খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ইউরোপে ক্যারিয়ার : বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সম্ভাবনা

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ইউরোপে ক্যারিয়ার : বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সম্ভাবনা

বিগত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির প্রধান বাজার ছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো। তবে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ব শ্রমবাজারের সমীকরণেও এসেছে বড় পরিবর্তন। বর্তমানে দক্ষ ও আধা-দক্ষ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন স্বপ্নের গন্তব্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে ইউরোপ।

বিশেষ করে সেনজেনভুক্ত দেশগুলোতে কর্মসংস্থান ও উন্নত জীবনযাত্রার সুযোগ তৈরি হওয়ায় বিপুল সংখ্যক তরুণ এখন ইউরোপমুখী হচ্ছেন। এই যাত্রায় সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র মাল্টা।

কেন ইউরোপ এখন আকর্ষণের কেন্দ্রে?

ইউরোপের দেশগুলোতে বর্তমানে বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং তরুণ শ্রমিকের ঘাটতি থাকায় তারা এশিয়ার দেশগুলো থেকে কর্মী নিতে আগ্রহী হচ্ছে। জার্মানি, ইতালি, রোমানিয়া ও মাল্টার মতো দেশগুলো বিভিন্ন খাতে বিদেশি কর্মীদের জন্য ভিসানীতি শিথিল করেছে। ইউরোপে কাজ করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো উন্নত কর্মপরিবেশ, ন্যায্য মজুরি, সামাজিক নিরাপত্তা এবং সেনজেনভুক্ত ২৮টি দেশে অবাধে যাতায়াতের সুযোগ।

মাল্টা : বাংলাদেশিদের জন্য সহজ ও বাস্তবসম্মত গন্তব্য

ইউরোপের অনেক দেশে ভাষার জটিলতা এবং কঠোর ভিসা প্রক্রিয়া থাকলেও মাল্টা এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। সম্প্রতি (১ এপ্রিল) ঢাকায় মাল্টার ভিসা সার্ভিস সেন্টার চালুর উদ্যোগ এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়ন এই পথকে আরও সুগম করেছে।

১. হসপিটালিটি খাতে ব্যাপক চাহিদা : মাল্টার পর্যটন ও হোটেল খাতে বর্তমানে জনবলের ব্যাপক সংকট চলছে। বিশেষ করে ওয়েটার, বারটেন্ডার, হাউসকিপিং স্টাফ, বারিস্তা, রিসেপশনিস্ট, ক্লিনার, ডিশওয়াশার এবং শেফ পদে প্রচুর নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এসব পদের জন্য খুব উচ্চশিক্ষার চেয়ে কাজের অভিজ্ঞতা এবং মৌলিক ইংরেজি দক্ষতা বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

২. আকর্ষণীয় বেতন ও সুযোগ-সুবিধা : মাল্টায় চাকরির ধরন অনুযায়ী মাসিক আয় ১৪০০ ইউরো থেকে শুরু করে ২৩০০ ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ ৯৫ হাজার টাকা) পর্যন্ত হতে পারে। এর বাইরে ওভারটাইম করার সুযোগ তো থাকছেই। ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় মাল্টার জীবনযাত্রার খরচও কিছুটা কম, যা সঞ্চয়ে সহায়ক।

৩. ভাষা ও পরিবেশ : ইউরোপের অনেক দেশে স্থানীয় ভাষা (যেমন- জার্মান বা ইতালিয়ান) না জানলে কাজ পাওয়া কঠিন। কিন্তু মাল্টায় ইংরেজি দাপ্তরিক ভাষা হওয়ায় বাংলাদেশিরা সহজেই কর্মক্ষেত্রে মানিয়ে নিতে পারেন।

ঢাকা থেকেই ভিসা প্রক্রিয়ার সুবিধা

একটা সময় ছিল যখন মাল্টার ভিসার জন্য বাংলাদেশিদের ভারতের দিল্লিতে যেতে হতো। কিন্তু বর্তমানে ঢাকার বনানীতে অবস্থিত ভিএফএস গ্লোবাল (ভিএফএস গ্লোবাল) থেকেই ভিসা আবেদন ও ইন্টারভিউ সম্পন্ন করা যাচ্ছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক তৎপরতার ফলে এই সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে, যা সাধারণ কর্মীদের সময় ও অর্থ উভয়ই সাশ্রয় করছে। সাম্প্রতিক এক সরকারি তথ্যে জানা গেছে, আবেদন করার পরবর্তী প্রায় ছয় মাসের মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া সম্ভব।

