খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ১৭ চৈত্র, ১৪৩২

প্রথমবার ভোট? এই তথ্যগুলো জানা জরুরি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৮ পূর্বাহ্ণ
প্রথমবার ভোট? এই তথ্যগুলো জানা জরুরি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এসেছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এবারের নির্বাচনে একটি নয়, দিতে হবে দুটি ভোট। সংসদ সদস্য নির্বাচিত করার পাশাপাশি ভোটাররা দেবেন গণভোটও। নির্বাচনী ব্যালটে যেখানে বিভিন্ন দলের প্রতীক থাকে, সেখানে গণভোটে থাকবে দুটি অপশন। ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোটের মাধ্যমে ভোটাররা তাদের মত জানাবেন।

তাই নির্বাচনের পূর্বে প্রস্তুতিও নিতে হবে ভোটারদের। ভোট দেওয়া শুধু ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশের বিষয় নয়; এটি দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। নতুন ভোটারদের কাছে এই অভিজ্ঞতা যেমন আনন্দের, তেমনি দায়িত্বেরও। নাগরিক অধিকার প্রয়োগের এই মুহূর্তকে অর্থবহ করতে হলে আগে থেকেই কিছু বিষয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।

ভোটার আইডি নিশ্চিত করুন

ভোট দিতে হলে অবশ্যই ভোটার তালিকায় আপনার নাম থাকতে হবে এবং সঙ্গে রাখতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার স্লিপ। তাই ভোটের দিন যাওয়ার আগে তালিকায় নাম আছে কি না, তা যাচাই করে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

প্রার্থীদের সম্পর্কে জানুন

ভোট দেওয়ার আগে প্রার্থীদের কর্মসূচি, নীতিমালা ও আগের কাজকর্ম সম্পর্কে ধারণা নেওয়া জরুরি। শুধু পরিচিতি বা জনপ্রিয়তার ওপর নির্ভর না করে নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম, সোশ্যাল মিডিয়া ও প্রিন্টের তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়াই শ্রেয়।

ভোট দিতে যা লাগবে

ভোটকেন্দ্রে যেতে অতিরিক্ত কিছু প্রয়োজন নেই। জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার স্লিপ থাকলেই যথেষ্ট। অপ্রয়োজনীয় জিনিস, বড় ব্যাগ বা স্মার্টফোন সঙ্গে না নেওয়াই ভালো।

ভোটের দিনের প্রস্তুতি

ভোটকেন্দ্র কোথায়, ভোটের সময়সূচি কী এবং কীভাবে সেখানে পৌঁছাবেন— এসব বিষয় আগে থেকেই পরিকল্পনা করে রাখলে ঝামেলা কমে। লাইনে দাঁড়ানোর নিয়ম বা কেন্দ্রের ভেতরে কী নেওয়া যাবে, তা জানা থাকলে চাপও কম অনুভূত হবে।

ভোটকেন্দ্রে ছবি তোলা নিষেধ

ভোট দেওয়ার পর বাইরে সেলফি তোলা গেলেও ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ছবি তোলা, ভিডিও করা বা চেক-ইন দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ফোন সঙ্গে থাকলে কেন্দ্রের ভেতরে ঢোকার আগে সেটি বন্ধ রাখতে হবে।

নিজের ভোটকেন্দ্র জেনে নিন

নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রের অবস্থান আগে থেকেই নিশ্চিত করা জরুরি। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বা স্থানীয় নির্বাচন অফিস থেকে কেন্দ্রের ঠিকানা ও সময়সূচি জেনে নেওয়া যায়। এতে অযথা দেরি বা বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব।

ভোটের প্রক্রিয়া বুঝে নিন

ভোটার যাচাই থেকে শুরু করে ভোট দেওয়ার প্রতিটি ধাপ সম্পর্কে ধারণা থাকলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। নির্বাচনকর্মীদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচয় নিশ্চিত করার পর ইভিএম বা ব্যালট ইউনিটে পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে হবে।

গোপনীয়তা রক্ষা করা

ভোট দেওয়ার সময় গোপনীয়তা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি কাকে ভোট দিচ্ছেন, তা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়।

ভোট মানে শুধু একটি বোতাম চাপা বা সিল দেওয়া নয়—এটি নিজের মত প্রকাশ এবং ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। সচেতনতা ও প্রস্তুতি থাকলে প্রথম ভোটের অভিজ্ঞতাও হয়ে উঠতে পারে আরও আত্মবিশ্বাসী ও অর্থবহ।

তরমুজের উপর লবণ ছড়িয়ে খাওয়া কি ভালো?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ৬:২১ পূর্বাহ্ণ
তরমুজের উপর লবণ ছড়িয়ে খাওয়া কি ভালো?

