খুঁজুন
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩

জাতীয় স্বীকৃতিতে উজ্জ্বল ভাঙ্গার ডা. নাদিম, দেশসেরা ইউএইচএফপিও নির্বাচিত

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ
জাতীয় স্বীকৃতিতে উজ্জ্বল ভাঙ্গার ডা. নাদিম, দেশসেরা ইউএইচএফপিও নির্বাচিত

স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান উন্নয়ন ক্যাটাগরিতে দেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. তানসিভ জুবায়ের নাদিম। তার এ অর্জন শুধু ভাঙ্গা নয়, গোটা ফরিদপুর জেলার জন্য গৌরবের বিষয় হয়ে উঠেছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত ইউএইচএফপিও সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে এ সম্মাননা প্রদান করেন।

জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, রোগীবান্ধব সেবা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতা আনা এবং সেবাগ্রহীতাদের সন্তুষ্টি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। বিশেষ করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার নেতৃত্বে সেবার গতি ও মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

ডা. নাদিমের উদ্যোগে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রোগীদের জন্য উন্নত সেবা পরিবেশ সৃষ্টি, চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা জোরদার, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যসেবার প্রসার এবং জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি আস্থা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে।

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাতচন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যেই তাদের কাজকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও জনমুখী করতে এ ধরনের সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

ডা. তানসিভ জুবায়ের নাদিমের এ সাফল্যে ফরিদপুরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তার এই অর্জন ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত করতে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।

কুরআন অবমাননার অভিযোগে ফরিদপুরে মানববন্ধন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৫ অপরাহ্ণ
কুরআন অবমাননার অভিযোগে ফরিদপুরে মানববন্ধন, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

পবিত্র কুরআন শরিফ অবমাননার অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। “সচেতন নাগরিকবৃন্দ, ফরিদপুর” ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন সামাজিক ও ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, আলফাডাঙ্গা উপজেলার প্রদীপ পাল নামীয় একটি ফেসবুক আইডি থেকে কুরআন শরিফ অবমাননাকর পোস্ট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে, যা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে এবং সমাজে উত্তেজনা ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি করেছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ফরিদপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক কাজী রিয়াজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম রাকিবুল ইসলাম, সদস্য সচিব আশিকুর রহমান সজল, সালমান রহমান পিয়াল, সহ-মুখপাত্র মাশরাফি আফ্রিদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ নিয়ে এমন অবমাননাকর কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা অবিলম্বে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি জোরদারের আহ্বান জানান।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে তাদের প্রতিবাদ জানান এবং সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। বক্তারা আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে দায়িত্বশীলতা জরুরি, যাতে গুজব বা উসকানিমূলক তথ্য ছড়িয়ে সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি না হয়।

মানববন্ধন শেষে আন্দোলনকারীরা ফরিদপুরের পুলিশ সুপারের নিকট একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপিতে দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানানো হয়।

ফরিদপুরে হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু, ঝুঁকিতে শতাধিক শিশু

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু, ঝুঁকিতে শতাধিক শিশু

ফরিদপুরে হামের উপসর্গে একের পর এক শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সর্বশেষ শনিবার (১৮ এপ্রিল) আট মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে জেলায় মোট মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫ জনে। একই সময়ে আক্রান্তের সংখ্যাও আশঙ্কাজনক হারে দিনে দিনে বাড়ছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) ফরিদপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ মৃত শিশু আবদুল্লাহ (৮ মাস) শহরের পশ্চিম আলীপুর এলাকার বাসিন্দা। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শুক্রবার দিবাগত রা ২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর শহরের আলীপুর এলাকার আব্দুল্লাহ নামে শিশুটি হামের উপসর্গ নিয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হলেও রিপোর্ট এখনও পাওয়া যায়নি। তবে উপসর্গের ভিত্তিতে চিকিৎসকরা এটিকে ‘ক্লিনিক্যালি হামজনিত মৃত্যু’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

