খুঁজুন
, ,

এনসিপির নতুন এমপি কারা? কোথায় কার জয়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪৯ পূর্বাহ্ণ
এনসিপির নতুন এমপি কারা? কোথায় কার জয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছয়জন প্রার্থীর বেসরকারিভাবে জয়ী হওয়ার তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের দল এনসিপি। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত পাওয়া বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, দলটির যে ছয় প্রার্থী হয়েছেন, তাঁরা হলে—নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেন, হাসনাত আবদুল্লাহ, আবদুল হান্নান মাসউদ, আবদুল্লাহ আল আমিন ও আতিকুর রহমান মোজাহিদ।

গত বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। আজ দুপুর ১২টা নাগাদ পাওয়া তথ্যে বেসরকারি ফলাফলে বিএনপি ও তার মিত্ররা ১৮২টি আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছে। জামায়াত ও তার মিত্ররা জয়ী ৬৯টি আসনে। এর মধ্যে এনসিপি জয়ী ৬টি আসনে।

ঢাকা-১১ আসনে নাহিদ ইসলাম

ঢাকা-১১ আসনের বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এই আসনে শাপলা কলি প্রতীকে তিনি ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী এম এ কাইয়ুম। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট। অর্থাৎ নাহিদ ইসলাম ২ হাজার ৩৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। এই আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৬৩টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। ভোটের হার ছিল ৪৫ শতাংশ। আসনটির মোট ভোটার ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৯৬ হাজার ৩৭০ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৫১৭টি। সেই হিসাবে বৈধ ভোট ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৫৩টি।

রংপুর-৪ আসনে আখতার হোসেন

রংপুর-৪ আসনে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন। শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৬ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৪ ভোট। আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবু নাসের শাহ মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৬৬৪ ভোট। ৫ লাখ ৯ হাজার ৯০৬ ভোটারের এই আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ছিল ১৬৪টি। ভোট পরার শতকরা হার ৬৪ দশমিক ৩৫।

কুমিল্লা-৪ আসনে হাসনাত আবদুল্লাহ

কুমিল্লা-৪ আসনে এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ জয়ী হয়েছেন। শাপলা কলি প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৮৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি-সমর্থিত গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী জসিম উদ্দিন। তিনি ট্রাক প্রতীকে ৪৯ হাজার ৮৮৫ ভোট পেয়েছেন।

নোয়াখালী-৬ আসনে আবদুল হান্নান মাসউদ

নোয়াখালী-৬ আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৯৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহবুবের রহমান পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২১ ভোট।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আব্দুল্লাহ আল আমিন

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন ১ লাখ ৬ হাজার ১৭১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী মনির হোসেন কাসেমী। তিনি পেয়েছেন ৮০ হাজার ৬১৯ ভোট।

কুড়িগ্রাম-২ আসনে আতিকুর রহমান মোজাহিদ

কুড়িগ্রাম-২ আসনে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান মোজাহিদ ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৬৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৫ ভোট।

সূত্র : প্রথম আলো

বোয়ালমারীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষের ৩ দিন পর খাদে মিলল নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ
বোয়ালমারীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষের ৩ দিন পর খাদে মিলল নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বাস ও ইটবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষের তিনদিন পর দুর্ঘটনাস্থলের পাশের খাদ থেকে হাফিজুর রহমান (২৪) নামে এক নিখোঁজ কলেজছাত্রের গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।

​বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের পাইকহাটি এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়।

​নিহত হাফিজুর রহমান গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার পিঙ্গুলিয়া গ্রামের সন্তান। তিনি তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন। হাফিজুর বোয়ালমারী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সপ্তম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন।

​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৭ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাঝকান্দি-বোয়ালমারী-ভাটিয়াপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের পাইকহাটি এলাকায় ফরিদপুরগামী একটি লোকাল বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা ইটবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে পাশের খাদে উল্টে পড়ে এবং ট্রাকটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লেগে আটকে যায়। দুর্ঘটনায় উভয় যানের চালক ও হেলপারসহ অন্তত ২০ জন আহত হন।

​ঘটনার পর থেকে বাসের যাত্রী হাফিজুর রহমান নিখোঁজ ছিলেন। স্বজনরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ না পেয়ে কাশিয়ানী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

​বোয়ালমারী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ জাহিদুল হক জানান, সেদিন সকালে ব্যাসপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে ফরিদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সেমিস্টার পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিলেন হাফিজুর। উদ্ধারের সময়ও তার গলায় কলেজের পরিচয়পত্র ও ব্যাজ ঝুলছিল।