গরম পুরোপুরি পড়ার আগেই বাজারে তরমুজ এসে গেছে। স্বাদের কারণে এই ফলটি সবার কাছে বেশ জনপ্রিয়। অনেকে আবার স্বাদ বাড়াতে মাঝেমধ্যে তরমুজের উপর নুন, চাটমসলা ছড়িয়ে খান। এ ভাবে তরমুজ খাওয়া কি ভালো? এ বিষয়ে নানা তথ্য জানানো হয়েছে ভারতীয় অনলাইন ‘এই সময়ে’’র এক প্রতিবেদনে। 

 তরমুজের স্বাদ বাড়ায়

এক চিমটে লবণ দিলে তরমুজের স্বাদ আরও বেড়ে যায়। ২০২৩ সালে ইলাইফ জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, লবণের মধ্যে থাকা ক্লোরাইড আয়ন মিষ্টি স্বাদের রিসেপ্টরের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে। এর ফলে মিষ্টি ভাব আরও বেশি অনুভূত হয়। সহজ ভাষায় বলতে গেলে লবণ তরমুজের প্রাকৃতিক মিষ্টতাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতি মেটায়

তরমুজে ৯২ শতাংশ পানি থাকায় এটি শরীরকে ঠান্ডা ও হাইড্রেটেড রাখে। এতে শরীরের জন্য উপকারী পটাশিয়াম, মিনারেলও পাওয়া যায়। কিন্তু এতে সোডিয়ামের মাত্রা কম থাকে। এই গরমে শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে হলে তরমুজের উপর লবণ ছড়াতে পারেন। লবণে থাকা সোডিয়াম, ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। লবণ ছড়িয়ে তরমুজ খেলে শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতি মেটে।

হজমে সহায়তা করে

লবণ পাকস্থলীতে পাচক রস নিঃসরণ বাড়াতে সাহায্য করে। এর ফলে তরমুজ দ্রুত হজম হয়ে যায়। যদিও তরমুজ সহজপাচ্য। তাও অনেকেরই তরমুজ খাওয়ার পর পেট ফাঁপে। তরমুজে লবণ ছড়িয়ে খেলে এই সমস্যা অনেকটাই কমে।

কতটা লবণ ব্যবহার করবেন?
বেশি লবণ দিলে তরমুজের প্রাকৃতিক স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। পাশাপাশি শরীরে অতিরিক্ত সোডিয়াম প্রবেশ করে। এক বাটি তরমুজের উপর এক চিমটে লবণ বা চাটমশলাই যথেষ্ট। লবণ ছাড়াও বিট লবণ, চাটমশলা এবং লেবুর রস যোগ করতে পারেন। এতেও তরমুজের স্বাদ বাড়বে।

সূত্র : এই সময়

পরিবারের দুঃখ-কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি, আমি সাংবাদিক না : তাইজুল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ণ
পরিবারের দুঃখ-কষ্ট ভুলতেই ভিডিও করি, আমি সাংবাদিক না : তাইজুল

‘জিলাপি আজকে কত করে বেচতেছেন সরকারি রেটে? সাদাডা কত, লালডা কত? যদি জনগণকে বলতেন, তাহলে অনেক খুশি হইতাম’—দোকানিকে এমন প্রশ্ন করে রাতারাতি ভাইরাল বনে গেছেন কুড়িগ্রামের কনটেন্ট ক্রিয়েটর তাইজুল ইসলাম (৩০)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি এখন ‘তাজু ভাই ২.০’ নামেই পরিচিত। হুহু করে বাড়ছে তার ফলোয়ার।

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের উত্তর ঢাকডহর সরকারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা তাইজুল ইসলাম। অভাব-অনটনের কারণে কোনোদিন স্কুলের বারান্দায় পা রাখা হয়নি তার। তবে অজপাড়াগাঁয়ে বাস করা এই যুবকের একটি ভিডিও সম্প্রতি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে।

