খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ১০ চৈত্র, ১৪৩২

নির্বাচনী আচরণবিধি উপেক্ষা করে ফরিদপুর-২ আসনে গাছে গাছে পোস্টার, নীরব প্রশাসন?

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:১২ পিএম
নির্বাচনী আচরণবিধি উপেক্ষা করে ফরিদপুর-২ আসনে গাছে গাছে পোস্টার, নীরব প্রশাসন?

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬কে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসনে। আচরণবিধি অনুযায়ী গাছ, বৈদ্যুতিক খুঁটি কিংবা সরকারি-বেসরকারি কোনো স্থাপনায় ব্যানার, পোস্টার বা ফেস্টুন টাঙানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকলেও বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা গেছে।

শুক্রবার (০৬ জানুয়ারি) বিকেলে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের খোয়াড় গ্রামের পশ্চিম পাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের পাশের মেহগনি গাছসহ বিভিন্ন গাছে একাধিক নির্বাচনী পোস্টার টাঙানো রয়েছে। এসব পোস্টারে একটি নির্দিষ্ট প্রার্থীর নাম, ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছে, যা স্পষ্টতই নির্বাচনী প্রচারণার আওতায় পড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এসব পোস্টার টাঙানোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি হিসেবে শাফিকুল ইসলাম নামের এক যুবদল নেতা পরিচয় দেওয়া ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। তিনি খোয়াড় গ্রামের জহুর ফকিরের ছেলে এবং ফরিদপুর-২ আসনের বিএনপির মনোনীত এমপি প্রার্থী শামা ওবায়েদ রিংকুর অনুসারী বলে এলাকাবাসী দাবি করেছেন।

অভিযোগ রয়েছে, যুবদল নেতা পরিচয় দেওয়া শাফিকুল ইসলাম বিএনপির প্রাথী শামা ওবায়েদের নাম ব্যবহার করে সাধারণ ভোটারদের ধানের শীষের পক্ষে কাজ করতে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বললেই মামলা-হামলার ভয় দেখাচ্ছেন। তাইতো তার ভয়ে কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পাচ্ছেন না।

এ বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের কঠোর নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও প্রকাশ্যে এভাবে গাছে পোস্টার লাগানো হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে না। এতে করে নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না—তা নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

খোয়াড় গ্রামের এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আচরণবিধি সবার জন্য সমান হওয়ার কথা। কিন্তু প্রভাবশালীদের ক্ষেত্রে নিয়ম যেন শিথিল। গাছে গাছে পোস্টার লাগানো পরিবেশেরও ক্ষতি করছে।”

এ ব্যাপারে সালথার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মামুন সরকার বলেন, ‘এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ প্রসঙ্গে সালথা উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। এ বিষয়ে তিনজন ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে কাজ করছেন। তারা বিষয়টি দেখছেন। আমি বিষয়টি তাদের অভিহিত করবো। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন। কেউ আচরণবিধি ভাঙলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না।”

তবে এখনো পর্যন্ত ওই পোস্টারগুলো অপসারণ বা দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সচেতন মহলের মতে, নির্বাচনকে সামনে রেখে এখনই কঠোর নজরদারি ও সমান আইন প্রয়োগ নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে।

 

ঈদের সাত দিনের ছুটি শেষে খুলেছে অফিস-আদালত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ১০:৫৪ এএম
ঈদের সাত দিনের ছুটি শেষে খুলেছে অফিস-আদালত

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাত দিনের সরকারি ছুটি শেষ হয়েছে সোমবার (২৩ মার্চ)। গত মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) এ থেকে ছুটি শুরু হয়।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে অফিস-আদালত খুলেছে। অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত।

ছুটি শেষে কর্মজীবী মানুষ বাস, ট্রেন, লঞ্চে এবং ব্যক্তিগত বাহনে বাড়ি থেকে ফিরেছেন।

গত ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ঈদের পাঁচ দিন ছুটি নির্ধারণ করা ছিল। পূর্ব ঘোষিত ছুটির পাশাপাশি ১৮ মার্চও ছুটির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এর ফলে ঈদের ছুটি ছিল মোট সাত দিন।

গত ৫ মার্চ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে শবে কদরের একদিনের ছুটির পর ১৮ মার্চও ছুটি ঘোষণা করা হয়।

রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ায় ২১ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। এর মধ্যে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি। এ ছাড়া ঈদের আগে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ঈদের পরে ২২ ও ২৩ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারণ করা ছিল।

আর গণমাধ্যমকর্মীরা ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ছুটি পেয়েছিলেন পাঁচ দিন।

ইরানের সঙ্গে চুক্তি হলে তেলের দাম কমে যাবে: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:৪৭ এএম
ইরানের সঙ্গে চুক্তি হলে তেলের দাম কমে যাবে: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের ইতি টানার মতো কোনো চুক্তি হলে তেলের দাম হুড়মুড় করে পড়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকস্মিক হামলা এবং এরপর ইরানের প্রতিশোধমূলক আঘাতে যুদ্ধ শুরুর প্রেক্ষাপটে তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে।

ইরান তার জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে জ্বালানি পরিবহনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণে রাখার কারণে সে পথে জাহাজ চলাচল স্থবির হয়ে আছে।