​বুধবার সকাল ৯টার দিকে দুর্ঘটনাস্থলের পাশের বিলে লাশ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশে খবর দেয়। বোয়ালমারী ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।

​বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুস্তাফিজুর রহমান জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও ট্রাক জব্দ করে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের যে ৪ কারণ? এক পলকে দেখে নিন

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৮ পূর্বাহ্ণ
অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের যে ৪ কারণ? এক পলকে দেখে নিন

একটা সময় পর্যন্ত হার্ট অ্যাটাককে ভাবা হতো বয়স্কদের সমস্যা। কিন্তু এখন তরুণ বয়সেই হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। এই কারণে প্রাণ হারানোর সংখ্যাও কম নয়।

তাই শুধু বয়স্করা নয়, হার্টের অসুখের ক্ষেত্রে সতর্ক হতে হবে অল্প বয়সীদেরও। এই যে অল্প বয়সেই হার্ট অ্যাটাক, এর পেছনে কারণ কী?

হার্ট অ্যাটাক যে কারণে হয়

কোনো কারণে আমাদের শরীরের শিরা-উপশিরায় রক্ত ​​চলাচল ঠিকমতো না হলে রক্ত ​​জমাট বাঁধার সমস্যা সৃষ্টি হয়। যে কারণে হতে পারে হার্ট অ্যাটাক হয়। আমাদের হৃৎপিণ্ডে যখন রক্ত ​​ঠিকমতো পৌঁছাতে পারে না, তখন শিরায় চাপ পড়ে। এর ফলে তখন হার্ট অ্যাটাক হয়।

জীবনযাপনে অনিয়ম

আমাদের বেশিরভাগ অসুখ-বিসুখের কারণ হলো জীবনযাপনের বিভিন্ন অনিয়ম। বর্তমানে বাইরের খাবার বেশি খাওয়া, রাতে দীর্ঘ সময় জেগে থাকসহ নানা অনিয়মত করে থাকে তরুণেরা। জীবনযাপনের এসব বদ অভ্যাসের প্রভাব পড়ে শরীরে। বর্তমানে বিভিন্ন দিকে খেয়াল দিতে গিয়ে নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি নজর রাখার কথা ভুলে যান বেশিরভাগই। যে কারণে ধীরে ধীরে তৈরি হয় হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্র।

ধূমপান ও অ্যালকোহল গ্রহণ

অনেকে না বুঝেই সিগারেট এবং অ্যালকোহলের প্রতি আসক্ত হয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের আসক্তি একবার পেয়ে বসলে তা থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন হয়ে ওঠে। কিন্তু সিগারেট এবং অ্যালকোহল স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। এ ধরনের অভ্যাস সরাসরি ধমনীতে প্রভাব ফেলে। হৃৎপিণ্ড দ্রুত পাম্প করার কারণে এটি পরিণত হয় আক্রমণে।

স্থূলতা

সঠিক খাদ্যাভ্যাস পারে আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং সুস্থতায় সাহায্য করতে। কিন্তু বর্তমানে ভুলভাল খাদ্যাভ্যাসের কারণে অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের শিকার হচ্ছেন অনেকে। শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার কারণে হার্ট অ্যাটাক, করোনারি আর্টারি ডিজিজ, ট্রিপল ভেসেল ডিজিজ ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। যে কারণে বাড়ে বিপদ।

উত্তেজনা

আমাদের দেশে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যায়ই অনেকে পাত্তা দিতে চান না, সেখানে মানসিক স্বাস্থ্যের চিকিৎসার কথা অনেকে চিন্তাও করতে চান না। এদিকে মানসিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে মারাত্মক সব রোগের কারণ। বর্তমানে তরুণেরা পড়াশোনা, চাকরি, পরিবারের প্রতি দায়িত্ব ইত্যাদি নানা দুশ্চিন্তায় থাকে। যে কারণে হতে পারে হার্ট অ্যাটাক।

সূত্র : ঢাকা পোস্ট

পেটের মেদ কমাতে যে ৪টি স্বাস্থ্যকর পানীয়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪২ পূর্বাহ্ণ
পেটের মেদ কমাতে যে ৪টি স্বাস্থ্যকর পানীয়?

