খুঁজুন
, ,

মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে ফরিদপুরে মাদ্রাসা পরিচালকের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার দায়ে ফরিদপুরে মাদ্রাসা পরিচালকের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড

ফরিদপুরে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় মাদ্রাসার পরিচালক মো. আশরাফ আলীকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে আদায় করে ভুক্তভোগী পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. আশরাফ আলী (৪৬) আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি ফরিদপুর শহরের দক্ষিণ গোয়ালচামট এলাকার রওজাতুন-নেছা মহিলা মাদ্রাসার পরিচালক। একই মাদ্রাসার একটি কক্ষে তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী ওই মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী ও হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল। ২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আশরাফ আলী তাকে হেফজখানার শ্রেণিকক্ষ থেকে নিজের বাসায় ডেকে নেন। সে সময় তার স্ত্রী-সন্তান বাড়িতে ছিলেন না।

অভিযোগ অনুযায়ী, বাসা ফাঁকা থাকার সুযোগে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন আশরাফ আলী। একপর্যায়ে কিশোরীটি নিজেকে রক্ষা করতে দৌড়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। পরে বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি বাবা-মাকে জানায়।

পরিবারটি প্রথমে স্থানীয়ভাবে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়। পরে তারা আইনের আশ্রয় নেয়। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর পুলিশ আশরাফ আলীকে গ্রেপ্তার করলেও পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। তবে মামলার বিচারিক কার্যক্রম ও যুক্তিতর্ক শুরু হওয়ার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।
তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নূর হোসেন আদালতে আশরাফ আলীকে একমাত্র অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য-প্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া জানান, আদালত দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। পাশাপাশি জরিমানার ৭০ হাজার টাকা তার সম্পত্তি বিক্রি করে আদায় করে ভুক্তভোগী পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার পর ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। তারা দ্রুত আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের রায় কার্যকরের দাবি জানান।

ফরিদপুরে পৃথক অভিযানে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে পৃথক অভিযানে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার

ফরিদপুরে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুর জেলা সদরের ভাটি কানাইপুর এলাকায় অভিযান দুটি পরিচালনা করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—ভাটি কানাইপুর গ্রামের বিল্লাল মিয়ার ছেলে মো. শামীম ইসলাম রাজু (২২) এবং একই এলাকার স্বপন মিয়ার ছেলে মো. রাজিবুল হাসান (৩৩)।

ফরিদপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার দুপুরে ভাটি কানাইপুর এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রথম অভিযানে ভাটি কানাইপুর গ্রামের বটতলা এলাকায় রেজাউল মাতুব্বরের চা-পানের দোকানের সামনে থেকে শামীম ইসলাম রাজুকে আটক করা হয়। তিনি কানাইপুর বাজার থেকে গোপালপুর ব্রিজগামী পাকা সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় তার কাছ থেকে ১০১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

অন্যদিকে, একই এলাকার নিজ বসতঘরে অভিযান চালিয়ে মো. রাজিবুল হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, রাজিবুলের নিজ দখলীয় বসতঘরের উত্তর পাশের একটি কক্ষের ভেতর থেকে ৯০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।

দুটি অভিযানে উদ্ধার করা ইয়াবার মোট পরিমাণ ১ হাজার ১ পিস। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুইজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ফরিদপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক বেলায়েত হোসেন ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ভাটি কানাইপুর এলাকায় পৃথক দুটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলেও জানান তিনি।

ফরিদপুরে ফের ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান, উচ্ছেদ হলো শতাধিক অবৈধ স্থাপনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ফের ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযান, উচ্ছেদ হলো শতাধিক অবৈধ স্থাপনা

ফরিদপুর শহরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও ফুটপাত দখলমুক্ত করতে ফের অভিযান চালিয়েছে ফরিদপুর পৌরসভা। শহরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অস্থায়ী দোকান, স্থাপনা ও অন্যান্য অবৈধ দখল উচ্ছেদের মধ্য দিয়ে পথচারীদের চলাচলের জায়গা উন্মুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেল ৩টা থেকে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এর আগে রোববারও (৯ আগস্ট) শহরের কয়েকটি এলাকায় একই ধরনের অভিযান চালায় পৌর কর্তৃপক্ষ।

