খুঁজুন
শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১ ফাল্গুন, ১৪৩২

“আসুন, আমরা বিভাজন নয়—ঐক্যের রাজনীতি করি” : শামা ওবায়েদ

ফরিদপুর ও সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩২ এএম
“আসুন, আমরা বিভাজন নয়—ঐক্যের রাজনীতি করি” : শামা ওবায়েদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-২ (সালথা-নগরকান্দা) আসন থেকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হওয়ার পর দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি এই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পোস্টে শামা ওবায়েদ লিখেছেন, “প্রিয় নগরকান্দা ও সালথাবাসী, আপনাদের ভালোবাসা, আস্থা ও দোয়ার ফলেই আমি বিপুল ভোটে বিজয় অর্জন করেছি। এই বিজয় কোনো ব্যক্তির নয়—এটি নগরকান্দা ও সালথার প্রতিটি মানুষের বিজয়।”

তিনি বলেন, কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, তরুণ-তরুণী, মা-বোনসহ সর্বস্তরের মানুষের যে বিশ্বাস ও সমর্থন তিনি পেয়েছেন, তা রক্ষা করা তাঁর প্রধান দায়িত্ব। “এই বিজয় উল্লাসের নয়, এটি দায়িত্বের”—এমন মন্তব্য করে তিনি আরও লেখেন, আজ থেকে তাঁর দায়িত্ব বহুগুণে বেড়ে গেল।

নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য জানান, দলমত নির্বিশেষে এলাকার প্রতিটি মানুষ তাঁর আপনজন। তিনি অতীতের মতো ভবিষ্যতেও মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ ও দায়িত্বশীলভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করায় তিনি নেতাকর্মী, স্বেচ্ছাসেবক, সমর্থক এবং নিরপেক্ষ ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

রাজনীতিতে বিভাজনের পরিবর্তে ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, “আসুন, আমরা বিভাজন নয়—ঐক্যের রাজনীতি করি। ভয় নয়, বিশ্বাসের রাজনীতি করি। ক্ষমতার নয়, মানুষের রাজনীতি করি।” তিনি জানান, নগরকান্দা ও সালথার উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষাই হবে তাঁর অগ্রাধিকার।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর-২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩২ হাজার ৪১ জন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত ভোটগ্রহণ শেষে ১১৭টি কেন্দ্রের সবগুলোর গণনা শেষ হয় রাত প্রায় ১১টার দিকে। প্রাপ্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৯০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আল্লামা শাহ্ আকরাম আলী পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৯৫৬ ভোট। ফলে ৩২ হাজার ৯৫৩ ভোটের বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হন শামা ওবায়েদ।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাংগঠনিক তৎপরতা, দীর্ঘদিনের মাঠপর্যায়ের সংযোগ এবং ভোটারদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কই এ আসনে তাঁর বড় ব্যবধানের জয়ের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এদিকে নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। নতুন এমপির কাছে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়নের প্রত্যাশা করছেন তারা।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: গণভোটের হার এতো বেশি কেন?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪৩ এএম
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: গণভোটের হার এতো বেশি কেন?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ ভোটের তুলনায় গণভোটে ভোটার উপস্থিতি বেশি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনায় দুটি সংসদীয় আসনের ফল স্থগিত থাকলেও সেখানে গণভোটের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায় গণভোটের মোট ভোটের হার বেশি হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

ইসি সচিব বলেন, ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও আদালতের নির্দেশনার কারণে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হচ্ছে না। বাকি ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফলে দেখা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ২০৯টি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয়ী হয়েছে।

তিনি জানান, অন্যান্য দলের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ৬টি আসন। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও গণসংহতি আন্দোলন একটি করে আসনে জয় পেয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ৭টি আসনে।

ভোটের হার প্রসঙ্গে আখতার আহমেদ বলেন, সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের হার ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। অন্যদিকে গণভোটে কাস্ট হওয়া ভোটের হার ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, যে দুটি আসনের সংসদ ফল স্থগিত রয়েছে, সেখানে গণভোটের ভোট গণনায় যুক্ত হয়েছে—এ কারণেই গণভোটের হার তুলনামূলক বেশি।

গণভোটের ফলাফল তুলে ধরে তিনি জানান, পরিবর্তনের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯টি এবং বিপক্ষে ‘না’ ভোট পড়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি।

গেজেট প্রকাশের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছ থেকে চূড়ান্ত ফলাফলের হার্ড কপি পাওয়ার পর যাচাই-বাছাই শেষে যত দ্রুত সম্ভব গেজেট প্রকাশ করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সন্ধ্যার মধ্যেই হার্ড কপি আসা শুরু হবে।

এ সময় নির্বাচনসংক্রান্ত সংবাদ প্রচারে সহযোগিতার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতাও জানান তিনি।

 

রুমিন ফারহানার সঙ্গে ছবি প্রকাশ, কী জানালেন অপু বিশ্বাস?

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:১৪ এএম
রুমিন ফারহানার সঙ্গে ছবি প্রকাশ, কী জানালেন অপু বিশ্বাস?

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থীকে ৩৮ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন তিনি।  

নির্বাচনী এই সাফল্যের পর শুভেচ্ছায় ভাসছেন সাবেক এই বিএনপির নেত্রী। দলীয় কর্মী থেকে শুরু করে নানা অঙ্গনের মানুষ তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সংস্কৃতি জগৎ থেকেও আসছে শুভেচ্ছা বার্তা।

ঢালিউডের চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস নিজের ফেসবুক স্টোরিতে রুমিন ফারহানার সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

তার এই শুভেচ্ছা বার্তা সামাজিকমাধ্যমে ইতোমধ্যেই নজর কেড়েছে ভক্তদের।

বলা দরকার, ‘হাঁস’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রুমিন ফারহানা এক লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭টি ভোট পেয়েছেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবীব ‘খেজুর গাছ’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪টি ভোট।

ভালোবাসা দিবস: ইসলামে বৈধ না বিদআত?