কূটনৈতিক ইতিবাচক প্রভাব

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, মাল্টার সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এখন নতুন উচ্চতায়। সম্প্রতি ঢাকায় নিযুক্ত মাল্টার হাইকমিশনারের সাথে বৈঠকে দুদেশের বাণিজ্য, শিক্ষা ও অভিবাসন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য আরও কর্মসংস্থান তৈরি করবে।

সচেতনতা ও সতর্কতা

ইউরোপে যাওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য জানা এবং বৈধ পথ অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি। দালালের খপ্পরে না পড়ে সরাসরি নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান বা নির্ভরযোগ্য মাধ্যমের সাহায্যে আবেদন করা উচিত। যেকোনো চুক্তিতে স্বাক্ষর করার আগে বেতন, কাজের সময়, থাকার ব্যবস্থা এবং ভিসার ধরন যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

সঠিক নির্দেশনার জন্য গাইডলাইন

ইউরোপে ক্যারিয়ার গড়া অনেকেরই স্বপ্ন, কিন্তু সঠিক তথ্যের অভাবে অনেকেই পিছিয়ে পড়েন কিংবা ভুল পথে পা বাড়ান। আপনি যদি মাল্টাসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশে কাজের সুযোগ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, এবং আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত ও স্বচ্ছ গাইডলাইন পেতে চান, তবে একটি নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্মের সহায়তা নিতে পারেন। ইউরোপ যাত্রার প্রতিটি ধাপ এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ পেতে ভিজিট করতে পারেন https://www.swiftfly.site ঠিকানায়। এই ওয়েবসাইটটি আপনাকে সঠিক তথ্যের মাধ্যমে আপনার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করবে। ইউরোপের শ্রমবাজার এখন বাংলাদেশের জন্য এক বিশাল সম্ভাবনার নাম। সঠিক প্রস্তুতি আর সঠিক তথ্যই পারে এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে।

ফরিদপুরে ভাইরাল হওয়া সেই লাইলীর পাশে দাঁড়াল জেলা প্রশাসন, দিলেন আর্থিক সহায়তা 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ভাইরাল হওয়া সেই লাইলীর পাশে দাঁড়াল জেলা প্রশাসন, দিলেন আর্থিক সহায়তা 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া লোকসংগীত শিল্পী লাইলী আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন। মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের ব্যবহার অনুপযোগী বসতবাড়ি পুনর্নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাজহারুল ইসলাম। 

বুধবার (২৭ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের বাংলোবাড়িতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে লাইলী আক্তারের হাতে আর্থিক সহায়তার টাকা তুলে দেন জেলা প্রশাসক।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মিন্টু বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) সোহরাব হোসাইন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সুস্মিতা সাহাসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম বলেন, “লাইলী আক্তার আমাদের জেলার গর্ব। তার কণ্ঠে গ্রামীণ সংস্কৃতির যে আবেগ ও ঐতিহ্য ফুটে উঠেছে, তা ইতোমধ্যে মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে। একজন শিল্পীর জীবনমান উন্নয়নে সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, লাইলী আক্তারের বসতবাড়িটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও বসবাসের অনুপযোগী। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার বাড়ি পুনর্নির্মাণে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

এসময় জেলা প্রশাসক জানান, লাইলীর বিষয়টি সরকারের সংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দুষ্টিগোচর হয়েছে। ঈদের পরে যে কোন সময়ে তার জন্য সরকারিভাবে সহযোগিতা করা হবে।

সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত লাইলী আক্তার জেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমি কখনও ভাবিনি আমার গান এত মানুষের ভালোবাসা পাবে। জেলা প্রশাসন আমার পাশে দাঁড়ানোয় আমি অনেক খুশি।”

এদিকে স্থানীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিরা জেলা প্রশাসনের এ মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, এমন উদ্যোগ শিল্পীদের অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং গ্রামীণ সংস্কৃতি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ফরিদপুরে তীব্র ঝড় থেকে বাঁচতে তাবুর নিচে আশ্রয়, শেষ রক্ষা হলো না শ্রমিক নেতার

