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

আগুন লাগার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং পানি ও বালু দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালান। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়, তবে ততক্ষণে সবকিছু পুড়ে যায়।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি এখন মানবেতর জীবনযাপন করছে। মাথা গোঁজার ঠাঁই ও খাদ্য সংকটে পড়েছে তারা। এলাকাবাসী জানায়, দিনমজুর মিঠু শেখের এই বাড়িটিই ছিল তার একমাত্র সম্বল।

সোমবার (০২ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. মো. ইলিয়াস মোল্লা। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং দ্রুত আর্থিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি যেন দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সে জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকারিভাবেও সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মধুখালী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আলীমুজ্জামান, জেলা জামায়াতের সূরা সদস্য মাওলানা শহিদুল ইসলাম, উপজেলা সেক্রেটারি নওসের আলী চৌধুরীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দ্রুত সরকারি সহায়তা প্রদান এবং পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি এমন দুর্ঘটনা এড়াতে ঘরে আগুন ব্যবহারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান সচেতন মহল।

রমজানে নিরাপদ ইফতার নিশ্চিত করতে ফরিদপুরে ব্যবসায়ীদের প্রশিক্ষণ

রেজাউল করিম বিপুল, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৯:২০ পিএম
রমজানে নিরাপদ ইফতার নিশ্চিত করতে ফরিদপুরে ব্যবসায়ীদের প্রশিক্ষণ

পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত ইফতার প্রস্তুত ও বিক্রি নিশ্চিত করতে ফরিদপুরে ইফতার বিক্রেতা ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। সচেতনতা বৃদ্ধির এই উদ্যোগে শহরের বিভিন্ন রেস্তোরাঁ মালিক ও খাদ্য প্রস্তুতকারীরা অংশগ্রহণ করেন।

সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে ফরিদপুর শহরের ইমাম উদ্দিন চত্বরে অবস্থিত অ্যাবলুম ক্যাফেটেরিয়া বারবিকিউ শাখায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও ফরিদপুর রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় শহরের প্রায় ৩০টি রেস্তোরাঁর মালিক, ব্যবস্থাপক ও খাদ্যকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ফরিদপুর কার্যালয়ের কর্মকর্তা আজমুল ফুয়াদ নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশনের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, রমজান মাসে ইফতারের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর খাবারের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। তাই ব্যবসায়ীদের দায়িত্বশীল আচরণ এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।

কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিপণন কর্মকর্তা সাহাদাত হোসেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান, ফরিদপুর রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম এবং সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সোহেলসহ সংশ্লিষ্টরা।

প্রশিক্ষণে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে ছিল—খাদ্য প্রস্তুতের আগে ও পরে হাত ধোয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পোশাক ব্যবহার, গ্লাভস, মাস্ক, এপ্রোন ও হেড কভার পরিধান করা, রান্নাঘরের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জীবাণুমুক্ত বাসনপত্র ব্যবহার নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে কাঁচা ও রান্না করা খাবার আলাদা রাখা, ফলমূল ও শাকসবজি ভালোভাবে ধুয়ে ব্যবহার করা এবং নিরাপদ উৎসের পানি ফুটিয়ে ব্যবহার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

খাবার সঠিক তাপমাত্রায় রান্না করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংরক্ষণ করাও প্রশিক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। বিশেষ করে রান্না করা খাবার দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করতে হলে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া একবার ব্যবহৃত তেল পুনরায় ব্যবহার না করা, অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার পরিহার করা এবং ক্ষতিকর কৃত্রিম রং ব্যবহার থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

প্রশিক্ষণে খোলা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ইফতার তৈরি ও বিক্রি, বাসি বা পঁচা উপকরণ ব্যবহার, খবরের কাগজ বা কালিযুক্ত কাগজে খাবার পরিবেশন এবং শিল্পে ব্যবহৃত রং ব্যবহার না করার ব্যাপারেও সতর্ক করা হয়। বক্তারা বলেন, এসব অনিয়ম মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করে।

আয়োজকরা জানান, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং নিয়মিত তদারকি জোরদার করা হবে। কর্মশালা শেষে ফরিদপুর জেলা রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির উদ্যোগে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

উনি নেই, তাই মনে হচ্ছে রোজাটা কেমন ফিকে ফিকে লাগছে: পরীমনি

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৯:০০ পিএম
উনি নেই, তাই মনে হচ্ছে রোজাটা কেমন ফিকে ফিকে লাগছে: পরীমনি

এবারের রমজান অনেকটা আলাদা। জীবনের প্রতিটা বাঁকে ছায়ার মতো পাশে থাকা প্রিয় নানুভাই আজ নেই বলে জানিয়েছেন ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনি।

সেই সঙ্গে সেহরি কিংবা ইফতারের সময়গুলো নানুভাইয়ের স্মৃতিতে বড্ড বেশি ভারাক্রান্ত হয়ে উঠছে বলেও জানান তিনি। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে নিজের ব্যক্তিজীবন, আসন্ন ঈদ এবং ক্যারিয়ারের নানা দিক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন পরীমনি।

অভিনেত্রী বলেন, বাসায় মুরব্বিরা নেই। তাই নানুভাইকে খুব মিস করছি। রোজার দিনে নানুভাইয়ের মেমোরিগুলোই আসলে বেশি মনে পড়ে। কারণ উনার জন্য সেহরি বানানো, ইফতারের আয়োজন করা— সব কিছুই উনাকে ঘিরেই ছিল আমার। উনি নেই, তাই মনে হচ্ছে রোজাটা কেমন একটা ফিকে ফিকে লাগছে বলে জানান তিনি।

পরীমনি বলেন, ইফতারিতে ভাজাপোড়া খাওয়া হয় না। আমি দুধ-কলা-ভাত বেশি পছন্দ করি। শরবত আর খেজুর দিয়েই সেরে ফেলি।’ তিনি বলেন, ঈদ কেন্দ্র করে আলাদা করে কেনাকাটা করার অভ্যাস নেই তার।

তবে নিজের চেয়েও ইন্ডাস্ট্রির ভালো থাকাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। আমাদের ইন্ডাস্ট্রি এবং আমাদের সিনেমা আমি চাই প্রত্যেকটা সিনেমাই ভালো করুক এবং ব্যবসায় সফল হোক। এখন ইন্ডাস্ট্রির জন্য এটা খুবই দরকার বলে জানান পরীমনি।

বর্তমান সিনেমার নতুন কাজ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, আপাতত যে কাজের জন্য আসছি, সেটিকেই ফোকাস করতে চাই। এখনই ঘটা করে সব কিছু বলে দেওয়ার তাড়া নেই। ইনশাআল্লাহ সামনে আপনাদের সব জানাব।