খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৩ বৈশাখ, ১৪৩৩

আলফাডাঙ্গায় ক্ষেতে গিয়ে কৃষকের কান্না—রাতে তুলে নিয়ে গেল ৫০ মন পেঁয়াজ

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
আলফাডাঙ্গায় ক্ষেতে গিয়ে কৃষকের কান্না—রাতে তুলে নিয়ে গেল ৫০ মন পেঁয়াজ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় রাতের অন্ধকারে এক কৃষকের পেঁয়াজ ক্ষেত থেকে আনুমানিক ৫০ মন পেঁয়াজ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ১নং বুড়াইচ ইউনিয়নের শিয়ালদী গ্রামে। ভুক্তভোগী কৃষক মো. ইনামুল হক (রুবেল) জানান, তিনি চলতি মৌসুমে শিয়ালদী ও শৈলমারী মৌজায় প্রায় ৩ একর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেন। ভালো ফলনের আশায় তিনি সার, সেচ ও পরিচর্যায় যথেষ্ট শ্রম ও অর্থ বিনিয়োগ করেন।

তিনি বলেন, “গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ৮টার দিকে প্রতিদিনের মতো ক্ষেত পরিদর্শন করে বাড়ি ফিরে যাই। পরদিন সকালে আবার ক্ষেতে গিয়ে দেখি, ক্ষেতের বড় অংশ থেকে পাকা ও আধা-পাকা পেঁয়াজ তুলে নিয়ে গেছে চোরেরা। প্রায় ৫০ মন পেঁয়াজ নেই।”

তিনি আরও জানান, কিছু পেঁয়াজ ক্ষেতের মধ্যেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে ছিল, যা দেখে ধারণা করা হচ্ছে চোরেরা তাড়াহুড়ো করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

স্থানীয়দের মতে, সংঘবদ্ধ চক্র রাতের আঁধারে পরিকল্পিতভাবে এই চুরি সংঘটিত করেছে। কৃষকদের কষ্টার্জিত ফসল এভাবে লুট হওয়ায় এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। সাম্প্রতিক সময়ে কৃষিজ পণ্য চুরির ঘটনা বাড়ায় নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইদ্রিস শেখ (৬০), মো. রমিজ উদ্দিন (২৫) ও মো. ফারুক আহম্মেদ (৬০) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক আলফাডাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হাসনাত খান বলেন, “আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয় কৃষকরা দ্রুত তদন্ত করে চোরদের গ্রেপ্তার এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।

নগরকান্দায় ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

নগরকান্দা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
নগরকান্দায় ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় ট্রেনে কাটা পড়ে ইউনুস শেখ (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের বাঁশাগাড়ী গ্রামসংলগ্ন রেললাইনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডাঙ্গী ইউনিয়নের খৈয়া গ্রামের মৃত আদেলউদ্দীন শেখের ছেলে ইউনুস শেখ দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। ঘটনার সময় তিনি অসাবধানতাবশত রেললাইন পার হওয়ার চেষ্টা করলে দ্রুতগামী ‘মধুমতি এক্সপ্রেস’ ট্রেনের নিচে পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রেনের গতি বেশি থাকায় চালকের পক্ষে তাৎক্ষণিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি।

নিহত ইউনুস শেখের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ছেলে জীবিকার তাগিদে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন এবং মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। বৃদ্ধের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারটি গভীর শোকাহত হয়ে পড়েছে।

খবর পেয়ে রাজবাড়ী রেলওয়ে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ বিষয়ে রাজবাড়ী রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, “দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছি। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”

ফরিদপুরের রাজনীতিতে উত্তাপ: ফেসবুক পোস্ট ঘিরে মুখোমুখি স্বপন-আসিফ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের রাজনীতিতে উত্তাপ: ফেসবুক পোস্ট ঘিরে মুখোমুখি স্বপন-আসিফ

ফরিদপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ.কে.এম কিবরিয়া স্বপন ও ফরিদপুর-৩ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী মোরশেদুল ইসলাম আসিফ-এর মধ্যে এই বিতর্ক এখন স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচিত।

সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পোস্টে এ.কে.এম কিবরিয়া স্বপন দাবি করেন, তিনি কখনোই এমন কোনো পোস্ট করেননি যা কারও কষ্ট বা অসম্মানের কারণ হতে পারে। তার বিরুদ্ধে সামাজিক মাধ্যমে যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এসব পোস্ট দিয়ে তাকে নিয়ে সমালোচনা করা ব্যক্তির উদ্দেশ্য কী। একই সঙ্গে তিনি বলেন, “যদি আমার বিরুদ্ধে কোনো অন্যায় বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ থাকে, তাহলে ফরিদপুরের প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করবো—তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

অন্যদিকে, মোরশেদুল ইসলাম আসিফ তার ফেসবুক পোস্টে কিবরিয়া স্বপনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, নিউ মার্কেট এলাকার অসহায় দোকানদারদের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গরিব মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ কেড়ে নেওয়া হচ্ছে এবং এই পরিস্থিতির অবসান হওয়া প্রয়োজন।

আসিফ তার পোস্টে ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। সময় খুব কাছেই—এই অত্যাচারের বিচার হবেই।” তার এই বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে এবং বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করতে পারে, তাই বিষয়টি দ্রুত যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন।

ফরিদপুরে কাঁচাবাজারে আগুন—সবজির দামে নাভিশ্বাস, চাপে স্বল্প আয়ের মানুষ

হারুন-অর-রশীদ ও এহসানুল হক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে কাঁচাবাজারে আগুন—সবজির দামে নাভিশ্বাস, চাপে স্বল্প আয়ের মানুষ

ফরিদপুরের কাঁচাবাজারে হঠাৎ করেই সবজির দামে অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। বাজারে গিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় তরকারি কিনতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা, বিশেষ করে স্বল্প আয়ের মানুষজন। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ সংকট ও পাইকারি বাজারে দাম বৃদ্ধির প্রভাবেই খুচরা বাজারে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে বাজারে আলু ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজির দামই চড়া। আলু প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়, তবে পটল ১০০ টাকা, উস্তে (করলা) ৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৮০ টাকা এবং ঝিঙে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বেগুন, শসা, কাঁচা মরিচসহ অন্যান্য সবজির দামও ৮০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে।

বাজারে গিয়ে দেখা যায়, অনেক ক্রেতা প্রয়োজনের তুলনায় কম পরিমাণে সবজি কিনছেন। কেউ কেউ আবার একেবারেই না কিনে ফিরে যাচ্ছেন। নিম্ন আয়ের একাধিক ক্রেতা জানান, প্রতিদিনের আয় দিয়ে সংসার চালাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে, তার ওপর সবজির এমন দাম বাড়ায় রান্নার তালিকায় কাটছাঁট করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

কাঁচাবাজারের বিক্রেতারা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব, তেল সংকট, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে পাইকারি বাজারেই দাম বেড়েছে। ফলে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে। অনেকেই দাবি করছেন, বাজারে তদারকির অভাব থাকায় দামের এই ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না।

অন্যদিকে, শুধু সবজিই নয়—মাছ, মাংস, ডাল ও ভোজ্যতেলের দামও বেশ চড়া। ফলে সামগ্রিকভাবে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, বাজার মনিটরিং জোরদার করা এবং কৃষকদের উৎপাদন সহায়তা বাড়ানো হলে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

স্থানীয় ভোক্তারা দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা বলছেন, এভাবে দাম বাড়তে থাকলে সাধারণ মানুষের পক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য কেনা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠবে।

এ ব্যাপারে ফরিদপুরের কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল আলম পারভেজ ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, “বর্তমান বাজার পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। একটি অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বৃদ্ধি করছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে এমন অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তুলছে। আমরা মনে করি, বাজারে কার্যকর তদারকি, সরবরাহ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে এই সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করবে। দ্রুত প্রশাসনের সমন্বিত পদক্ষেপ জরুরি।”

এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, শীতকালীন সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেক পন্য পুরনো কিংবা নতুন বাজারে আসছে, সেজন্য দাম কিছুটা বেশি রয়েছে। তবে, ১৫ দিনের মধ্যে এই দামটা সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে।

তিনি আরও বলেন, “বাজারে অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়ানো হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং জোরদার করছি। কোনো অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অতিরিক্ত মুনাফা করার চেষ্টা করলে তাকে শাস্তির আওতায় আনা হবে।”

এ ব্যাপারে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মিন্টু বিশ্বাসের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সোহরাব হোসেন ‘ফরিদপুর প্রতিদিন’-কে বলেন, আমরা কাঁচা বাজারে দ্রব্যমূল্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছি। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।