মুফতি নিজাম উদ্দিন আল আদনান
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৪ এএম
ভালোবাসা দিবস: ইসলামে বৈধ না বিদআত?

বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সময়ে হরেক রকম দিবস উদযাপন হয়ে থাকে। তার মধ্যে একটি হচ্ছে ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ বা ‘ভালোবাসা দিবস’। প্রতি বছর ১৪ ফেব্রুয়ারি আসলে এক শ্রেণির লোকজন এ দিবস উদযাপন করে। তবে ইসলামে এই দিবসের কোনো ভিত্তি নেই।

তাহলে কীভাবে এলো ভালোবাসা দিবস?

ভ্যালেন্টাইনস ডে-এর উৎপত্তি সম্পর্কে বিভিন্ন মত রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত ইতিহাসটি হচ্ছে ধর্মযাজক সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের। তিনি ছিলেন শিশুপ্রেমিক, সামাজিক ও সদালাপি এবং খ্রিস্টধর্ম প্রচারক। আর রোম সম্রাট দ্বিতীয় ক্লডিয়াস ছিলেন বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজায় বিশ্বাসী।

সম্রাটের পক্ষ থেকে তাকে দেব-দেবীর পূজা করতে বলা হলে, ভ্যালেন্টাইন তা অস্বীকার করায় তাকে কারারুদ্ধ করা হয়। সেন্ট ভ্যালেন্টাইন কারারুদ্ধ হওয়ার পর প্রেমাসক্ত যুবক-যুবতীদের অনেকেই প্রতিদিন তাকে কারাগারে দেখতে আসত এবং ফুল উপহার দিত। তারা বিভিন্ন উদ্দীপনামূলক কথা বলে সেন্ট ভ্যালেন্টাইনকে উদ্দীপ্ত রাখত। এক কারারক্ষীর এক অন্ধ মেয়েও ভ্যালেন্টাইনকে দেখতে যেত। অনেকক্ষণ ধরে তারা দুজন প্রাণ খুলে কথা বলত। একসময় ভ্যালেন্টাইন তার প্রেমে পড়ে যায়। সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের আধ্যাত্মিক চিকিৎসায় অন্ধ মেয়েটি দৃষ্টিশক্তি ফিরে পায়। ভ্যালেন্টাইনের ভালোবাসা ও তার প্রতি দেশের যুবক-যুবতীদের ভালোবাসার কথা সম্রাটের কানে গেলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ২৬৯ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে তার স্মরণে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস পালিত হতে থাকে। (সূত্র : দৈনিক ইত্তেফাক, ১৪ ফেব্রুয়ারি-২০১৪)

প্রচলিত ভালোবাসা দিবসে যা হয়

এই দিনে অনেক তরুণ-তরুণী ভালোবাসা আদান-প্রদানের নামে সাক্ষাৎ, কথোপকথন, মদ্যপান, কনসার্ট এবং যাবতীয় অবৈধ মেলামেশা করে থাকেন। বিশেষ করে রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, উত্তরা, টিএসসি প্রাঙ্গনসহ বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় এসব নোংরা চিত্র দেখা যায়।

ভালোবাসা দিবসের সমস্যা ও ইসলামি বিধান

১. বিজাতীয় সংস্কৃতি অনুসরণ করা হারাম

হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরণ করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে’ (আবু দাউদ : ৪০৩১) । তাই ইমানদারগণ ভালোবাসা দিবস পালন করতে পারবে না, কারণ তা খ্রিস্টানদের সংস্কৃতি।

২. অবৈধ সম্পর্ক ও ব্যভিচারের প্রসার

ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা ব্যভিচারের নিকটেও যেও না। নিশ্চয়ই এটা একটি অশ্লীল কাজ ও নিকৃষ্ট পথ’ (সুরা আল ইসরা : ৩২)। ১৪ ফেব্রুয়ারি অধিকাংশ মানুষ অবৈধ প্রেম, শারীরিক সম্পর্ক ও হারাম কাজের দিকে ধাবিত হয়।

৩. ফিতনার (পাপাচার) কারণ

এই দিনে তরুণ-তরুণীরা বেহায়াপনা ও অনৈতিক কাজের প্রতি আকৃষ্ট হয়।

৪. অপচয় ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয়

ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই অপচয়কারী শয়তানের ভাই’ (সুরা আল ইসরা : ২৭)। ভালোবাসা দিবসে ফুল, কার্ড, উপহার ও ডিনারের নামে প্রচুর অর্থ অপচয় হয়, যা ইসলাম সমর্থন করে না।

৫. ইসলামিক সমাজ ও সংস্কৃতির ক্ষতি

মুসলমানদের মধ্যে পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে ইসলামি মূল্যবোধ নষ্ট হয়।

ইসলামে ভালোবাসা দিবসের বিকল্প কী?

১. স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা বৃদ্ধির জন্য যে কোনো দিন উপহার দেওয়া যেতে পারে।

২. মা-বাবা, আত্মীয়স্বজন ও গরিব-দুঃখীদের ভালোবাসা ও দয়া দেখানো উচিত।

৩. আল্লাহ ও রাসুলের ভালোবাসার প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিত।

৪. হারাম সম্পর্কের পরিবর্তে ইসলামের বিধান অনুসারে বিবাহের মাধ্যমে পবিত্র সম্পর্ক স্থাপন করা উচিত।

লেখক : মুহতামিম, জামিয়াতুল কোরআন, ঢাকা

সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