আধুনিক জীবনযাত্রায় অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস আর কায়িক শ্রমের অভাবে পেটের মেদ বা ‘বেলি ফ্যাট’ জমানো এখন অনেকের জন্যই নিত্যনৈমিত্তিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে পেটের এই বাড়তি মেদ কেবল আপনার বাহ্যিক সৌন্দর্যই নষ্ট করে না; বরং এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্যের জন্য এক বড় হুমকি।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায়, পেটের মেদ মূলত দুই ধরনের হয়—চামড়ার নিচে থাকা ‘সাবকিউটেনিয়াস ফ্যাট’ এবং শরীরের ভেতরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মধ্যে জমে থাকা ‘ভিসারাল ফ্যাট’। এর মধ্যে ভিসারাল ফ্যাট অত্যন্ত বিপজ্জনক, যা হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এমনকি ক্যানসারের মতো মরণব্যাধির ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। সুস্থতার মাপকাঠি হিসেবে আমরা সাধারণত বিএমআই-এর ওপর নির্ভর করলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোমর ও নিতম্বের অনুপাত জানা এখন অনেক বেশি জরুরি। যদি পুরুষদের ক্ষেত্রে এই অনুপাত ০.৯ এবং নারীদের ক্ষেত্রে ০.৮৫-এর বেশি হয়, তবে বুঝতে হবে আপনার পেটে ক্ষতিকর মেদ জমছে। এই জেদি মেদ ঝরানো বেশ কষ্টসাধ্য হলেও কিছু নির্দিষ্ট প্রাকৃতিক পানীয় বিপাক প্রক্রিয়া বাড়িয়ে মেদ কমানোর এই সংগ্রামকে সহজ করতে পারে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরামর্শ দিয়েছেন এনডিটিভি ফুড-এর কনসালট্যান্ট নিউট্রিশনিস্ট ড. রূপালী দত্ত।

ড. রূপালী দত্তের পরামর্শ অনুযায়ী পেটের মেদ কমাতে কার্যকরী ৪টি পানীয় নিচে দেওয়া হলো:

১. গ্রিন টি

সামগ্রিক ওজন কমাতে গ্রিন টি-র কার্যকারিতা এখন বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। এতে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ‘ক্যাটেচিন’ এবং বিশেষ করে ‘EGCG’ বিশ্রামের সময়ও শরীরের ফ্যাট অক্সিডেশনে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত গ্রিন টি পান করলে তা সরাসরি পেটের ভেতরের ভিসারাল ফ্যাট কমাতে ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে, যা বাড়তি ক্যালরি গ্রহণের প্রবণতা কমিয়ে দেয়।

২. দারুচিনি চা

দারুচিনি কেবল মসলা হিসেবেই নয়; বরং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতেও অনন্য। উল্লেখ্য যে, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স পেটের মেদ জমার অন্যতম প্রধান কারণ। দারুচিনি শরীরে স্ট্রেস হরমোন ‘কর্টিসল’-এর মাত্রা কমিয়ে আনে, যা চিনিযুক্ত খাবার ও চর্বিযুক্ত খাবারের প্রতি আসক্তি কমায়। এর বিপাক বৃদ্ধিকারী গুণাগুণ পেটের চর্বি পোড়াতে অত্যন্ত সহায়ক।

৩. ব্ল্যাক কফি

সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে পরিমিত (২-৩ কাপ) ব্ল্যাক কফি পান করলে শরীরের সামগ্রিক মেদ, বিশেষ করে ভিসারাল ফ্যাট উল্লেখযোগ্য হারে কমে। কফিতে থাকা পলিফেনল এবং ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড পেটের চর্বি কমাতে কাজ করে। কফিতে থাকা ক্যাফেইন প্রাকৃতিক এনার্জি বুস্টার হিসেবে কাজ করলেও এটি চিনি ছাড়া পান করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

৪. মধু মিশ্রিত পানীয়

পেটের মেদ বা ভিসারাল ওবেসিটি কমাতে মধু একটি চমৎকার উপাদান। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, মধু শরীরের অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি রোধ করতে এবং মেদ কমাতে সাহায্য করে। মধু একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা ভিসারাল ফ্যাট কোষের কারণে তৈরি হওয়া অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে শরীরকে রক্ষা করে। এটি শরীরে দ্রুত শক্তি যোগায় এবং বারবার খিদে পাওয়ার সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করে।

সতর্কতা

যদিও এই পানীয়গুলো ওজন কমাতে এবং বিপাক প্রক্রিয়া বাড়াতে সহায়ক, তবে মনে রাখতে হবে মেদ কমানোর কোনো ‘শর্টকাট’ বা জাদুকরী উপায় নেই। পেটের মেদ পুরোপুরি ঝরাতে এই পানীয়গুলোর পাশাপাশি একটি সুশৃঙ্খল জীবনযাত্রা এবং নিয়মিত শরীরচর্চা বজায় রাখা অপরিহার্য। যে কোনো ডায়েট শুরু করার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি ফুড