‘তাজু ভাই ২.০’ নামের ফেসবুক পেজ থেকে মহান স্বাধীনতা দিবস (২৬ মার্চ) উপলক্ষে স্থানীয় নারায়ণপুর বাজারে জিলাপি বিক্রির একটি ভিডিও করেন তিনি। ভিডিওতে তিনি দোকানির কাছে জানতে চান, জিলাপি ‘সরকারি রেটে’ বিক্রি হচ্ছে কি-না। তার এই সহজ-সরল উপস্থাপনার ভিডিওটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, তাজু ভাই স্থানীয় একটি দোকানে গিয়ে জিলাপি বিক্রি নিয়ে গ্রাম্য ভাষায় কথা বলছেন। তিনি বলেন, ‘অনেক এখানে দোকানপাট, অনেক জিলাপি ভাজতেছে। তার কাছে আমি প্রশ্ন করবো—জিলাপি কত করে বিক্রি করছেন? সাদাডা কত, লালডা কত?’ এরপরই তিনি দোকানিকে প্রশ্ন করেন, ‘জিলাপি আজকে কত করে বেচতেছেন সরকারি রেটে? যদি জনগণকে বলতেন তাহলে অনেক খুশি হইতাম।’

এ ভিডিওর পর তাইজুল ইসলামের ফলোয়ার বাড়ছে হুহু করে। বর্তমানে তার ফলোয়ার প্রায় ৯০ হাজার। ভাইরাল হওয়ার আগে যা ছিল মাত্র ছয় হাজার।

জিলাপি বিক্রির ওই ভিডিওটি এরইমধ্যে প্রায় ৫৫ লাখ মানুষ দেখেছেন। ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একদল তার সরলতার প্রশংসা করলেও অন্যদল তাকে নিয়ে ট্রল বা ব্যঙ্গ করছেন।

ব্যক্তিজীবনে তাইজুল ইসলাম নাগেশ্বরী উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদবেষ্টিত নারায়ণপুর ইউনিয়নের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। ছয় ভাই-বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। পেশায় তিনি একজন রাজমিস্ত্রির সহকারী (হেলপার)। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কাজের ফাঁকে শখের বশে এমন মজার ভিডিও তৈরি করেন তিনি।

এ বিষয়ে তাইজুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বাবা-মা দুজনই শ্রবণপ্রতিবন্ধী। পরিবারের দুঃখ-কষ্ট ভুলতেই আমি ভিডিও করি। আমি সাংবাদিক না। আপনারা সাংবাদিকরা নারায়ণপুরে আসেন না, আমাদের এলাকার খবর করেন না—তাই আমি নিজেই ভিডিও করি। আমি বোকাসোকা মানুষ, ভুল হতেই পারে। আমাকে ট্রল করলেও আমার কষ্ট নেই। আমি শুধু চাই চরের মানুষের উন্নয়ন হোক।’

নারায়ণপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ওই ছেলের বাড়ি আমার পরিষদের সামনেই। তবে সে যে ভিডিও করে ভাইরাল হয়েছে, তা আজই প্রথম শুনলাম।’

সূত্র : জাগোনিউজ২৪

তেল সংকটে বাড়তে পারে সাপ্তাহিক ছুটি, সিদ্ধান্ত হতে পারে বৃহস্পতিবার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
তেল সংকটে বাড়তে পারে সাপ্তাহিক ছুটি, সিদ্ধান্ত হতে পারে বৃহস্পতিবার

দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জালানি তেলের ওপর সৃষ্টি হওয়া চাপের প্রভাব কমাতে এবং জ্বালানি সাশ্রয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। জ্বালানি খাতের ওপর চাপ কমাতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানোর বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জালানি তেলের ওপর সৃষ্টি হওয়া চাপের প্রভাব কমাতে এবং জ্বালানি সাশ্রয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। জ্বালানি খাতের ওপর চাপ কমাতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানোর বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠেয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। নতুন সরবরাহ কমে আসায় বিদ্যমান মজুত দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভাবছে বলে জানা গেছে।

একই সঙ্গে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা অথবা বাসা থেকে অফিস (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) কর্মসূচি চালুর বিষয়েও প্রাথমিক আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

সূত্র জানিয়েছে, জ্বালানি সাশ্রয়ের উপায় খুঁজতে ইতোমধ্যে প্রতিটি সরকারি সংস্থাকে নিজস্ব সাশ্রয়ী প্রস্তাব তৈরি করতে বলা হয়েছে। আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হবে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনার পরই সাপ্তাহিক ছুটি বা অফিসের সময়সূচি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

পরিবহন খাতে জ্বালানির ব্যবহার কমাতে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আংশিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছে সরকার। বিশেষ করে বড় শহরগুলোতে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত কমিয়ে কীভাবে জ্বালানি সাশ্রয় করা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে।

এদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় রবিবার (২৯ মার্চ) সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য ১১টি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। মাঠ প্রশাসনের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। এই নির্দেশনায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি অফিস কক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন