খুঁজুন
শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২১ চৈত্র, ১৪৩২

দৈনিক অগ্নিপ্রহরের ‘ওয়ান কে’ ছোঁয়া: ঘরোয়া আয়োজনে তারুণ্যের স্বপ্ন, সাহস ও সম্ভাবনার উদযাপন

হারুন আনসারী রুদ্র
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ণ
দৈনিক অগ্নিপ্রহরের ‘ওয়ান কে’ ছোঁয়া: ঘরোয়া আয়োজনে তারুণ্যের স্বপ্ন, সাহস ও সম্ভাবনার উদযাপন

স্বল্প পরিসর, সীমিত আয়োজন—তবুও আবেগ, ভালোবাসা আর স্বপ্নে ভরপুর এক অনন্য মুহূর্তের সাক্ষী হলো অগ্নিপ্রহর নিউজরুম। অল্প সময়ের পথচলায় ‘ওয়ান কে’ মাইলফলক স্পর্শ করার আনন্দে ঘরোয়া পরিবেশে কেক কেটে উদযাপন করলেন দৈনিক অগ্নিপ্রহরের তরুণ সংবাদকর্মীরা।

শুক্রবার (০২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় প্রতিদিনের মতোই ব্যস্ত সময় কাটছিল নিউজরুমে। চলছিলো সংবাদ সংগ্রহ, সম্পাদনা ও প্রকাশনার নানা কাজ। এর মধ্যেই সহকর্মী মুন্নী সুলতানা প্রস্তাব দেন—এই অর্জনটুকু উদযাপন করা উচিত। তার কথায় সাড়া দেন সহকর্মীরা। শরীফ খানও বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত একটি ছোট আয়োজন করার আহ্বান জানান।

অল্প সময়ের মধ্যেই সিদ্ধান্ত হয়, কাছের একটি বেকারি থেকে কেক এনে ছোট্ট করে উদযাপন করা হবে। কেউ ব্যস্ত হয়ে পড়ে কেক আনার কাজে, কেউ আবার নিউজরুম গোছানো ও ছবি তোলার প্রস্তুতিতে। মুহূর্তেই অফিসের পরিবেশ বদলে যায়—কাজের চাপের মাঝে যুক্ত হয় উৎসবের আমেজ।

এক এক করে যোগ দিতে থাকেন টিমের অন্য সদস্যরাও। রাসেল, রইছ উদ্দিন, দোহা সহ আরও কয়েকজন এসে উপস্থিত হন। সিদ্ধান্ত হয়, ব্যানার লেখা দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে গ্রুপ ছবি তোলা হবে। সবাই যখন কেক কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, ঠিক তখনই ঘটে এক চমকপ্রদ ঘটনা।

হঠাৎ করেই হিমুর সঙ্গে নিউজরুমে উপস্থিত হন সবার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক অধ্যাপক আলতাফ হোসেন। তার আগমনে মুহূর্তেই পুরো পরিবেশ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এমন একটি আনন্দঘন মুহূর্তে প্রিয় শিক্ষকের উপস্থিতি যেন আয়োজনটিকে আরও বিশেষ করে তোলে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে মুন্নী সুলতানা সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অগ্নিপ্রহরের অল্প সময়ের পথচলা এবং অর্জনের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমরা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ‘ওয়ান কে’ বন্ধুর ঘরে পৌঁছাতে পেরেছি। এটি আমাদের জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। এই অর্জন আমাদের আরও ভালো কাজ করার সাহস জোগাবে।”

এরপর শরীফ খান অধ্যাপক আলতাফ হোসেনকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান। অধ্যাপক আলতাফ হোসেন তার বক্তব্যে তরুণদের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “এই অগ্নিপ্রহরের ব্যাপারে আমাকে জানিয়েছে হিমু। এখানে এসে আমি সত্যিই আনন্দিত। তরুণদের এই উদ্যোগ আমাকে আশাবাদী করে তুলেছে। আমি বিশ্বাস করি, তারা প্রত্যেকে একেকটি সম্ভাবনার নাম।”