এমন প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প বলছেন, আমাদের একটি চুক্তি হওয়ার বেশ ভালো সম্ভাবনা আছে।

অবশ্য তিনি এ-ও যোগ করেন, কোনো কিছুর নিশ্চয়তা নেই; আমি কোনো কিছুর নিশ্চয়তা দিচ্ছি না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন, যুদ্ধ শেষ করার জন্য দুই দেশ ১৫টি দফা নিয়ে আলোচনা করছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র বর্জন ‘এক, দুই ও তিন নম্বর’ দফা।

ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও বলছেন, তিনি ইরানে ‘শাসনব্যবস্থার বড় পরিবর্তন’ দেখতে চান।

এর আগে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর সম্ভাব্য সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে ‘ভালো ও ফলপ্রসূ আলোচনা’ হওয়ার পরই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

সোমবার (২৩ মার্চ) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান বৈরিতা পুরোপুরি নিরসনের বিষয়ে খুব ভালো ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, চলমান বৈঠক ও আলোচনার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করে প্রতিরক্ষা বিভাগকে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর সব ধরনের সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে শনিবার (২২ মার্চ) ট্রাম্প তেহরানকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে হরমুজ প্রণালি সব জাহাজের জন্য পুনরায় খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান।

অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেবে’ বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

এর জবাবে ইরান জানায়, প্রতিশোধ হিসেবে তারা হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করে দেবে। এই প্রণালির মাধ্যমে বিশ্বে মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। পাশাপাশি ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি স্থাপনাতেও হামলার হুমকি দেয় তেহরান।

সোমবার ইসলামির রেভুলেশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ওয়াশিংটন যদি তাদের হুমকি বাস্তবায়ন করে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিগুলোয় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সব অঞ্চলের বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

এ ছাড়া যেখানে আমেরিকার অর্থনৈতিক, শিল্প ও জ্বালানি খাতে অংশীদারিত্ব রয়েছে, সেসব অবকাঠামোতেও হামলা চালানো হবে।

এদিকে ইরানের প্রতিরক্ষা কাউন্সিল সতর্ক করে বলেছে, দেশটির দক্ষিণ উপকূল বা দ্বীপগুলোতে কোনো হামলা হলে উপসাগরীয় নৌপথ বিচ্ছিন্ন করতে সমুদ্রে মাইন পেতে দেওয়া হবে।

তাসকিন-নাইমার ‘অজানা’ রোমাঞ্চকর প্রেমের গল্প

খেলা ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:১১ এএম
তাসকিন-নাইমার ‘অজানা’ রোমাঞ্চকর প্রেমের গল্প

তাসকিন আহমেদ এবং সৈয়দা নাইমা রাবেয়া পারিবারিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন ২০১৭ সালে। দুজনের একসাথে পথচলা অবশ্য আরও আগেই শুরু হয়েছিল। একসাথে স্কুলে পড়া থেকে এখন জীবনের পথেও একসাথে এগোচ্ছেন তাসকিন-নাইমা।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দুজনের একসাথে পথচলার পুরো গল্পটা শেয়ার করেছেন তারা। তাসকিনের ছোট বোন রাজার জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ২০১০ সাল থেকে নাইমার প্রতি ভালো লাগা শুরু তাসকিনের। যা পূর্ণতা পেয়েছে ২০১৭ সালে এসে।

নিজেদের চেনা জানার ব্যাপারে তাসকিন বলেন, ‘আমরা একসাথে স্কুলে পড়তাম। ভালো লাগা শুরু হয়েছে আমার ছোট বোন রোজার জন্মদিনে বোরকা ছাড়া প্রথম দেখার পর। তখন মনে হল এখন তো সুন্দর লাগতেছে। আমি তখন অনেক ব্যস্ত ছিলাম, যেহেতু একমাত্র ছেলে। যদিও তখনও অনেক ছোট, অনূর্ধ্ব-১৯ খেলতাম। এরপর থেকে ফোনে কথা শুরু। আমি যেহেতু ক্রিকেট নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম, পড়া নেওয়া, সিলেবাস নেওয়া (এসব নিয়ে কথা হত)।’

তাসকিন আরও বলেন, ‘শুকরিয়া যে সৎ একজন জীবনসঙ্গী পেয়েছি। ২০১৪ সালে অভিষেক হওয়ার পর থেকে ভালো সময় যাচ্ছিল ২০১৫ সালে বিশ্বকাপে ভালো করলাম। ২ বছরের মধ্যে ১৫-১৬টা এন্ডোরসমেন্ট পেয়ে গেলাম। আমার মনে হচ্ছিল ‘ওয়াট এ লাইফ!’

এরপর নাইমা বলেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে যখন স্যুট দেয়, তখন সে বাসার নিচে গিয়েছিল মিট করতে, দেখা করতে, যে দেখো।’ তাসকিনের প্রতি নারী ভক্তদের ভালো লাগার ব্যাপারটিও ভালোই জানেন নাইমা। এ ব্যাপারে নাইমা বলেন, ‘একটা সময় অনেক (নারী ভক্তকে ফেসবুক থেকে) ব্লক করতে হয়েছে। ২০ জনের বেশি (নারীভক্তকে) ব্লক করা হয়েছে একদিন।’