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ৩:২৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে তীব্র ঝড় থেকে বাঁচতে তাবুর নিচে আশ্রয়, শেষ রক্ষা হলো না শ্রমিক নেতার

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় তীব্র ঝড় থেকে বাঁচতে একটি তাবুর নিচে আশ্রয় নিতে গিয়ে গাছচাপায় জিয়াউর রহমান বাঘা (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি শরিয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার পূর্ব মহিষা গ্রামের আমির হোসেন বাঘার ছেলে।

বুধবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা সদর ইউনিয়নের বাইশরশি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জিয়াউর রহমান বাঘা জাকের পার্টির সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বলে জানা গেছে।

নিহতের সঙ্গে থাকা হাজী মো. মনির হোসেন জানান, সকালে তারা দুজন একসঙ্গে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় হঠাৎ ঝড় ও বৃষ্টির তীব্রতা বেড়ে গেলে সড়কের পাশে একটি অস্থায়ী তাবুর নিচে আশ্রয় নেন। একপর্যায়ে প্রবল বাতাসে পাশের একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ ভেঙে তাবুর ওপর পড়ে। এতে জিয়াউর রহমান গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় পথচারীদের সহায়তায় দ্রুত তাকে বিশ্ব জাকের মঞ্জিল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন শাহ্ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ফরিদপুরের ১০ গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে ঈদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ণ
সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ফরিদপুরের ১০ গ্রামে উদযাপিত হচ্ছে ঈদ

সারা দেশে বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হলেও সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে বুধবার (২৭ মে) ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেছেন ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ১০ গ্রামের আংশিক ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতির ধারাবাহিকতায় জেলার বোয়ালমারী উপজেলার শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষ একদিন আগে রোজা ও দুই ঈদ পালন করে আসছেন। এ উপলক্ষে বুধবার সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে পর্যায়ক্রমে সহস্রাইল দায়রা শরীফ, রাখালতলি ও মাইটকুমরা মসজিদে চারটি জামায়াতে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাটাগড়, সহস্রাইল, দরিসহস্রাইল, মাইটকুমরা, রাখালতলি, গঙ্গানন্দপুরসহ অন্তত ১০ গ্রামের কিছু মানুষ চট্টগ্রামের মির্জাখিল শরীফের অনুসারী হিসেবে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ পালন করেন। প্রতিবছরের মতো এবারও এসব এলাকায় ঈদের প্রস্তুতি সম্পন্ন শেষে ঈদ উদযাপন করছেন।

সহস্রাইল দায়রা শরীফে নামাজ শেষে মুসল্লিদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করেন মসজিদ কমিটি। সেখানে জামায়াতে ইমামতি করেন ধলেরচর দরবার শরীফের পীর সাহেব মুফতি মোহাম্মদ রাকিবুল হাসান।

আলফাডাঙ্গা সরকারি ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও বোয়ালমারীর কাঁটাগড় গ্রামের বাসিন্দা মো. মাহিদুল হক বলেন, “চট্টগ্রামের মির্জাখিল শরীফ ও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বোয়ালমারীর শেখর ও রুপাপাত ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একদিন আগে রোজা ও দুই ঈদ পালন করে আসছেন। এবারও চারটি জামায়াতে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।”

তিনি আরো বলেন, বোয়ালমারীর পাশাপাশি আলফাডাঙ্গা উপজেলার ধলেরচর গ্রামের কিছু মানুষও এ জামায়াতে অংশ নেন।

আলফাডাঙ্গা উপজেলার ধলেরচর গ্রামের বাসিন্দা আবু বক্কার জানান, আগে ধলেরচর মাদ্রাসা ঈদগাহ মাঠে আলাদা জামায়াত হতো। কিন্তু ইমাম অধ্যক্ষ আব্দুর রহমানের মৃত্যুর পর সেখানে আর জামায়াত হচ্ছে না। এখন ধলেরচরের কয়েকজন মুসল্লি সহস্রাইল দায়রা শরীফে গিয়ে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

স্থানীয়রা জানান, এ অঞ্চলে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের প্রথা বহু বছরের পুরোনো। সংখ্যায় কম হলেও নিজেদের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসরণ করেই তারা প্রতি বছর আলাদা দিনে ঈদ পালন করে থাকেন।