তিনি আরও বলেন, আড্ডা, আলোচনা এবং সৃজনশীল চিন্তার মধ্য দিয়েই একটি ভালো সংবাদমাধ্যম গড়ে ওঠে। এ সময় তিনি পত্রিকা পরিচালনার নানা দিকনির্দেশনাও দেন, যা উপস্থিত সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা হিসেবে বিবেচিত হয়।

বক্তব্য শেষে সবাই মিলে কেক কাটেন এবং একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান। হাসি, আনন্দ আর উচ্ছ্বাসে ভরে ওঠে পুরো নিউজরুম। এটি ছিল অগ্নিপ্রহর পরিবারের প্রথম কোনো আনুষ্ঠানিক উদযাপন, যা ভবিষ্যতে আরও বড় অর্জনের প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অগ্নিপ্রহর টিমের সদস্যরা জানান, এই পথচলায় তাদের পাশে রয়েছেন অসংখ্য পাঠক, ফলোয়ার ও শুভানুধ্যায়ী। তাদের ভালোবাসা ও সমর্থনই অল্প সময়ের মধ্যে এমন একটি মাইলফলক অর্জনে সহায়ক হয়েছে।

বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানানো হয় দৈনিক অগ্নিপ্রহরের প্রকাশক এম এম শহিদুল ইসলাম শাহীনের প্রতি। তার দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতার ফলে এই উদ্যোগ বাস্তব রূপ পেয়েছে বলে জানান তারা। পাশাপাশি তার সহধর্মিণীর উৎসাহ ও প্রেরণাও এই পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এছাড়াও অগ্নিপ্রহরের সূচনালগ্ন থেকে যারা বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন—সহকর্মী, বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সম্ভাবনাময় সংবাদমাধ্যম ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অগ্নিপ্রহর পরিবারের সদস্যরা বিশ্বাস করেন, স্রষ্টার প্রতি আস্থা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং নিরলস পরিশ্রমই তাদের এগিয়ে নেবে আরও বড় সাফল্যের দিকে। তারা আশা করছেন, ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে পাঠকদের আস্থা অর্জন করতে পারবেন।

এই ক্ষুদ্র আয়োজন তাই শুধু একটি উদযাপন নয়—এটি ছিল স্বপ্ন দেখার, সাহস সঞ্চয়ের এবং একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারের এক অনন্য মুহূর্ত।

ফরিদপুরে অধিপত্য বিস্তার নিয়ে চার গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৩০

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে অধিপত্য বিস্তার নিয়ে চার গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৩০

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চার গ্রামের অধিবাসীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় বাজারের বেশ কয়েকটি দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে ঘন্টাব্যাপী উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মনসুরাবাদ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে এক পক্ষে মনসুরাবাদ গ্রামের লোকজন এবং অন্য পক্ষে ওই ইউনিয়নের খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিঙ্গারিয়া গ্রামের লোকজন নেতৃত্ব দেয়।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ওই তিনটি গ্রামের লোকদের সঙ্গে মনসুরাবাদ গ্রামের লোকদের বিরোধ চলে আসছিল। এই পূর্ব বিরোধের জের ধরে শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে খাপুরা গ্রামের এক ব্যক্তি মনসুরাবাদ গ্রামে এলে তাকে মারধর করা হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিঙ্গারিয়া গ্রামের লোকজন জোটবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মনসুরাবাদ বাজারের ব্যবসায়ীসহ এলাকাবাসীর ওপর হামলা চালায়। তখন দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পরে ভাঙ্গা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।সংঘর্ষের সময় মনসুরাবাদ বাজারের চার-পাঁচটি দোকানে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
আহতদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ওই এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। তবে, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

“দেশে জ্বালানি সংকট নেই, কৃত্রিম সংকটকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা”: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ণ
“দেশে জ্বালানি সংকট নেই, কৃত্রিম সংকটকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা”: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) দুপুরে ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী পানি ব্যবস্থাপনা, নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে গৃহীত প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। তিনি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন, চলমান প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল, জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্যা, পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রী দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলছে।

