খুঁজুন
শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৬ চৈত্র, ১৪৩২

ফরিদপুরে পুলিশের হারানো অস্ত্র হাতে ব্যবসায়ীর ওপর হামলা, ৩.৭৫ লাখ টাকা লুট

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ২:৫০ পিএম
ফরিদপুরে পুলিশের হারানো অস্ত্র হাতে ব্যবসায়ীর ওপর হামলা, ৩.৭৫ লাখ টাকা লুট

ফরিদপুর পৌরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভাজনডাঙ্গা এলাকায় ব্যবসায়িক বিরোধের জেরে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১৭ মার্চ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কোতোয়ালী থানাধীন সাদিপুর ব্রিজ সংলগ্ন বাজারের একটি গদিতে এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলায় আহত ব্যবসায়ী মো. মাসুদ সিকদার (৩০) ও তার পিতা মো. দেলোয়ার সিকদারকে (৫৫) স্থানীয়রা উদ্ধার করে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। এই ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ভাজনডাঙ্গা এলাকার বালু ব্যবসায়ী মাসুদ সিকদার ঘটনার রাতে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসে শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধ করছিলেন। এসময় পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিবেশী ব্যবসায়ী শাফায়েত সিকদার ওরফে জয় ও শাহীন সিকদারের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী অতর্কিতে তার অফিসে প্রবেশ করে। হামলাকারীরা মাসুদের গলায় ছুরি ধরে তাকে জিম্মি করে এবং গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা চালায়।

একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা ড্রয়ারে থাকা নগদ ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। মাসুদ বাধা দিতে গেলে শাহীন সিকদার তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে রামদা দিয়ে মাথায় কোপ দেন। আত্মরক্ষার্থে হাত বাড়িয়ে দিলে তার বাম হাতের বাহুতে লেগে গুরুতর জখম হয়। এসময় ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে পিতা দেলোয়ার সিকদারও সন্ত্রাসীদের লাঠি ও রডের আঘাতে আহত হন।

আহত মাসুদ সিকদার জানান, প্রতিবেশী ব্যবসায়ী এমদাদ মিয়ার উস্কানিতে জয়, নিরব, বিজয় ও তুহিনসহ বেশ কয়েকজন বহিরাগত সন্ত্রাসী এই হামলা চালিয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীদের হাতে পুলিশের খোয়া যাওয়া আগ্নেয়াস্ত্র সদৃশ বস্তু দেখা গেছে, যা দিয়ে তাকে ভয় দেখানো হয়। স্থানীয় বাসিন্দা সামছু শেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কোনো কারণ ছাড়াই প্রকাশ্য দিবালোকে এভাবে কুপিয়ে জখম করার বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে কোতোয়ালী থানা এলাকায় পুলিশের হারানো অস্ত্র একদল যুবকের হাতে থাকার গুঞ্জন স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ভীতি সৃষ্টি করেছে।

তবে এই বিষয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন অসংখ্য অভিযোগ থানায় আসে এবং সব বিষয় তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত করা সম্ভব হয় না। হারানো অস্ত্রের বিষয়ে তিনি এখনো অবগত নন বলে উল্লেখ করেন। বর্তমানে ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

‘টাকা না দিলে কাজ হয় না’—বোয়ালমারীতে প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৯:২২ পিএম
‘টাকা না দিলে কাজ হয় না’—বোয়ালমারীতে প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঘুষের অভিযোগ

ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) মো. মনিরুজ্জামান সিকদার ও নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ইমামদের সাথে দূর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে ও তাদের অপসারণের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বোয়ালমারী উপজেলা ইমাম মুয়াজ্জিন পরিষদ।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে নাজ ক্যাবল অপারেটরের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ খানের নিজস্ব কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে ঈদ উপলক্ষে পৌরসভা কর্তৃক প্রতিবছর ইমামদের সম্মানে বরাদ্দকৃত অর্থ প্রদানে বিভিন্ন টালবাহানা ও গড়িমশিসহ ইমামদের সাথে দুর্ব্যবহার করায় তাদের অপসারণ দাবি করেন বোয়ালমারী ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদের সভাপতি ও বোয়ালমারী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের (বাইতুল হামদ) পেশ-ইমাম মাওলানা হোসাইন আহমাদ।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বোয়ালমারীর পৌরসভা থেকে পৌর মেয়র মহোদয়গণ পৌর সভার মধ্যের সকল মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের ঈদ উপলক্ষে একটি আর্থিক অনুদান দিয়ে এসেছেন। অর্থটা যৎসামান্য হলেও ধর্মীয় নেতাদের সম্মানিত করায় আমরা গর্ববোধ করেছি। বর্তমান প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম রকিবুল হাসান আগের ধারাটা বজায় রাখলেও পৌর সচিব মো. মনিরুজ্জামান সিকদার ও নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুর রহমান অর্থ ছাড় দিতে নানা টালবাহানার আশ্রয় নেন। এমন কী ভবিষ্যতে এ ধরনের অর্থ ছাড় যাতে না হয় সে বিষয়ে দেখে নিবেন বলেও হুমকি দেন। সংবাদ সম্মেলনে এসময় সচিব ও নির্বাহী প্রকৌশলীর অপসারণের দাবি তোলেন উপস্থিত ইমামগণ।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন, বোয়ালমারী ইমাম-মুয়াজ্জিন পরিষদের উপদেষ্টা, সাবেক কাউন্সিলর আঃ সামদ খান, তিনি সচিব ও নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মশা নিধন ওষুধ ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়ম তুলে ধরে বলেন ৬ লাখ টাকার মশক নিধন ওষুধ ক্রয় করে তার বিল করেছে ১৩ লাখ টাকা। পৌরসভার যে কোনো উন্নয়ন প্রকল্পে নির্বাহী প্রকৌশলীকে ১% উৎকোচ না দিলে ফাইল নড়ে না। মেয়র, কাউন্সিলর না থাকায় তারা নিজেকে পৌরসভার সর্বেসর্বা ভাবেন, কোনো মানুষকে সম্মান দেন না,এমন কী ইমামদের বরাদ্দের টাকা থেকেও কৌশলে একটা অংশ কেটে রাখার চেষ্টা করছিলেন তারা। সাবেক এ কাউন্সিলার ঈদের পর এ সচিব ও নির্বাহী প্রকৌশলীকে অপসারণ করা না হলে কঠোর আন্দোলনে নামার হুশিয়ারী দিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যন্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দক্ষিণ কামারগ্রাম পুরাতন জামে মসজিদের ইমাম মাও. মাহবুবুল হক, দারুস সালাম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতীব হা. মাও.রুহুল আমীন,কামারগ্রাম বায়তুল মোয়াজ্জেম জামে মসজিদের ইমাম ও খতীব মাওলানা আ. আহাদ, পানি উন্নয়ন বোর্ড জামে মসজিদের (ওয়াপদা) ইমাম ও খতীব মুফতী আবুল হাসান, বোয়ালমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জামে মসজিদের ইমাম ও খতীব মাও. মুফতী তৈয়বুর রহমান। এ সম্মেলনে পৌরসভার সকল মসজিদের ৫০/৬০ জন ইমাম উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুর রহমান জানান, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সঠিক নয়। এসবের দ্বায়িত্ব আমার নয়। আমার দ্বায়িত্ব রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন মূলক কাজকর্ম ও ঠিকাদারদের দেখা।

দেশের আকাশে শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ শনিবার

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩১ পিএম
দেশের আকাশে শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ শনিবার

দেশের আকাশে কোথাও পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে শুক্রবার (২০ মার্চ) পবিত্র রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং শনিবার (২১ মার্চ) দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান ধর্ম মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দেশের আকাশে কোথাও শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামীকাল শুক্রবার দেশে ৩০ রমজান পূর্ণ হবে এবং শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে।

এর আগে বুধবার (১৮ মার্চ) চাঁদ দেখা সাপেক্ষে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করে। ওইদিন মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে বৃহস্পতিবার পবিত্র রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে এবং আগামীকাল শুক্রবার (২০ মার্চ) মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে উদ্‌যাপিত হতে যাচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর।