সোমবারের অভিযানে শহরের জনতা ব্যাংকের মোড়, নিউমার্কেটের সামনে, চকবাজার, থানা রোড, মহাকালী পাঠশালার মোড়, বলাকা সুপার মার্কেটের সামনে, ময়রা পট্টিসহ আশপাশের এলাকায় ফুটপাত ও সড়কের জায়গা দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জাকিরের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। এ সময় কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযানে ফুটপাত ও সড়কের ওপর বসানো বিভিন্ন অস্থায়ী দোকানপাট ও অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দখলদারদের ভবিষ্যতে ফুটপাত বা সড়কের জায়গা দখল করে কোনো স্থাপনা নির্মাণ না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়।

পৌরসভা সূত্র জানায়, শহরের ব্যস্ততম সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোর ফুটপাত দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দোকান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালামাল এবং অস্থায়ী স্থাপনার দখলে থাকায় পথচারীদের ভোগান্তি বাড়ছিল। অনেক ক্ষেত্রে ফুটপাত ব্যবহার করতে না পেরে পথচারীদের মূল সড়কে নেমে চলাচল করতে হয়। এতে যানজটের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি হয়।

অভিযানের ফলে কয়েকটি এলাকায় ফুটপাত ও সড়কের জায়গা দৃশ্যমানভাবে উন্মুক্ত হয়েছে। এতে পথচারীদের চলাচল সহজ হওয়ার পাশাপাশি যানবাহন চলাচলেও শৃঙ্খলা ফিরবে বলে আশা করছে পৌর কর্তৃপক্ষ।

ফরিদপুর পৌরসভা জানিয়েছে, শহরকে পরিচ্ছন্ন, যানজটমুক্ত ও পথচারীবান্ধব রাখতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং ফুটপাত দখলমুক্তকরণ অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। উচ্ছেদের পর পুনরায় যাতে কেউ ফুটপাত বা সড়ক দখল করতে না পারে, সে বিষয়েও নজরদারি জোরদার করা হবে।

এদিকে পৌরসভার এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন শহরের সাধারণ মানুষ। তাদের দাবি, শুধু অভিযান চালিয়ে স্থাপনা উচ্ছেদ করলেই হবে না; উচ্ছেদের পর নিয়মিত তদারকি ও কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে দীর্ঘমেয়াদে শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং পথচারীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

ফরিদপুরে মাদ্রাসাছাত্রীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১২

আব্দুল মান্নান মুন্নু, ভাঙ্গা:
প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মাদ্রাসাছাত্রীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১২

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মাদ্রাসাছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে সানি ব্যাপারী (২০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনকে গুরুতর অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে ভাঙ্গা পৌরসভার কৈডুবী সদরদী গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত সানি ব্যাপারী ওই গ্রামের আতিয়ার ব্যাপারীর ছেলে।

আহতদের মধ্যে সবুজ ব্যাপারী, মনির ব্যাপারী, আরাফাত হোসেন, শাবানা বেগম ও আতিয়ার ব্যাপারীর নাম জানা গেছে। স্থানীয়রা ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে গুরুতর আহত কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কৈডুবী সদরদী গ্রামের হযরত ফাতেমাতুজ যহুরা (রাযিঃ) মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সময় একই এলাকার বশার মাতুব্বরের ছেলে জিহাদ মাতুব্বর বেশ কিছুদিন ধরে উত্ত্যক্ত করছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে সোমবার সকালে মাদ্রাসার মোহতামিম মুফতি মনির ব্যাপারী প্রতিবাদ জানান।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে বশার মাতুব্বর, বাক্কার মাতুব্বর, আলমগীর মাতুব্বর, হাসান মাতুব্বর ও জাহাঙ্গীর মাতুব্বরের পক্ষের লোকজনের সঙ্গে মাদ্রাসার মোহতামিম মুফতি মনির ব্যাপারী, সবুজ ব্যাপারী, পলাশ ব্যাপারী ও আতিয়ার ব্যাপারীর পক্ষের লোকজনের বিরোধ দেখা দেয়। পরে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। স্থানীয়রা পরিস্থিতি শান্ত করে সবাইকে বাড়িতে ফিরিয়ে দেন। তবে প্রায় এক ঘণ্টা পর আবারও দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে লাঠি, ধারালো অস্ত্রসহ দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্রের ব্যবহার করা হয় বলে স্থানীয়রা জানান।

প্রত্যক্ষদর্শী আছমত মাতুব্বর বলেন, ‘প্রথমে হাতাহাতি হলে আমরা দুই পক্ষকে শান্ত করে বাড়িতে পাঠিয়ে দিই। পরে আবার সংঘর্ষ শুরু হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে।’

সংঘর্ষে গুরুতর আহত সানি ব্যাপারীকে প্রথমে ভাঙ্গা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে স্বজনরা জানান।

খবর পেয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। নতুন করে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে একজন নিহত ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’