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, “দেশে বর্তমানে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই। একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী বর্ষা মৌসুমের আগে কৃষকদের জন্য পর্যাপ্ত ডিজেল ও পেট্রোল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, নদীভাঙন রোধে সরকার বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এসব প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোকে সুরক্ষার আওতায় আনা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “নদীভাঙন শুধু অবকাঠামোগত নয়, এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা। তাই আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্থায়ী সমাধানের দিকে এগোচ্ছি।”

এর আগে, প্রতিমন্ত্রী ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ে পৌঁছালে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে তাকে বরণ করে নেন।

ফরিদপুরে নানা আয়োজনে ওমেন কার্ণিভাল ২০২৬ অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে নানা আয়োজনে ওমেন কার্ণিভাল ২০২৬ অনুষ্ঠিত

ফরিদপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ওমেন কার্ণিভাল ২০২৬ (Women Carnival–2026)। নারীর সক্ষমতা ও দক্ষতা উন্নয়ন সংগঠন নন্দিতা সুরক্ষা শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য আয়োজন করে।

ফরিদপুর শিশু একাডেমী  মিলনায়তনে  নারীর শক্তি, নেতৃত্ব ও সম্ভাবনা উদযাপনের ব্যাতিক্রমী এই  আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৩শ‘ জন নারী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিত্বকারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ফরিদপুর-৩ আসনের  সংসদ সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মহিলা বিষয়ক অধিদফতর, ফরিদপুর-এর উপ-পরিচালক মাসউদা হোসাইন এবং দ্যা এশিয়া ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি সাজ্জাদ হোসাইন।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে ‘জাগো নারী জাগো বণ্হিশিখা…’ গানের তালে  মনোমুগ্ধকর স্বাগত নৃত্য পরিবেশিত হয়।

নন্দিতা সুরক্ষার প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক তাহিয়াতুল জান্নাত রেমি তার স্বাগত বক্তব্যে প্রকল্পের উদ্দেশ্য, কার্যক্রম এবং নারীদের নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই আয়োজন শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি নারীদের শক্তি, সাহস, স্বপ্ন এবং সম্ভাবনার এক উজ্জ্বল প্রতিফলন। দ্যা এশিয়া ফাউন্ডেশন ও এফসিডিও-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠান নারীর ক্ষমতায়ন, নেতৃত্ব এবং সামাজিক পরিবর্তনে তাদের ভূমিকা তুলে ধরার এক গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী নারীদের মধ্য থেকে শিলা বিশ্বাস (জেলে কমিউনিটি) ও নিশাত নাবিলা (ছাত্রী) তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি  ব্যাক্ত করেন। তাদের বক্তব্যে উঠে আসে নারীদের সংগ্রাম, চ্যালেঞ্জ এবং এগিয়ে যাওয়ার গল্প।

মুক্ত আলোচনা পর্বে অংশগ্রহণকারীরা সরাসরি তাদের মতামত, অভিজ্ঞতা এবং প্রত্যাশা তুলে ধরেন। এসময় নারীদের বাস্তব সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে একটি প্রাণবন্ত আলোচনার অবতারণা হয়।

প্রধান অতিথি  নায়াব ইউসুফ আহমেদ তার বক্তব্যে নারীদের নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, নারীরা শুধু সমাজের অংশ নয়, বরং পরিবর্তনের চালিকাশক্তি। অনুষ্ঠানটি একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে তা হলো, নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে, নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং সমাজ পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বিকেলে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি  সেশন অনুষ্ঠিত হয়। মেডিনোভা হাসপাতালের মেন্টাল হেলথ কাউন্সেলর রিসালাতুন নাহার রিনা সেশনটি পরিচালনা করেন যেখানে নারীদের মানসিক সুস্থতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের শেষ অংশে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। গান, নাচ ও বিভিন্ন পরিবেশনার মাধ্যমে উদযাপন করা হয় নারীর সৃজনশীলতা ও শক্তি। সেখানে কনসার্ট ফর লেডিজে গান পরিবেশন করে ব্যান্ড দল ‘ অংশ’।

আয়োজকরা জানান, এই Women Carnival নারীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস, সচেতনতা এবং পারস্পরিক সংযোগ বৃদ্ধি করতে সহায়ক হবে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।