বর্তমানে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও সদর জেনারেল হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৬৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন আরো ১৬ জন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত মোট ৩৫৭ জন রোগী হামের চিকিৎসা নিয়েছেন। মৃতদের মধ্যে ফরিদপুর ছাড়াও গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও রাজবাড়ী জেলার শিশুরা রয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দাবি, হামজনিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির ব্যাপারে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। শনিবার সিভিল সার্জন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। তবে শুধু জেলা ও উপজেলা হলরুমে সভা করেই স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে। শনিবার পর্যন্ত ই্উনিয়ন বা ওয়ার্ড পর্যায়ে কোন সভা বা ক্যাম্পেইন করার কথা শুনতে পারেননি শিশুদের অভিভাবকরা। এমন অভিযোগ জানিয়েছেন কয়েকজন অভিভাবকরা।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান জানান, ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে টিকার আওতায় আনতে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত দেশব্যাপী হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, পূর্বে টিকা নেওয়া থাকলেও এই ক্যাম্পেইনে প্রতিটি শিশুকে অতিরিক্ত এক ডোজ টিকা দেওয়া হবে, যা তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরো বাড়াবে।

সিভিল সার্জন বলেন, হাম-রুবেলা প্রতিরোধে টিকার কোনো বিকল্প নেই। সকল অভিভাবককে শিশুদের নির্ধারিত কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে টিকা দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

ইউনিয়নের গ্রামঞ্চলে এখনো কোন ক্যাম্পেইন বা সভা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে সিভিল সার্জন বলেন, সময় কম পাওয়ায় এখনো গ্রামঞ্চলে ক্যাম্পেইন হয়নি। তবে জেলা ও উপজেলায় ক্যাম্পেইন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রচারের জন্য কোন সভা বা ক্যাম্পেইন হবে না, বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য কর্মীরা প্রচারণা করবেন।

ফরিদপুরে ২০ এপ্রিল থেকে দেওয়া হবে হামের টিকা, চলবে ১০ মে পর্যন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ২০ এপ্রিল থেকে দেওয়া হবে হামের টিকা, চলবে ১০ মে পর্যন্ত

ফরিদপুরে হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধে জাতীয় পর্যায়ের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১১টায় ফরিদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে সদর হাসপাতালের তৃতীয় তলার মিলনায়তনে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান সাংবাদিকদের উদ্দেশে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশে সাম্প্রতিক সময়ে হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনতে সরকার এই বিশেষ ক্যাম্পেইন হাতে নিয়েছে। এর আওতায় প্রতিটি শিশুকে বিনামূল্যে এক ডোজ হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা প্রদান করা হবে।

তিনি আরও জানান, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত দেশব্যাপী এ কার্যক্রম চলবে। ফরিদপুর জেলায় মোট ২,৬৯৩টি টিকাদান কেন্দ্রে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিশুদের টিকা দেওয়া হবে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে ৭৩৮টি স্থায়ী ইপিআই কেন্দ্র, ১০টি অতিরিক্ত কেন্দ্র, ১৪টি বিশেষ টিকাদান কেন্দ্র এবং ১,৯৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত অস্থায়ী কেন্দ্র।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পূর্বে নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় ৯ ও ১৫ মাস বয়সে টিকা গ্রহণ করলেও এই ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রতিটি শিশু অতিরিক্ত একটি ডোজ টিকা পাবে। এতে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও জোরদার হবে। তবে দুটি ডোজের মধ্যে অন্তত ২৮ দিনের ব্যবধান বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ফরিদপুর জেলায় এ ক্যাম্পেইনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৫ জন শিশু। জেলার ৯টি উপজেলা, ৭৯টি ইউনিয়ন, ২৩৭টি ওয়ার্ড এবং পৌরসভার ২৭টি ওয়ার্ড এই কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ক্যাম্পেইন সফল করতে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ আয়োজন করা হয়েছে। মসজিদসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ইমামদের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দিতে চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে।

এ সময় বক্তব্য রাখেন প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক পান্না বালা। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, “হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে এই ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অপপ্রচার রোধ করে সবাইকে সচেতন করতে পারলে আমরা একটি সুস্থ ও নিরাপদ প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারব।” তিনি এ কার্যক্রম সফল করতে সাংবাদিকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।