সূত্র : চ্যানেল২৪

ফরিদপুরে ঈদের আগে ১০ হাজার পরিবারের মুখে হাসি

হাসান মাতুব্বর (শ্রাবণ), ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৫ পিএম
ফরিদপুরে ঈদের আগে ১০ হাজার পরিবারের মুখে হাসি

ফরিদপুরে পবিত্র ঈদুল-ফিতরের দুইদিন আগেই দশ হাজার পরিবারের মুখে হাসি ছড়িয়েছেন শিল্প প্রতিষ্ঠান অকো-টেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহান (সিআইপি)। তিনি অকো-টেক্স গ্রুপের সাজিদ সোবহান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সাড়ে ৯ হাজার পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার ও তিন শতাধিক পরিবারকে বয়স্ক ও বিধবা ত্রৈমাসিক ভাতা বিতরণ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ১০ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত নিজ গ্রাম জেলা সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের পুরদিয়া আনসার আলী মিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে এসব বিতরণ করা হয়। পৃথক দুই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম এবং সভাপতিত্ব করেন ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহান (সিআইপি)।

ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, প্রতিবছরের ন্যায় জেলা সদরের কানাইপুর, কৈজুরী, চাঁদপুর ও কৃষ্ণনগর এবং পাশ্ববর্তী সালথা উপজেলার গট্টি ও আটঘর ইউনিয়নের প্রায় ১০ হাজার উপকারভোগী পরিবারের তালিকাভূক্ত করে বিশেষ স্লিপের মাধ্যমে এসব বিতরণ করা হয়েছে। এরমধ্যে সাড়ে ৯ হাজার পরিবারকে ঈদ সামগ্রী ও উপহার তুলে দেয়া হয়। যার মধ্যে রয়েছে, এক কেজি চিনি, এক প্যাকেট সেমাই এবং একটি শাড়ি, লুঙ্গি, পাঞ্জাবি ও থ্রী-পিস; যা নারী-পুরুষ হিসেবে দুটি ভিন্ন প্যাকেজ করে দেয়া হয়।

এছাড়া একই দিনে ৩১২ জন পরিবারকে বয়স্ক ও বিধবা ভাতা বিতরণ করা হয়। যারমধ্যে রয়েছে- ২৫ কেজি চাউল, ৩ কেজি ডাউল, ২ লিটার সোয়াবিন তেল ও নগদ পাঁচশত টাকা।

এ অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহান সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘কেউ অতৃপ্তি নিবেন না; কারণ, এটা আপনাদের হক। আর এই হক আমাদের সাধ্যনুযায়ী আদায় করার চেষ্টা করেছি। আপনাদের হক, আপনাদের দিয়ে আমরা ভার মুক্ত হচ্ছি। আপনারা যেন নিজেরাও যাকাত দিতে পারেন, সেই স্বচ্ছলতা আল্লাহ আপনাদেরও দান করুক।’

এ সময় পুলিশ সুপার মো: নজরুল ইসলাম বলেন, ‘উনার (ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবহান) একটা মহৎ হৃদয় রয়েছে এবং সমাজের জন্য কিছু করার আগ্রহ আছে; যেটা সবার মধ্যে থাকে না। অনেক মিলিয়নার, বিলিয়নার আছে কিন্তু যাকাত দেয়া হচ্ছে না। শুনেছি, সোবহান সাহেব প্রতিবছরই এই যাকাত দিয়ে থাকেন, যেটা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি আমাদের ধর্মের অনুসঙ্গ হিসেবে পালন করছেন। এই যাকাত সমাজের ধনী-গরিবের বৈষম্য কিছুটা হলেও নিরসন করে থাকে। সেক্ষেত্রে সঠিকভাবে যাকাত দেয়ার ক্ষেত্রে সকলেরই এগিয়ে আসা উচিৎ।’

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া, কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম, অকো-টেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মতিয়া বেগম, সাজিদ সোবহান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা বৃন্দ, আনসার আলী মিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকা বৃন্দসহ সহ আরও অনেকে।